পাতা:বিশ্বকোষ ঊনবিংশ খণ্ড.djvu/৭২৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বোদ্ধধৰ্ম্ম L * १२७ J বোদ্ধধৰ্ম্ম ১• । ‘জৰ ভোৰাদিক' ( অভ্যোৰকালিঞ্চ ) অৱাচ্ছাদিত স্থানে বাস করা । • • । 'cनांनानिक (श्रालांनिक ) श्रनारन श्रथब डांशंद्र সন্নিধানে ৰাস কর । ১৯ । "যথাসম্বতিক’ ( যাথাসংস্কারিক )—যেখানে রাত্রি হুইৰে, সেইখানে শয্যা বিস্তার করা। ১৩ । নেসজ্জিক (নৈশষ্যক ) নিদ্রাকালেও শম্বন না করিয়া উপবিষ্ট অবস্থায় থাকা । উক্ত নিয়মগুলি সকলের পক্ষে প্রয়োজন নছে । তবে পালন করিতে পারিলে উত্তম। অষ্টম হইতে একাদশ পৰ্য্যন্ত সন্ন্যাসিনীগণের পক্ষে প্রয়োজ্য নহে । একাদশ হইতে ত্রয়োদশ তাছাদের পক্ষে একেবারেই নিষিদ্ধ। গৃহীদের পক্ষে কেৰল ৫ম ও ষষ্ঠ প্রতিপাল্য । যে কোন পুরুষ অথবা রমণী সংসারের ভোগমুখ পরি: ত্যাগ করিয়া ভিক্ষুজীবন যাপন করিতে অভিলাষী হইতেন, তাছাদিগকে ভিক্ষু সম্প্রদায়ে গ্রহণ করা হইত। এস্থলে জাতি বা মূৰ্য্যাদার বিশেষত্ব ছিল না । কেবল ধস্থ্য, তস্কর, ক্রীতদাস, যুদ্ধব্যবসায়ী এবং যাহারা ছোয়াচে রোগগ্রস্ত বা মহাপাপী এই সকল ব্যক্তিকে ৰাদ দেওয়া হইত্ত । সত্ত্যে প্রবেশের নাম প্রত্ৰজ্য এবং ভিক্ষুক বা শ্রমণ ধৰ্ম্মে দীক্ষিত হওয়ার নাম উপসম্পদ । প্রত্ৰঞ্জ্য-গ্রহণে যেরূপ দস্য তস্বরান্ধি অযোগ্য বলিয়া বিবেচিত হুইত, সেইরূপ কুকৰ্ম্মান্বিত কতকগুলি লোককে দীক্ষা দেওয়া হইত না। রমণীগণের দীক্ষাগ্রহণে চতুবিংশতি প্রকার অন্তরায় ছিল । প্রব্রজ্য এবং দীক্ষা বা উপসম্পদার পার্থক্য লইয়া বৌদ্ধ ধৰ্ম্মগ্রন্থ সমূহ অনেক সময়ে বড়ই গোল করিয়াছেন। তবে মোটামুটি এই বুঝিলেই যথেষ্ট হইবে যে, সন্ন্যাসধৰ্ম্ম গ্রহণের জন্ত গৃহত্যাগের নাম প্রত্ৰজ্য এবং সেই ধৰ্ম্মে দীক্ষিত হওয়ায় নাম উপসম্পদ। বৌদ্ধ ধৰ্ম্ম গ্রন্থ পাঠে জানা যায় যে বুদ্ধদেব প্রথমতঃ ষাইট জন শিষ্যকে ভিক্ষুপদে বরণ করেন, ইহার অতি অল্প সময়ের মধ্যেই ব্রহ্মচৰ্য্য ধৰ্ম্মের উৎকর্ষ দেখাইয়াছিলেন। যখন বুদ্ধাশষ্যগণ ধৰ্ম্মপ্রচার হইতে ফিরিয়া আসিলেন, তখন তাছাদের সঙ্গে অনেক লোক আসিয়া বুদ্ধদেবের নিকট প্ৰব্ৰজা ও উপসম্পদার দীক্ষা প্রার্থনা করিল। সেই সময় হইতে তিনি অনুমতি দিলেন যে, ভিক্ষুগণও এই স্বীক্ষা প্রদান করিতে পাব্লিবেন এবং এই সময়েই মস্তক ও শ্মশ্ৰ মুগুন এবং কাষায়বস্ত্র পরিধানাদি |नङ्गम थर्टिङ झ्द्देल ! ५३ नमtइ बीचtभर१कtबैौरक ठिनघैौद्ध जांथइ लहेरड इहेऊ প্রত্ৰজা, উপসম্পদ৷ বুদ্ধ, ধর্শ্ব ও সঙ্গ—“বুদ্ধং শরণং গচ্ছামি ধৰ্ম্মং শরণং গচ্ছামি शृङयु५ *ब्र*१ ऑफ़क्रांमि ।8 প্রত্ৰঞ্জাগ্রহণ এবং ভিক্ষুসম্প্রদায়ে প্রবেশ এক সময়েই হইতে পারিত,"ইহার অনেক দৃষ্টান্ত আছে। বৌদ্ধ বালকের সাত বৎসর পূর্ণ হইলে এবং পিতামাতার অনুমতি পাইলে সে ব্ৰহ্মচৰ্য্য অবলম্বন করিয়া ভিক্ষুধৰ্ম্ম গ্রহণের জন্ত অপেক্ষা করিতে পারিত । ২ • বৎসর বয়স না হইলে কেছ প্ৰব্ৰঞ্জ্য গ্রহণে অধিকারী হইত না । সুতরাং শ্রামণেরদিগকে ১২ বৎসর ব্রহ্মচৰ্য্য শিক্ষা করিতে হইত। এই সময়ে তাহারা দশ প্রকার শিক্ষাপীঠ অভ্যাস করিত। অস্ত ধৰ্ম্মাবলম্বী কেহ যদি বৌদ্ধ সন্ন্যাস-গ্রহণে অভিলাষী হইত, তাহাকেও যথারীতি নিয়ম প্রতিপালন করিতে হইত। পরীক্ষার জন্ত তাছাকে কিছু দিন অপেক্ষা করিতে হইত। এই সমন্ধের নাম পরিবাস । চূড়াধারী অগ্নি উপাসক জটিল এবং শাক্যবংশ ব্যতীত আর কাহাকেও ( পরিবাস ছাড়া ) উপসম্পদ লাভ করিতে দেখা যায় নাই । ভিক্ষুপদপ্রার্থী ব্যক্তিকে দশজন অথবা সময় বিশেষে পাঁচজন ভিক্ষুর সমক্ষে এক পরীক্ষা দিতে হইত। এই পরীক্ষার পুৰ্ব্বে পদপ্রার্থীকে কমণ্ডলু এবং কাষায় বস্ত্র গ্রহণ ও একজন উপধ্যায় বা গুরু মনোনয়ন করিতে হইত। ভিক্ষুগণের মধ্যে একজন সভাপতিরূপে দীক্ষাপ্রার্থীর পরীক্ষা করিতেন। যদি তিনি সন্তুষ্ট হইতেন, তবেই তিনি তথায় সমবেত ভিক্ষুগণকে উপস্থিত ব্যক্তির প্রার্থন এবং তাহার উপযুক্ততা জানাইতেন । তাহাকে দুইবার স্বমত বলিতে হইত। ভিক্ষুগণ উপযুক্ত মনে করিলে র্তাহাদের মেীন দ্বারা সম্মত জানাইতেন । তৎপরে সভাপতি মহাশয় ভিক্ষুপদ প্রার্থীকে ভিক্ষুমণ্ডলে গ্রহণ করিষা ঠান্থাকে আজীবন কেবলু চারি প্রকার আবশুকীয় দ্রব্য ভোগ এবং চারি প্রকার পাপ পরিহার করিবার জন্য উপদেশ প্রদান করিতেন । চারি প্রকার আবগুকীয় দ্রব্য ব্যতীত অন্তান্ত দ্রব্য একেবারেই নিধিদ্ধ ছিল না, কিন্তু আবশ্যকীয় বলিয়া গণ্য হইত। রমণীগণের মধ্যে বাছার সন্ন্যাস ধৰ্ম্ম গ্রহণ করিতেন, তাছাদিগকেও পুরুষের স্থায় সকল নিয়মই প্রতিপালন করিতে शहेऊ । ( ठूझद** ***१) উপসম্পদ বা দীক্ষা প্রণালী সম্বন্ধেই উত্তর এবং দক্ষিণ (०) नशवथन नामक गानि अtइ श्इ ‘जिनबर्षशत्रन' वनिब्र अच्ििश्फ । cखाः (**इ दू९गसिषrइ जिनब्र:पद्र अरेब्रग चर्ष क* श्रेबाuह--*वृक९ दिशबानांमजार, *** विबtनामांमञार, नब्द१ नंतांनां**ीt । ( *) शैगकtन १२॥९२॥