পাতা:বিশ্বকোষ একাদশ খণ্ড.djvu/১৭০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাণ্ডুয় . পৰ্য্যস্ত বাঙ্গালার রাজধানী ছিল । সুবিখ্যাত গৌড় নগর অপেক্ষ ইহার প্রতিপত্তি কোন অংশে নুনি ছিল মা। এই বড় পেড়ে ৪ ছোট পেড়ে। গ্রামে এখনও প্রাচীন কীর্তির যথেষ্ট ভগ্নাবশেষ আছে। বড় পেড়ে রাজধানী ছিল বলিয়া তাহার কীৰ্ত্তিরাশির সহিত বাঙ্গালার প্রাচীন ইতিহাস সংযুক্ত, কিন্তু ছোট পেঁড়োয় ঐতিহালিক ব্যাপার তত বেশী ঘটে নাই । যাহা হউক, অগ্রে ছোট পেড়েীর বিষয় বর্ণিত হইতেছে । ছোট পেড়ে। হুগলী জেলায় অবস্থিত। এখানে ইষ্ট ইণ্ডিস্নান রেলওয়ের একটী ষ্টেশম আছে । বৰ্দ্ধমান ও কলিকাতা হইতে ইহা প্রায় সমদূরবর্তী এবং ২৩° ৪৩৫ উঃ অক্ষাংশে ও ৮৮° ১• ২৫% পুৰ্ব্ব দ্রাঘিমায় অবস্থিত। এই গ্রমে রেল হওয়ায় ইহার এখনও কতকটা গৌরব বর্তমান আছে। রেলগাড়ীতে বসিয়া দক্ষিণদিকে চাহিলেই এই গ্রামের মধ্যস্থ এক প্রাচীন প্রধান কীৰ্ত্তির উপর দৃষ্টি পড়ে, উহা একটা গোলাকার উচ্চ ইষ্টকস্তম্ভ, উহাই “পেড়োর মন্দির” নামে খ্যাত। পেঁড়োর মন্দির অনেক ঝড়ঝাপট ও কালের প্রভাব , অতিক্রম করিয়া আজও দাড়াইয়া থাকিয় নিজের দৃঢ়তার পরিচয় দিতেছে,---এই ব্যাপার হইতেই বাঙ্গালাদেশে "পেঁড়োর মন্দির” কথাটাই প্রবাদ স্বরূপ হইয়া গিয়াছে, কোন বিষয়ের স্থায়িত্ব বা দৃঢ়তার উল্লেখ করিতে হইলেই লোকে পেঁড়োর মন্দিরের উল্লেখ করিয়৷ তুলনা দেয়। ক্রমশঃ উহা হইতে এক ট। কদৰ্থও প্রকাশিত হইয়াছে, যে সকল বাল-বিধবা পিতৃগৃহে অসম্ভব প্রভাবশালিনী হইয়া অবস্থান করে, তাহদিগের প্রভাব সহিতে না পারিয়া আস্তান্ত স্ত্রীলোকে তাহাদিগকে "পেঁড়োর-মন্দির” ধলিয়া গালি দিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে । ছোট পেড়ের প্রাচীন ইতিহাস। টোডরমল্পের জমা তুমারীর সময় বাঙ্গালাদেশের পশ্চিমাংশ পাচটা “সরকার” বা জেলায় বিভক্ত হয়,–(১) তাও। ( তাড়া ), ইহা মুর্শিদাবাদের দক্ষিণাংশ পর্য্যস্ত বিস্তৃত ; (২) সারিফাবাদ, ইহা মুর্শিদাবাদের দক্ষিণ হইতে বৰ্দ্ধমান পর্যন্ত বিস্তৃত ; মনাবাদ, ইহা বৰ্ত্তমান নদীয়া, বৰ্দ্ধমান ও হুগলী জেলার কতকাংশ পর্য্যস্ত বিস্তৃত ; (৪) সাতগ।. ইহা হুগলীর আরসা পরগণা হইতে হাবড় এবং বর্তমান সমস্ত ২৪ পরগণা ও নদীয়ার দক্ষিণাংশ পর্য্যন্ত বিস্তৃত ; এবং (৫) মাদারণ বা মান্দারণ, ইহা রাণীগঞ্জ হইতে মণ্ডলঘাট পরগণায় হুগলী দামোদরের সংযোগস্থল পৰ্য্যন্ত বিস্তৃত ছিল । এই স্থলেমনাবাদ পরগণা কালে এখন সলিমাবাদ নাম ধারণ করিয়াছে । এই স্বলেমনবাদ নাম বাঙ্গালার দ্বিতীয় আফগান নরপতি সুলতান মুলেমান শাহ হইতে হইয়াছে। ইনি ৯৮- হিঙ্গিরায় বা ১৫৭২ [ s१० (৩) স্থলে- | J পাণ্ডুয়া খৃষ্টাব্দে স্বর্গগত হন। পূৰ্ব্বে মুসলমান নরপতদিগের অন্তঃপুর বা হাবেলীর ব্যয়নিৰ্ব্বাহাৰ্থ রাজ্যের এক এক অংশের রাজস্ব নির্দিষ্ট থাকিত । তদনুসারে এই স্কুলতান স্থলেমানশাহের হাবেলীয় র্যয়নিৰ্ব্বাহাৰ্থ এই সুলেমলাবাদ পরগণার একাংশ নির্দিষ্ট ছিল, উহার নাম ছিল পরগণা হাবেলী স্থলেমনাবাদ ; এই নাম এখনও সংক্ষিপ্ত আকারে "পরগণা হাবেলী’ হইয়। বর্তমান আছে । এই হারেলী পরগণা বৰ্দ্ধমানের দক্ষিণপূর্ব হইতে দক্ষিণে দামোদর পর্য্যস্ত বিস্তৃত । ছোট পাণ্ডুয়া এই সুলেমনাবাদ বা সলিমাবাদ সরকারে অবস্থিত। টোডরমল্পের জমাকুমারীতে পাণ্ডুরাই একটা স্বতন্ত্র পরগণা বলিয়া গৃহীত হয় ও উহার রাজস্ব ১৮২৩২৯২ দাম ব৷ ৪৫৫৮২ টাকা স্থির হইয়াছিল । এখনও ইহা স্বতন্ত্র পরগঙ্গা বলিয়া গণ্য হইয়া থাকে এবং এক্ষণে এই পরগণা হইতে টাক। রাজস্ব অন্নদায় হয় । খৃষ্টাব্দে ইছা ইংরাজের অধীন এবং বৰ্দ্ধমানরাজের জমাদারীভুক্ত হইয়াছিল । পাণ্ডুয়ায় প্রাচীনদুর্গের বৃহৎ প্রাচীরের দুর্গপরিখার চিহ্ন এথন ও বর্তমান গ্রামের বহুদূরবর্তী স্থানে দেখিতে পাওয়া যায়। প্রাচীন মসজিদের ভগ্নাবশেষ, বৃহৎ বৃহৎ স্বধৃঢ় ঘাট প্রভৃতির ভগ্নাবশেষ দেখিয়া বুঝা যায়, ইহা এক অতি সমৃদ্ধিশালী নগর ছিল । উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমাবস্থাতেও এখানকার কাগজের কারবার বিশেষ প্রসিদ্ধ ছিল। “পেড় ই” কাগজের কথা এখনও এখানকার মুসলমানদিগের নিকট শুনিতে পাওয়া যায়। শুনা গিয়াছে, পাণ্ডুয়ার কাগজ দীর্ঘকালস্থায়ী ও পাতল হইত রলিয়া বিশেষ আদৃত হইত।* পাণ্ডুয়ার অধিবাসী প্রধানতঃ মুসলমান। নিম্নশ্রেণীর হিন্দু ব্যতীত এথানে হিন্দু নাই বলিলেই হয় । শুনা গিয়াছে, এই গ্রামে একঘর ও ব্রাহ্মণ বা কায়ন্থের বাস নাই। এখানকার সমস্ত মুসলমানই শাহ সফিউদ্দীন নামক এক পীরের বংশধর বলিয়া পরিচয় দেয়। গণ্যমান্ত বংশের মুসলমানদিগের বংশমৰ্যাদা লইয়া পাণ্ডুয়ার বাহিরে এইজন্ত কোন কপাই উঠে না । আইন-ই-আকবরী ভিন্ন তদপেক্ষা প্রাচীন আর কোন মুসলমানী ইতিহাসে ছোট পাণ্ডুয়ার নাম পাওয়া যায় না। ইহার নামোৎপত্তি সম্বন্ধে এইরূপ অনুমান হয়,–গৌড়ের প্রাচীনতম রাজধানী পেও বৰ্দ্ধন (বর্তমান বড় পাড় স্থা, পুড়বা) হইতে পালরাজকর্তৃক আদিশূরের বংশধর বিতাড়িত হইলে &p"brえ● ك لاa مهمة

  • শোণমদের তীয়বৰ্ত্তী বিছার পরগণার অন্তর্গত আরোয়াল নামক স্বামে প্রস্তুত “আরোয়ালী কাগজ" মোট ও দীর্ঘকালস্থায়ী বলিয়। এখনও

थाष्ट्रङ इश्म्ना श्राप्क ।