পাতা:বিশ্বকোষ একাদশ খণ্ড.djvu/১৭২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাণ্ডুয়া גרג ] J পাণ্ডুয় এবং তাছার আশীৰ্ব্বাদ আনিতে গেলেন। আবু আলী | আশীৰ্ব্বাদ করিয়া বলিয়া দিলেন যুদ্ধে জয় হইবে । শাহুসফী তৎপরে সৈন্ত লষ্টয়া গাণ্ডুয়ায় ফিরিলেন। এই সৈন্যদলের নেতা ছিলেন জাফর গা-ই-গাজী ( ইহারই সমাধি মন্দির ত্ৰিবেণীতে আছে )। বহরাম সাঙ্ক নামে আর এক ব্যক্তি এই | ধৰ্ম্মযুদ্ধে নিযুক্ত সৈন্তদগে পানীয় যোগাইয়া পুণ্যসঞ্চয় করিতে | ঐ সঙ্গে এদেশে আসেন । ইহারও সমাধিমন্দির বর্দ্ধমানে আছে ) তাহার পর যুদ্ধ ঘটে। প্রথম কএক যুদ্ধে মুসলমানের জয়ী হইতে পারে নাই। পরে তাহারা শুনিল মহানাদে রাজপ্রাসাদের নিকট এক দৈব বলসম্পন্ন পুষ্করিণী আছে, উছার জলে মৃতকে স্নান করাইয়া দিলে, সে পুনরুজ্জীবিত হয়। এই উপায়ে পাণ্ডুয়ার হিন্দুরাজার সৈন্থসংখ্যা ক্ষয় হইত না । শাহ্মফী এই ব্যাপার অবগত হুইয়া কতকগুলি ফকীরকে পুষ্করিণীর ঐ দৈবপ্রভাব নষ্ট করিতে নিযুক্ত করিলেন। তাহার একটা গোবধ কল্পিয় তাহার রক্তমাংস ঐ জলে ফেলিয়া দিল । তাহাতেই সেই দৈববল নষ্ট হইল। তখন মুসলমান সেন যুদ্ধে জয়লাভ করিল। যুদ্ধে শাহুসফী জয়লাভ করিয়া হিন্দুর প্রাচীন মন্দির ভাঙ্গিয়া সেই সকল মালমশলায় এক মসজিদ নিৰ্ম্মাণ করাইলেন। জয়স্তম্ভস্বরূপ এই "পেড়োর মন্দির” নামে খ্যাত স্তম্ভও নিৰ্ম্মিত হুইল, ॐशत्र ठूज्जाग्र cष cजोश्न७ cनश्वा षांश, ७धदान «हेक्र”, ॐशहे শাহুসফার হস্তে সৰ্ব্বদা ধষ্টিরূপে ব্যবহৃত হইত। তাহার পর শাহুসফ নগর হইতে সমস্ত হিন্দু তাড়াইয়া দিতে আরম্ভ করিলেন। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র যুদ্ধ হইতে লাগিল। ইহারই এক যুদ্ধে শাহুসফ প্রাণত্যাগ করেন। তাহার পুত্রকস্তারা তাহীকে পাণ্ডুযাতেই তাহার নিজ নিৰ্ম্মিত মসজিদের নিকট সমাহিত করিয়৷ তাছার উপর গম্বুজ স্থাপিত করেন। এই গল্পাংশ হইতে ছুইটী ঐতিহাসিক নাম পাওয়া যায়। একটা মুলতান ফিরোজশাহের নাম, অপরটা পাণিপথ-কর্ণালের ফকীর অাৰু অtলী কলম্বরের নাম । শাহসফীর নাম কোন ইতিহাসে দেখা যায় না । দিল্লীতে সুলতান ফিরোজ শাহ তিনজন ছিলেন, তন্মধ্যে প্রথম ফিরোজ শাহ ১২৩৬ খৃষ্টাবো মরেন, দ্বিতীয় ফিরোজ শাহের ১২৯৬ খৃষ্টাব্দে মৃত্যু হয় এবং তৃতীয় ফিরোজ শাহ ১৩৫১ হইতে ১৩৮৮ খৃষ্টা পৰ্য্যন্ত রাজত্ব করিয়াছিলেন । আবু আলী কলম্বরের পূর্ণ নাম শেখ শরফুদ্দীন আধু আলী কলন্দর। ইনি ভারতের প্রথম প্রসিদ্ধ মুসলমান ফকীর ময়মুদ্দীন-ই-চিস্তির শিষ্য ছিলেন। পাণি کیسمسیح 중 ময়েই চিন্তির मभlषिश्न(श्रृंद्र अखिभौ८४ वराँश्iम चttछ् । श्tब्र পূৰ্ব্বে फोब्रड'ी কোন মুসলমান ফকীরের বিবরণ বা নাম পাওয়া যায় ল, এই জগু R श्रक७ॉब्र८७म ॐ५भ भुकौद्र दएल । _ পথে আবু আলীর সমাধি মন্দির বর্তমান আছে, তন্মধ্যস্থ উৎকীর্ণ লিপি হইতে জানা যায়, আবু আলী ১৩২৪ খৃষ্টাব্দের সেপ্টেম্বর মাসে মারা যান। ইহা হইতে প্রমাণ হইল যে আবু আলী কলসীর ও মুলতান দ্বিতীয় ফিরোজ শাহ সমসাময়িক ছিলেন। আর এই আবু আলী কলম্বরের সহিত শাহসফা সাক্ষাৎ করিয়াছিলেন, অতএব তিনি দ্বিতীয় ফিরোজ শাহের ভাগিনেয় হইতে পারেন। পূৰ্ব্বোক্ত উপাখ্যানের যদি কোন মূল থাকে, তবে বলা যায় খৃষ্টীয় ভ্রয়োদশ শতাব্দীর শেষে পাণ্ডুয়ায় হিন্দুরাজ্য ধ্বংস হয় এবং সুবিখ্যাত “পেঁড়োর মন্দির” নির্মিত হয়। মহম্মদ-ই-বখতিয়ারের বাঙ্গালা জয়ের পর একশত বৎসরের মধ্যেই "পেঁড়োর মন্দির" নিৰ্ম্মিত হইয়াছিল বলিতে হইবে । ত্রিবেণীর জাফরখার সমাধিমন্দিরে ১৩১৩ খৃষ্টাব্দে র্তাহার মৃত্যুর দিন পাওয়া যায়, স্বতরাং এই সময়ের সহিতও নৈকট্যবশতঃ পেড়োর মন্দিরের নিৰ্ম্মাণকাল একপ্রকার নির্ণীত হইল। ইহার অভ্যস্তরভাগ আগাগোড়া পঙ্কের कांछ द ब्रां । পেড়োর মন্দিরে প্রবেশদ্বার পশ্চিম মুখে এবং শাহুসফার মসজিদের অতি নিকটে ১৭৫ ফুট দুরে অবস্থিত বলিয়া অনেকে অম্বুমান করেন, এই স্তন্তু ঐ মসজিদের মাঞ্জিন স্তম্ভ বা আঞ্জান দিবীর উচ্চস্থান । এ অনুমান সত্য হউক বা না হউক তাহাতে ক্ষতিবৃদ্ধি কিছুই নাই। এমনও হইতে পারে, শাহুসফী প্রথমে ইহাকে জয়স্তস্ত রূপেই নিৰ্ম্মাণ করান, পরে মসজিদ নিৰ্ম্মিত হইলে, ইহাই তাহার মাজিন-স্তন্ত হইয়া পড়িয়াছিল । পেঁড়োর মন্দিরের চুড়ায় যে শাস্তৃদফীর যষ্টি নামে খ্যাত লৌহদণ্ডের কথা উল্লিখিত হইল, উহা প্রকৃত প্রস্তাবে তাড়িতপরিচালক গৌহদও কি না, তাহ পরীক্ষার বিষয় বটে, তাছা হইলে বলিতে হুইবে ভারতের চতুর্দশ শতাব্দীর মুসলমানেরাও উহার ব্যবহার জানিত । শাহুদফীর মসজিদ—এই মসজিদের উৎপত্তি ও ইতিহাস ইতিপূৰ্ব্বেই কথিত হইয়াছে। এখনকার লোকের ইহাকে “বাইস দরজার মসজিদ" বলে , কিন্তু প্রকৃত পক্ষে ইহাতে সন্মুখভাগে ২১ট খিলান অাছে। মসজিদটী লম্বে ২৩১ ফুট ও প্রস্থে ৪২ ফুট। ২১টা করিয়া তিনসারি থামের উপর মসজিদের ৬৩ট গম্বুজের ছাদ অবস্থিত । এই থামগুলি রাজমছল-পাহাড়ের বাসান্ট, পাথরের স্থায় পাথরে হিন্দুরীতিতে গঠিত। খিলানগুলির একদিক্ প্রাটরগাত্রে ও একদিক্‌ থামের উপর নির্ভর করিয়া আছে । মাঝের খিলানগুলির ছুই দিকৃই থামের উপর। থামগুলির মাথার ভারের তুলনায় খামগুলিকে লক্ষ বলিয়। বোধ হয় ; তবে যতদিন না পাশ্বের