পাতা:বিশ্বকোষ একাদশ খণ্ড.djvu/১৭৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাণ্ডুয়। ভ্রমণ করিতেন, আর আলাউলকে খালি পায়ে উষ্ণখাদ্য গ্রব্যের । খাল খালি মাথায় দিয়া তাহার পাখে চুটাইতেন। এইরূপে তাহার মাথায় টাক পড়িয়া গিয়াছিল। আলাউলহকের যখন সময় ছিল, তখন তিনি এত দান করিতেন যে, রাজা লজ্জিত হইয়া তাহাকে দেশ হইতে বাহির করিয়া দেন । তিনি মোশারগায়ে গিয়া বাস করেন এবং দ্বিগুণ দান করিতে আরম্ভ করেন । ইছাতে ছুইবৎসরের মধ্যে র্তাস্থায় সৰ্ব্বস্ব ব্যয়িত হইয়া যায়, কেবল দুইখানি বাগান অবশিষ্ট ছিল, উহা হইতেই অtট হাজার টাকা আয় হুইত ; কিন্তু তাহা ও তিনি এক ভিক্ষুককে দান করেন। যে রাজ তাছাকে দেশ হইতে বহিষ্কৃত করেন, তিনিই সম্ভবতঃ সেকমার শা। সেকপার শার পুত্র আজমশাহ, সুবর্ণগ্রামের শাসনকর্তা ও পিতৃদ্বেষী ছিলেন। আলাউলহক সেকন্দর কর্তৃক তাড়িত হইয়া তদ্ধিদ্বেষী অঙ্গিম শাহের রাজধানীতে গিয়া থাকিতেন এবং ৭৯২ ছিঞ্জিরায় গাজম ब्राजा श्रण ठिनि श्रां५ञ्चाग्न शिब्रिब्र श्राप्नम । आनाडणহকের ( ৮• • হিজরায় ) ১২৯৮ খৃষ্টাবো মৃত্যু হয় । সোণামসজিদ-ছয় হাজারী মসজিদের কিছু উত্তরে এই মসজিদের ধ্বংসাবশেষ বর্তমান। ইহা এটা করিয়া দুই স্তবকে দশট গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদ। ইহা দৈর্ঘ্যে ২ ফুট প্রস্থে ৪০ ফুট। খিলানগুলি ইষ্টকের, অবশিষ্ট সমস্ত পাথরের। থামগুলি দ্বাদশকোণী । ইহার গম্বুজ গুলি চারিদিকে মহাজঙ্গলে ভরিয়া গিয়াছে। ইহার পশ্চিমদিকে ১৭২ ফুট দীর্ঘ ও ১২৭ ফুট প্রস্থ একট চত্বর আছে, তাহ প্রাচীরবেষ্টিত, এই প্রাচীরগাত্রে প্রস্তরময় প্রধান প্রবেশ স্বায়। প্রাচীরগুলি সাত ফুট মোটা । পশ্চাতের দেওয়ালে পাচট খিলানে &ট কুলঙ্গী আছে। মধ্যস্থলের কুলঙ্গীর নিকট একট বেী ও তাছার উপর চন্দ্ৰাতপ। অশ্বথ ও বট গাছেই ইহার সর্বনাশ করিয়াছে। এখানে তিনখানি শিলালিপি আছে, তন্মধ্যে মধ্যদ্বারের উপরিস্থ প্রাচীনতম খানি হইতে छन| योग्न, मक्लग श्रोश् २३० श्छिङ्गाग्र (४८४२ श्रुहेरक) কুতুবশাহের নামে এই মসজিদ নিৰ্ম্মাণ করান। দ্বিতীয় লিপি বেদীর মূলে আছে, ইহাতে জানা যায়, ৯৯২ হিজরায় (১৫৮৪ খৃষ্টাব্দে ) মকছুম শাহই ঐ বেী স্থাপন করেন। তৃতীয় খানি চত্বর স্বারের উপর আছে ; ইহাতে লিখিত আছে যে, ৯৯৩ হিজিরায় ঐ ব্যক্তিই ঐ জ্বার ও চত্বর নিৰ্ম্মাণ করাইয়াছিলেন। এই মকদুম শাহ কুতুব শাহ বা মুর কুতুব আলম ফকীরের १श्रृंधूं★ । একলাখী-মসজিদ-ইহা একটা ইষ্টঙ্ক নির্মিত চতুরঙ্গ মসজিদ। ইহার এক এক পাশ্ব ২৫ ফুট দীর্থ, ইহার মিনারগুলি [ s१७ ] ಗ 岑 جسميجيسيتجسد অষ্টপলবিশিষ্ট। মধ্যভাগ ৪৮ ফুট বিস্তৃত এবং অষ্টকোণী । ছাদ একট গম্বুজের। সোণা মসজিদ হইতে অল্প উত্তরে অবস্থিত। এখানে তিমট কবর আছে, তন্মধ্যে মধ্যস্থানের কধরট স্ত্রীলোকের। কবরের ব্যক্তিত্রয় সম্বন্ধে বিভিন্ন লোকের বিভিন্ন মত আছে। ডাঃ কনিংহাম স্থির করিয়াছেন, দিনাজপুরের রাজা গণেশের পুত্র জলালউদ্দীন তাছার পত্নী এবং পুত্র শামসুদ্দীন আহমদ এখানে সমাছিত আছেন । জলালউদ্দীনের রাজধানী পাওয়ায় ছিল এবং কুতুবশাহ তাহার গুরু ছিলেন, এরূপ স্থলে তিনি যে এখানে নিজ সমাধি মন্দির প্রস্তুত করাইবেন, ইছা আশ্চর্য নহে। জুলালউদ্দীন ৮১৬ হইতে ৮৩১ হিজিরা পর্য্যস্ত রাজত্ব করিয়াছিলেন । এই মসজিদ মিৰ্ম্মাণ করাইতে একলক্ষ টাকা ব্যয় হয় বলিয়া প্রবাদ আছে । ইহার দেওয়ালগুলি ১৩ ফুট মোটা, দরজা চারিট ৭ ফুট চওড়া। গুখুঞ্জট ১৪ ফুট উচ্চ এবং দেওয়ালগুলি ২৭ ফুট উচ্চ। দরজার খিলান মুসলমালী ধরণের ; কিন্তু চৌকাট প্রভৃতি হিন্দুধরণের খোদিত ও হিন্দুচিত্রে ভূষিত । বাহিরের দেওয়ালের গাত্রে কাৰ্ণিসে অতি সুন্দর কারুকার্য্যবিশিষ্ট ফল ও লতাপাত খোদা আছে । কার্গিসের নিম্নে নামাবর্ণের চিত্রিত মস্থল টালি ছিল, এখন সে গুলির অার সে ধর্ণ নাই। খোদিত ইষ্টক ও সাধারণ ইষ্টকে ইহায় অনেক স্থান সুসজ্জিত। গম্বুজের উপর ও মিনারের উপর গাছপাল। জন্মিয়। ইহার ধ্বংসের স্বত্রপাত করিয়াছে। ইষ্টকনিৰ্ম্মিত এমন সুদৃপ্ত অট্টালিকা অল্পই দেখা যায়। আদিনা-মসজিদ-হজরত পাওয়ার সর্বাপেক্ষা বিখ্যাত কীৰ্ত্তির নাম আদিনা মসজিদ। বাঙ্গালিরা ইহাকে পৃথিবীর মধ্যে একটী আশ্চর্য্য পদার্থ বলিয়া বিবেচনা করেন, বাস্তবিক বৃহদাকারত ভিন্ন ইহার প্রাধান্ত অন্ত কিছুতে বড় দেখা যায় না । ইহা দৈর্ঘ্যে ৫০৭ ; ফুট এবং প্রস্থে ২৮৫ ফুট । ইহার বহির্ভাগ আয়তাকার চতুরস্র । অভ্যস্তরভাগ চারি চকে বিভক্ত । মধ্যে চত্বর দৈর্ঘ্যে ৪৯৭ ফুট প্রস্থে ১৫৯ ফুট । পশ্চিমদিকে স্তবকে খিলানবিশিষ্ট মূল মসজিদ, অন্ত তিন দিকে ৩ স্তবকে খিলানবিশিষ্ট চকের বারাও । পশ্চিমের খিলানগুলি আবার দুইভাগে বিভক্ত, মধ্যস্থলে একটা ৬৪ ফুট লম্বী ও ৩৩ ফুট চওড়া ঘর। এই ঘরের উভয় পাশ্বে প্রত্যেক স্তবকের সন্মুখে এক একট দ্বার। মধ্যস্থলের খিলান গৃহটর ছাদ হইয়াছে। এখন ইহা পড়িয়া গিয়াছে। অষ্টান্ত খিলানগুলির উপর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গম্বুজের ছাদ সংখ্যায় সৰ্ব্বশুদ্ধ ৩৭৮ টা। ইহার অধিকাংশই এখন বর্তমান নাই। মসজিদের বহির্ভাগে কোন কারুকার্য্য নাই, এমন কি সম্মুখের প্রাচীরেও কোনরূপ