পাতা:বিশ্বকোষ একাদশ খণ্ড.djvu/২২৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পান্না 始 [ ২২৬ ] 에어 --To-T-77 অঙ্গুরীয়ক ছিল। ইহা একটা উৎকৃষ্ট নিরেট পাল্লা হইতে কাটিয়া প্রস্তুত করিয়৷ তাছাতে দুইট ক্ষুদ্র পাল্লা এবং হীরকাদি বসান হইয়াছিল। এই অঙ্গুরীয়ক শাহমুজা কর্তৃক ইষ্টইণ্ডিয়া কোম্পানীকে উপহারস্বরূপ প্রদত্ত হয় । পরে গবর্ণর জেনারল লর্ড অকলাগু উহা ক্রয় করেন । ইহা এখন কুমারী ইডেনের নিকট আছে । দলীপ সিংহের নিকট তিন ইঞ্চ লম্ব। ২ ইঞ্চ চওড়া এবং ১ ইঞ্চ গভীর একটী পাল্লা ছিল । ইহার বর্ণ অতি সুন্দর এবং অতি কম দাগ ছিল । ইহাই বোধ হয় ১৮৫১ খৃষ্টাব্দে প্লাসগোর প্রসিদ্ধ মহামেলায় প্রদর্শিত হইয়াছিল। অষ্ট্ৰীয়ার রাজকোষে ২০০ • ক্যারাট ওজনের একট পান্না আছে । ডিউক অব ডিভনসায়ারের ৯ আউন্স (প্রায় দেড় পোয় ) ওজনের একটী পান্না আছে । ইহা প্রথমে নিউগ্রীনাভীর আকর হইতে আনীত হয় এবং ডম-পিদ্রোর নিকট হইতে ইহা ডিউক অব ডিভনযায়ীর ক্রয় করেন। ইহার ব্যাস দুই ইঞ্চ এবং উজ্জ্বলবর্ণবিশিষ্ট । বাঙ্গালাদেশেও কয়েকট উৎকৃষ্ট পান্না আছে । - পান্ন, খিচীবংশোদ্ভব একটী রাজপুতরমণী। রাণা সংগ্রাম • সিংহের শিশুপুত্র উদয়সিংহের ধাত্রী। রাণী সংগ্ৰামসিংহের মৃত্যুর পর চিতোরে অনেক গোলযোগ উপস্থিত হয়। অবশেষে সর্দারগণ উদয়সিংহের অপ্রাপ্তব্যবহারকালে কেবল রাজকাৰ্য্য পর্যালোচনা করিবার নিমিত্ত পৃথ্বীরাজের জায়াপ্রস্থত বন বীরকে চিতোরের সিংহাসনে অধিষ্ঠিত করেন। সিংহাসনে অধিরোহণ করিবার অত্যন্ত্রকাল পরেই বনবীরের দুরাকাঙ্ক্ষাবৃত্তি প্রবল হইয়া উঠে । তিনি তাহার সমস্ত প্রতিদ্বন্দ্বীকে স্থানান্তরিত করিতে কৃতসঙ্কল্প হইলেন। উদয়সিংহের বয়স তথম ছয় বৎসর মাত্র। এই ষড় বর্ষীয় বালকের বিনাশসাধন করিবার জন্ত বনবীর প্রস্তুত হইলেন । রাত্রি উপস্থিত হইল, উদয়সিংহ পানভোজনাস্তে নিদ্রিত হইয়াছেন, ধাত্রী পায় তাহার শিয়রে বসিয়া আছে, এমন সময়ে অস্তঃপুর মধ্যে ঘোর অর্তিনাদ শ্রবণগোচর হইল। ভয়ে ও বিস্ময়ে পাল্লার হৃদয় কম্পিত হইয়া উঠিল । ঠিক এই সময়ে অন্তঃপুরচারী নাপিত রাজকুমারের অtহারবিশিষ্ট স্থানাস্তরিত করিতে আসিয়া তাঁহাকে বিজ্ঞাপিত করিল যে, বনবীর রাণ বিক্রমজিতকে সংহার করিয়াছে । এই হত্যাকাণ্ডের কথা শ্রবণ করিয়াই পাল্ল বুঝিতে পারিল যে, শুধু ইহাতেই বনবারের ঞ্জিঘাংসার নিবৃত্তি হইবে না ; তাহার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী উদয়সিংহেরও প্রাণসংহার করিতে আসিবে । তখন সে আর মুহূৰ্ত্ত কাল বিলম্ব না করিয়া গৃহমধ্যস্থ পুষ্পকরণ্ডিকার মধ্যে নিদ্রিত রাজকুমারকে স্থাপনপূর্বক তদুপরি কতকগুলি নিৰ্ম্মাল্য বিল্বপত্র ছড়াইয়া দিয়া সেই নাপিতের হস্তে সমর্পণ করিয়া তাহাকে দ্রুতপদে ফুর্গের বাহিরে পলায়ন করিতে বলিল । নাপিত কোনরূপ তর্কবিতর্ক না করিয়া তমুহূর্বে পারার উপদেশ প্রতিপালন করিল। এদিকে পাল্লা রাজকুমারের পরিবর্তে নিজ পুত্রকে কুমারের শয্যায় শায়িত করিয়া বলিতে না বসিতেই বনবীর কালাত্মক যমের ন্যায় সেই গৃহমধ্যে প্রবেশ করিল এবং উদয়সিংহের কথা জিজ্ঞাসা করিল । ভয়ে ধাত্রীর বাক্যস্মরণ হইল না ; সে নিঃশব্দে রাজকুমারের শয্যার দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করিয়া সঙ্কেতে দেখাইয়া দিল এবং নৃশংস বনধীরের তীক্ষ ছুরিকাঘাতে স্বীয় পুত্রের হৃদয় বিদায়ণ স্বচক্ষে দর্শন করিল। পুত্ৰশোকে তাহার হৃদয় বিদীর্ণ হইতে লাগিল, কিন্তু ভয়ে প্রাণ খুলিয়া একবার ক্রমানও করিতে পারিল না। নিঃশেদ অশ্র বিসর্জন করিয়া স্বীয় পুত্রের অস্তুেষ্টিক্রিয়া সমাপ্ত করিয়াই পান্না উদয়সিংহের উদেশে বহির্গত হইল । অন্তঃপুরচারিণী মহিলাগণ পাল্লার এই অলৌকিক আত্মত্যাগের বিষয় আদে জানিতে পারিলেন না। সংগ্রামসিংহের বংশলোপ হইল ভাবিয়া তাহার বিলাপ করিতে লাগিলেন । এদিকে চিতোরের পশ্চিমপ্রান্ত প্রবাহিণী বীরানদীতীরে সেই বিশ্বস্ত ক্ষৌরকার উদয়সিংহকে লইয়া পান্নার প্রতীক্ষা করিতেছিল। পান্না তথায় উপস্থিত হইলে তাহারা উভয়ে পরামর্শ করিয়া দেবলরাজ সিংহরাওর আশ্রয়গ্ৰহণার্থ যাত্রা করিল, কিন্তু সেখানে বিফলমনোরথ হইয়া দুঙ্গরপুরে আসিল । সেখানেও আশ্রয় না পাইয়। রাবল ঐশকর্ণ নামক জনৈক সামস্তরাজের নিকট গমন করিল এবং সেখানেও প্রত্যাখ্যাত হইয় তাহার রাজ্য পরিত্যাগ করিতে বাধ্য হইল । অবশেষে ফুৰ্ভেদ্য বনময় প্রদেশসমূহ অতিক্রম করিয়া কমলমীরে উপনীত হইয়া তথাকার শাসনকৰ্ত্ত আশ-শার করে রাজকুমারকে অর্পণ করিয়া তাহার রক্ষণাবেক্ষণের ভার প্রদানপুৰ্ব্বক তথা হইতে বিদায় গ্রহণ করিল। এইরূপে পান্না অতি বিশ্বস্তভাবে স্বীয় কৰ্ত্তব্য কৰ্ম্ম প্রতিপালন করিল। যে রমণী স্বীয় পুত্রের জীবন উৎসর্গ করিয়া এইরূপে হস্ত বিষয় রক্ষা করিতে পারেন, মে রমণী সামান্ত নয়। তাহার এই অতাণ্ডুত আত্মত্যাগ সৰ্ব্বথা অনুকরণীয়। পান্নাগরি (পুং স্ত্রী) পরাগারস্ত ঋষেরপত্যং যুবা ইএ । গোত্র প্রবর্তক পরাগার ঋষির গোত্রাপত্য তদীয় যুবা অপত্য । পাপ ( ক্লী ) পাতি রক্ষতি অস্মাদাত্মনমিতি পাপ ( পানীবিষিভ্যঃ পঃ উশ্ব ৩২৩) । অধৰ্ম্ম, কুরদৃষ্ট, পর্য্যায়-পঙ্ক, পাপান, পাপ, কিবিষ, কন্মষ, কুলুষ, বুজিন, এনস্, অম্ব, অংহস, ছুরিত, দুষ্কৃত, পাতক, তুস্ত, কং, শল্য, পাপক । ( শব্দর” )