পাতা:বিশ্বকোষ একাদশ খণ্ড.djvu/৩৩৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাশকেরলী

  • -*

মাসের তৃতীয়, পঞ্চম, ত্রয়োদশ, ষোড়শ, একবিংশতি, চতুবিংশতি ও পঞ্চবিংশতি এই সকল দিনে, শুক্র, শনি ও মঙ্গলবারে, দিবা সাৰ্দ্ধ প্রহরের পর এবং রাত্রিতে এই গণন নিষিদ্ধ। শুভবার, শুভতিথি, শুভনক্ষত্র ও শুভযোগ ইত্যাদি সকল প্রকার শুভসময়ে ও পূর্ণচন্দ্র বলম্বিত মুহূর্তে পাশকক্ষেপণ করিয়া গণনা কর। কৰ্ত্তব্য । অতি বিশুদ্ধভাবে ভগবানের পাদপদ্মে নমস্কার করিয়৷ এই গণনা করিতে হইবে । পাশার উপরে অঙ্কিত শূন্তদ্বারা রেখা ও শূন্তপাত করিয়া যে এক প্রকার চিত্র অঙ্কিত করিতে হয়, তাহীকে ‘জtয়দা’ বা চেহারা কহে । এই ‘জায়দা’ ১৬টা প্রস্তুত করিয়া গণনা করিতে হয় । এই ষোড়শ জায়দা অনুসারে প্রশ্নের শুভাশুভ ফল নিরূপণ করা যায় । পাশা নিক্ষেপ করিলে যে ভাবে স্থির হইবে, পাশ৷ সেইরূপে রাখিয় দুইখানি পাশা একত্র সমভাবে মিলিত করিবে । ইহাতে [ రిలీe l পাশকেরী _க - দেখা যাইবে যে, পাশকদ্বয়ের অন্তর্গত যে আটখানি পাশা আছে, তাহা উৰ্দ্ধাধোভাবে দুই দুইখানি করিয়া চারিভাগে বিভক্ত হইয়া রহিয়াছে। ঐ চারিভাগ হইলে চারিট শিকল করিতে হইবে । এই শিকল দক্ষিণদিক হইতে আরম্ভ করিয়া বামদিকে স্থাপিত করিতে হয় । পাশা ক্ষেপণ করিয়া তাঁহাতে যেরূপ শূন্ত দৃষ্ট হইবে, তদনুসারে শূন্ত কিংবা রেখাপাত করিয়া ‘জয়দা’ করিতে হইবে। পাশার পারে এক শ্রেণীতে একটা শূন্য দৃষ্ট হইলে জায়দীতে একটা শূন্য, এবং এক শ্রেণীতে দুইটী শূন্য থাকিলে একটী রেখাপাত করিতে হয় । এইরূপে পাশার চারিখ গু হইতে চারিট জায়দা’ প্রস্তুত করিয়া তাহা হইতে অপর চারিট জায়দা করিতে হয়। তাহার ক্রম এইরূপ— চারি জায়দার প্রথম শ্রেণীর চারি অঙ্ক গ্ৰহণ করিয়া একটা দ্বি শ্রেণীর অঙ্ক দ্বারা অন্ত একটা এবং চতুর্থ শ্রেণীর চারি অঙ্ক হইতে অীর একটী চেহারা অঙ্কিত করিতে হইবে । পাশাকনিৰ্ম্মাণ ও তাহ ক্ষেপণ করিয়া কি রূপে ৮টা শিকল প্রস্তুত করিতে হয়, তাহা উক্ত হইল। এখন ঐ ৮টা শিকল হইতে অপর ৮টা শিকল করিয়৷ কি প্রকারে গণনা করিতে হয়, তাহ বলা যাইতেছে। মধ্যস্থলে একটী লম্বরেখাপাত করিয়া তাহার দক্ষিণগুংগে প্রথম ৪টী এবং বামভাগে শেষ ৪ট জায়দা স্থাপন করিতে হুইবে । এই সকল জায়দাই দক্ষিণভাগ হইতে আরম্ভ করিয়া ক্রমে বামদিকে রাখিবে। এইরূপে ৮ট চেহারা অঙ্কিত | করিয়৷ এই ৮ট হইতে অপর ৪ট জায়দা প্রস্বত করিতে হয়, । T তাহার প্রণালী এই—প্রথম ও দ্বিতীয় জায়দা হইতে নবম, তৃতীয় ও চতুর্থ জায়দা হইতে দশম, পঞ্চম ও ষষ্ঠ জায়দা হইতে দ্বাদশ জায়দা নিৰ্ম্মাণ করিবে। এই চারিট জায়দার মধ্যে যে জায়দাটা যে জায়দা হইতে উৎপন্ন হইবে, সেই জায়দাটী তাহার নীচে রাথিতে হইবে । উক্ত চারিট জায়দার বিশেষ নিয়ম এই যে, দুইটী চেহার। লইয়া গণনা করিতে হইবে, তাহার এক এক পঙক্তিতে যদি ছুইটী শূন্য কিংবা দুইট রেখা দৃষ্ট হয়, তাহা হইলে নুতন জায়দার পশ্চাতে একটী রেখাপাত এবং আর যদি একটা রেখা ও একটা শূন্য থাকে, তাহ হইলে একটী শূন্যপাত করিবে । তৎপরে উক্ত প্রণালীতে নবম ও দশম জtয়দ{ হইতে চতুর্দশ এবং ত্রয়োদশ ও চতুর্দশ জায়দা হইতে পঞ্চদশ স্বায়দা প্রস্তুত করিয়া লইবে । ইহাতে সীকল্যে ১৫টী চেহারা থাকিবে । তৎপরে অাদি ও পঞ্চদশ জায়দা হইলে উক্ত প্রণালী অনুসারে ১৬টী চেহার প্রস্তুত করিয় তাহার পর প্রশ্ন গণনা করিতে হইবে । পাশকক্ষেপণকালে নিম্নলিখিতরূপমন্ত্র পাঠ করিতে হয় -~~ মন্ত্ৰ—“ওঁ ভবগতি দেবি কুষ্মাণ্ডিনি সৰ্ব্বকাৰ্য্যসাধিনি সৰ্ব্বনিমিত্তপ্রকাশিনি এহেহি ত্বর ত্বর বরদে মাতঙ্গিনি সত্যং ব্রহি ব্ৰাহি স্বাহ ।” যে ১৬টী চেহারা প্রস্তুত করিবার কথা বলা হইল, ইহাদের মধ্যে ষোড়শ চেহারাই বিচারপতি । ইহা দ্বারাই প্রশ্নের ফলাফল জানা যাইবে । কোন কোন মতে— পঞ্চদশ চেহারাকেই বিচারপতি ও ত্রয়োদশ ও চতুর্দশ চেহারাকে সাক্ষী করিয়৷ প্রশ্নগণনা হইয়া থাকে। রমলের মতে ষোড়শই বিচারপতি । এই সকল চেহারার নাম—১ লহীয়ান, ২ কন্ড স্লদাখিল, ও কক্স ল খারিজ, ৪ জমা এত, ৫ ফৰ্হ, ৬ ওকলা, ৭ অঙ্কীশ, ৮ হুমর, ৯ অব্যাজ বা বিরাজ ; ১• নশ্ৰীৰ লখারিজ, ১১ নশ্রুর্বলদাখিল, ১২ অতবেখারিজ, ১৩ নকৗ, ১৪ অতবেদাখিল, ১৫ ইজ্জতযু বা ইস্তমত, ১৬ তবরেখ। এই সকল চেহারা অঙ্কিত করিয়া গণনা করিতে হয় । ইহাদের চেহারা বা অtষ্কৃতি—লহীয়ান উৰ্দ্ধে একশৃষ্ঠ এবং নিমে তিনরেখা । অঙ্কী উদ্ধে তিন রেখা ও নিম্নে একশুষ্ঠ । কক্ত লখারিজ উদ্ধে রেখা ও নিম্নে শূন্য কক্ত লখারিজ উদ্ধ শূহ ও নিম্নে এক রেখা তল্লিয়ে শূন্ত ও তন্নিম্নে রেখা । জমা এত – চারি রেগ, তথারীথ—চারি শূন্ত, ফৰ্ছ উদ্ধে ইশূন্ত ও নিম্নে এক রেথ এবং তন্নিম্নে এক শূন্ত। নকৗ—উৰ্দ্ধে একশূন্য, নীচে একরেখা ও হুtহার নীচে দুই শূন্ত । ওকলা—উদ্ধে এবং অধোভাগে দুই শুষ্ক এবং মধ্যে দুই রেখা । ইজ্জতমা—উদ্ধে