পাতা:বিশ্বকোষ একাদশ খণ্ড.djvu/৩৬৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পঞ্চাত্যদর্শন সমস্ত জশ্বজাতিকে বুঝা কেন, ইহtয় উত্তরে এই সম্প্রদায়োক্ত পণ্ডিতগণ বলেন যে, অশ্বজাতির অন্তর্গত প্লত্যেক জীবেই একটা সাধারণ গুণের অস্তিত্ব আছে বলিয়, অশ্বসংজ্ঞ উক্ত छjङिङ्कङ्ग थ८ङाक दाखिन्ब्र cबां५क । uहै मांधांब्रल ५८णब्र नाश दछश्रङ्गश्रुक ७१ (Hesence) । कोखबबोझै °सिङ ७हे সাধারণগুণসমূহের (universala) অস্তিত্ত্বে বিশ্বাসশালী ছিলেন *fini Štrtni wzrostwn (Doctrine of essence) efsši कछि ब्रिाप्छ्न्न । পণ্ডিত আবেলার্ড এতদুভয় মতের সামঞ্জস্ত সাধন করিতে গিয়া বলেন যে, সংজ্ঞা মনঃপ্রস্থত হইলেও একবারে কল্পনার সামগ্ৰী নহে, বাহ্যজগতে ইচ্ছার অস্তিত্ব অাছে। তাঁহা না থাকিলে এ সম্বন্ধে আমাদের কোনপ্রকার ধারণা জন্মিতে পায়িত না । যাহা তর্কের দ্বারা প্রমাণ করিতে পার মায়, তাছার বস্তুগত অস্তিত্ব বাস্থ্যজগতে আছে ; এই বিশ্বাসই স্কলাষ্টিক দর্শনের মূলস্বত্র এবং এই বিশ্বাসের অধঃপতনের সহিতই উক্ত দর্শনের অধঃপতনের স্বচন হয়। পূৰ্ব্বে উক্ত হইয়াছে যে, জ্ঞান ও ধৰ্ম্মবিশ্বাসের ঐক্যস্থাপনই স্কলাষ্টিক দর্শনের মূলস্বত্র। মধ্যযুগে বিস্তাচৰ্চা যাজকসম্প্রদায়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল ; সুতরাং দর্শনশাস্ত্রের আলোচনাও তাহারাই করিতেন । ধৰ্ম্মবিশ্বাসের দৃঢ়তানিবন্ধন দর্শনশাস্ত্রের চর্চ যে সৰ্ব্বথা অপক্ষপাতসহকারে সাধিত হইত, ইহা স্বীকার করা যায় না। যে ধৰ্ম্মমত র্তাহার যুক্তির সাহায্যে প্রমাণकद्रिरङ न श्रीीब्रिाऊन, ठांशंe अछांख जडा दलिग्नां चैंौकांद्र করিয়া লইতেন । যুক্তির সহিত ঐক্য ন হইলে ইছ প্রমাণসাপেক্ষ নছে বা যুক্তির অতীত বলিয়া স্বীকৃত হইত। যুক্তি এবং বিশ্বাসের এরূপ অস্বাভাবিক সংযোগ স্থায়ী হইতে পারে না । যাজক-সম্প্রদায়ের শাসনাধীনে স্বাধীন-চিন্তু একরূপ বিলোপপ্রাপ্ত হইয়াছিল । স্বাধীন-চিন্তার অভু্যদয়ের সহিত লোকে বুলিল যে, যুক্তি অন্ধবিশ্বাসের ক্রীতদাস নহে, বরং যুক্তির কষ্টিপাথরে খসিয়া বিশ্বাস খাটি কি না পরীক্ষা করা অবিশুক। যে কারণসমূহের সমবায়ে যুরোপে ধৰ্ম্ম ও জ্ঞানরাজ্যে যুগান্তর সাধিত হয়, তাহ সংক্ষেপে বিবৃত করা ঘfইতেছে । লুপ্তর-প্রবর্ধিত ধৰ্ম্মসংস্কার (Reformation) এই কারণসমূহের অন্ততম। মহাত্ম। লুর্থরই সৰ্ব্বাগ্রে যাজকসম্প্রদায়ের ঐহিক স্বার্থসাধনের মূলীভূত প্রচলিত ধৰ্ম্মমতের বিরুদ্ধে (যে ধৰ্ম্মমত কুসংস্কারের নামান্তর মাত্র ছিল। আপনার মহীয়সী। ক্ষমতা নিয়োজিত করেন। যে নির্ভীকতা ও আধ্যাত্মিক তেজোগৰ্ব্বের সহিত লুর্থর সমস্ত যাজকসম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে [ ફક ] _ --- बeiहमांन शहैsiहिष्णन, छाशबड़े कcग धाय नमश्न इब* झोशोश्चिक चोरीनखl cफत्र कब्रिरज्ररह । ८नहेछछहे अङ्ग बांबक गच्धक८ब्रब्र cत्रकाइभड मऊ क्षबांगैचक्र शृशैठ श्य न ; शांछकगच्वनास्नब क्किरुक्ऊ ८षांशशाब्र अछ गडाetण महीभूद्भवनिरश्रम ४**ांछिक एउrांकां७ जांग्र अछिनैौङ इग्न न । স্বাধীন-চিন্তার প্রগার বিশেষভাবে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হইয়াছে; সুতরাং ७हे गभरद्र गर्लनलांझ मठिमदउद्दिष eयंtषांजिउ शहेtर, हेही বিস্ময়জনক নহে । স্বাধীন চিন্তার অভু্যদয়ের ফলে প্রাচীন সাহিত্যের চর্চা আরম্ভ হয়। প্লেটো ও আরিষ্টটলের দর্শন গ্রীকভাষার অধীত হইতে থাকে, সুতরাং অতঃপর পূর্বের গল্প লাটিনভাযায় রূপান্তরিত অরিষ্টটলের দর্শন বিকৃতভাবে গৃহীত হইবার সম্ভাবনা থাকে না। ইরাসমস (Erasmus), মেলাঙ্কথন প্রভৃতি পণ্ডিতগণ গ্ৰীক সাহিত্যের চর্চা বিশেষভাবে প্রচলন করেন । মুদ্রাষন্ত্রের উদ্ভাবনের জঙ্ক এই সকল গ্রন্থপ্রচার অারও সহজসাধ্য হুইয়া পড়ে। সুতরাং পূর্বের ন্যায় চিন্তার আর বন্দীদশা থাকিতে পারিল না। ইহার দৃষ্টি সৰ্ব্বতোমুখী হইয়া পড়িল । জড়বিজ্ঞানশাস্ত্রসমূহের চর্চা এই সময়ে বিশেষ প্রচলিত হইয়া ভ্রান্ত মতসমূহের অপনোদন হইতে থাকে, কোপাণিকসগ্যালিলিও, কেপলার প্রভৃতি মনীষিগণের আবিষ্কৃত তথ্য সকল জগৎকে বিস্ময়াবিষ্ট করে এবং যাজকসম্প্রদায় কর্তৃক প্রচলিত মতগুলি যে ভিত্তিহীন, তৎসম্বন্ধে আর কোন সন্দেহ থাকে না। স্কলাষ্টিক-দৰ্শন শুষ্ক ন্যায়ের তার্কিকতায় ব্যাপৃত থাকিয় ৰাহজগৎকে বিশ্বত করিয়াছিল ; বিজ্ঞানের উন্নতি আবার জগতের দিকে দর্শনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। বর্তমান দর্শনশাস্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা বেকনের (Bacon) মত বিজ্ঞানের ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত। sts of sesztofo (based upon experience) &tkto সত্য, এই মতই প্রবল হইয়া উঠে। চিরায়ুগত বিশ্বাসের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়ার প্রবর্তন হইলে এই প্রতিক্রিয়া যথোচিত সীমা অতিক্রম করিয়া আরও অধিক দূর অগ্রসর হয়। দার্শনিক বেকন (Bacon) ও দৈকার্ট (Descartes) উভয়ের দর্শনেই এই প্রতিক্রিয়ায় প্রারল্য উপলব্ধি হয়, উভয়ের দর্শনেই তৎপূৰ্ব্ববৰ্ত্ত দর্শনমতসমূহের প্রতি অবিশ্বাসম্ভাব দৃষ্ট হয়। এই জন্য উভয়েই স্ব স্ব প্রবর্তিত প্রথানুসারে অভিনব দর্শনের প্রতিষ্ঠা করিয়া গিয়াছেন। তাহার। অতীত-বিশ্বাসের কোনই সম্বন্ধ রাখেন নাই। বেকনের মতে প্রকৃত তত্বপৰ্য্যালোচনা অন্ধবিশ্বাস ও শ্রম অপনোদন করিবার প্রকৃষ্ট উপায় এবং দেকার্ট সংশয়কেই সত্যপথের প্রদর্শক বলিয়া গ্রহণ করিয়াছেন।