পাতা:বিশ্বকোষ একাদশ খণ্ড.djvu/৪৮৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


नैौब्र भइन्ग्रन नैौर्विाणेि পীরপঞ্জাল (সাধু পৰ্ব্বত), কাশ্মীর রাজ্যের অন্তর্গত একটা পৰ্ব্বতমালা । উক্ত রাজ্যের দক্ষিণপশ্চিমে পঞ্জাব সীমাস্তে অবস্থিত। বারমূলা গিরিসঙ্কট হইতে নন্দনলার বা পীরপঞ্জাল পর্য্যন্ত ২• ক্রোশ বিস্তৃত । ইহার সৰ্ব্বোচ্চশিখর সমুদ্রপৃষ্ঠ হইতে ১৬৪০ • ফিট । পীরপঞ্চাল গিরিপথে কোন মুসলমান সাধু বা পীরের কবর আছে। ধৰ্ম্মপ্রাণ মুসলমান পথিকগণ অপনাপন অতীষ্ট দ্রব্য উৎসর্গ করিবার অভিপ্রায়ে এই পবিত্র ক্ষেত্রে আসিয়া থাকেন। এখান হইতে কাশ্মীরের গুজাবৎ পৰ্য্যন্ত একটী সরল রাস্ত আছে। পৌরহিয়ানার উপরের রাস্ত সুন্দর ভূণপূর্ণ অধিতাকাময় । হিন্দুদিগের নিকট এই পথ ‘সোণীগলি" নামে পরিচিত। পরিব্রাজকদিগের পদব্রজে গমন জঙ্ক এই পথ বিশেষ সুবিধাজনক । বৎসরের মধ্যে প্রায় ৩॥• মাস এই রাস্তা বন্ধ থাকে। চৈত্র বা বৈশাখ মাসে লোকগমনাগমনের কোন ব্যাঘাত জন্মে না। কাশ্মীরের শালিমার উদ্যান ও লোহরের শাহদের মিনার হইতে এই | পথ দৃষ্টিগোচর হয় । - পীর মসুস (পিডিমন্দস), মাজাজ প্রেসিডেন্সীর গঞ্জাম জেলার অন্তর্গত একটী প্রাচীন গ্রাম। বেমন-সিংহরাজ-প্রতিষ্ঠিত এথানকার বৈদ্যনাথেশ্বর শিবমন্দির প্রায় ৬৫০ বৎসরের প্রাচীন। পীর মহম্মদ খাঁ, ৰাহুলীক নামক জনপদের একজন মুসলমান রাজা, ৯৫২ হিজিরায় বিদ্যমান ছিলেন । যখন দিল্লীশ্বর হুমায়ুন কামরানকে আক্রমণ করেন, তখন তিনি সসৈন্তে বদীক্সানে বাইয় তাহার সহায়তা করেন । মোগলসৈন্য পলায়ন করিলে ঘোরী ও বকালান মীর্জ-কাম্রাণের অধিকারভুক্ত হয়। সম্রাট হুমায়ুন পীরমহম্মদের আচরণে ক্রুদ্ধ হইয়া বাহুলীক আক্রমণে উদ্যত হইলেন। উভয়পক্ষে ঘোরতর যুদ্ধ হইল । পীরমহম্মদ সদলে পরাস্ত হইয়। রাজধানীতে পলায়ন করিলেন । পীর মহম্মদ শীৰ্ব্বালি, খান-থানান বহুরাম শার উকীল-ইমুতালক অর্থাৎ ব্যবস্থাসচিব। খান খানান ঐ দরিদ্র বালককে কান্দাহার হইতে লইয়। জাসেন । পুৰ্ব্বে যখন তিনি শীকারে গমন করিয়া পরিশ্রান্ত হন, তখন এই ব্যক্তি র্তাহাকে সদলে পরিতোষের সহিত ভোজন করাইয়াছিলেন। এই উপকার जब्र१ कब्रिब्रा डिनि उांशदक भांन् ७ प्रणऊांन फे*ांथि मांन করেন। আমীর, ওমরাও, সুেনানী প্রভৃতি রাজকীয় কৰ্ম্মচারিগণের আবেদনপত্র তাহার নিকটে করিতে হইত। এই ऐफ़ गयांप्न छूबिऊ शश्इ कमलाहे ॐशव्र मलिक शब्रम दहेब्रा फेटैिग । ठिनि जांब्र शृश् श्रेष्ठ वांश्ब्रि शहै८ऊन न, কোন ব্যক্তি আবেদন লইয়া গেলে কর্ণপাত করিতেন না। শ্ৰী থানান স্বয়ং তাছার দ্বারদেশে জাসিয়া পীরের সাক্ষাৎ XI >a、> f stro J পীর রোশনাই প্রার্থনা করিলে দ্বাররক্ষক তাহাকে না অাল পর্যন্ত দাড়াইয়। থাকিতে বলিয়া গেল। বহুরাম ক্রুদ্ধ হইয়। তাছার রাজকীয় কৰ্ম্ম ও উপাধি কাড়িয়া লইলেন এবং সঙ্গে পতাকা, অtলাসেটি ও জয়ঢঙ্ক প্রভৃতি মান্তসূচক আসবাব ফেরত চাহিয়া পাঠাইলেন । পীরমহম্মদ র্তtহার পীরে ধরিলেও তিনি তাহার কথায় কর্ণপাত করেন নাই। কিছুকাল এইরূপে রাখিয়া শ্ৰী থানান তাহাকে বয়ানা-দুৰ্গে ডাকাইয়া আনেন , তৎপরে তাছাকে মক্কা পাঠান ; কিন্তু তিনি গুজরাত পৰ্য্যন্ত গমন করিলে ১৫৬৯ খ্ৰীষ্টাৰে বহুরাম খার পদচ্যুতি ঘটে এবং তিনি রাজ প্রাসাদে প্রত্যাবৃত্ত হন। দিল্লীতে প্রত্যাবৃত্ত হইয়াই তিনি নাশীর-উলমুলক উপাধি ও পতাকাদি ফিরিয়া পাইলেন, পদচ্যুতির পর থা থানান মঞ্চ অভিমুখে পলাইতে ছিলেন, সম্রাটু বহুরামের গতিরোধকরণার্থ একদল সেনা প্রেরণ করেন । ১৫৬১ খুঃ অবো, তিনি সারঙ্গপুরের নিকট মালবরাজ বীজবাহাদুরকে যুদ্ধে পরাস্ত করেন। যুদ্ধাবসানে তাহার পত্নী রূপমতী যবনহস্তে পতিত হইবার ভয়ে আত্মহত্য করেন। বিজয়সংবাদ দিল্লীতে পৌছিলে, ৯৬৮ ছিঙ্গিরায় সম্রাট স্বয়ং মালব অভিমুখ অগ্রসর হইলেন। পীর মহম্মদ মালবের জায়গীরদারগণের সহিত সম্রাটের সম্মুখীন হইলেন । এই সময় সকলেই রাজপরিচ্ছদ ও অশ্বাদি উপঢৌকন পাইলেন । ঃপর ৯৬৯ হিজর ( ১৫৬২ খৃঃ ) তিনি মালবের শাসনকর্তৃপদে অধিষ্ঠিত হইয়া আশীর (খানোশ ) ও বুর্হানপুরের বিদ্রোহ দমনে গমন করেন । প্রথমে বিজাগড়ছুর্গ অবরোধ ও জয় করিয়া আণীর অভিমুখে যাত্রাকালে মুলতানপুর দখল করিয়া লইলেন । নৰ্ম্মদীনদী পার হইয়া তিনি পথিমধ্যে বহু নগর ও গ্রাম উৎসাদিত করিয়া জালাইয়া দেন। বুর্হানপুর নগর সহসা আক্রমণ করিয়া তিনি অযথা নরহত্যার আদেশ দিলেন । তাহার সমক্ষে বহশত মোল্লা, পণ্ডিত ও সৈয়দের মস্তক দ্বিখণ্ডিত হইয়াছিল। এই সময় অাশীর ও বুর্হানপুরের শাসনকর্তা এবং পূৰ্ব্বতন মালবরাজ বাজবাছাছুর ও স্থানীয় জমিদারগণ একত্র হইয়া পীর মহম্মদের বিরুদ্ধে উখিত হইলেন । উপায় না দেখিয় পীরমহম্মদ মাণ্ডু অভিমুখে পলাইলেন । কিন্তু নৰ্ম্মদানী পার হইবার সময় তিনি জলমগ্ন হইয়া জীবনলীলা শেষ করেন। অকবরের রাজত্বের প্রথম বৎসরে ( ১৫৫৬ খৃঃ অব্দে ) তিনি আলবারপতি হাজির্থার বিরুদ্ধে যুদ্ধযাত্র করেন। এই যুদ্ধে হাজি পলাইলেও যুদ্ধান্তে অনেক পলাতক মুসলমানপরিবার তাছার করাল অসি হইতে মুক্তি পায় নাই । পীর রোশনাই, একজন হিন্দুস্থানবাসী সৈনিক। এই ব্যক্তি মূৰ্খ আফগানদিগকে নিজধৰ্ম্মমত বুঝাইয় আপনার শিষ্য