পাতা:বিশ্বকোষ একাদশ খণ্ড.djvu/৫৮১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পুরাণ (ব্রহ্ম ) ইহ ব্ৰাহ্ম নামে কীৰ্ত্তিত। ইহার শ্লোকসংখ্যা ১৩• • • । এদিকে প্রচলিত ব্ৰহ্মপুরাণের ১ম অধ্যায়েই লিখিত আছে—

  • কখয়ামি বখাপূৰ্ব্বং দক্ষাস্ত্যৈমুনিসত্তমৈঃ। পুষ্টঃ প্রোবাচ ভগবানজযোনিঃ পিতামহঃ ॥" ( ১।৩৩)

এই ৰচনামুসারে অধ্যাপক উইলসন সাহেব মনে করিয়া ছিলেন, ব্ৰহ্মা দক্ষকে যখন এ পুরাণ শুনাইয়াছিলেন, তখন মরীচিশ্রত ব্ৰাহ্ম ও দক্ষশ্রত ব্রাহ্ম এক হইতে পারে না ; কিন্তু অধুনাপ্রচলিত ব্রাহ্মপুরাণের (২৬৩৮) এই শ্লোকটী পাঠ করিলে জায় বিশেষ সন্দেহ থাকে না ;– “মন্ত্রীচ্যাস্তা৯ স্তদা দেবং প্ৰণিপত্য পিতামহম। ইমমর্থমুষিবরাঃ পপ্রচ্ছুঃ পিতরং দ্বিজtঃ ॥” (২৬৩৬ ) উক্ত শ্লোক হইতে জানিতেছি, মরীচি প্রভৃতি ব্ৰহ্মার নিকট পুরাণtখ্যান শুনিয়াছিলেন। পরবর্তী শ্লোক দেখিলে এ সম্বন্ধে আর সন্দেহ থাকে না –“ব্ৰহ্মোবাচ । শৃণুধ্বং মুনয়ঃ সৰ্ব্বে যম্বো বক্ষ্যামি সাম্প্রতম্। পুরাণং বেদসংবদ্ধং ভক্তিমুক্তিপ্রদং গুণ্ডম্ ॥” ৰাস্তবিক প্রচলিত ব্ৰাহ্মপুরাণের ২৭ অধ্যায় হইতে শেষ পৰ্য্যন্ত ব্ৰহ্মা বক্তা ও মরীচ্যাদি মুনিগণ শ্রোত। সুতরাং মৎস্তবর্ণিত ব্রান্ধের সহিত এখনকার ব্ৰহ্মপুরাণের সম্পূর্ণ পার্থক্য আছে বলিয়া বোধ হয় না। নারদ-পুরাণের পূর্বভাগে ব্ৰহ্মপুরাণের যে বিষয়ামুক্রম প্রদত্ত হইয়াছে, তাহ পাঠ করিলে পূৰ্ব্বতন ব্রহ্মপুরাণ ও এখনকার ব্ৰহ্মপুরাণের সাদৃশু উপলব্ধি হইবে— "ব্রহ্মং পুরাণং তত্রাদেী সৰ্ব্বলোকছিতায় চ। ব্যাসেন বেদবিদুষী সমাখ্যাতং মহাত্মনী ॥ তদ্বৈ সৰ্ব্বপুরাণগ্রাং ধৰ্ম্মকামার্থমোক্ষদম্। নানাথ্যানেতিহাসাটাং দশসাহস্ৰমুচ্যতে ॥ ( তৎপূৰ্ব্বভাগে ) দেবানামসুরাণঞ্চ যত্রোৎপত্তিপ্রকীৰ্ত্তিতাঃ । প্রজাপতীনাঞ্চ তথা দক্ষণদীনাং মুনীশ্বর ! ততো লোকেশ্বরস্তাত্র স্বৰ্য্যস্ত পরমাত্মনঃ। ংশীয় কীৰ্ত্তনং ব্রহ্মং মহাপাতকনাশনম্। যঞ্জাব তারঃ কথিতঃ পরমানন্দরূপিণঃ । শ্ৰীমতোরামচঞ্জস্য চতুবু হাবতারিণঃ ॥ ততশ্চ সোমবংশস্য কীৰ্ত্তন৯ ফুত্র বর্ণিতম্। কৃষ্ণস্য জগদীশস্য চরিতং কল্মষাপহম্ ॥ (১) পুণ হইতে প্রকাশিত ব্ৰহ্মপুরাণে "গ্যiদ্যাস্তং এইরূপ পাঠ আছে, কিন্তু হস্তলিখিত পুথিতে উক্ত পাঠ দৃষ্ট হয় না । XI [ १११ ] शूद्रांर्भ ( डश ) দ্বীপমাঞ্চৈব লিখুনাং বর্ষাণাং বাপাশেষতঃ। বর্ণমং যত্র পাতালস্বৰ্গাণাঞ্চ প্রদুগুতে ॥ নরকানাং সমাখ্যানং স্বর্যাঙ্কতিকখানকম্। পাৰ্ব্বত্যাশ্চ তথা জন্ম বিধাছশ নিগদ্যতে ॥ দক্ষাখ্যানং ততঃ প্রোক্তমেকাম্ৰক্ষেত্রবর্ণনম্। পূৰ্ব্বভাগেtহয়মুদিতঃ পুরাণস্যাস্য মানদ । । --------- ( ऊध्रुद्धब्रख्ठांt* ) অস্তোত্তরবিভাগে তু পুরুষোত্তমবর্ণনম্। বিস্তরেণ সমাখ্যাতং তীর্থযাত্রাবিধানতঃ ॥ অজৈব কৃষ্ণচরিতং বিগুরাৎ সমুদীরিতম্। , বর্ণমং যমলোকস্ত পিতৃশ্ৰাদ্ধবিধিস্তথা ॥ ` 2. বর্ণাশ্রমাণাং ধৰ্ম্মাশ্চ কীৰ্ত্তিত যত্র বিস্তরাং । - 'i'. বিষ্ণুধৰ্ম্মযুগাথ্যানং প্রলয়ন্ত চ বর্ণনম্ ॥ যোগানাঞ্চ সমাখ্যানং সাখ্যানাঞ্চাপি বর্ণনম্। ব্ৰহ্মবাদসমুদেশঃ পুরাণন্ত চ শাসনম্ ॥ এতদব্ৰহ্মপুরাণগু ভাগন্ধয়সমর্চিতম। : বর্ণিতং সৰ্ব্বপাপঘ্নং সৰ্ব্বসৌখ্যপ্রদায়কম ॥"(নায়দপু ৪র্থ,৯২অঃ) মহাত্মা বেঙ্গবিৎ ব্যাস কর্তৃক প্রথমতঃ সৰ্ব্বলোঙ্কের ছিতের নিমিত্ত ( এই ) পবিত্র পুরাণ সমাখ্যাত হইয়াছে, ইহা সৰ্ব্ব পুরাণ হইতে শ্ৰেষ্ঠ, ধৰ্ম্ম, অর্থ, কাম ও মোক্ষ, মানাবিধ আখ্যাম ও ইতিহাসযুক্ত এবং দশ সহস্ৰ শ্লোকে পরিপূর্ণ। হে মুনীশ্বর! অগ্ৰে যাহাতে দেবাকুরগণের এবং প্রজাপতিগণ ও দক্ষাদির উৎপত্তি কীৰ্ত্তিত হইয়াছে এবং পরে লোকেশ্বর পরমাত্মা সুৰ্য্যদেবের মহাপাতকনাশন বংশানুকীৰ্ত্তন হইয়াছে। যাহাঁতে পরমাননারূপী চতুবুহিবতার মান রামচন্দ্রের অবতার কথিত হইয়াছে, এবং তৎপর সোমবংশের কীৰ্ত্তন ও জগদীশ্বর স্ত্রীকৃষ্ণের পাপহর চরিত্র বশিত হইয়াছে ; যাহাতে অশেষ প্রকারে সমস্ত দ্বীপ, সিন্ধু, বর্ষ, পাতাল ও স্বর্গের বর্ণনা দেখিতে পাওয়া যায় এবং ময়ক সমুদায়ের নাম, হুর্য্যের স্তুতি, পাকবর্তীর জন্ম এবং বিবাহ কথিত হইয়াছে। তৎপরে যtহাতে দক্ষের আখ্যান ও একাত্মক্ষেত্র বর্ণিত আছে । হে মানদ । এই পুরাণের এই পুৰ্ব্বভাগ বর্ণিত হইল। ইহার উত্তরভাগে বিস্তুতরাণে তীর্থযাত্রাবিধানক্রমে পুরুষোত্তমবর্ণনা কথিত আছে । পুনরায় ইহাতেও বিস্তৃতভাবে কৃষ্ণচরিত উক্ত হইয়াছে। তৎপর যমলোকবর্ণন, পিতৃশ্ৰাদ্ধবিধি ও বর্ণাশ্ৰমধৰ্ম্ম সমুদায় সবিস্তর কীৰ্ত্তিত হইয়াছে এবং বিষ্ণুধৰ্ম্ম, যুগাথ্যান, প্রলয়বর্ণন, ব্রহ্মবাদসমুদেশ ও পুরাণশাসন কথিত হইয়াছে। এই ব্রহ্মপুরাণ দুই ভাগে বিভক্ত, সৰ্ব্বপাপছয় এবং সৰ্ব্বসৌখ্যদায়ক । নারদপুরাণে ব্ৰহ্মপুরাণের যে সুচী প্রদত্ত হইয়াছে, এখনকার প্রচলিত ব্ৰহ্মপুরাণে তাহার কোন বিষয়েরই অভাব নাই, এরূপস্থলে বর্তমান আকারের ব্ৰহ্মপুরাণ, নারদীয় পুরাণ সঙ্কলিত হইবার পূৰ্ব্বে প্রচলিত হইয়াছিল, তাহ অনায়ালেই স্বীকার করা যাইতে পারে । - Ꮌ8☾