পাতা:বিশ্বকোষ একাদশ খণ্ড.djvu/৬০২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পুরাণ (বিষ্ণু ) नानाविष विना॥ ५३ नमूपांत्र कौर्डन कब्रिग्रttइन । aऐ विकूभूब्राc१ मकब শান্ত্রের সংগ্ৰহ আছে । মৎস্তে বিষ্ণুপুরাণের যে লক্ষণ নির্দিষ্ট হইয়াছে, প্রচলিত विभूशूब्रां८१ ठाश्रॅग्न आउांद नाझे । यद्रांश्कब्र धनप्नब्र *ब्रहे ( २॥१२८ ) eयंझउ धष्ठांcव ५है भूब्रां१ शांब्रछ झईष्ठांप्इ I> তৎপরে নারদপুরাণে যে বিষয়াসুক্ৰম প্রদত্ত হইয়াছে, তাহt৪ যথাযথ বর্ণিত দেখা যায় । কিন্তু প্রধান গোল শ্লোক লইয়া, ২৩••• মধ্যে অধ্যাপক উইলসন ঘোটে ৭• • • শ্লোক পাইয়াছেন। তিনি বিষ্ণুধৰ্ম্মোত্তরকে বিষ্ণুপুরাণের উত্তরভাগ বলিয়া গণ্য করেন নাই। তাহাতেই বোধ হয়, এত কম শ্লোক পাইয়াছেন ; কিন্তু উদ্ধত নারদপুরাণীয় বচন, এতদ্ভিন্ন অলবেরুণীর উক্তি পাঠ করিলে বিষ্ণুধৰ্ম্মোত্তরকে বিষ্ণুপুরাণের উত্তরভাগ বলিয়। গ্রেহণ করিতে আর কোন আপত্তি থাকে না। এখনকার বিষ্ণুপুরাণ ও বিষ্ণুধৰ্ম্মোত্তর একত্র করিলে ১৬••• বেশী শ্লোক পাওয়া যায় না, ইহাতেও নুনাধিক ৭••• শ্লোক কম পড়িতেছে। এত শ্লোক কোথায় গেল, তাহু। নির্ণয় করা আমাদের ক্ষুদ্র বুদ্ধির অগম্য। তবে এখনকার প্রচলিত বিষ্ণুধৰ্ম্মোত্তর সম্পূর্ণ গ্রন্থ বলিয়া বোধ হয় না। নারদপুরাণে যে লক্ষণ নির্দিষ্ট হইয়াছে, তাহারও সকল লক্ষণ এখনকার বিষ্ণুধৰ্ম্মে পাওয়া যাইতেছে না। যে বিষ্ণুধৰ্ম্মেত্তিরের জ্যোতিষাংশ লইয়া ব্রহ্মগুপ্ত ব্রহ্মসিদ্ধান্ত রচনা করেন, নারদপুরাণে তাছার পরিচয় থাকিলেও এখনকার বিষ্ণুধৰ্ম্মোন্তরে তাহার অধিকাংশই অভাব ॥২ অধ্যাপক উইলসন ও র্তাহার অনুবন্তী ৮মক্ষয়কুমার দত্ত মহাশয় বলেন, ‘এই পুরাণে বৌদ্ধ ও জৈন-সম্প্রদায়ের নিন৷ আছে । বৌদ্ধধৰ্ম্ম প্রচলিত না থাকিলে এরূপ বিদ্বেষ ভাবপ্রকাশ সন্তবে না। বেীন্ধের খৃষ্টীর ১২শ শতাব্দী পর্য্যন্ত ভারতবর্ষের কোন কোন স্থানে বিদ্যমান ছিল । এরূপ স্থলে উহারই কিছু পূৰ্ব্বে বিষ্ণুপুরাণ সঙ্কলিত হওয়া সম্ভব ? আদি বৈষ্ণবপুরাণ ধৰ্ম্মসুত্র রচনাকালে প্রচলিত ছিল তাছা পূৰ্ব্বেই বলিয়াছি। কিন্তু এখনকার প্রচলিত বিষ্ণুপুরাণে জৈন ও বৌদ্ধপ্রসঙ্গ থাকায় কোন ক্রমে উহাকে সেই ধৰ্ম্মসুত্রযুগের গ্রন্থ বলিয়া মনে করিতে পারি না। তবে অধ্যাপক উইলসন প্রমুখ পণ্ডিতগণ বিষ্ণুপুরাণের যে কাল নিরূপণ করিয়াছেন, তাহাও ঠিক বলিতে পালি না। কারণ ৬২৮ খৃষ্টাব্দে প্রসিদ্ধ আর্যাজ্যোতিৰ্ব্বি ব্রহ্মগুপ্ত বিষ্ণুধৰ্ম্মোত্তর অবলম্বনে ব্রহ্মসিদ্ধান্তু রচনা করিয়াছেন। এতদ্ভিন্ন ভবিধfরাজবংশ [ &సెb } (১) “দ্বিতীয়ন্ত পর্যন্ধস্ত বওঁমানস্ত ৰৈ দ্বিজ । বারাহ ইতি কল্পোহয়ং প্রথম পরিকীৰ্ত্তি চঃ ॥" (১।৩।২৫ ) (२) काभ्रंौग्न इ३८७ श्रान्तिकृङ शि३२:% ठुप्झ ३श्ाङ्ग अत्मके। 'झि5ग्न *itéoù no. 1 (In lian Antiquary, Vol. XIX or ) পুরাণ ( বায়ু) বর্ণনাস্থলে ওগু ও তৎসাময়িক রাজগণের প্রসঙ্গ থাকায় भू*ौह य**ठांकीब्र शूर्कबर्डौं ब्रक्रमां गणिब्र। cबां५ इह न । জাৰায় অধ্যাপক উইলসনের উক্তির উপর নির্ভর করিয়া খৃষ্টীয় ১২শ বা তাহার কিছু পুৰ্ব্ববর্তীকালের রচনা বলিয়াও মনে করিতে পারি না, কারণ বৌদ্ধ ও জৈনদিগের প্রস্তাব थुहेछप्ञन्न रुश्श्रृं श्हेरङहे शकिङ श्च्न । अठ७ष छविषाরাজবংশ ও ব্রহ্মগুপ্ত কর্তৃক বিষ্ণুধৰ্ম্মেত্তিরের উল্লেখ থাকায় अभिद्रां दिकूभूत्वां५ ५?ीइ ४* *ठांशैब्र ८कान नभरग्न दर्रुमान আকার ধারণ করিয়াছে বলিতে পারি। কম্ভাকৃষ্ণমাহাম্ম কলিস্বরূপাখ্যান, কৃষ্ণজন্মাষ্টমীব্ৰতকথা, জড়ভরতাখ্যান, দেবীন্তুতি, মহাদেবস্তোত্র, লক্ষ্মীস্তোত্র, বিষ্ণুপুঞ্জন, বিষ্ণুশতনামস্তোত্র, সিন্ধলক্ষ্মীস্তোত্র, মুমনঃশোধন, স্বর্যাস্তোত্র, ইত্যাদি নামধেয় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পুথি বিষ্ণুপুরাণের অন্তর্গত বলিয়৷ প্রচলিত দেখা যায়, কিন্তু এ সকল ক্ষুদ্র পুথি দেখিলেই আধুনিক রচনা বলিয়। বোধ হয় । হেমাদ্রি ও স্থতিরত্নাবলীফার বৃহদ্বিষ্ণুপুরাণ হইতে শ্লোক উদ্ধৃত করিয়াছেন, কিন্তু এই পুরাণ এখন পাওয়া যায় না। বিষ্ণুপুরাণের ৰহসংখ্যক টকা দুষ্ট হয় তন্মধ্যে চিৎমুখমুনি, জগন্নাথ পাঠক, নৃসিংহভট্ট, রত্নগৰ্ভ, বিষ্ণুচিত্তি, শ্ৰীধরস্বামী ও সুর্য্যকরমিশ্রের টীকা উল্লেখযোগ্য । ৪র্থ শৈব বা বায়ু । কেহ বলেন, শৈব ও বায়ুপুরাণ এক, মাথার কেহ বলেন শৈব ও বায়ু ভিন্ন । বিষ্ণু, পদ্ম, মার্কণ্ডেয়, কেীর্ণ, বরাহ, লিঙ্গ, ব্ৰহ্মবৈবর্ত, ভাগবত ও স্বন্দপুরাণে “শিব” এবং মৎস্ত, নারদ ও দেবীভাগবতে শৈবের স্থানে "বায়বীষ্মের" এবং মুদগলপুরাণে শিব ও বায়ু উভয়ের উল্লেখ আছে। বায়ুপুরাণীয় রেবামাহাক্সো লিথিত আছে— "পুরাণং যম্ময়োক্তং হি চতুর্থং বায়ুসংজ্ঞিতম্। চতুৰ্বিংশতিসহস্রং শিবযাহাত্ম্যসংযুতম্ ॥ মহিমানং শিবস্তাহ পূৰ্ব্বে পারশরঃ পুরা । অপরাদ্ধে তু রেবার गiष्ट्ा’नामङ्ग१ भूनि । পুরাণেমূৰ্ত্তমং প্রছেঃ পুরাণং বায়ুনোদিতং । যস্ত শ্রবণমাত্রণ শিবলোকমবাপ্পয়াৎ। যথাশিবস্তপা শৈবং পুরাণং বায়ুনোদিতম । শিবভক্তিসমাযোগাশ্লাক্ষদ্ব বিভূষিতম্।” আমি যে চতুর্থ পুরাণের কথা বলিলাম, তাহার নাগ বায়ু, ইহা ২৪ • • • শ্লোক ও শিবমাহাত্ম্যযুক্ত । পরাশয়মুত কৃষ্ণদ্বৈপায়ন ইহার পুৰ্ব্বভাগে শিবের মহিমা এবং অপরাধে বা উত্তরভাগে অতুলনীয় রেবার মাহাত্মা প্রকাশ করিয়াছিলেন।