পাতা:বিশ্বকোষ একাদশ খণ্ড.djvu/৭৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পলাণ্ডু নামক ডাক্তারন্ধয় পিয়াজ হইতে একপ্রকার তৈলনিৰ্য্যাস বাহির করেন, উহা শীঘ্রই উপিয়া যায়। কিমিয়া-বিদ্যার সাহায্যে ওঁtহার উন্থ বিশ্লেষণ করিয়া দেখিতে পান যে, গন্ধক, অওমধ্যস্থ গুপ্ৰপদার্থ ( Albumen ), চিনি ( এ চিনি দানা বাধে ম), আটার স্থায় চট্টচটেপদার্থ, ফল্ফরিকৃ এসিডু (খাটি ও চূণমিশ্রিত ), সাইট্রেট অফ লাইম্ ও লিগনিন পদার্থ রহিয়াছে। মদিরার স্থায় পিয়াজের রসও গাজিয়া উঠে। লণ্ডনের তৈলের we oth oscos wifo-Atwootto (Allyl-sulphide (C, H.\,S আছে এবং উভয়েই প্রায় সমগুণবিশিষ্ট । পিয়াজের মূল বা কন্ম হইতে কটু আস্বাদযুক্ত তৈল পাওয়া যায়, তাহ উত্তেজক বা চেতনাজনক ; মূত্রোৎপাদক ও শ্লেষ্মানিঃসারক ঔষধরূপে প্রযোজ্য। জয়, উদরী, শ্লেষ্মা ( Catarrh ) s क%*ांग (Chronic Bronchitis), otos ও রক্তপিত্তরোগে সচরাচর ইহা প্রয়োগ করা হয়। বহিঃপ্রয়োগেও ইহা চৰ্ম্ম প্ৰদাহক এবং পুড়াইয়া দিলে পুলটিসের কাৰ্য্য করে । কবিরাজীমতে ইহা উষ্ণ ও তিক্ত, উদরাধান রোগে বিশেষ উপকারী । ইহার তীব্রগন্ধে সর্পাদি বিষাক্ত সরীস্বপ কাছে আসিতে পারে না। মতান্তরে ইছার গুণকামোদ্দীপক ও বায়ুনাশক। কাচ থাইলে অধিক পরিমাণ রজেনির্গম ও মুরোদগম হইয়া থাকে। বৃশ্চিক, বোলতা প্রভৃতির দংশনে পিয়াঙ্গ ঘসিয়া রস লাগাইলে জালার উপশম হয় । পিয়াজের ভিতরের কলা বা কোয়া অগ্নিতে উত্তপ্ত করিয়া কর্ণরন্ধে, প্রবেশ করাইলে কর্ণখুল আরোগ্য হয়, কখন কখন পিয়াজ থিত করিয়া তাহার রস গরম করিয়া কৰ্ণরন্ধে, ঢালিয়া দিলে বেদনার উপশম হইয়া থাকে। কৰ্ম্ম ব্যতীত ইহার বীজ হইতে একপ্রকার নিৰ্ম্মল বর্ণহীন তৈল বাহির করা হয়, উন্থ মান ঔষধে প্রয়োজ্য। মূৰ্ছাগত ও গুল্মবায়ু cotto (Fainting and hysterical fits) & Soft 'cofits. সপ্টের কার্য্য করে। ইহাতে অস্ত্রস্থ পেশীসমূহের ক্রিয় বলবান রাখে এবং কখনও তাঁহাকে অবসাদ পাইতে দেয় না। পাণ্ডুরোগে (নেব), অৰ্শ, গুণত্রংশ ও অলৰ্করোগে (Hydrophobia) ইহা অধিক ব্যবহৃত হয়। ইহার ব্যবহারে পালজির নিবারণ করে এবং ক্ষয়কৗশরোগে সর্দি দমন রাখে। সামান্ত সর্দিতে পিয়াজের কাথ ও গলক্ষতরোগে ভিনিগারের সহিত ইহা প্রয়োগ করিলে উপকার দর্শে । পিয়াজের রস ও সরিয়ার তৈল সমভাবে মিশ্রিত করিয়া এনি করিলে গেটেবান্ত আরোগ্য হয় । নোয়াখালি প্রদেশে বিহুচিকা রোগে পিয়াজের মালা গাথিয়া পরাইয় দেয়, অথবা দ্বারদেশে ঝুলাইয়া রাখে, তাহদের বিশ্বাস পিয়াজের এরূপ [ १४ ] পলাণ্ডু গুণ আছে যাহাতে ওলাউঠা আক্রমণ করিতে পারে না । বাস্তবিক পক্ষে পিয়াজ দুৰ্গন্ধহারক। বাতালে দুৰ্গন্ধজনিত অশ্বাস্থ্যকর গুণসমষ্টি ওলাউঠ প্রভৃতি সংক্রমিক-রোগের উৎপত্তিকারণ এবং শরীরেরহানজনক। একমাত্র পিাই ঐকপ দুৰিত বায়ুকে বিশুদ্ধ করিতে সক্ষম। পিয়াজ সেবনে ক্ষুধাবৃদ্ধি হয়। ভিনিগারের সহিত রাধিয়া খাইলে নেৰ', প্লীহা ও মঙ্গীর্ণরৌগে বিশেষ ফল দর্শে। পাগল। কুকুরে কামড়াইলে ক্ষতস্থানে উত্তমরূপে টাটুক পিয়াজের রস মৰ্দ্দন করিতে হয়। আভ্যন্তরিক প্রয়োগেও শীঘ্র শীঘ্ৰ ক্ষত আরোগ্যের সম্ভাবনা। ডাঃ এলকেমিরণ সাহেব লিখিয়াছেন, বাঙ্গালীরা পিয়াজ খায় বলিয় তাহীদের শীতাদরোগ জন্মে না । পিয়াজের রস ৪ হইতে ৮ আউন্স মাত্রা ২ আউন্স চিনির সহিত মিলাইয়া রক্তক্ষরণশীল অৰ্শরোগীকে সেবন করাইলে আশু ফল দর্শে। মাত্রা দিনে এক আউন্স। কুইবেল এক একটা করিয়া দুইটী পিয়াজ, কাল-মরিচের বীজের সহিত সেবন করিলে মেলেরিয়া ঘটিত জর আরোগ্য হয়। মূত্রাযুদ্ধ (মূত্ৰকৃচ্ছ.) রোগে ইহার কাপবিশেষ উপকারী। পিয়াজের মাথা কাটিয়া তাহাতে পোড়া চুণ মাথাইয়৷ বৃশ্চিকক্ষতস্থানে ঘর্ষণ করিলে জালার আশু উপশম হয়। ডাক্তার বেরেণের মতে কাচা পিয়াজ নিদ্রাকারক। মূৰ্ছরোগে ইহার রস উৎকৃষ্ট উত্তেজক ঔষধ। মুৰ্চ্ছার সময় ঐ রস রোগীর নাসারন্ধে, ক্রমাগত মাথাইতে হয়। কোন একটী পাত্রে পিয়াজ কিছুদিন বন্ধ রাখিয়া, পরে সেই পাত্র ও পিয়াজ গোময়রক্ষিত জমির নিম্নে চারমাসকাল পুতিয়া রীখিলে, পিয়াজের কামোদীপক-শক্তি বৃদ্ধি হয়। আমাশয়ে বা আমরক্তরোগে পিয়াহ্ম প্রভূতরূপে ব্যবহৃত হইতে দেখা যায়। ১ গ্রেণ অহিফেন পিয়াজের কলার মধ্যে পুরিয়া উত্তপ্ত ছাইসংযুক্ত অগ্নিতে অৰ্ধসিদ্ধ করিয়া রোগীকে সেবন করাইলে কঠিন আমরক্তের উপশম হয় । তিনটী পিয়াজকন্ম একমুঠা তেঁতুলপাতার সহিত উত্তমরূপে মাড়িয়া খাইতে দিলে বিরেচক ঔষধের কার্য্য করে। পিয়াজ থিত করিয়া উহার টাটুক রস অর্কাঘাত বা সগিৰ্ম্মিগ্রস্ত রোগীর গাত্রে উত্তমরূপে মর্জন করিলে সঙ্গে সঙ্গে ফল পাওয়া যায়। উক্ত মৰ্দ্দনের পক্ষপাতী হইয়া উত্তর-ভারতবাসিগণ গ্রীষ্মকালে আপনাপন পুত্র কন্যাদিগকে উত্তপ্ত বায়ু (লু) হইতে রক্ষা করিবার জন্তু গলায় পিয়াজ বাধিয়া দেয়। অামাশয়ে তেজ বৃদ্ধি করিবার জন্তু সাধারণতঃ পিয়াজ পুড়াইয়া বালকদিগকে খাইতে দেওয়া হয় । হিন্দুশাস্ত্রে পিয়াজ অশুদ্ধ, এই জন্ত ধৰ্ম্মপ্রাণ হিন্দুমাত্রেই পিয়াজ স্পর্শ করে না । মুসলমান ও য়ুরোপীয়গণ পিয়াজ ব্যতীত ব্যঞ্জনাদি গ্রহণ করিতে পারে না। নিয়শ্রেণীর হিন্দু