পাতা:বিশ্বকোষ একাদশ খণ্ড.djvu/৯৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


懿 পশম পঞ্জাব প্রদেশে সাধারণতঃ যে সকল পশম শাল-নিৰ্ম্মাণ কাৰ্য্যে ব্যবহৃত হয়, তাছা নিম্নে লিখিত হইল ; " ১ শালের পশম । তিব্বতদেশীয় ছাগলের ঠিক গাত্রচর্যের উপর এবং মোটাচুলের নিম্নভাগে যে স্বক্ষ পশম জন্মে, তাহ। স্বভাবতঃ কোমল এবং শাল-নিৰ্ম্মাণের বিশেষ উপযোগী । ইহা সচরাচর সাঙ্গা, কপিশ ও তুষের স্তায় বর্ণবিশিষ্ট । এই জাতীয় মৰ্ব্বোৎকৃষ্ট পশম তফান, কিচার ও চীনপ্রদেশসমূহ হইতে কাশ্মীরে আনীত হয় । কাশ্মীরের মহারাজের এই জাতীয় পশম খরিদ একচেটীয়া এবং তাছারই কর্তৃত্বাধীনে মূল্যবান শালসমূহ প্রস্তুত হয়। পঞ্জাবের অপরাপর শাল-ব্যবসারীরা ইহা হইতে অপেক্ষাকৃত নিরেশ চাঙ্গখানজাত পশমে শাল বুনিয়া থাকে, অমৃতসর লুধিয়ান, নূরপুর, ও জালালপুর প্রকৃতি স্থানে বিষ্কৃত শীলের কারবার অাছে । ২ কাবুল ও পেশাবরজাত চুম্বা জাতীয় মেষের পশম । ইহাতে বিখ্যাত রামপুরী চাদর তৈয়ার হয়। ৩ ওয়tহুবশাহী বা কির্মানী পশম, পারস্ত উপসাগর তীরবস্ত্রী কিৰ্ম্মানদেশজাত মেষের লোমে উৎপন্ন। স্বনামখ্যাত কাশ্মীরী শালের খাপ নরম করিবার জন্য এই লোম মিশাল Cझ Gग्नां श्श { ৪ কাবুলী ছাগলের “পুং” নামক পশম । ৫ উষ্ট্রের ( পশমের ন্যায় ) কোমল লোম । ইহাতে এক প্রকার বস্ত্র ও মোটা রকম চোগা প্রস্তুত হয়। ৬ সমতলক্ষেত্রস্থ মেষাদির লোম । পঞ্জাবে যে সকল ছাগলের লোম বিক্রয় হয়, তাহ ‘জাট’ নামে খ্যাত। ইহাতে দেশবাসিগণ দড়ী, চেটাই ও থলে প্রস্তুত করিয়া ব্যবহার করে । তিব্বত প্রাস্তবর্তী হিমালয়দেশে যে সকল ছাগলের লোম বা পশম পাওয়া যায়, তাহ লেনা’ নামে প্রসিদ্ধ। গারো পৰ্ব্বতের নিকটবর্তী স্থান, মানসসরোবর ও আরও পূৰ্ব্বাংশে শাল প্রস্তুতের উপযোগী প্রকৃষ্ট পশম *{teग्नौं शूtध्न । ভারতবর্ষ হইতে পশম প্রধানতঃ ইংলও (Great Britain), ফ্রান্স ও আমেরিক প্রভৃতি সুসভ্য জগতে প্রেরিত হয় । পক্ষাস্তরে ইংলণ্ডের নানাস্থানে ও য়ুরোপের শীতপ্রধান দেশসমূহে নানাজাতীয় পশুর গাত্রাবরক চৰ্ম্ম ও দৃঢ় লোমাবলির মধ্যভাগে, পশম নামে যে স্থল্ম স্বল্প লোম জন্মে, তাহ শাল বনাত প্রভৃতি পশমীবস্ত্র প্রস্তুতের উপযোগী হয় । চামরী-গে। কির্থিজ দেশীয় উষ্ট্র, লাহেীলের কালসার হরিণ, আইবেক্স ( Ibex ) নামক পাৰ্ব্বতীয় ছাগল ও তাতার ও চীনতাতার দেশীয় কুকুরের কোমল লোম হইতে নানাপ্রকারের [ s ] পশম গাত্রবক্স, থলি, ৰাগ, তাবু, জামা, ৰিছানার চাদর, কম্বল মলিদা, দড়ী ও মাথাবাধা ফিতা প্রভৃতি দ্রব্য প্রস্তুত হয় । ছাগল হইতে পশম-সংগ্রহের জন্য শীতপ্রধানদেশে বিস্তৃত ব্যবসা অাছে, তজ্জন্য তদেশবাসিগণ ছাগল ও মেষ প্রতিপালন করে। মেষ হইতে উৎকৃষ্ট ও চাকৃচিক্যশালী পশম আহরণ করিতে হইলে মেঘাদির স্বাস্থ্য ও আহারের উপর বিশেষ সতর্ক হওয়া উচিত। যে সকল পাৰ্ব্বতীয় অংশে ছাগলাদি বিচরণ করে, সেই স্থানের গাছপাল ও তৃণাদি বলকারক কি না এবং জলবায়ু ও ভূম্যাদি শুকনা খটুখটে বা ভিজা, তাহ মেষপালকগণের জানা নিতান্ত অবিশুক । কারণ অস্বাস্থাকয় স্থানে ৰাসহেতু পালিত ছাগাদির পীড়া জন্মিতে পারে। রোগগ্রস্ত পশু হইতে উৎকৃষ্ট পশম পাওয়া যায় না । এরূপ পণ্ড হইতে লন্ধ পশম সাধারণতঃ রূক্ষ, উজ্জলতাবিহীন এবং অল্পমাত্রায় হয় । এই কারণে ভ্রমণশীলজাতিমাত্রেই স্বামপন্ধিবৰ্ত্তন করিবার পূৰ্ব্বে বিশেষ পরীক্ষা দ্বারা জমি নিৰ্ব্বাচণ করিয়া লয়। ধাতুর মল বা ভষ্মাবশেষ সংযুক্তস্থানে ছাগাদির পশম নষ্ট হইয়া যায় ; কিন্তু চিকণ পলিময় মুত্তিকাবৃত স্থানে পশমের আধিক্য ও কোমলতা বৃদ্ধি করে। গলদেশ হইতে পুচ্ছ পৰ্য্যস্ত পৃষ্ঠদণ্ডের উপরিভাগে বিস্তৃত লোম সৰ্ব্বাপেক্ষ কোমল । মেরিশো ছাগলের লোমে যে বস্ত্র প্রস্তুত হয়, তাহ মেরিণে বা মেরুণ নামে খ্যাত । এই সকল ছাগলের সাধারণতঃ এই কয়ট রোগ হইতে tछ९ शृशू । wfgtoto (Hydrocephalus) *asth (Apoplexy) nfgto-27fe (Inflamation of the brain ) ঘটিলে পশু ক্রমশঃই ঝিম্ হইয়া পড়ে ও চলৎশক্তি রহিত হয়। বায়ুর প্রকোপ হেতু খাদ্যাদির সহিত উদরের স্ফীতি, যকৃৎসংযুক্ত পীড়া ও বেদনা, উদর-গহবরে রক্তস্রোত, উদরাময়, কাশরোগ ফুসফুসের প্রদাহ, স্তন ও পালানের প্রদাহ এবং খোস, উকুন ব। কানামাচি প্রভৃতি রোগ ইহাদের স্বাস্থের হানিকারক এবং কখন কখন প্রাণহানিকর । দলের একটার কাশরোগ হইলে সমস্ত দলেরই এই রোগ হইবার সম্ভাবনা । পশমের তারতম্যানুসারে পশুর লোম সাধারণতঃ তিনভাগে বিভক্ত। চাঙ্গখান, তফান ও কিৰ্ম্মাণ প্রভৃতি স্থানের পশম সৰ্ব্বোৎকৃষ্ট এবং ইহা লইয়াই কাশ্মিরী শাল। তন্নিম্নে লাদক রোদক, স্পিতি, রামপুর, বসহির ও খোটান প্রভৃতি স্থানের পশম লইয়৷ অমৃতসর, নুরপুর, লুধিয়ানা প্রভৃতি স্থানের শালের ব্যবসা চলিতেছে । চামরীগো ও আইবেক্স নামক ভেড়ার লোম হইতে চামর প্রস্তুত হয়।