পাতা:বিশ্বকোষ চতুর্দশ খণ্ড.djvu/১০২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মধবাচায্য ক্ষণ। জীবেশ্বরের প্রভেদ ভিন্ন মর্যাচাৰ্য্য আরও পঞ্চপ্রকার ভেদজ্ঞান স্বীকার করেন। যথা— e জীবেখরভেদ, জড়েশ্বরভেদ, জড়জীবভেদ এবং জীবগণের ও জড়পদার্থের পরস্পরভেদ। এই পঞ্চভেদই মধবাচার্যকর্তৃক ‘প্রপঞ্চ’ নামে বর্ণিত হইয়াছে। তাহার প্রপঞ্চমিথ্যাভ্ৰামুমানখগুনগ্রন্থে এই প্রপঞ্চের বিবরণ প্রদত্ত श्रेँझftछ् । তিনি পরমাত্মায় জীবের লয় বা বিৰ্ব্বাণমুক্তি অথবা পাশুপতদিগের যোগ ও পঞ্চরাত্রদিগের সাযুজ্যও স্বীকার করেন নাই । তিনি বলিয়া গিয়াছেন, নারায়ণ ৰৈকুণ্ঠধামে লক্ষ্মী, ভূমি ও নীলাদেবী এই তিন পত্নীর সঙ্গে স্বগীয় ৰেশভূষায় স্বশোভিত হহয়। অনিৰ্ব্বচনীয় ঐশ্বৰ্য্যস্থখ ভোগ করিম থাকেন। তিনি স্বরূপাৰস্থায় গুণাতীত, কিন্তু যখন স্বাক্ষার সহিত সংযুক্ত হন, তখন সম্ব, রজঃ ও তমঃ এই গুণত্ৰয় ৰিষ্ণু, ব্ৰহ্ম। ও শিবরূপে আৰভূত হয়। জগতের স্থষ্টি, স্থিতি ও প্রলয় করিয়া থাকেন। মায়া হইতে র্তাহাম্বগের উণ্ডৰ ও মামার যোগেহ তাহারা স্ব স্ব কায্য সম্পাজন করেন। বিশ্বকারণ বিষ্ণু হৃদয়, ললাট ও পার্থদেশ এৰং অন্যান্য অঙ্গ হইতে শিবব্ৰহ্মাদি দেবগণের উৎপত্তি হইয়াছে। তিনি মাপন শিষ্যমণ্ডলীকে এইরূপ সাধনপ্রণালী উপদেশ করিয়াছেন সাধনার অঙ্গ প্রধানতঃ তিনটী । প্রথমে অঙ্কন বা বিভিন্ন অঙ্গে বিষ্ণুর শঙ্খচক্ৰাদি চিহ্নধারণ । দ্বিভাষ্ম অঙ্গ—নামকরণ অর্থাৎ বিষ্ণুর নামানুসারে পুত্ৰtiদর মাম রাখ। তৃতীয় অঙ্গ— ভঞ্জন, কায়ক, বাচিক ও মানসিক এই fএবিধ ভঞ্জন । দান, পরি এাণ ও পরিরক্ষণ এহ এিবিধ কাস্থিক ভজন ; সত্য, স্থিত ও প্রিয় কথন এবং শাস্ত্রাসুশীলন এই চারিটী বাচিক ভজন ; મન્ના, જૂફ હ સૂક્ષા હાફ ত্ৰিবিধু, মানসিক ভজন। ইহার এক একটা সম্পাদনপূঞ্চক নারায়ণে আত্মসমৰ্পণ করাকেহ ভজন বলে। তাহার মতে, বিষ্ণুর প্রসাদে চরমমুখপ্রাপ্তিই মমুষ্যের একমাত্র কামনার বিষয় ও সাধনের মুখ্য প্রয়োজন । শিব ব্ৰহ্মাদি সমস্ত দেবগণ অনিত্য ও ক্ষরশব্দবাচ্য, কেবল লক্ষ্মীই [ ১০২ ]

  • "জীবেস্বরম্ভিদ। চৈব জড়েশ্বরভিদ তথ। ।

জীবভেদে মিথশ্চৈব জড়জীবভিদ তথা । মিথশ জড়ম্ভেদে য: প্রপঞ্চে ভেদপঞ্চক: । সোহয়ং সতোছপালাদিশ্চ সাদিশ্চেন্নাশমাখ রাত ॥" (সৰ্ব্বদর্শন ধৃত) S STDD DBBDD DB BBS BB LLLLS BmmmmS BBB BB BBS আশং পরিরক্ষণং মনস। দয়। পৃদ্ধ শ্রদ্ধ চেতি। অত্ৰৈক্ষৈকং নিম্পাদ্য নারায়ণে সমৰ্পণং ভজনং।” ( সৰ্ব্বদর্শনসংগ্রহে পুর্ণপ্রজ্ঞ• ) মধবাচার্য্য অক্ষর। বিষ্ণু ঐ ক্ষরাক্ষর হইতে প্রধান ও স্বতন্ত্র ।* বিষ্ণুর গুণোৎকর্ষের জ্ঞান হইলেই তাহার প্রসাদপ্রাপ্তি ঘটে, জীবেশ্বরের অভেদ মানিলে যে তিনি অমুকুল হন, তাহ। কখনই সম্ভবপর নহে। বিষ্ণুর প্রতি যাহার প্রতি জন্মে, তাহার আর জন্মান্তর হয় না। তিনি বৈকুণ্ঠবাসী হইয়া সারূপ্য, সালোক্য, সান্নিধ্য ও সাষ্টি এই চতুবিধ মুক্তি লাভ করিয়৷ অনিৰ্ব্বচনীয় সুখভোগ করিয়া থাকেন । , অনেকেই মনে করেন যে, মধবাচায্য প্রথমে শৈবব্রাহ্মণ ছিলেন, পরে বৈষ্ণবধৰ্ম্মে দীক্ষিত হন এবং শৈব ও বৈষ্ণবের পরস্পর ৰিৰাদভঞ্জনের জন্ত চেষ্ট করেন । কিন্তু হই। প্রকৃত বলিয়। মনে হয় না। তাছার সাদিনাম ‘বসুদেব ছিল, এই নাম ছহতেই তিনি আজন্ম বৈষ্ণব ছিলেন, বোধ হহড়েছে। বৈষ্ণৰগৃহে জন্ম হহলেও আদিবৈষ্ণবদিগের স্থায় পাঞ্চরাত্ৰ-মতে র্তাহার আস্থা ছিল না। পাঞ্চরাত্রদিগের ‘বামুদেব’ই উপাস্ত, কিন্তু তিনি বামুদেবের স্থানে ‘ৰিকু’কে স্থাপন করিয়াছিলেন । পুরাবিদগণ মনে করেন, তাছারই বৈষ্ণবধৰ্ম্মপ্রচার প্রভাবে স্বপ্রাচীন পাঞ্চরাত্রধৰ্ম্ম লোকের স্মৃতি হইতে বিলুপ্ত হইয়াছিল। ভারততাৎপৰ্য্যনির্ণয়ে তিনি লিখিয়াছেন যে, ঋগাদি চতুৰ্ব্বেদ, পঞ্চরাত্র, ভারত, রামায়ণ, ব্রহ্মস্থল ও বৈষ্ণবপুরাণসমুহ হইতে তিনি আপন মত সঙ্কলন করিয়াছেন। বিষ্ণুর প্রাধান্যস্থাপনই তাহার উদ্দেশু । তাহার পরিপোষক গ্ৰন্থই তাহার গ্রাহ, অপর অগ্রাহ । বাস্তবিক তাহার দ্বৈতবাদ প্রচারে অদ্বৈতবাদিগণের হৃদয়ে বিষম আঘাত লাগিয়াছিল। এমন কি, শঙ্ক এমতাবলম্বী কোন অদ্বৈতবাদী আদিত্যপুরাণ মধ্যে মধবাচায্যের যথেষ্ট নিন্দ। করিতে ক্রটি করেন নাই। সাধারণের কোতুহল নিবারণের জন্স এখানে আদিত্যপুরাণের উপন্যাসটা উদ্ধৃত হইল :– ‘যখন সৰ্ব্বধৰ্ম্ম-বিবজ্জিত ঘোর কলিকাল উপস্থিত হইবে, সেচ্ছের। ব্রাহ্মণধেমু বধ করিতে পাকিবে, বেদপাঠ উঠিয়। যাইবে, জৈন-বোন্ধাদির যথেষ্ট প্রাচুর্ভাব হইবে, ব্রাহ্মণ ম্লেচ্ছাচারী ও শূদ্র ব্রাহ্মণঘাতী হইবে, সেই সময় ঋতুরাজ বসন্ত ব্রাহ্মণের ঔরসে বিধবা ব্রাহ্মণীর গর্ভে জন্ম লইয়। মধু নামে খ্যাত হইবে। তাহা হইতে কর্ণাট তিলঙ্গাদিদেশ

  • “মোক্ষস্তু বিষ্ণুপ্ৰসাদমস্তরেণ ল লভ্যতে প্রসাদশ্চ গুণোৎকর্ষজ্ঞানীদেৰ নাভেদজ্ঞানীৎ |"

+ "ব্রহ্ম শিবঃ স্বরাদ্যশ্চ শরীরক্ষয়ণtৎ ক্ষরীঃ । লক্ষ্মীরহ্মরদেহত্বাক্ষরাতঃ পরে হরিঃ।" (মহোপনিষৎ }