পাতা:বিশ্বকোষ চতুর্দশ খণ্ড.djvu/৪৪৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


भशब्रांप्ले সকলেই বাদশাহী গৌরবের উত্তরাধিকার বা সমগ্র ভারতের প্রভুত্ব লাভ করিতে অগ্রসর হইয়াছিলেন, এরূপ সময়ে সে প্রতিযোগিতা ক্ষেত্র হঠতে দূরে থাকা মহারাষ্ট্রীয়দিগের পক্ষে সম্ভবই ছিল না। উচ্চাকাঙক্ষ বা দুরাকাঙ্ক্ষার অপেক্ষ মাত্মরক্ষিণী নীতির বশবৰ্ত্তী হইয় তাহাদিগকে এই পন্থার মনুসরণ করিতে হইয়াছিল। পঞ্চাশ বৎসরের পরে বৃটিশ রাজ্যংস্থাপক ক্ষাইবও এইরূপ বিচার ও কার্য্যপ্রণালীর অমুসরণ করিতে বাধ্য হুইয়াছিলেন। বালাজী বিশ্বনাথ সৈয়দদিগের সাহায্যে দুৰ্ব্বল ৰাদশাহের নিকট হইতে যেরূপে চেন্নাথ ও সরদেশ-মুর্থীর সননা আদায় করিয়াছিলেন,১৭৫৫ খৃষ্টাব্দে ক্লাইবও সেইরূপ শাহ আলমের নিকট হইতে দেওয়ানি সনন্দ গ্রহণ করিতে সমর্থ হইয়াছিলেন । বাঙ্গীরাও শাহুর দরবারে বক্তৃতা করিয়া মহারাষ্ট্রবাসীর ভবিষ্যৎ কৰ্ত্তব্য সম্বন্ধে যে নীতিমার্গ স্থির করিয়াছিলেন,তাহার ফলে মহারাষ্ট্রসাম্রাজ্যে সামস্তমণ্ডলের স্বষ্টি হইল । তাহার স্থিরীকৃত নীতিমার্গের অনুসরণ কর্তব্য বলিয়া নিৰ্দ্ধারিত হইলে, পেশবাকে তদুপযোগী আয়োজনে প্রবৃত্ত হইতে হইল। মহারাঙ্গ শাহু শিবাজীর স্তায় প্রতিভাশালী না হইলেও বুদ্ধিমান ছিলেন। তিনি পেশবার-নীতির যৌক্তিকতা উপলব্ধি করিয়৷ উহার সমর্থন করিলেন। কিন্তু উহা কার্য্যে পরিণত করিবার সামৰ্থ্য র্তাহীর ছিল না। সমরকুশলতা বা শৌর্য্যগুণ তাহার আদে ছিল না । অথচ সে সময়ে দেশের অবস্থা যেরূপ ছিল, তাছাতে শৌর্য্য ভিন্ন অপর গুণের তাদৃশ আদর ছিল না। বাজীরা ও শৌর্য্যগুণের আধার ছিলেন বলিয়া মহারাজ শাহু তাহাকেই প্রধান মন্ত্রীর পদ বা প্রকারাস্তরে মহারাষ্ট্রসমাজের নেতৃত্ব প্রদান করিয়াছিলেন। প্রতিনিধির পক্ষীয় কতিপয় সদার তাহার অধীন ভাবে কাৰ্য্য করিতে প্রস্তুত ছিলেন না । মহারাজ শাস্তু যদি স্বয়ং এই ৰুেতৃত্ব গ্রহণ করিতেন, তাহ হইলেই মহারাষ্ট্রদেশের সকল সম্প্রদায়ের বীরেরাই তাহার আদেশ পালনে সাগ্রহে অগ্রসর হইতেন। কিন্তু শাহু প্রকৃত নেতৃত্ব গ্রহণে অসমর্থ ছিলেন । কাজেই প্রতিনিধি, আগে, দাভাড়ে, গায়কোয়াড় প্রভৃতি প্রাচীন সন্ধারের নুতন পেশবার অধীনতায় কাৰ্য্য করিতে অনিচ্ছুক হইলেন। মহারাজ শাহর আদেশ সে সময়ে কেহ লঙ্ঘন করিতে সমর্থ ন হইলেও পূৰ্ব্বোৰু সর্দারদিগের সহিত পেশবাগণের কোন কালেই সৌহার্দ রছিল না। এাচীন সদারদিগের সহানুভূতির বভাবে পেশৰাকে কাৰ্য্যসিদ্ধির জন্তু নুতন যামস্তমণ্ডল ৰচনা করিয়া লইত্তে হইল। এইরূপে পেশবার চেষ্টায় শনে ছোলক, পার a পটবর্ধন প্রভৃতি বৃত্তন সর্দার [ 888 ) মহারাষ্ট্র দলের স্বষ্টি হইল।. এই নুতন সামন্তদলের স্বষ্টি আর একট কারণে অনিবাৰ্য্য হইয়। উঠিয়াছিল। দিল্লী ভিন্ন মধ্যভারত, মালব, বঙ্গদেশ, গুজরাত, কোঙ্কণ ( জঞ্জির ), দক্ষিণকর্ণাট প্রভৃতি স্থানে মুসলমান শক্তির কয়েকটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কেন্দ্র ছিল । সেগুলির উচ্ছেদসাধন ভিন্ন মহারাষ্ট্র-সাম্রাজ্যের নিৰ্ব্বিগ্নতা ও উদ্দেশু মুসাধিত হইবার সম্ভাবনা ছিল না ; এই কারণে ঐ সকল কেন্দ্রের মুসলমান শক্তিকে দমন করিবার জন্ত, প্রত্যেক স্থানে এক একজন মহারাষ্ট্রীয় সর্দারের স্থাপন করা অবশুক বলিয়া মনে হইয়াছিল। কাজেই এই সকল সর্দারকে কিয়ৎ পরিমাণে স্বাতন্ত্র্য দান করিয়া মুসলমানশক্তি-কেন্দ্রের বক্ষের উপর নুতন মহারাষ্ট্র রাজধানী প্রতিষ্ঠিত করিবার আদেশ দেওয়া হইল। এইরূপে মধ্যভারতে শিলে, মালবে পবার ও হোলকরকে রাখা হইল। ভোসলেকে নাগপুরে রাখিয়া বঙ্গীয় মুসলমান-শক্তির উপর কর্তৃত্ব করিবার অধিকার দেওয়া হইবে স্থির হইয়াছিল। সেনাপতি দাভাড়ে গুজরাতের ভার প্রাপ্ত হইলেন। কোঙ্কণে আংগ্রে সিদি, পর্তুগীজ ও উদীয়মান পাশ্চাত্য দম্যাদগের দমনে নিযুক্ত হইলেন। নিজাম সমগ্র দক্ষিণাপথের সুবেদার ছিলেন, পেশব তাহার দমনের ভার স্বয়ং গ্রহণ করিলেন । ভারতের অতি দক্ষিণাংশে প্রথম কিছু দিন ভোঁসলে, পরে ঘোরপড়ে ও শেষে পটবদ্ধন সর্দারের হিন্দু প্রাধান্ত রক্ষার জন্য প্রস্তুত হইলেন । এইরূপে সমগ্ৰ ভারতসাম্রাজ্যে মহারাষ্ট্রীয় শাসন প্রবর্তিত করিবার এই অভিনব উপায় পেশব বাজারাও ও তৎপুত্র বালাজী বাজারাওয়ের চেষ্টায় উদ্ভাবিত হইল। ফলে গোয়ালিয়ার, ধার, ইন্দোর, নাগপুর, পুণ, কোলাব, মিরজ প্রভৃতি নগরে মহারাষ্ট্র-সাম্রাজ্যের নূতন রাজধানীনিচয় স্থাপিত হইল। ক্রমে শিবাজীর সঙ্কীর্ণ মহারাষ্ট্রসমাজের স্থান এইরূপে এক বিশাল মহারাষ্ট্রসমাজ অধিকার করিল। পেশবা এই মহারাষ্ট্রসমাজের নেতা श्गन । झडाश)ङ्ग विषझ भङ्गिांश्च शाश्ञ श्वश् ५ं cनङ्। গ্রহণ করিবার সামর্থ্য ছিল না। কাজেই যিনি এই নুতন সাম্রাজ্যকল্পনার উদ্ভাবন করিলেন, তাছার উপরেই উহা কার্য্যে পরিণত করিবার ভার অর্পণ করা তাহার নিকট মুসঙ্গত বলিৰ রোধ ছইল। ফলে শাহুরই আদেশে ও ইচ্ছক্রমে উদীয়মান মহারাষ্ট্রসমাজের নেতৃত্ব পেশবার হস্তগত হইল। বাঙ্গীরাওয়ের পর এই দায়িত্বপূর্ণ কাৰ্য্যের ভার তৎপুত্র বালাঙ্গীর হস্তে হস্ত হইল। আংগ্রে, দাক্তাড়ে, ভোসলে ও গান্ধকোয়াড় প্রভৃতি বিশেষ মৰ্য্যাদাশালী সর্দারদিগের ইচ্ছার বিরুদ্ধে শাহ বালাজীকে নেতৃত্বপ্রদানে ধাঁধা