পাতা:বিশ্বকোষ চতুর্দশ খণ্ড.djvu/৫৪৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মাণিকপুর [ 0.88 | মাণিকপুর T- - বৌদ্ধ ধৰ্ম্মের শূন্তৰাদ, নাস্তিকতা এবং বুদ্ধদেবের মূল উপদেশ-বাক্য প্রকটিত হইয়াছে। রঙ্গপুরের উত্তরপশ্চিমাংশে ডিমলা থানায় ধৰ্ম্মপালের রাজধানী ধৰ্ম্মপুরের ধ্বংসাবশেষ এবং তাহারই এক ক্রোশ পশ্চিমে “ময়নামতার কোট” নামে প্রসিদ্ধ মাণিকচন্দ্রের রাজধানী দৃষ্ট হয়। কেহ কেহ কোচবেহারের পাটগাওকে গোবিন্দচন্দ্রের রাজধানী পাটিকা-নগর মনে করেন । ধৰ্ম্মপাল মাণিকচঞ্জের এক আত্মীয় । তাহার হস্তে মাণিকচন্দ্রের পরাজয় ও মৃত্যু ঘটে এবং অবশেষে রাণী ময়নাম তার হস্তে ধৰ্ম্মপাল প্রতিফল পাইয়াছিলেন। মাণিকচঞ্জের গ্রাম্যগীত তাছাই রূপক ভাবে বর্ণিত হইয়াছে। উক্ত ধৰ্ম্মপুরের প্রায় সাড়ে তিন ক্রোশ দূরে চরচর গ্রামে হরিশ্চন্দ্র রাজার পাট নামে একটা বৃহৎ স্ত,প রছিয়াছে। অনেকের বিশ্বাস, এই সময়ে গোবিনচক্সের শ্বশুর রাজ। হরিশ্চন্দ্র রাজত্ব করিতেন । অনেকের বিশ্বাস যে, করতোয়ার অদূরে যেখানে দিনাজপুর ও রঙ্গপুর রাস্ত নদীতে আসিয়া মিলিয়াছে, এই স্থানে খোলহাটী গ্রামে হীরার বাড়ী ছিল। কোন সময়ে মাণিকচন্দ্র ও গোবিন্দ চন্দ্র রাজত্ব করিতেন, তাহ ঠিক জানিবার উপায় নাই। গ্রিয়াসন সাহেব তাহাকে খৃষ্টীয় ১৪শ শতাদে, আবার কেহ খৃষ্টীয় ১১শ শতাৰে গোবিন্দচন্দ্রের অভু্যদয় স্বীকার করেন। মাণি কজোড়, (chigi) is now Ciconia leucocephala মাণিকপুর, অযোধ্য প্রদেশের গোও জেলার অন্তর্গত একট পরগণ, ভূপরিমাণ ১২৭ বর্গমাইল । ২ উক্ত পরগণার প্রধান গ্রাম। পূৰ্ব্বে এই স্থানে খারু জাতির অধিকার ছিল। তৎপরে ভর জাতি এখানে অধিপত্য বিস্তার করে। ভরসঙ্গার মক্ক মাণিকপুর নগর স্থাপন করেন । ভর-সদারগণ ৬ল্প পুরুষ এখানে রাজত্ব করিলে পর নেবাল শাহ নামক জনৈক চন্দ্রবংশী ( বন্দলঘোটী ) রাজপুত্র এই নগর অধিকার করেন। তৰংশধরগণ এখানে দ্বাদশ পুরুষ রাজ্য করিয়াছিলেন। শেষ রাজ। অপুত্রক হওয়ায়, তৎপত্নী গোণ্ডার বিষেণ রাজপুত্রকে দত্তক গ্রহণ করেন । তদবধি এই স্থান বিষেণ-বংশের অধিকারে রহিয়াছে। মাণিকপুর, অযোধ্যাপ্রদেশের প্রতাপগড় জেলার অস্তগত একটা পরগণা। গঙ্গানদার উত্তরকুলে অবস্থিত। ভূ-পরিমাণ ৮৩০ বর্গ মাইল । e ঐতিহাসিক ঘটন। সমাশ্রিত হওয়ায় এই স্থান সাধাतृ६५ब्र मञ्चन श्राङ्कप्टे कब्रिब्राप्छ् । कप्माछझtछ दलtüüदग्न • Journal Asiatic Society of Bengi for 1878, pt. I. + ঐযুক্ত দীনেশ চন্দ্র সেনের বঙ্গভাব ও সাহিত্য (২য় সং) ৮ পৃঃ । কনিষ্ঠ পুত্র মানদেব এই নগর স্থাপন করেন । মতাস্তরে ইতিহাসপ্রসিদ্ধ কনোজরাজ জয়র্চাদের কনিষ্ঠ ভ্রাতা মাণিকচাদ কর্তৃক এই নগর স্থাপিত হইয়াছিল। এখানকার মুসলমান শেখগণ বলেন যে, তাহদের পুৰ্ব্বপুরুষগণ সৈয়দ সালরের আক্রমণকালে ( ১০৩২-৩৩ খৃঃ ) এখানে আসিম বাস করেন । ১১৯৩-৯৪ খৃষ্টাব্দে কনোজ-রাজবংশের অধঃ পতনের পর এইস্থান প্রকৃতপক্ষে মুসলমানের অধিকারভূক্ত হয়। কিন্তু তৎকালে এখানে মুসলমানপ্রভাব পূর্ণরূপে প্রতিষ্ঠিত না হওয়ায় পার্শ্ববৰ্ত্তী রাজন্তবর্গের সহিত এখানকার মুসলমানের যুদ্ধবিগ্রহ সংঘটিত হইত। দিল্লীশ্বর বহলোল লোদী কর্তৃক জৌনপুর অধিকারের পর এই স্থান দিল্লীসাম্রাজ্যভূক্ত হয়। কিন্তু তাহার মৃত্যুর পর অস্তবিপ্লবে দিল্লীরাজ্য বিভক্ত হইয়া পড়িলে পুনরায় এই স্থান নররক্তপ্রোতে প্লাবিত হইয়াছিল। মোগল সম্রাটু অকবর শাহের মুশাসনে পুনরায় এই স্থানে শান্তি স্থাপিত হয়। উক্ত সম্রাট, এই স্থানকে আলাহাবাদ মুবার একটী সরকারভুক্ত করিয়া শাসনশৃঙ্খলা স্থাপন করিয়াছিলেন। র্তাহার পরবর্তী মোগলসম্রাটুত্রয়ের অধিকারে মাণিকপুর নগর সমুদ্ধির উচ্চ সীমায়ু আরোহণ করে। ঐ সময়ে সাম্রাজ্যের গণ্যমান্ত ওমরাংগণ এখানে প্রাসাদ নিৰ্ম্মাণ করিয়া নগরের ঐ সম্পাদন করিয়া ছিলেন । সম্রাটু আরঙ্গজেব আগ্রাগমনকালে একবার এই নগরে পদার্পণ করেন । তাছার আদেশক্রমে তাহার প্রাতঃকালান ভঞ্জনার জন্ত একরাত্রি মধ্যে এখানে একটা সুন্দর মসজিদ নিৰ্ম্মিত হইয়াছিল । মোগলশক্তির অবসানের পর হইম্ভেই এই নগরের শ্ৰীবৃদ্ধির হ্রাস হইতে থাকে । ১৭৫১ খৃষ্টাব্দে রোহিলীগণ এবং ১৭৬০-৬১ খৃষ্টাকে মহারাষ্ট্ৰীয় দল এই নগর ও ভূভাগ লুণ্ঠন করিয়া শ্ৰীহীন করে । ১৭৬২ খৃষ্টাব্দে অযোধ্যার নবাব উজার মুঙ্গা উদ্দৌলা কর্তৃক মরাঠা-সৈন্তের পরাভবের পর, এই স্থানে আর কোন বিপ্লব সংঘটিত হয় নাই । ২ উক্ত প্রতাপগড় জেলার একটা নগর এবং মাণিকপুর পরগণার বিচার সদর । গঙ্গানদীর উত্তরতীরে অৰস্থিত। অক্ষা ২৫° ৪৬’ উঃ এবং দ্রাধি• ৮১°২৫' পুং । এখানকার মোগলাধিকারকালে নিৰ্ম্মিত রাজপ্রাসাদ, অট্টালিকা, মসজিদ, সমাধিমন্দির ও পুষ্পবাটিক প্রভৃতি এক্ষণে ধ্বংসcधाम्न & ¥छप भाणभगण झांनाखब्रिङ । भांभिक भूgब्र यङिबू९णग्न शुश्दांब्र १*tबल श्हेब्रा थारक । আষাঢ় মাসে জবালাদেবীর উৎসবোপলক্ষে এবং কাৰ্ত্তিকমাসে গঙ্গাঙ্গানপর্ক্সে এখানে লক্ষাধিক লোকের সমাগম হয় ।