পাতা:বিশ্বকোষ চতুর্দশ খণ্ড.djvu/৭১২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মাক্ষা o - লিখিত আছে, সুলতাম স্বয়ং মন্দির দেখিয়া বলিঙ্কাছিলেন, যদি কেহ ইহার তুল্য স্বয়ম্য ভট্টালিকা নিৰ্ম্মাণ করিতে ইচ্ছা করেন, তাহ হইলে তিনি সহস্ৰ সহস্ৰ সুবর্ণ দিরহাম ব্যয় করিলে এবং পৃথিৰাঁর শিল্পনিপুণ স্থপতিদিগকে দুই শত বৎসর অবিশ্রান্ত পরিশ্রম করাইলেও এরূপ সৌধ প্রস্তুত করিত্তে সমর্থ হইৰেন কি না, সন্দেহের কথা। এই মন্দিরমধ্যস্থ প্রতিমূৰ্ত্তি সকলের বর্ণনা অসম্ভব। তন্মধ্যে ৫টা প্রতিম বিশুদ্ধ রক্তবর্ণ সুবর্ণনিৰ্ম্মিত এবং প্রত্যেকট ১০ হাত দীর্ঘ এবং অবলম্বন ব্যতীত ঐশ্রজালিক কৌশলে শূন্তে লম্বিত । এই প্রতিমূৰ্ত্তিগুলির চক্ষুঃতারকা সকল এরূপ মহামূল্য হীরকে निर्मिठ ८६, ४०००० प्रद१ निब्रशम निब्रा ७ ठांशब्र ५कणै ক্রয় করিতে পাওয়া যায় না। চক্ষুঃতারকার কয়েকট নীলফাগু মণি এরূপ উজ্জল ছিল যে, নিৰ্ম্মল জল কিংবা নিৰ্ম্মল স্ফটিকও তাহার উপমাস্থল নহে। তাছাদের ওজন প্রত্যেকটা ৪৫০ মিষ্কাল। আর একটা দুই ফিট লম্বা স্বর্ণনিৰ্ম্মিত ও মণিমণ্ডিত প্রতিমার ওজন ৪ হাজার ৪ শতু মিষ্কাল। কতকগুলি প্রতিমূর্তির ওজন ৯৮৩০০ মিষ্কাল। প্রতিমার অধিকাংশই স্বর্ণনিৰ্ম্মিত। দুহ শত রৌপ্য প্রতিমাও ছিল। মুলতান ২১ দিন অবিশ্রান্ত পরিশ্রমে নগর লুণ্ঠন করিয়া শেষ করিতে পারিলেন না । নগর লুণ্ঠন শেষ করিয়া সুলতান লগুড়াঘাতে প্রস্তরময়ী প্রতিমূৰ্ত্তি সকল চূৰ্ণ করিলেন এবং অগ্নি প্রদানপুৰ্ব্বক সমস্ত মন্দিরগুলি ভূমিসাৎ করিয়া ফেলিলেন । সহস্ৰ সহস্র শিল্পনৈপুণ্যের অক্ষয় কীৰ্ত্তি ভস্মরাশিতে পরিণত হইল। তৎপরে নগরবাসিগণ নৃশংসন্ধপে নিহত হইল। কুড়িদিনেও হত্যা- ৷ কাও শেষ হইল না । সুনালসলিলশালিনী কালিন্দীর তরঙ্গমালা শোণিতরঞ্জিত হইয়া বামাল্যবিভূষিত রণরঙ্গিণ প্তামার ন্যায় ভীষণ দৃপ্ত ধারণ করিয়ছিল। কান্তকুজ আক্রমণ। , মথুরা হইতে মাদ কনোঙ্গের দিকে অগ্রসর হইলেন। কনোজরাজ জয়পাল ( বা রাজ্যপাল ) স্বলতানের আগমনবার্তা পাইয়। এবং মথুরার কাহিনী স্মরণ করিয়া গঙ্গার অপর তীরে পলায়ন করিলেন। পথি মধ্যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজাদিগের খে সমস্ত পাৰ্ব্বত্য দুর্গ ছিল, সুলতান তাহ একে একে অধিকার করিতে লাগিলেন। অর্সেকে মুসলমানধৰ্ম্ম গ্রহণ করিল এবং অনেকে যুদ্ধও করিল। কিন্তু মুলতানের নিকটে সকলেই পরাজিত হইল । তিনি এই সমস্ত জ্বৰ্গ হইতে এত অধিক ধনরত্ন পাইলেন যে, তাহ গণিয়৷ শেষ করা যায় না । জনস্তুর মুলতান দুর্ভেস্থ প্রাচীরবেষ্টিন্ত সপ্ত-দুর্গশোভিত [ १> २ ] T- *— কান্তকুজনগরে উপস্থিত হইলেন। কনোজের সপ্তদুর্গ ভাগীরথীর গর্ত হইতে দৃঢ় শিলাখণ্ডে নিশ্বিত হইয়াছিল। গঙ্গার ফেনায়মান তরজমাল। দুর্গমধ্যে ক্রীড়াচ্ছলে কলকলতাৰুে প্রবাহিত হইত। গঙ্গাতীরে বহু দূর ব্যাপিয়া দশসহস্ৰ । প্রস্তর-মন্দিয় বিরাজিত ছিল । এইসম্বন্ধে মন্দিরে লিখিত বৰ্ণন। দ্বারা মাঙ্ক, জানিয়াছিলেন যে, ঐ সকল ৩••• বৎসর পূৰ্ব্বে নিৰ্ম্মিত হইয়াছে। অধিকাংশ অধিবাপাই পলায়ন করিয়াছিল । যাহারা পলায়ন করে নাই, তাহারা ভুকুষ্ঠিত হইয়। কাতরকণ্ঠে মাহ্মদের নিকট মন্দিরগুলি রক্ষা করিবার জন্ত প্রাথন করিল। কিন্তু তাহার। সকলই নিহত হইল । সুলতান সমস্ত মন্দির ভূমিসাৎ করিয়া ভিত্তিশিল। উত্তোলনপূর্বক গঙ্গাগর্ভে নিক্ষেপ করিলেন। যে সমস্ত শু,পীকৃত মণিমুক্ত পাইলেন, তাছা বর্ণনাতীত। সমস্ত স্ত্রীলোকের বন্দী হইয়। স্থলতানের সঙ্গে চলিল। শত সহস্র উই, অশ্ব, হস্তী, বন্দিগণ এবং সৈন্তসকল সুলতানের লুষ্ঠিত বৈভব অতি কষ্টে বহন করিয়া চলিল । - তৎপরে স্বলতান ব্রাহ্মণাধুষিত মুঞ্জহুর্গের অভিমুখে চলিলেন। কাণপুরের দক্ষিণ পাণ্ডুনদীতীরে ইহার ধ্বংসাবশেষ আছে। ব্রাহ্মণগণ বগুত। স্বীকার করিলেন না । দুর্গ পৰ্ব্বতের উচ্চস্থানে অবস্থিত ছিল। রক্তপাতের ভয়ে অনেকে প্রাণরক্ষা করিবার জন্ত দুর্গের গবাক্ষ দিয়া নিম্নে লম্ফপ্রদান করিলেন, কিন্তু তাহার কেহই মৃত্যুর হস্ত হইতে উদ্ধার পাইলেন না। কেহ কেহ যুদ্ধ করিলেন । পরিশেষে সুলতান দুর্গ অধিকার করিয়া লুণ্ঠন করিলেন । এখান হইতে মুলতান অশী বা আল্পীর দুর্গের অভিমুখে যাত্রা করিলেন। এই নগর ফতেপুরের দশ মাইল উত্তরপূৰ্ব্বে গঙ্গাতীরে অবস্থিত। ইহার প্রকৃত নাম অশ্বিনীদুর্গ। কথিত আছে, স্বৰ্য্যপুত্র অশ্বিনীকুমার এই স্থানে একটা মহাযজ্ঞসম্পন্ন করিয়া স্বীয় নামানুসারে এই স্থানের নাম “অশ্বিলী’ রাখেন। এই স্থানের রাজা চমোল ভোজ অত্যন্ত পরাক্রান্ত ছিলেন। কান্তকুজরাজ তাহার নিকট পরাজিত ছইয়াছিলেন। অশ্বিনীদ্বর্গের চতুৰ্দ্ধিকে গভীর জলপূর্ণ পরিখা ছিল এবং পরিখার চতুর্দিকে নিবিড় অরণ্য বৃহৎ বৃহৎ অজগর সৰ্পে পূর্ণ ছিল। অরণ্য এরূপ ঘন সন্নিবিষ্ট ছিল যে, দিবাভাগে তথtয় রাত্রিভ্রম হইত এবং অরণ্যের মধ্যে অসংখ্য সৰ্প সৰ্ব্বদ গুর্জন করি। ৰেড়াৰত। চন্দেলরাজ জুলতানের আগমনরাপ্ত গুলিঙ্কা অত্যন্ত ৰিচলিত ইহলেন এবং ভাবিলেন, যেন যম উহাকে প্রতি মুহূর্বে গ্রাস করিতে আলিতেছে, তিনি জলিৰে পলায়ন করিলেন। η ,