পাতা:বিশ্বকোষ ত্রয়োদশ খণ্ড.djvu/১১৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


cबt५श्रृंम्न? - [ . .রোধগয়া মতাত বৌদ্ধকাষ্টিসমূহ উপেশ করিয়াছিলেন, এরূপ মনে করা যায় না। তাছারা এই স্থান জঙ্গলে পরিণত দেখিয়া অনাদরে পরিত্যাগ করিয়াছিলেন । কাল সহকারে ইংরাজরাদের মহকম্পার একু ৰন্ধাদের অর্থসাহাধ্যে এই লুপ্তপ্রায় মহাবোধি-মন্দির নবকলেবরে* শোভিত হইয়া সাধারণের দৃষ্টিপথারূঢ় হইয়াছে। বুদ্ধগয়ার এই মহাবোধি মন্দিরের জীর্ণ সংস্কার সময়ে স্থানে স্থানে সামান্তই পরিবর্তন ঘটিয়াছে। প্রকৃতপক্ষে কোন সময়ে এইস্থান অরণ্যে পৰ্য্যবসিত হইয়াছিল, তাছার স্থির করা সুকঠিন। খৃষ্টীয় ৪র্থ শতাদে বৌদ্ধপ্রভাবের অবসানে অথবা ব্রাহ্মণ্যধৰ্ম্মসেবী গঙ্গালীগণের জচ্যুত্থানে মহাবোধি-মন্দির ষে অনাদৃত হইয়াছিল, তাহাতে সন্দেহ নাই। হিন্দুগণ এই ৰৌদ্ধ তীখের প্রকারাভরে বিলোপকামনা করিলে ৪ ডিগ্নদেশীয় বৌদ্ধধৰ্ম্মাবলম্বিগণের প্রযত্নে এখানকার পূৰ্ব্বতন বৌদ্ধ-স্থতি রক্ষিপ্ত হইয়াছে। উক্ত কীৰ্ত্তিসমৃদ্ধ একবারে বিলয় পায় নাই। এই• পবিত্র মন্দিন্তু বৃক্ষলতাদি সমাচ্ছাদিত ধ্বংসরাশিতে পরিণত হইলেও বৌদ্ধগণ সময় সময় এই পুণ্যতীর্থে আগমন করিয়া যথাসম্ভব সংস্কার করাইতেন, শিলালিপি হইতে তাহার যথেষ্ট ঐতিহাসিক প্রমাণ

  • ी७ध्नां शीघ्र ।

খৃষ্টপূৰ্ব্ব ৪র্থ শতান্ধের শেষভাগে সম্রাটু অশোক-প্রতিষ্ঠিত বজ্ঞাসন ও পুরাতন মন্দির এবং উক্ত ৰজাসনের সম্মুখে প্রোথিত রৌপ্যমুদ্রাদির মধ্যে শকরাজ ছবিন্ধের (১৪• খৃঃ অঃ ) মূদ্র প্রাপ্ত হওয়ায় এট স্থানের প্রাচীনত্ব স্বীকৃত হইয়াছে। তৎপরে চীনপরিব্রাজক ফা-হিয়ানও উরুবিল্বার মহাবোধি মন্দিরের উল্লেখ করিয়া যান। ছিউএন সিয়াংএর বর্ণনা হইতে জানিতে পারি যে, খৃষ্টীয় ৪র্থ শতাব্দীর মধ্যভাগে এই মন্দিরের কতকাংশ সংস্কৃত ছয়e এবং মন্দিরের প্রাঙ্গনভূমি ও বোধিতরতলম্ব বঙ্গাসন ফন্তু নর্মীর বালুরাশিতে ভরিয়া যায় । সুতরাং ইহার পর হইতেই ষে এই তীর্থে মানবের মাগমনাকাঙ্ক কম হইয়া আসিয়াছিল, তাছাতে সন্দেহ নাই । न्य:४ट कशिद्रा पत्रपूषांचन कड़िएन डीझ1 &कप्रैौ क्र°ारू वलिङ्ग भरन झ्द्र । cप्रवाGGDD DDD DDDS DDS DBBH BBBBD DBB BBBBB BBB ttBB ttBH DDBBBB BBB BBBBB BBBSBBBD D DDD राष्ट्रेछि ब्रएक। अन्नरङ्गग्न ८ञ्जी रेक्कप७ ८ीएकद्र अश्मिाष्ट्र भश्७ि कलिङ DDDBS DDDDD DDDBBBSBBBBB BBBBB BBBBDDS DDDS f**कर्मूक निर्द्रौझ्-योकणप्तं★ यष्ठाषांभ डिछ थांब कि दनिब ।। { বিকৃত বিবরণ গয়াপজে এইবা ।

  • नचक्रोख षष्णt cमत्र कईक ॐ निर्वीचकाक्ष नन्नानेिउ इ इ बनिद्रा

चएमएकछ दाङ्गस्टो !

  • Julieu's Hwen Thsang, Vol, II. p. 401.

SAAAAAAASAAAA খৃষ্ঠায় ৭ম শতাদের প্রারম্ভে বৌদ্ধধর্শের প্রধানশক্র স্বাজ भक्षांह कडूरु uहे cदांशिखाम रुरुिंठ श्रेष्ठांश्णि, किरु जडाঅরন্থ বুদ্ধমুৰ্ত্তি তদীয় মন্ত্রী পূর্ণবৰ্ম্মার স্থকৌশলে রক্ষা পায়। ঐ মূৰ্ত্তিও কালসহকারে নষ্ট হইয়া গিয়াছে। ঐ বোধিবৃক্ষকে পূৰ্ব্বাবস্থায় আনয়নের জন্ত ৬২ খৃষ্টাকে রাজা পুর্ণবৰ্ম্ম উহার চতুৰ্দ্দিকে ২৪ ফিট উচ্চ এক প্রাচীর গাথাইরা দেন, যেন ভবিষ্যতে আর কেহ ঐ বৃক্ষ নষ্ট করিতে মা পারে* । চীনপরিব্রাজক ছিউএনসিয়াংএর পর ৬৩৮ খৃষ্টাকে যুজন-চন তারতে আলির চারি বৎসর কাল মহাবোধিতে বাস করেন। তিনি পুনরায় ৬৬৫ খৃষ্টাৰো মহাবোধিতে বজ্ঞাপনদর্শনে আগমন করিয়াছিলেন । ৬৪ খৃঃান্সে হলুন মহাবোধিতে বক্তাসমদর্শনে জাসিয়াছিলেন। খৃষ্টীয় ৭ম শতাকে বৌদ্ধরাজ হর্ষবৰ্দ্ধনের প্রভাবে বৌদ্ধপ্রাধান্য স্থাপিত হইলে চীনদেশীয় বৌদ্ধ-পরিত্রাজকগণ ভারতের সহিত ধৰ্ম্মসম্বন্ধ বিস্তার করিয়াছিলেন। খৃষ্টীয় ৮ম ও ৯ম শতাৰো ব্রাহ্মণ্য-ধর্শ্বের পূর্ণ প্রতিষ্ঠা হইলে বৌদ্ধধৰ্ম্ম হীনগ্রভ হইয় পড়ে। সুতরাং চীনবাসী বৌদ্ধগণের ভারতে আগমন এককালেই রহিত হইয়া যায়। খৃষ্টীয় ১০ম শতাদে মগধের পালবংশীয় বৌদ্ধরাজদিগের অধিকারে পুনরায় উভয় দেশে ধৰ্ম্ম প্রচার-সম্বন্ধ বিস্তৃত হয়। রাজা মহীপালের অধিকার-কালে ( ১•••—১৯৪০ খৃঃ অঃ ) যে সকল চীন পরিব্রাজক মহাবোধি দর্শনে আসিয়াছিলেন, তাহারা স্ব স্ব ভ্রমণের যে স্মৃতি চিহ্ন রাখিয়া গিয়াছেন, বর্তমান অনুসন্ধানে সেই সমস্ত আবিষ্কৃত হইয়া প্রাচীণ ইতিহাসে নূতন জ্যোতিঃপ্রদান করিয়াছে: । ১১শ শতাদের প্রারম্ভে ধৰ্ম্মরাজ গুরু নাম জনৈক বাক্তি ব্ৰহ্মরাজ কর্তৃক মহাবোধি-মন্দির নিৰ্ম্মাণার্থে প্রেরিত হন। উক্ত কৰ্ম্মচারী ১৯৩৫ খৃষ্টাব্দে স্বর্ণরঞ্জিত তাম্রছত্র দান করিয়া যান। দ্বিতীয় আর একখানি শিলালিপি হইতে জানা যায় যে ১৯৭১ খৃষ্টাব্দে তিনি স্বীয় কাৰ্য্য সমাধা করিতে সমর্থ না হওয়ায় উক্ত বৎসরেই আর একজন কৰ্ম্মচারী প্রেরিত S BBDD DBBB DD DD DD DDBB B BBBB BBBBD DDD BBBD DDDD DDD BBBB BBBB BBB BBBB AA DDS BBBBB BDD DBBDD DBBBB BB B LLL BBB S + Indian Antiquary. Vol. X. p 209. 0 DBBBDD DDD DDD DHHB BBB BBBB BBBB DDS ortort rura «frs fra *** i Royal Asiatic Society's Jourmal 1881, Vol XIII p. 557.