পাতা:বিশ্বকোষ ত্রয়োদশ খণ্ড.djvu/১২৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ব্ৰক্ষ্মজ্ঞান l ব্রহ্মজ্ঞান একই চৈতঙ্গ আমাতে ও অষ্ট্যাপ্ত জীবে বিরাজমান। সেই ५क अथ५ ८sठछई अत्र ७दः ८गई अनानि अनढ अक्रघैकडछ উপাধিভেদে অর্থাং আধার ( দেহাদি ) ভেদে ৰিভিল্লভাব প্রাপের স্থায় হইয় পড়ে । বস্তুতঃ তাহ অভিন্ন বৈ বিভিন্ন নeে । উপাধি অন্তর্হিত হইলেই এক, নচেৎ বহু | স্বৰ্গ, মগু, পা তাল, এই লোক ত্রয় সেই ব্রহ্মচৈতন্তে অবভাসিত মগবা মায়িকরূপে দৃষ্ট হইতেছে। যে হেতু একান্ধয় মহান ধ্যাপিচৈতন্তে স্বাশ্রিত অজ্ঞানের প্রভাবে বিশ্বরূপ ইঙ্গজাল প্রকাশ পাইয়াছে, সেই হেতু বিশ্ব মিথ্যা, কেবল প্রকাশক চৈতষ্ঠই সত্য । অধিক কি সত্য চৈতন্তে যাহা যাহা ভাসমান, তাহা অসত্য । সে সকল চৈতন্ত্যাশ্রিত অজ্ঞানের বিলাস বা বিভ্রম ব্যতীত অস্ত কিছুই নহে। এই প্রতীতি সুদৃঢ় হওয়া মবিগুক এবং ঐ প্রভাতি মুদৃঢ় বা অবিচলিত বিশ্বাসে আবদ্ধ হইলেই জীব আপনার ব্ৰহ্মত্ব সাক্ষাৎকার করিয়া কৃতাৰ্থ হইতে পারে । শক্তিমান গুরু যখন বিবেকী ও বুভুংমু শিষ্যকে ‘তামসি’ ‘সৰ্ব্বং খৰিদং ব্ৰহ্ম’ ইত্যাদি মহাবাক্য উপদেশ করেন; তখন তাহার তমুক্ত ৰাক্যের সামধ্যে পূৰ্ব্বোক্ত প্রকারের প্রতীতি, অর্থাং বিশ্বের মিথ্যাঙ্ক ও আপনার ব্ৰহ্মত্ববোধ উপস্থিত DDS BBYD BDS BB BBBB BB BBBBBB প্রবিষ্ট হইয়। জীবকে কৃতাৰ্থ করে । শ্রবণাদির পর দুই প্রকারে বাক্যার্থবোধ হইতে দেখা যায়, এক পরোক্ষরূপে, জ্ঞার অপরোক্ষরূপে। বাকৃপ্রকাপ্ত বস্থ শোভার সন্নিহিত ( প্রত্যক্ষ পথে ) থাকিলে তত্ত্বোধক বাক্য তত্ত্বস্তুবিষয়ে অপরোক্ষ জ্ঞান জন্মায় এবং অসন্নিহিত থাকিলে পরোক্ষ জ্ঞান জন্মায় । ‘তত্বমস্তাদি মহাবাকাই শিকের মনুষ্যভ্রান্তি বিদূরিত ! করিয়া ব্ৰহ্মলাক্ষাৎকার উৎপাদন করিয়া থাকে। কারণ बक्रहे दाविज्र अनाशि अनिवीघ्रा चङाप्न “ज्रोभि श्रभूक' এই সম্বর ভাব বা পরিচ্ছেদ-ভ্রাস্তিপ্রাপ্ত ও জীব হইয়া আছেন। সুতরাং অস্বয় ব্রহ্মবোধক তত্ত্বমস্যাদি মহাবাক্য তাহার সেই স্বাক্ষ্মত্ৰান্তি বিদূরিত করিয়া ব্ৰহ্মস্বরূপ সাক্ষাৎকার করাইতে সমর্থ। উপদেশাত্মক তত্ত্বমস্তাদি মহাৰাক্যজিজ্ঞাসু শিষ্যের মনে ব্ৰহ্মাকায়া বৃত্তি উদিত করে। শুঙ্গার ক্রমে তাহার আমি অমুক এই চিরাভ্যস্ত ভ্রান্তিবৃত্তি বিদূরিত বা নিবৃত্ত হয়, তখন তাহার সেই চিরসিদ্ধ অক্ষ ভাব অর্থাৎ ব্ৰহ্মভাব ! इईोक्लड इञ्च । ७हे अक्झ अक्रछोरुहे उकडाॉम । যদিও আলোক ও অন্ধকারের ভায় জ্ঞান ও অজ্ঞান অর্থাং চৈতন্য ও অচৈতষ্ঠ পরস্পর বিরোধী, তথাপি তাহাজের BS L BDS B BBBB BD BBBDDD S DDDD DBBBBS এই, বিরোধী পদার্থের সহাবস্থান ঘটে না । যেমন আলোক ও অন্ধকার সহাবস্থিত হয় না অর্থাৎ আলোকে অন্ধকার স্থান পায় না ; তেমনি জ্ঞানে অজ্ঞান স্থান পায় না ; ইছা দেখিয়৷ ত্রহ্মে অজ্ঞানের আবেশ স্বীকার করা অষ্ঠাষ্য। কারণ জ্ঞান ও অজ্ঞান একত্র অবস্থিত হয় না, এ নিয়ম বৃত্ত্বিজ্ঞানে প্রচলিত। নিপুণ ছহয়া অমুসন্ধান করিলে দেখিতে পাওয়া যায়, চেতনের পাশ্বচর শক্তি অজ্ঞান ও তাহার সত্তা চৈতন্তসত্তার অধীন। উক্ত উভয় পরস্পর পরস্পরের প্রতিযোগী হইয়াও পরম্পরের স্বরূপবোধক। অন্ধকার না থাকিলে কে আলোক থাকা প্রমাণ করিতে পারে ? জড় না থাকিলে ও অজ্ঞান না থাকিলে কে চেতন থাকা ও জ্ঞান থাকা জানিতে বা বিশ্বাস করিতে পারে ? বস্তুতঃ প্রত্যেক আলোকের ও প্রত্যেক চেতনের অধীনে অন্ধকারের ও অজ্ঞানের অবস্থান দৃষ্ট হয়। কোন চেতনে অজ্ঞান সংস্রব নাই ? সমুদায় চেতন জীবে অজ্ঞানংস্রবদুষ্টে স্থির করা যাইতে পারে যে, অজ্ঞান চেতনের পাশ্বচর শক্তি। ছায়া যেরূপ আলোকের পাশ্বচর, তেমনি অজ্ঞানও জ্ঞানের পাশ্বচর । উক্ত উভয় কোন এক অনিবাচ্য সম্বন্ধে কখন দূরে কখন নিকটে কখন প্রকাগুরূপে ও কখন অস্তুস্থিত রূপে আলোকের ও জ্ঞানের সহিত দেখা শুনা করিয়া থাকে । সুবিধা এই যে, তাহারা পরস্পর বিরুদ্ধস্বভাবান্বিত, সাক্ষাৎসম্বন্ধে দেখা শুনা করিতে পারে না। যেমন অন্ধকার-কালে আলোকের অপসার, তেমনি অজ্ঞান কালে জ্ঞানের তিরোভাব, ও জ্ঞানকালে অজ্ঞানের পলায়ন-ঘটনা হয়। জ্ঞান হুহলেহ আজ্ঞান পলায়ন করিবে, ইহা স্থির থাকাতেই আমরা অজ্ঞান নিবারণের চেষ্টা কম্নিয়া থাকি। অজ্ঞানেই সংসার, সংসার অন্ত কিছু নহে। জখও চেতন অদ্বয় ব্রহ্মের পাশ্বচরশক্তি অজ্ঞান, তাছার প্রাদুর্ভাবে অস্তঃকরণাদির উৎপত্তি, অনন্তর তিনি অন্ত:করণাদি পরিচ্ছিন্ন জীব, আবার তাহারই তিরোভাবে অপরিচ্ছিন্ন ও নিরঞ্জন। কি অস্তঃপ্রপঞ্চ, কি বাস্থপ্রপঞ্চ সমস্তই অজ্ঞানের বিলাস, সেই ভক্তই তাহ। ভ্রাত্তির বিস্তৃভ৭ বলিয়া বশিত হইয়াছে । “অস্তি ভাতি প্রিয়ং রূপং নাম চেতাৰ্থপঞ্চকম। আদ্যক্ৰয়ং ব্ৰহ্মরূপং জগন্ধপং ততো ৰয়ম্ " শক্তিরূপী ব্ৰহ্মাশ্রিত অজ্ঞান ব্রন্ধে বা ব্ৰহ্মকে জগৎ দেখিস্নাছে । সেইজন্ত জগৎ ও ভ্ৰহ্ম এখন বিমিশ্রিত বা একাবভাগে ভাসিত। সেই কারণে এখন প্রত্যেক দৃশুই পঞ্চরূপী । ১ অস্তি-জাছে, ২ জ্ঞাতি-প্রকাশ পাইতেছে, ৩ প্রিয়-ভাল ৰ। ৰেশ এই জ্ঞাব, ৪ রূপ—ইহা এই প্রকায়, ৫ লাম—ইহা অমুক ৰন্ত। এই পঞ্চ রূপের প্রথমোক্ত তিনৰুপ ভুঞ্জ, জৰশিষ্ট