পাতা:বিশ্বকোষ ত্রয়োদশ খণ্ড.djvu/১৪১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ব্ৰহ্মদেশ [ లిx ) ব্ৰহ্মদেশ দেওয়ান, রাজপ্রদত্ত উপঢৌকনাদির তালিকা প্রভাত, তদ্রক্ষা ও দরবার গৃহে উপঢৌকনদাতার নাম পাঠ করাই ইহাদের কাৰ্য্য ছিল । যৌঙ্গ জোগুণ দরবার বা উৎসবাজির কৰ্ম্মকর্ত। তংপরে নেচা ও খিল্‌সদব্যয়দিগের কার্য্য। ইহার উৎসবসভায় আগত ব্যক্তিগণের আসননির্দেশ ও শপথগ্রহণ করিতেন। পূৰ্ব্বেই উল্লেখ করিয়াছি। হল,ং সভার সদস্ত ব্যতীত অপর একটা মন্ত্রিসভা রাজপ্রসাদের পরিদর্শনকাৰ্য্যে নিযুক্ত থাকিতেন। তাহাদের মধ্যে অন্ত্ৰুি সৰ্ব্বপ্রথম । ইহার হল সম্ভার রাজবার্তা প্রেরণ এবং তাছাদের কথাও রাজসকাশে জ্ঞাপন করিতেন। তৎপরবর্তী খণ্ডবুজিন তাহাদের সহকারী ছিলেন । এই অন্তঃপুরসভার নাম বেঃ-দকে । ব্রহ্মের ছলং ও বেদকে সভা ব্যতীত ধনাগাররক্ষার জন শ্ব-স্তকে নামে আর একটা সভা আছে। এখানে রাজার বহুমূল্য দ্রব্যাদি রক্ষিত হুইত । তৎকালে ব্রহ্মদেশের বিভাগগুলি প্রদেশ, জেলা, নগর ও গ্রামাদিতে বিভক্ত ছিল। প্রদেশে একজন ম্যোবুন (শাসনকর্ত) নিয়োজিত ছিলেন । ইহারাই প্রজাবর্গের হর্তা কৰ্ত্তা, কিন্তু ইহার আদেশের বিরুদ্ধে প্রত্যেক ব্যক্তিই মহাসভার আপত্তির অধিকারী। প্রত্যেক উপবিভাগ ও গ্রামে এক একজন নিম্নতম কৰ্ম্মচারী রাজকাৰ্য্য নিৰ্ব্বাহ করিতেন। ব্ৰহ্মবাসিগণ অধিকাংশই বৌদ্ধ । ইহাদের মধ্যে কোন সাম্প্রদায়িক ভেদ দেখা যায় না। প্রত্যেক শ্রেণীর মধ্যে এক একটা মঠ বা ধৰ্ম্মালয় আছে। পবিত্রতা, মিতাচার ও সত্যরক্ষাই ইহাদের প্রধান ধৰ্ম্ম । ধৰ্ম্মগত বা জাতিগত কোন বিভাগ না থাকিলেও এখানে ধৰ্ম্মমন্দিরাদির অধিষ্ঠাতা বা ধনবান রাজপুরুষদিগের সহিত সাধারণ লোকের অল্প পার্থক্য লক্ষিত হয়, কিন্তু অন্যত্র ধনের কোন বিশেষ গৌরব নাই। বৌদ্ধপুরোহিত পুঙ্গ্যিগণ সৰ্ব্বত্রই ধাজন করিয়া থাকেন। বুদ্ধ ব্যতীত এখানে ‘নাট’ গণের (উপদেবতা বিশেষের ) উপালন প্রভাৰ পরিলক্ষিত হয়। অধিবাসীগণের বিশ্বাস এই, উপদেবতাগণ স্বর্গ ও মর্ত্যের যাবতীয় পদার্থের উপর প্রচ্ছন্ন ভাবে আধিপত্য করিতেছে। মনুষ্যের অহিতকারী এই মন্দশক্তিগণের তৃপ্তি বিধান জন্ত তাহারা নানা উপচারে পূজা দিয়া থাকে। বৌদ্ধধর্মের প্রভাববিস্তারে ব্রহ্মবাসিগণ তদ্ধৰ্ম্মে দীক্ষিত হইলেও তাছাদের পূর্বাস্থতি ভূতোপাসনাপ্রভাব তিরোহিত झग्न नांश् ॥ ७षनs क८ब्रन, छैौन <धङ्गठि *ां6उँौब्र छांठिग्न মধ্যে নাটপুজায় বছল প্রচার দেখা যায়। অধুনা করেনগণ আপনাদিগকে বৌদ্ধ ৰলিয়। পরিচিত করিতেছে। বৌদ্ধধৰ্ম্মাবলম্বী বন্ধদিগের মধ্যে বালিকাবিবাহ প্রচলিত $. নাই । কস্তাগণ সৰ্ব্বতোভাৰে পিতামাতার অধীন। কোন बूबरु क्रभभूध इहेइ cरून यूरठौग्न भां१िशश१ हेछ्रु रहेग, প্রথমে তাহাকে সেই কম্ভার পিতার অনুমতি লইতে হয়। স্বপাত্র বুৰিয়া পিতাও সেই যুবককে স্বীয় কম্ভার প্রীতিসাহচৰ্য্য (Courtship) করিতে আদেশ দেন । এই ভালবাসা বিনিময়ের সময় উভয়ের প্রতিই বিশেষ কটাক্ষ রাখা হইয়া থাকে । কস্তার মাতাই সাধারণতঃ ৰিবাহের ঘটক হইয়। স্বীয় কন্যার অভিমতে উপযুক্ত পাত্ৰ মনোনীত করেন এবং কায়মনোবাক্যে উক্ত দম্পতির মধ্যে স্বপ্রণয় সংঘটনের চেষ্টা করিয়া থাকেন । পিতার অনুমতিসাপেক্ষ হইলেও, বিবাহে কস্তার সন্মতিই বাঞ্ছনীয়। এতদ্ব্যতীত প্রায়ই বিবাহে বিভ্রাট ঘটিতে দেখা যায় । বৌদ্ধধৰ্ম্মে বহুবিবাহ নিষিদ্ধ না হইলেও ব্রহ্মবাসিগণ সাধারণতঃই পত্ন্যস্তরগ্রহণে অনিচ্ছুক। ধনবান বণিক ও রাজকীয় কৰ্ম্মচারীদিগের একাধিক পত্নীগ্ৰহণ সমাজে বিশেষ নিৰ্ম্মনীয়। পত্ন্যস্তুর গ্রহণ করিলে, প্রথমাপত্নীকে স্বতন্ত্র বাটতে স্থান দিতে হয়। সপত্নী লুহয় তাহারা একত্র বাস করে না। দম্পতির অভিমত হইলে, গ্রামস্থ বয়োজ্যেষ্ঠদিগের আদেশে বিবাহবন্ধনচ্ছেদ হইতে পারে ; কিন্তু যে সকল স্থলে বিশেষ গোলযোগ থাকে, অথবা স্বামী বা পত্নীর মধ্যে কেহ এই বন্ধনচ্ছেদনে অভিলাধী নহেন, এরূপ স্থলে রাজধৰ্ম্মাধিকরণের নিম্পত্তিই গ্রাহ । এইরূপে স্বামী বা স্ত্রী পরস্পরে ভিন্ন হইলেও সম্পত্তির অংশলাভে বঞ্চিত হন না । কোন কোন স্থলে পরিত্যক্ত রমণী বা পুরুষ সমগ্র সম্পত্তিরই অধিকারী হন। ব্রহ্মে যথায় রমণীগণ ব্যবসাবাণিজ্যলব্ধ জীবিকা দ্বারা আনন্দে দিনাতিপাত করে, তথায় বিবাহজীবন অতীব মুখকর। করেন, চীন প্রভৃতি পাৰ্ব্বত্য জাতির বিবাহপ্রথা স্বতন্ত্র । কিন্তু যে সকল করেন, ব্রহ্মরাজের শাসনে আসিয়া ব্রহ্মদিগের আচারব্যবহার অভ্যাস ও অনুকরণ করিয়াছে, তাহাদের রীতিনীতি প্রায়ই ব্রহ্মদিগের স্থায় । পাৰ্ব্বতীয় করেনদিগের আচারব্যবহার সেই মত অপরিবর্ভূিত কুহিয়াছে । করেনদিগের মধ্যে বহুবিবাহ প্রচলিত নাই। কিন্তু যাহার ব্রহ্মসংসর্গে বৌদ্ধ ধৰ্ম্মাবলম্বী হইয়াছে, তাহাদের মধ্যে কদাচিৎ একাধিক বিবাহ দেখিতে পাওয়া যায়। ব্যতিচার দোষে দুষ্ট হইলে পত্নীত্যাগ করাই নিয়ম। সতীত্বরক্ষাই এই জাতীয় রমণীর প্রধান কাৰ্য্য। চীনদিগের মধ্যে বহুবিবাহ প্রচলিত আছে। সমগ্র ব্রহ্মসাম্রাজ্যে বহু শত মঠ আছে । পুঙ্গ্যিগণ ঐ সকল মঠে অধ্যক্ষত করিয়া থাকেন । ধৰ্ম্মচৰ্য্যা