পাতা:বিশ্বকোষ ত্রয়োদশ খণ্ড.djvu/১৫১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ব্ৰক্ষন t ইহার তাৎপৰ্য্য এই ৰে, স্বপ্রকাশ ত্রন্ধে কিরূপে অবিদ্যা থাকিবে ? অৰিষ্ঠ না থাকিলেই বা কিরূপে ব্ৰঞ্জের স্বরূপের श्रांबङ्ग१ इहेष्व । वांछ्छय हेठाॉनि ऊर्कखोलएक भान कदग्न, অর্থাৎ নিরাকৃত করে, নিজের অনুভবেই ঐ সকল অকিঞ্চিৎ করত্ব প্রতিপন্ন হয়। কেন না, আমি অজ্ঞ, আমাকে আমি জানি না, এইরূপ অনুভব প্রত্যক্ষসিদ্ধ। স্বামুভবের প্রতি বিশ্বাস না করিলে যিনি আপনাকে তার্কিক বলিয়া বিবেচনা করেন, তিনি কিরূপে তত্ত্বনিশ্চয় করিবেন ? কারণ তর্ক ত অবস্থিত হয় না । দেখিতে পাওয়া যায় যে, একজন তার্কিক ষে তর্কের উপন্সাস করেন, অপর তার্কিক তাহ। তর্কাভাসরূপে প্রতিপন্ন করেন। তাছার তর্কও অন্ত তার্জিক কর্তৃক তর্কাভাসে পরিণত হয়। সুতরাং কেৰল তর্ক দ্বার তত্বনিশ্চয় श्रङ *ॉरब्र न । अशङ्कड विषञ्च दूकााक्रम्ल श्यांद्र अछ অর্থাং যাহা অনুভৰ তাছা ভালরূপে বুঝিবার জন্ত বা তাহাতে দৃঢ়বিশ্বাস স্থাপনের জন্ত তর্কের অপেক্ষ হইতে পারে বটে, কিন্তু তাহা হইলে নিজের অনুভব অনুসারে তর্ক করা উচিত। কুতৰ্ক করা উচিত নহে। ফলতঃ যখন সকলেই নিজের অজ্ঞান অনুভব করিতেছেন, তখন অজ্ঞান কাহার ? এ প্রশ্ন উঠিতেই পারে না । স্বপ্রকাশ ব্রহ্মে অজ্ঞান কিরূপে সম্ভবপর হয়, এ প্রশ্ন হইতে পারিলেও তাহার কোন মূল নাই। কেন না,স্বপ্রকাশ ব্রহ্মে অজ্ঞান যখন সাক্ষাৎ অমুভূত হইতেছে, তখন অজ্ঞানের অস্তিত্ত্বে সন্দেহ হইবার কারণ নাই। সুতরাং অজ্ঞানসত্তার কারণ নির্ণা না হইলেও কিছু ক্ষতিবৃদ্ধি হইতে পারে না। তাদৃশ অনুভব হয় ৰলিয়। বৈদান্তিক আচার্য্যের বলেন যে, নিত্য স্বপ্রকাশ চৈতন্তু মঙ্গানের বিরোধী নহে। কেন না, নিত্য স্বপ্রকাশ চৈতন্তে অজ্ঞানের অনুভব হইতেছে ৰলিয়া নিত্য স্বপ্রকাশ চৈতন্যকে অজ্ঞানের বিরোধী বলা যাইতে পারে না । কারণ বিরোধ ও অবিরোধ অনুভব অনুসারে নির্ণীত হয়। ৰিৰেক ৰ বিচারজনিত যথার্থজ্ঞান হইলে অজ্ঞান বিনষ্ট হয়, সুতরাং বিবেকজনিত জ্ঞান অজ্ঞানের বিরোধী । রঙ্গ গোচর অজ্ঞান রঙ্গ স্বরূপ আবৃত করিয়া তাহাতে সৰ্পের উদ্ধাৰন করে। রজ্জ্বতৰ সাক্ষাৎকার হইলে রঙ্গগোচর অজ্ঞান এবং তৎকার্য্য সর্প বাধিত হয়। রঙ্গুতত্ব সাক্ষাৎকারের পূর্বে রঙ্গগোচর অজ্ঞান ও তৎকার্য্য সৰ্প বাধিত বলিয়া বোধ হয় না বটে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তৎকালেও তাহ বাধিত থাকে। তৎকালেও রঙ্গ সর্ণের বাস্তৰিক অস্তিত্ব নাই । সেইৰূপ ব্ৰক্ষতৰ সাক্ষাৎকারের পরে অজ্ঞান এবং তৎকার্য্য বাধিত হয়। ব্ৰহ্মত্তৰ সাক্ষাৎকারের পূর্কে অজ্ঞান ও তৎকার্য্য XIII }8సి ) 韃 अक्रन् ৰাধিত বলিয়া প্রতীয়মান না হইলেও তৎকালে উহা ৰাধিতই থাকে। বাহ নিত্যৰাধিত, তাছার বাস্তবিক অস্তিত্ব হইতে गोप्द्र न । oहेबछ अंडि वणिग्राएइम, अक्र मिष्ठामूङ । ऊाशद्र বন্ধ ৰাস্তৰিক লছে। সুতরাং মুক্তিলাভও বাস্তবিক লছে। অতএব শাস্ত্রদৃষ্টিতে অবিদ্যা তুচ্ছ, অর্থাৎ জাকাশকুন্থমের ভাল अर्णौक । किरू यूङिनृष्टेिष्ठ अमिदीका अबिना माहे, हेह बना যায় না ; যেহেতু উহা সৰ্ব্বত্রই স্পষ্ট প্রতীয়মাল আছে। অবিস্ত আছে, ইহাও বলা যায় না, যেহেতু তাছা নিত্যৰাধিত। বাহ নিত্যবাধিত, তাহার বাস্তবিক অস্তিত্ব থাকিতে পারে না। লোকদৃষ্টিতে অবিস্তা ও তৎকার্য্য উভয়ই ৰান্তৰিক। কারণ সমস্ত লোকে তাহ অনুভব করিতেছে। সমস্ত দার্শনিকই একবাক্যে স্বীকার করিয়াছেন, ব্ৰহ্ম দেহাদি হইতে অতিরিক্ত। তাহার সংসার মিথ্যাজ্ঞানমূলক। তজজ্ঞান দ্বারা মিথ্যাজ্ঞান অপনীত হইলে ব্রহ্মের মোক্ষ লাভ হয় । (cबन्नोस्रज्ञ०) কুসুমাঞ্জলিৰুত্তিতে ব্রহ্মের লক্ষণ এইরূপ লিখিত আছে,— “সত্যমানন্দমম্বয়মমুভমেকরূপং বায়নসোইগোচরং সৰ্ব্বগঃ সৰ্ব্বাতীতং চিদেকায়সং দেশকালাপরিচ্ছিন্নমপাদমপি শীঘ্ৰগমপাণি চ সৰ্ব্বগ্রহমচক্ষুরপি সৰ্ব্বদ্ৰন্থ অশ্রোত্ৰমপি সৰ্ব্বশ্রোতৃ অচিন্ত্যমপি সৰ্ব্বজ্ঞং সর্বনিয়ন্থ সৰ্ব্বশক্তি সৰ্ব্বেষাং স্বটিস্থিতিলয়ক" কিমপি বা ব্ৰদ্ধেতি বেদা বদস্তি” সত্যস্বরূপ, আনন্দময়, মনের অগোচর, সৰ্ব্বগ, সৰ্ব্বাতীত, চিদেকরস, দেশ ও কাল দ্বারা অপরিছিন্ন, আপাদ তথাচ শীগ্রগামী, অপাণি অথচ সৰ্ব্বগ্রাহক, আচক্ষু তথাপি সকলের দ্রষ্ট, অকর্ণ হইলেও সর্বশ্রোতা, অচিন্ত্য হইলেও সৰ্ব্বজ্ঞ, সকলের নিয়স্তা, এবং সমুদয়ের স্বাক্টস্থিতি ও গল্পকারী এবংবিধ ফোম এক অনিৰ্ব্বচনীয় বভই ব্রহ্ম। বেদই "ব্রহ্মের এইরূপ লক্ষণ নির্দেশ করিয়াছেন। “শুদ্ধবুদ্ধস্বভাব ইতোপনিষদা:” উপনিষদের মতে শুদ্ধ বুদ্ধশ্বভাবই ব্ৰহ্ম । “আদিবিদ্বানু সিদ্ধ ইতি কাপিলা:” কাপিল গণ আদিবিন্ধান ও সিদ্ধপুরুষকেই ব্ৰক্ষ বলিয়াছেন। পাতঞ্চলে ব্রহ্মের লক্ষণ এইরূপ নিদিষ্ট হইয়াছে,—“ক্লেশকৰ্ম্মবিপাকাশরৈরপরামৃষ্টে নিৰ্ম্মাণকায়মধিষ্ঠায় সম্প্রদায় প্রস্তোতকোইমুগ্রাহকশেচতি পাতঞ্জলাঃ” ক্লেশ, কৰ্ম্মবিপাক ও আশয় দ্বারা অপরামুই এবং নিৰ্ম্মাণকায় অবলম্বন করিয়া সম্প্রদায়-প্রদ্যোতক ও অনুগ্রাহকই ব্ৰহ্ম। “লোকবেদবিন্ধন্ধৈরপি নিলেপঃ স্বতন্ত্ৰশ্চেতি মহাপাপ্তপতাঃ”। লোক ও বেদ বিরুদ্ধ হইলেও নিলেপ ও স্বতন্ত্ৰই ৰক্ষ । ইহাই মহাপাশুপতদিগের মত। “ শিৰ ইক্তি শৈৰাঃ শৈবদিগের মতে শিবই হ্রদ। পুরুষোত্তম ইড়ি বৈষ্ণৰা:- বৈষ্ণৰ