পাতা:বিশ্বকোষ ত্রয়োদশ খণ্ড.djvu/১৮২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ব্রাহ্মসমাজ [ ১৮০ T ব্রাহ্মসমাজ পুরুষপরম্পরায় যুগযুগান্তর প্রবাহিত সেই অমূল্য সম্পত্তি প্রাপ্ত হইয়াছিলেন এবং তাছারই মৃতসঞ্জীবনী শক্তি প্রভাবে সৰ্ব্বশ্রেয়োবিধানি সেই ওস্তংলদাদি ব্ৰহ্মবাণী উচ্চারণপূৰ্ব্বক তংগৰলে মঙ্গুষ্যের সাৰ্ব্বভৌমিক কল্যাপসাধনায় দণ্ডায়মান হইলেন । কলিকাতার ইংরাজদিগের রাজধানী প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গেই বাঙ্গালায় এক নূতনতর যুগের উপক্রম হইয়াছিল। সেই সময় রামমোহন রায় জন্মগ্রহণ করেন । যখন প্রধান বিচারপতি গুর উইলিয়ম জোন্স এসিয়াদেশের এবং প্রধানত: ভারতবর্ষের জ্ঞানয়ত্বের অমুসন্ধানাথ ‘এসিয়াটিক সোসাইটী” স্থাপন করেন, সেই সময় রামমোহন রায় জ্ঞানরত্ন সংগ্রহের নিমিত্ত একাকী ভারতের দেশেদেশে ভ্রমণ করিতে ছিলেন। পরে তিনি ও ইউরোপীয় পণ্ডিতদিগের স্থায় वङ् छांदांग्र चबछि छ इङ्गेब्र। डेख कtष्पैT ७धा४ांना लांख् राब्रिध्नांছিলেন । ১৮১৪ খৃষ্টাব্দে তিনি কলিকাতায় আগমন করিলেন। লেই বৎসর কলিকাতার খৃষ্টীয়ান বিশপের মাসন প্রতিষ্ঠিত হইল । ইহার পূৰ্ব্বে কলিকাত টাউন’ (town) মাত্র ছিল ; এগণে পিটি (City) শক্ষে বাচ্য হইল। খৃষ্টীয়ান মিশনরিগণ কেবল কর্তব্যনিষ্ঠায় এ দেশে আসিয়া ধৰ্ম্মপ্রচার করিতে fছলেন । তাহার রাজশক্তির সাহায্য गाह्रौं ভারতে খৃষ্টধপের প্রভাববর্ধনে যত্নবান হন। এরূপ কঠিন সময়ে বেদান্তश* श्tश ब्राभष्मांश्म ब्रारब्रद्र श्रांबिर्डीय श्हेंब्राझिण । রামমোহন কলিকাতায় আসিয়া প্রথমতঃ স্বদেশীয় লোকের ধৰ্ম্মমতের বিশোধন চেষ্টা করেন । তগ্নিমিত্ত তিনি সৰ্ব্বাগ্রে বেদান্তহুত্রের অবিস্তৃত শাস্করভাষ্যের মৰ্ম্মাৰ্থ বাঙ্গাল৷ ভাষার অফুৰা করিয়া মুদ্রাঘন্ত্রের আয়োজন পূর্বক তাহ মুদ্রাঙ্কিত ও প্রচারিত করিলেন। সেই সঙ্গে বেদান্তুশাস্ত্রের সারমণ সঙ্কলনপুৰ্ব্বক একখানি ক্ষুদ্রপুস্তিকাও প্রচারিত হইয়াছিল। পরে আরও ক একখানি উপনিষৎ ঐ প্রকারে «अछू यांभ नह ७धष्ठांब्रिड श्ब्र । हेशंग्र अयायश्७ि श्रृंरब्रहे ठिनि ইংরাজী ভাষায় ঐ সকল গ্রন্থের অনুবাদ প্রকাশ করিয়াছিলেন। ड ख् आइ क७कथानिग्न छूमिकांच्च मशका। ब्राभरमाझ्म प्राग्न ऋांडिপ্রায় লিপিবদ্ধ করেন। তাছাতে তিনি আপনার মনোভাব মুম্পষ্ট একাশ করিত্তে ৰাক্যবিদ্যাসের ক্রটি করেন নাই। নিম্নোদ্ভূত কথাগুলিতে তাহার স্বৰ্যক্ত অভিপ্রায় সংক্ষেপে জান বাইন্তে পারে। বেঙ্গান্তস্থত্রের অর্থব্যাখ্যার প্রথমে তিনি নান্দীৰাক্যে বলিয়াছেন,-“ৰেদে পুনঃ পুনঃ প্রতিজ্ঞা করিতেছেন যে, সমুদায় ¢रुएन उष्णरक कtश्न ७द१ अकहे cबएनब्र अठिनाश हाब्रन ।" ঐ গ্রন্থের ভূমিকায় তিনি বলিয়াছেন,—“এ অকিঞ্চন বেদান্তশাস্ত্রের অর্থ ভাষাতে এক প্রকার যথাসাধ্য প্রকাশ করিলেক । ইহার দৃষ্টিতে জানিবেন যে, আমাদের শাস্ত্রান্থসারে অতি পুৰ্ব্বপরম্পরায় এবং বুদ্ধির বিবেচনা মতে জগতের স্রষ্ট পাতা সংহর্তা ইত্যাদি বিশেষণে ব্যক্ত কেবল ঈশ্বর উপাস্ত হইয়াছেন। অথবা সমাধিবিষয়ক্ষমতাপন্ন হইলে সকল ব্রহ্মময় এমতরূপে সেই ব্ৰহ্ম সাধনীয় হইয়াছেন।” এই সকল গ্রন্থ প্রকাশিত হইলে ব্রাহ্মণগণ নানাপ্রকারে আপত্তি করিয়াছিলেন। তদুত্তরে রামমোহন রায় এই সকল সিদ্ধান্ত জানাইলেন :-"যখন জ্ঞান ব্যতীত মোক্ষ হইবে না, তখন সকলের পক্ষে জ্ঞানসাধনা আবশুক। ইহাতে বর্ণ, আশ্রম, বেদাধ্যয়নাদির বিধিনিষেধ ঘটাইয়া লোককে পরমার্থভ্রষ্ট করা অঙ্কুচিত। যতির যেরূপ ব্রহ্মবিস্কায় অধিকার, সেইরূপ উত্তম গৃহস্থেরও অধিকার আছে। সাধারণতঃ জ্ঞানসাধন সময়ে প্রণব উপনিষদাদির শ্রবণমনন স্বারা আত্মাতে একনিষ্ঠ হইবার অম্বুষ্ঠান ও ইঞ্জিয়নিগ্রহে যত্ন, ইহাই অবিহুক । বর্ণাশ্রমাচার করিলে উত্তম, কিন্তু তদ্ভিন্ন ব্ৰহ্মজ্ঞানের উৎপত্তি হয় না, এমন নহে। ফলত: ইন্দ্রিয়দমন, শমদমাদি অভ্যাস, পরম্পরের প্রতি প্রতি এবং শ্রবণমননাদি দ্বারা ব্ৰহ্ম সাক্ষাৎকার, এই গুলিন আবশ্যক।’ এবশ্রকারে ব্ৰহ্মজ্ঞানসাধনের কর্তব্যতা প্রতিপাদনপুৰ্ব্বক রামমোহন রায় গায়ীর অর্থ ও গায়ত্র্য। পরমোপাসনাবিধানং ইত্যাদি পুস্তক-প্রচার করিয়া বিনয়ের সহিত বিজ্ঞাপন করিলেন যে, “বেদমন্ত্ৰ সকলের অর্থ না জানিয় তাহার ব্যবহার করাতে কোন ফল নাই ; বরঞ্চ দোষ আছে।’ পরন্তু তিনি আরও নির্দেশ করেন যে, ‘বুঝিবার পক্ষে অমুকুল হইবে বলিয়া শাস্ত্ৰসকলের অর্থ ভাষার অম্বুবাদ করিলাম ; আমার আর কোন বক্তব্য নাই ; শাস্ত্রার্থ বুঝিয়া বাহা কৰ্ত্তব্য হয় করুন।” 帕 স্বদেশীয় জনগণ মধ্যে “একমেবাদ্বিতীয়ং” ব্ৰহ্মতত্ত্বকে বেদের মুখ্যতাৎপৰ্য্য প্রতিপন্ন করিয়া রামমোহন রায় তদ্বিরুদ্ধৰাণী বিদেশীয় লোকদিগের প্রবোধ মিমিত্ত ১৮১৭ খৃষ্টাকে ইংরাজীতে ঐ মৰ্ম্মে কএকখানি পুস্তক লিখিলেন। ঐ সকল পুস্তকে ‘সন্ধপ পরব্রন্ধের উপদেশই হিন্দুশাস্ত্ৰসকলের মুখাতাৎপৰ্য্য ইহাই পুনঃ পুনঃ পরিব্যক্ত হইয়াছিল। ইংরাজীতে অতি ওজস্বল বচনবিন্যাসে রামমোহন রায় দেখাইলেন যে, এই শ্রদ্ধজ্ঞানের অভাবে আমাদের দেশে অনেক দুৰ্গতিজটিতেছে। তাছা উদ্দীপনা ব্যতীত আর আমাদের ঐছিক ও পাল্পত্রিকমঙ্গল সাধনের কোন উপায় মাই। ইতি-পুৰো