পাতা:বিশ্বকোষ ত্রয়োদশ খণ্ড.djvu/২২০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


戏 ভক্তিরস ভক্তিরসের অধিকারী— “প্রাকম্বাধুনিক চাস্তি বস্ত সৰুক্তিবাসনা। এষ ভক্তিরসাপাদস্তস্তৈব হৃদি জায়তে ॥” যtহার হৃদয়ে প্রাক্তনী এবং আধুনিকী সভক্তিবাসনা বিরাঞ্জ করে, তাহারই অন্তরে এই ভক্তিরসের আস্বাদল । g:গ্নিস্থ থাকে । ভক্তিরলের বিভাব-— “তত্র জ্ঞেয়া বি ভাবাপ্ত রত্যাস্বাদনহেতব: । তে দ্বিধা লম্বন একে তথৈবোদ্দীপনাঃ পরে ॥” রতি আস্বাদনের কারণগুলিকে বিভাব বলে, এই বিস্তাব অালম্বন এবং উদ্দীপন ভেদে দুই প্রকার। তন্মধ্যে কৃষ্ণ এবং কৃষ্ণভক্তগণ অালম্বন-বিভাব । ‘কৃষ্ণশ্চ কৃষ্ণভক্তাশ্চ বুধৈ রালম্বন৷ মতা: ’ শ্ৰীকৃষ্ণ বিযয় এবং ভক্তগণ আশ্রয়ালম্বন । যে ভাবকে প্রকাশ করে, তাহাকে উদ্দীপনবিভাব বলে । শ্রীকৃষ্ণের গুণ, চেষ্টা প্রসাধন, স্মিত, অঙ্গসৌরভ, বংশ, শৃঙ্গ, নূপুর, শঙ্খ, পদাঙ্ক, ক্ষেত্র, তুলসী, ভক্ত এবং তদ্ধাসরাদি উদ্দীপম বি ভাব । “উদ্দীপনাস্তু তে প্রোক্তা ভাবমুদ্দীপয়স্তি যে । তে তু শ্ৰীকৃষ্ণচন্দ্রস্ত গুণাশ্চেষ্টা প্রসাধনম্। শ্মি তাঙ্গসৌরম্ভে বংশগৃঙ্গনুপুরকম্বব:। পদাঙ্কক্ষেত্রতুলসী ভক্তস্তম্বাসরাদয়: ॥" ভক্তিরসের অমু ভাব“ মগ্ন ভাবা স্ব চি সুস্থ ভ{লানামববোধকা: ।” চিস্তুগত ভাবের বোধককে অযু ভাব বলে । সেচ অষ্ট্রভাব ! গুলি কিরূপ তাছাঃ নিম্নশ্লোকে বিবৃত হইয়াছে । “মৃত্যং বিলুঠিতং গীতং ক্রোশনং তমুমোটনম । হুঙ্কারে দৃভশং খাসভূম লোকানপেক্ষিতা । লালtশ্রাবোইট্টহালশ্চ ঘূর্ণ হিকাদয়োছপি চ |" সাত্বিকভাব“কৃষ্ণসস্বস্থিভি: সাক্ষণং কিঞ্চিস্থ। ব্যবধানত: । ভাবৈশ্চিভূমিহী ক্রান্তং সত্ত্বমিত্যুচ্যতে বুধৈ: " সাক্ষাৎ বা পরম্পরায় কৃষ্ণসম্বন্ধি ভাব দ্বারা আক্রান্ত চিত্তকে ~ - يعة يو " পণ্ডিঙের সত্ব বঙ্গেন। এই সত্ব হইতে উৎপন্ন ভাবের নাম | সাৰিকভাব । এই সাবিকভাব স্নিগ্ধ, দিগ্ধ এবং রুক্ষ ভেদে তিন প্রকার । “চিত্তং সীভবৎ প্রাণে নস্যতাম্মানমুদ্ভটম্। প্রাণপ্ত বিক্রিয়াং গচ্ছন দেছং বিক্ষোভয়তালং। তদ। স্তম্ভাদায়ো ভাবা ভক্তদেহে ভবন্ত্যমী ॥" [ سرالاد ] | ভক্তিরসামৃতসিন্ধু যে কালে ভগবত্ত্বাবে আক্রান্ত চি স্তু আধার হইয়া আপনাকে প্রাণবায়ুতে অর্পণ করে, তখন প্রাণ অবস্থাস্তর প্রাপ্ত হইয়। দেহকে অতিশয় ক্ষোভিত করিয়া তুলে, সেই কালে ভক্ত দেহে স্তম্ভাদি ভাব সকল উদ্ভূত হয়। স্তস্তাদি ভাব— “তে স্তম্ভস্বেদরোমাঞ্চঃস্বরভেদোহথ বেপথু: | বৈবর্ণ্যমশ্র প্রলয় ইত্যষ্টে সাত্বিকা: স্মৃতা: ॥” স্তম্ভ, স্বেদ, রোমাঞ্চ, স্বরভেদ, বেপৰু, বৈবর্ণ, অশ্র এবং প্রলয়, এই আটট সাত্ত্বিকভাবের লক্ষণ । ভক্তিরসের ব্যভিচারী ভাব,— “নিৰ্ব্বেদোহথ বিষাদে দৈন্য গ্লানি শ্রমেী চ মদগৰ্ব্বে । শঙ্কাত্রাসাবেগ উন্মাদাপস্থতী তথা ব্যাধি: { মোহো মৃতিরালস্যং জাড্যং ব্রীড়াহবহিথ চ । স্থতিরথ বিতর্কচিস্তামতিধৃতয়ে হর্ষ উৎসুকত্বঞ্চ ॥ ঔ গ্র্যtহমর্মাহস্বয়শ্চাপল্যঞ্চৈব নিদ্ৰ চ । সুপ্তিবোধ ইতামে ভাবা ব্যভিচারিণ: সমাখ্যাতl: ॥” নিৰ্ব্বেদ, বিষাদ, দৈন্য, মানি, এম, মদ, গৰ্ব্ব, শঙ্কা, ত্রাস, আবেগ, উন্মাদ, অপস্মৃতি, ব্যাধি, মোহ, মৃতি, আলস্ত, জাড্য, ঐাড়া, অবহিখা, স্মৃতি, বিতর্ক, চিস্তা, মতি, ধৃতি, হর্ষ, ঔৎসুক্য, ঔ গ্র, অমৰ্য, অস্থয়া, চাপল্য, নিদ্রা, সুপ্তি, এবং বোধ এই তেত্রিশট ব্যভিচারী ভাব । শ্ৰীকৃষ্ণৰিষয়িণী রতিকে স্থায়ীভাব বলে । এই সকল বিষয় বিশেষরূপে জানিতে হইলে ভ৫ি:রসামৃতসিন্ধু ও হরিভক্তি বিলাস প্রভৃতি গ্রন্থ প্রষ্টব্য । ভক্তিরসামৃতসিন্ধু, শ্ৰীক্ষপ গোস্বামিকৃত গ্রন্থবিশেষ। এই গ্রন্থ চারিভাগে বিভক্ত। প্রথম ভাগের নাম পুঞ্চবিভাগ। এই পুৰ্ব্বাবিভাগে চারিট লহরী আছে । যখ। সামান্ত ভক্তিলহরী, সাধনম্ভক্তিলহরী, ভাবভক্তিলহরী এবং প্রেমভক্তিলহরী । দ্বিতীয়ের নাম দক্ষিণবিভাগ । ইহাতে পাচট লহরী— বিভাব লহরী, অসুভাবলহরী, সাত্বিকলহরী, ব্যভিচারিলহরী এবং স্থায়িভাবলহরী। i তৃতীয় ভাগের নাম পশ্চিমবিভাগ। ইহাতে শাস্ত, দাস্ত, সখ্য, বাৎসল্য এবং মধুর এই পঞ্চ মুখ্যভক্তিরস পাচট লহরীতে বর্ণিত আছে। চতুর্থ ভাগের নাম উত্তরবিভাগ । ইহাতে নয়ট লহরী। প্রথম হহতে সাতটা লহরীতে হাস্তাদি সপ্ত গৌণরস বণিত আছে । অষ্টম লহরীতে রসের মৈত্রবৈরস্থিতি এবং নবম লহরীতে রসাভাস বর্ণিত আছে।