পাতা:বিশ্বকোষ ত্রয়োদশ খণ্ড.djvu/৪৭৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ভুবনেশ্বর মন্তভুক্ত রহিয়াছে। বাস্তবিক এই নির্জন সিদ্ধারণ্যে মুক্তিদাতা মুক্তাশ্বরের মন্দিরে আসলে আর মন সংসারে ফিরিতে চায় না, ইচ্ছ। হয় এখানে চিরদিন থাকি, আর সেই ভূতভাবন ভবানীপতির উদ্দেশ্যে মন প্রাণ সমৰ্পণ কল্পি। মুক্তাশ্বরের পার্শ্বে ই একটা বাদামীধরণের সরোবর। এটা দৈর্ঘ্যে প্রস্থে যথাক্রমে ১ • • ৪ ২৫ ফিট । ইহার তিনধার পাথর দিয়া বাধান, ও একধারে নাগকেশরের ছায়াতলে পাষাণসোপান শোভিত। এই সরোবর মধ্যে অনেকগুলি প্রস্রবণ আছে, সে জন্ত কুণ্ডে চিরকালষ্ঠ সমভাবে পরিষ্কার জল থাকে। এই জল কুম্ভারাকাত মুখ দিয়া গোরাকেদারকুণ্ডে পতিত হইতেছে । এই কু গুটী ও দৈর্ঘ্যে ৭০ ফিট, প্রস্থে ২৮ ফিট। ইহার ও তিনধার পাথর দিয়া বাধান, দক্ষিণাংশে ২• ফিট লম্বা ও ১• ফিট, [ 8૧t ] চওড়া পাষাণ-সোপান আছে। এই গৌরীকেদারের ৪ল এত । পরিষ্কার যে, ১৬ ফিট, গঙার হলেও ইহার তলদেশ পৰ্য্যন্ত । দেথা যায়। এমন সুস্বাচ্চ ৪ পরিষ্কার পানীয় জল ভূবনেশ্বরের আর কোথাও নাহ। এই কুস্তুের তলদেশে ও প্রস্রবণ আছে । শিবপুরাণের মতে, গেীরা নিজ হন্তে এই পুষ্করণী খনন করিয়াছেন । এখানে সংবৎসর সমাহি গুচিত্তে স্নান করিলে সৰ্ব্বকাম সিদ্ধ হইয়া থাকে । ৯ কপিলসংহিতার মতে, এই কুম্ভের জল পান করিলে আর পুনর্জন্ম হয় না।+ কুণ্ডের ঘাটে ক একটা ছোট ছোট ঘর মাছে, তন্মধ্যে র বাহিরের দেওয়ালে ৮ ফিট উচ্চ একটী হনুমানমুঠি ও আর একটীতে সিংহবাহিনী দুর্গামূ৫ি গাথা আছে । এষ্ট দেবীর মত মুন্দর মুখ ঐ ভুবনেশ্ববরের আর কোন মূৰ্ত্তিতে নাই । উভয়েরই প্রত্যহ পুঞ্জ। হয়। 逸 কেদারেশয় । দুর্গাদেবীর দক্ষিণভাগে ৪১ ফিট উচ্চ কেদারেশ্বরের মন্দির। এই মন্দির বা ইহার চতুরস্ৰ মোহনেও জাকজমক বা সাজসঙ্গ কিছুই নাই । দেখিলেই অতি প্রাচীন বলিয়া বোধ হয়। ইহার গর্ভগৃহ মূল মন্দির অপেক্ষ সমধিক প্রাচীন বলির মনে হয়। ব্ৰহ্মপুরাণে এই কেদারেশ্বরলিঙ্গের উল্লেখ আছে। কেদারেশ্বরের প্রবেশদ্বারের চৌকাটের দক্ষিণ বাছুতে অস্পষ্ট • “ তন্ত্র সাক্ষাৎ স্বয়ং দেবী গৌরী ত্ৰৈলোক্যসুন্দরী। স্বয়মেবারোৎ ৰুগু: সৰ্ব্বপাপপ্রণাশন । প্রাঙ্ক তশ্বিন মহাৰুণ্ডে সংবৎসরসমাঙ্কিত: । क्लड़िवांtणाशॐमः ठछ नर्सकांश्कल८धश् ॥ ” ( শিৰোপপুরাণ উত্তরখণ্ড ) + ৭ খি ভৰে তযুস্তাগাং জিহুক্ষ্মে পিণ্ডদানত: । কোয়ে উদৰং পক্ষা পুনর্জন্ম ন ৰিষ্যতে।" ( কপিলসংহিতা) ভুবনেশ্বর শিলালিপি উৎকীর্ণ অাছে। তৎপাঠে জানা যায় ধে, ১৯৯৪ শকে উৎকলবিজেতা চোড়গঙ্গের আধিপত্যকালে এই কেদায়েস্বল্পমন্দির নিৰ্ম্মিত হয়। একান্ত্রপুরাণ ও কপিলসংহিতায় ইহার মাহাত্ম্য বণিত আছে। কেদায়েশ্বরের মন্দিরের সন্মুখেই গৌরীমন্দির, শীতলষষ্ঠীর দিন এখানে ভুবনেশ্বরের সচলমূৰ্ত্তি গোরীদেবীকে বিবাহ করিতে আসেন । লিঙ্কেশ্বর । মুক্ৰেশ্বরের ১•• হাত উত্তরপশ্চিমে একটা অতি প্রাচীন ভগ্নমন্দির আছে। একামপুরাণমতে, বিষ্ণুর আদেশে বিশ্বকৰ্ম্ম৷ এই মন্দির নিৰ্ম্মাণ করেন। শিবের উপাসনায় বিষ্ণু এখানে সিদ্ধিলাভ করেন, তজ্জন্তু এখানকার অধিদেবতার নাম সিদ্ধেশ্বর হইয়াছে । এষ্ট মন্দিরের উচ্চতা ৪৭ ফিট । এষ্ট মন্দিরের দক্ষিণে চক্রেশ্বর, শঙ্করেশ্বর, শক্রেশ্বর, শঙ্ক্যেশ্বর, বায়বোশ্বর, বরুণেশ্বর, ধনদেশ্বর, পাবকেশ্বর, চন্দ্রশেখর, পরশুরামেশ্বর প্রভৃতি কএকটা মন্দির আছে । শেষোক্ত পরশু রামেরশ্বর মন্দিরট প্রায় ৬০ ফিট, উচ্চ । ইহার সর্বাঙ্গ নানাশিল্পনৈপুণ্যযুক্ত । রাজ রাঞ্জেঙ্গলালের বিশ্বাস যে, বেঞ্জবিহারের অনুকরণে এই মণিয়ের কোন কোন অংশ নিৰ্ম্মিত হইয়াছে। কোন কোন অংশ দেখিলেই যেন বিলাতের সাক্সন দিগের গির্জা বলিয়া মনে হয়। অথচ এই মন্দিরের গঠন দেখিলেই মহামন্দির অপেক্ষা অতি প্রাচীন ৰশিল্প মনে হয় । একামপুরাণে পরশুরামেশ্বর দৈত্যেশ্বর’ নামে বর্ণিত । অলাযুকেশ্বর। পরশুরামেশ্বরের উত্তরপশ্চিমে নাতিদূরে জলাযুকেশ্বরের মন্দির। অনেকেরই বিশ্বাস যে, এই মন্দিরপ্রতিষ্ঠাত অলাবু কেশরীর নাম হইতেই ইহার আলাধুকেশ্বর নাম হইয়াছে। কিন্তু আমরা পূৰ্মেই দেখাইয়াছি যে, অলাবুকেশরী নামে কোন রাজাই ছিল কি না, তাহার কোন প্রকৃষ্ট প্রমাণ নাই । একান্ত্রপুরাণমতে, মহাদেবের অলাবু-কমণ্ডলু হইতেই ইহার জলাযুকেশ্বর নাম হইয়াছে। এই মন্দিরের ২•• গজ পশ্চিমে নাকেশ্বর নামে ১ট সুন্দর অথচ পরিত্যক্ত মন্দির রহিয়াছে। উরুল্লেশ্বর । বিন্দুসাগরের উত্তয়তীরে বহুসংখ্যক ক্ষুদ্র বৃহৎ মন্দ্রির আছে, তন্মধ্যে উত্তরেশ্বর প্রধান। একান্ত্রপুরাণমতে, এখানে মহাদেব ভীমমূর্তি ধারণ করেন এবং দেবী ভগবতী তাহাকে ভুলাইবার জন্য বহুরূপ ধরিয়াছিলেন । পৃথ্বীমধ্যে এই স্থান সৰ্ব্বাপেক্ষা পুণ্যদ বলিয়া বর্ণিত। ইহার নিকট তীমেশ্বরনামে একটা মন্দির অাছে। প্রবাদ, মধ্যম পাগুৰ ভীম এখানে জালিরা ঐ