পাতা:বিশ্বকোষ ত্রয়োদশ খণ্ড.djvu/৫৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


যুদ্ধদেব বুদ্ধত্ব (# ) বুঠি ভাব । বুদ্ধের ভাব বা ধৰ্ম্ম । বুদ্ধদত্ত (পুং ) চও মহাসেনের মন্ত্রী । ( কথাসরিৎসা' ১৫ ) (ত্রি ) বুন্ধেন দত্তঃ । ২ বুদ্ধকর্তৃক দত্ত । যুদ্ধদিশ, পুং ) রাঙ্গভেদ। বুদ্ধদেব, বৌদ্ধধৰ্ম্মপ্রবর্তৃক মহাজ্ঞানী পুরুষ। হিন্দুশাস্ত্রোক্ত ভগবানের দশ অবতার মধ্যে নবম অবতার, । [ দশাবতার দেখ। ] - হিন্দুমত । সাহিত্যদর্পণকার এই বুদ্ধাবতার সম্বন্ধে শ্লোক উদ্ধৃত করিয়াছেন, তাহার ভাষার্থ এই— ‘বুদ্ধ অবতারে যাহার ধ্যান মধ্যে সমগ্র বিশ্ব বিলীন হষ্টয়া ছিল, কী অবতারে যিনি অধাৰ্ম্মিক লোকসমূহকে থড়গঙ্গারা : নিহত করিবেন, তিনি যিনিই হউন, তাছাকে আমরা নমস্কার করি।” জয়দেব দশাবতারের স্তোত্রে যুদ্ধবিতার সম্বন্ধে লিখিয়াছেন,—৩ হে কেশব, তুমি বুদ্ধশরীর ধারণপুৰ্ব্বক দয়াচিত্তে পশুহিংসার অপকারিত প্রদর্শন করিয়া যজ্ঞবিষয়ক মন্ত্রসমূহের নিদা করিয়াছ । হে জগদীশ হরি, তোমার জয় হউক । শ্ৰীমদ্ভাগবতের প্রথমস্কন্ধের তৃতীয় অধ্যায়ে লিখিত আছে, ; ভগবানের অবতারের সংখ্যা একবিংশতি। এই কলিযুগে তিনি গয়া প্রদেশে অঞ্জনের পুত্র বুদ্ধ নামে অবতীর্ণ হইবেন । তৎপরে কলিযুগের শেষকালে তিনি বিকুযশা নামক ব্রাহ্মণের ঔরসে । কন্ধিকপে জন্মগ্রহণ করিবেন । ” বিষ্ণুপুরাণের তৃতীয় অংশের সপ্তদশ ও অষ্টাদশ অধ্যায়ে খৃদ্ধ মায়ামোহ নামে অভিহিত হইয়াছেন । এই পুরাণে বণিত আছে যে, ভগবান স্বীয় শরীর হইতে মায়ামোহ উৎপাদন করিয়া দেবগণকে কহিলেন –এই মায়ামোহ সমুদয় দৈত্যগণকে মোহিত করিবে, দৈষ্ঠ্যগণ বেদমার্গ বিহীন হইলে তোমরা অনায়াসে উহাদিগকে বধ করিতে পাপ্লিবে । অনস্তর মায়ামোছ নৰ্ম্মদ-নদীতীরে গমন করিয়া বলিলেন, চে দৈত্যপতিগণ ! তোমরা কেন তপস্তা করিতেছ ? যদি তোমরা ঐকিক ও পারত্রিক ফল ইচ্ছা কর, তাহা হইলে আমার বাক্যানুসারে (১) "মৎস্ক: কুর্শ্বে বরাহণ নৃসিংহে। স্বামমগুখ । রামে রামশ্চ রাধ-চ বুদ্ধ: কৰ্ম্মী চ ত্তে দশ " ( २ ) *रुश्चाजौन्न छ *कनौब्रि छलf५: मूंछे जण१७णः । न हेtद्या: थब्रगै नtथ भिडिग्र टाषौ*: *८ण ८ब्राप्रभौ । ক্রোধে ক্ষুগণ পয়ে দশমুখঃ পাশে প্ৰলম্বাবুয়ে ধ্যানে বিশ্বমসৰিধাৰ্ম্মি কুলং করৈচিদম্মৈ নমঃ ।” (०) "मिननि वब्यक्रिथबहश् अङिबाङ मनग्न झलग्रमडि”९षाठन् । কেশৰ স্বতযুদ্ধশরীয় জয় জগদীশ হয়ে ।" ( জয়দেৰ ) XIII [ ११ } বুদ্ধদেব কৰ্ম্ম কর। আমি যে ধর্মের উপদেশ করিব, ইছাই মুক্তির উপযোগী। উহা হইতে শ্রেয়োধৰ্ম্ম আর নাই। এই ধৰ্ম্মগ্রহণ করিলে স্বৰ্গ বা মুর্কি যাহা অভিলাষ কয়, তাছাই পাইবে । মায়ামোহের প্ররোচনায় দৈত্যগণ বেদমার্গ হইতে বহিষ্কৃত হইল। এইট ধৰ্ম্ম, এইট অধৰ্ম্ম, এষ্টট সৎ, এইটা অসৎ, हेश्रङ भूक्लि इग्न, प्लहाङ भूद्धि इग्न न!, ७हेप्रै श्रृंशभर्श, साँो অলীক, ইহা দিগম্বরদিগের ধৰ্ম্ম, উহা বহুবন্ত্র মজুষ্যের ধৰ্ম্ম, এইরূপ নানা সন্দেহজনক বাক্য বলিয়া মায়ামোঙ্ক দৈত্যগণকে স্বধৰ্ম্মত্যাগ করাইল । মায়ামোছ বলিয়াছিল, হে দৈত্যগণ । তোমরা মছুক্ত ধৰ্ম্ম ‘অঙ্কত’ অর্থাৎ মান্ত কর । . এই জষ্ঠ যাহার মায়ামোহ-প্রবর্তিত ধৰ্ম্ম গ্রহণ করে, তাহারা আর্কত নামে খ্যাত হয়। মক্কামোহের ধৰ্ম্ম ক্রমে বহুদুর বিস্তৃত হইয়া পড়িল । অনন্তর মায়া-মোহ অসুরগণকে বলিল, যদি নিৰ্ব্বাণলাভ করা তোমাদের বাঞ্ছনীয়, অথবা যদি তোমরা স্বর্গ কামনা কর, তাহা হইলে পশুছিংস প্রভূক্তি দুষ্টধৰ্ম্ম ত্যাগ কর । এই জগৎপ্রবাহ বিজ্ঞানময় বলিয়া অবগত হও । এই জগতের কোন আধার নাই, ষ্টক নিশ্চিত জানিও ইত্যাদি। এইরূপে তাগ্নিপুরাণ, বায়ুপুরাণ, স্কানো চিমবংগও প্রভূতি পৌরাণিক গ্রন্থসমূহে বুদ্ধদেবতার সম্বন্ধে অল্প বিস্তর উল্লিখিত छ्ट्रेग्नitछ् । বল্লভাচার্য্য বেদাপ্তপুত্রের দ্বিতীয় অধ্যায়ের দ্বিতীয় পাদের ষড়বিংশসূত্রের ব্যাখ্যায় নিম্নলিখিত আখ্যায়িক উদ্ধত করিয়াছেন— অভাব পদার্থ হইতে ভাবপদার্থের উৎপত্তি হয় । এই মত খগুন করিয়া ভগবান ব্যাস বেদসমূহের প্রামাণ্য সংস্থাপন করেন । তদনন্তর ভগবান বুদ্ধ দৈত্যগণকে বিমূঢ় করিবার জন্য প্রবৃত্ত হন । বুদ্ধদেব রুদ্ররূপী মহাদেবকে সম্বোধন করিয়া বলেন ;–ছে মহাবাহে রুদ্র, আপনি মোঙ্কশাস্ত্রসমূহ বিরচন করুন । হে মহাভূজ, আপনি অতথ্য ও বিতথা ব্যাপারসমূহ প্রদর্শন করুন। আপনি কতকগুলি কল্পিত শাস্থের পৃষ্টি করিয়া যাচাতে লোক সকল মামার প্রতি বিমুখ হয়, তাহ করুন । যুদ্ধদেলের আদেশ অনুসারে মহাদেব প্রভৃতি ও স্বীয় অংশে অবতীর্ণ হইয়া বৈদিকধৰ্ম্মে প্রবেশপূৰ্ব্বক লোকের বিশ্বাস উৎপাদনের নিমিত্ত বেদসমূহের যথার্থ ব্যাখ্যা করেন । অনশ্বর র্তাহারা অস্তি ও নাস্তির অতীত অবিদ্যা নামক পদার্থকে জগৎ প্রবাহের কারণ বলিয়া নির্দেশ করেন এবং সেই অবিদ্যার (s) "६% ब्रज भइ बाtश्ा ८बाश्थाल्लगि का अन्न । अठशाiमि शिठशानि म*प्रच भएाडूअ ॥ नानtभः कfब्रtठपक जनान् म१िभूषाम् कूअ ॥”