পাতা:বিশ্বকোষ ত্রয়োদশ খণ্ড.djvu/৫৯৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ভোজবিদ্যা [ వd ] ভোজবিদ্যা অভ্যন্ত ভৌতিকবিস্তাপ্রভাবে তাৰ বিদূরিত করিতে চেষ্টা পাইতেন । লুসিয়ান ( Lucian) গ্রন্থে ‘ইজিপ্তীয় ভোজবিস্তার জাভাস আছে। উক্ত গ্রন্থে লিখিত আছে, ‘ইজিপ্তায়’ ভোজবিস্কাপারদর্শী জনৈক মেমফি ২৩ বর্ধকাল পাতাললোকে বাস করিয়া আইসিসের (Isis) নিকট ভোজবিজ্ঞা শিক্ষা করিয়াছিলেন । ইজিপ্ত ও বাবিলন রাজ্য এক সময়ে ভোজবিস্তাবিশারদ পুরোহিতগণের কেন্দ্রভূমি ছিল। তৎপরে য়িহদিগণ এই বিষ্ঠা অভ্যাস করিত। তাহারা ও মন্ত্র দ্বারা গ্রেতাত্মার আহবান, ভূতাদির অবতারণা ও তাছার প্রতিষেধ এবং সলোমনের নামে মস্ত্রোচ্চারণ করিয়া রোগ নাশ কfরত । জেসেফাসের বিবরণী পাঠে এতদ্বিষয়ের সবিস্তার ইতিবৃত্ত পাওয়া যায় । ‘সেফের টােলদাৰ্থ জেস্ব’ নামক গ্রন্থে র্যাণ্ডখুষ্টের অলেকিক ক্রিয়াবলীর অভিনয় সম্বন্ধে এইরূপ একটা উপাখ্যান প্রদত্ত হইয়াছে,-ডেভিড় জেরুসালোমের পবিত্র মন্দিরের ভিত্ত্বিখনন কালে একখানি প্রস্তরখণ্ডে ৰিশ্বপাতার জ্ঞানষ্ঠোতক মন্ত্র অঙ্কিত দেখিতে পান। পাছে কুতুহলপরবশ অজ্ঞযুবকগণ সেই নাম মন্ত্ৰ পাইরা অত্যন্ধুত কাৰ্য্য (Miracles) সম্পাদন দ্বারা জগতের মহা অমঙ্গলসমূহ সমুপস্থিত করে, এই ভয়ে, তিনি সেই মন্ত্র গর্ভগৃহস্থ পীঠস্থানে রাখিয় দেন। অপরে যাহাতে ঐ মন্ত্র পাঠ করিতে না পারে, তজ্জন্ত তৎকালীন সাধুচেতা মনীষিগণ সেই পবিত্র পীঠের (Holy of the Holies) প্রবেশদ্বারে দুষ্টট সিংহমূৰ্ত্তি স্থাপন করেন । প্রবাদ, যদি কোন ব্যক্তি মন্দিরে প্রবেশপুরক সেই মন্ত্র দ্বারা জ্ঞানচক্ষু লাভ করিয়া মন্দির বাহিরে আসিত, ঐ সিংহদ্বয় বিকট গর্জন দ্বারা তাহাকে সেই মন্ত্র বিস্মরণ করাইয়া দিত। একদা প্ৰভু ধীশু স্বীয় অলৌলিক ভোজবিদ্যা ও মন্ত্রাদির প্রভাবে পুরোহিতগণের অজ্ঞাতসারে সেই মন্ত্র উদঘাটন করিয়া তাহ একখণ্ড পার্চমেণ্ট কাগজে লিখিয়। লন। পরে স্বীয় গাত্ৰচৰ্ম্ম ভেদ করিয়া তন্মধ্যে সেই লেখনী প্রবেশ করাইয়া দেন। মন্দির বাহিরে আসিবার সময় সিংহের গর্জনে তিনি সেই নাম মন্ত্র ভুলিয়া যান, কিন্তু তাহার গাত্রাভ্যস্থরস্থিত লিপি তাহাকে পুনরায়ু সেই জ্ঞানালোক প্রদান করে। সেই মন্ত্রপ্রভাবেই তিনি অলৌকিক কৰ্ম্মসমূহ সম্পাদনে সমর্থ হইয়াছিলেন । র্যাপ্তধৃষ্ট ও খৃষ্টান সাধুগণ যে সকল অলৌকিক ক্রিয়া সম্পাদন করিয়া গিয়াছেন, তাহার কোন কোনটীতে ভোজবিস্কার মন্ত্রাভাস জ্ঞাপিত হইয়াছে। প্রাচীন হিদেনগণ এবং পিথাগোরস্ প্রভৃতি গ্ৰীকদার্শনিকগণ ভোজবিস্কার অভ্যাস রাখিতেন। ইফেলাস একজন ভোজৰিভাবিশারদ ছিলেন । ( Acts. xix. 9 )। তাহার শক্তিসঞ্চায়ক গুপ্তলিপিযুক্ত কবচ ধারণ করিয়া লোকে বিশেষ উপকার পাইণ্ড । স্বয়ং যীশু স্বীয় শিষ্যমণ্ডলীর জন্তু কখকখানি ভোজবিভাবিষয়ক প্রবন্ধ রচনা করেন। সেলসাস প্রভৃতি লিখিয়াছেন যে, আমাদিগের ত্রাণকৰ্ত্তা ইজিপ্ত হইতে ভোজবিদ্যা লাভ করিয়াছিলেন। পূর্কে এই ভোজবিদ্যা সাধারণের আদরণীয় ছিল । জ্ঞানবান ব্যক্তিমাত্র এৰং দার্শনিকগণ প্রাকৃতিক ঘটনাসমূহের সমন্বয়, গ্রন্থাদির সংস্থান ও তাছার সঞ্চার জন্তু সুখদুঃখাদির অনুভব আলোচনা করিতেন । র্তাহার। ভোতিক-জগতের ক্রিয়াসমুচ্চয় লক্ষ্য করিয়া তাহারই অমুশালনপর হুইয়াছিলেন । এই ভোতিক-বিস্তু তৎকালে Magic নামে অভিহিত হইত। তৎপরে উহা তিন শ্রেণীতে বিভক্ত হইয়া যায়। ১ Natural বা স্বভাবজ—পার্থিব পদার্থসমূহের সহযোগে অপুৰ্ব্ব ঘটনা-সমূহের সমন্বয়সাধন, ২ Planetary বা এহুবিধয়ক-গ্ৰছবিশেষের সঞ্চারশক্তি এবং গ্রহাদিতে অবস্থিত প্রেতাত্মসমূহ মনুষ্যের কার্য্যাদিতে, ক্ষিরুপ প্রভাব বিস্তার করিতে সমর্থ তাহার নির্ণয় ও প্রতিকার ; ৩য় Diabolical द फूठदिछ, ऐशरङ भज शब्रा छूठानिक जादांश्न ७बर फाइीদের দ্বারা অলৌকিক ক্রিয়াসমূহ সম্পাদন। এতভিন্ন পূৰ্ব্বোক্ত Miracle (wúa wbā) s Oracle of Delphia wis ঐশিকশক্তি দ্বারা কথিত ভাবিবাক্যে কতকাংশ ভোজবিদ্যা পরিস্ফুট আছে। এখন দেখা যাইতেছে যে, অন্মদেশীয় ভোজবিদ্যা ও যুরে। পায়, Magic একই বিজ্ঞান। যে বিস্তু আমাদের দেশে বহু প্রাচীন কালে প্রবর্তিত হইয়া পরে ভোজবিদ্যা অখ্যা লাভ করিয়াছিল, সেই বিদ্য৷ খৃষ্ট জন্মের বহুপুৰ্ব্বে ইজিপ্ত, গ্রীস, বাবিলন ও কালীয় রাজ্যে বিস্তৃতি লাভ করিয়া Maga বা ভৌতিক বিদ্যা নামে প্রথিত হয় । আলোচনা করিয়া দেখিলে বুঝা যায় যে, এই বিদ্যা প্রথমে একস্তানে বিস্তৃতি ও উন্নতি লাভ করিয়া পরে বিভিন্ন দেশবাসী কর্তৃক গৃহীত হইয়াছে। পুরাণামুসন্ধানে জানা যায় যে, শাকদ্বীপবাসী ভোজক ব্রাহ্মণগণ গ্ৰহাদি চালন, হুৰ্য্যপূজা, স্তব ও স্বস্ত্যয়ণাদি স্বারা রোগ শাস্তি প্রভৃতি অলৌকিক কৰ্ম্ম সম্পাদনে সমর্থ ছিলেন। সাম্বের কুষ্ঠরোগ মুক্তি এই ভোজক ত্ৰাহ্মণদিগের দ্বার সম্পাদিত হয়েছিল । ভোজকগণ যে ভেীতিকবিস্তু জানিতেন, তাহাতে আর বিশেষ সন্দেহ নাই । [ ভোজকত্ৰাহ্মণ দেথ । ) যে শাকদ্বীপী গ্রহবিপ্ৰগণ ভারতে জাগিয়া ভোজকসংজ্ঞ।