পাতা:বিশ্বকোষ ত্রয়োদশ খণ্ড.djvu/৬৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বুদ্ধদেব [ ७२ ] बूलनिख আছে, উহাই আমরা ভিক্ষাঙ্গরূপে প্রাপ্ত হইবার আশয়ে আপলার নিকট আগমন করিয়াছি।” লেশ্বাস্তুর বলিলেন, “হে ব্রাহ্মণগণ, আপনার এই শ্বে গুহ ঠী ফুল করুন। আপনার আমার চক্ষুঃ হৃৎপি গু ইত্যাদি আর যtহ যাদ্ধা করিবেন, আমি ' তাহীও আহলাদসহকারে প্রদাৰ করিতেছি । আমাদের আর কিছুই প্রার্থনীর নাই, এই বলিয়া তাহারা উক্ত হস্তী লইয় কলিঙ্গদেশে প্রভিগমন করিলেন । নগরবাসিগণ এই হস্তীদান ব্যাপার অবগত হইয়া অত্যন্ত দুঃখিত হইল ও রাজপ্রাসাদে যাইয় নিবেদন করিল, “মহারাজ ! আমরা শ্বেতহস্তী হইতে জনেক উপকার লাভ করিয়াছি। আপনার পুত্র সেই হস্তিরত্ন ব্রাহ্মণগণকে বিতরণ কৰিয়া আমাদের মহা অনিষ্ট সাধন করিয়াছেন।" মহারাজ তখন স্বীয় পুত্রকে শাস্তি প্রধান করিবার নিমিত্ত মানস করিলেন। তখন প্রজাগণ বলিল, “মহারাজ, আপনার পুত্রের অপর কোন শাস্তি প্রদান করিবার প্রয়োজন নাই। উহাকে রাজ্য হইতে নিৰ্বাসিত করিলেই আমরা আtহুলাদিত হইব ।’ তদনুসারে বেশ্মান্তর বঙ্কগিরিতে নিৰ্ব্বা{লত হইলেন। সহস্র নিষেধ সত্ত্বেও তাছার স্ত্রী মাদ্রীদেবী তাছার অনুগমন করিলেন। এদিকে মহারাণী পৃশর্তী, স্বীয়পুরের নিৰ্ব্বাসনবার্তা শ্রবণ করিয়া অত্যন্ত মৰ্ম্মাহত কইলেন । মহারাজ তাছাকে সাম্বন করিয়া বলিলেন, “আমি কিছুকাল পরে তোমার,পুত্রকে পুনরায় গৃহে আনয়ন করিব।” যখন বেশ্বাস্তর ও মাদীদেবী গৃহত্যাগ করেন, তখন র্তাহারা তাছাদের ৰে কেঁ সম্পত্তি বা বস্থাগারাদি ছিল, তৎসমস্তই দরিদ্রদিগকে বিতরণ করিয়াছিলেন। বেশ্বাস্তৱ সৰ্ব্বস্ব-ত্যাগ করিয়া কেবল স্বীয় স্ত্রী, পুত্র ও কষ্ঠ সমভিব্যtহারে একরথে আরোহণ করিয়া বন্ধগিরি অভিমুখে চলিলেন । তাহার মাতা যে fকছু ধন তাহাকে দান করিয়াছিলেন, তাছার সমস্তই তিনি দরিদ্রদিগকে বিতরণ করেন । পথ মধ্যে দুই জন ব্রাহ্মণ আসিয়া বেশ্বাস্তলকে বলিল, “মহাশয়, যে অশ্বস্বয় আপনার রথ বহন করিতেছে, উল পাইলে আমরা পরম উপকৃত হই। কিছুদূর যাইতে না যাইতে আর একজন ব্রাহ্মণ মাসিয়া বলিল, “মহাশয়, আপ নায় রথখানি পাইলে আমার দরিদ্রতার কিয়ং পরিমাপে লাঘব । জয় । উক্ত ব্ৰাহ্মণগণের প্রার্থনা অনুসারে বেশ্বাস্তুর স্বীয় রথ ৪ মেশ্বস্বয় বিতরণ করিয়া ফেলিলেন । তদনন্তর ৰেশ্বাস্তর পুত্রঞ্জক ও মাদ্রীদেৰী কছাটকে ক্রোড়ে লইয়া বহু কষ্টে পদ্ধব্ৰঞ্জে গমন করিতে লাগিলেন । চৈত্যদেশের রাজা তাহप्तिश्ररक श्राश्यांन कtब्रम ; किरू cयभाशुद्र ॐiशांद्र ब्रांरछा গমন করেন নাই । অনন্তর তাহারা বঙ্কগিরিভে উপস্থিত হইলেন । সেখানে r-To-F - . বিশ্বকৰ্ম্ম তাহাদের নিমিত্ত ছহখানি ক্ষুদ্র গ্রহ নিৰ্ম্মাণ করেন । বেশ্বাস্তর ও মাদ্রীদেবী যথাক্রমে ঐ দুই গৃহে সংযতভাবে ৰাস করিতেন। সস্তানগণ মাতার অনুপস্থিতিতে পিতার নিকট থাকিত। তাহদের এইরূপভাবে ৭ মাস অতীত হইল । একদিন যুজক নামক একজন বৃদ্ধ ব্রাঙ্গণ বেশ্বাস্তরের নিকট আসিয়া বলিলেন, “মহাশয়, আমি অনেক কষ্টে একশত মুদ্রা উপার্জন করিয়া অমুক ব্রাহ্মণের নিকট ন্যস্ত রাখিয়াছিলাম ; কিন্তু সে ব্যক্তি আমার সমস্ত টাকা ব্যয় করিয়া নিজের আহার্য্য সংস্থান করেয়াছে। সে অত্যন্ত দরিদ্র ; সুতরাং আমার মুদ্র প্রত্যপণ করিতে না পারিয়া অমিত্ৰতপা মামী তাহার কম্বা আমাকে সম্প্রদান করিয়াছে। আমার উক্ত পত্নী ( অমিত্রতপা ) একাকিনী সমস্ত গৃহকাৰ্য্য করিয়া উঠিতে পারেন না । আমার স্ত্রীর নিকট গুনিয়াছি, আপনার জালীয় নামক একটী পুত্র ও কৃষ্ণজিলা নামী কস্ত আছে । আমি ঐ দুইটকে লইতে ইচ্ছ। করি। উহারা আমার পত্নীর দাস ও দাসী হইয়া সমস্ত গৃহকাৰ্য্য করিবে । তাহা হইলে আমার পত্নী কিছু শান্তি অনুভব করিতে পারেন, আমিও গৃহযন্ত্রণ হইতে মুক্ত হই ।” এই কথা শুনিয়া বেশ্মান্তর বলিলেন, ‘মহাত্মন, আমার সন্তান দুইটম্বর যদি আপনার প্রয়োজন সিদ্ধ হয়, তাহা হইলে আমি সন্তুষ্টচিত্তে উহাদিগকে আপনার হস্তে অর্পণ করিতেছি । এই সময়ে জালীয় ও কৃষ্ণাজিন বনমধ্যে পলায়ন করিয়াছিল ও তাছাদের মাতা মাদ্রাদেবী তখন বনে ফলমূলাদি অন্বেষণ করিতে গিয়াছিলেন। তখন বেশ্বাস্তুর সস্থান দুইটকে পুনঃ পুন: উচ্চৈঃস্বরে ডাকিতে লাগিলেন। জালীয় আসিয়া বেশ্মাস্তরের পদতলে নিপতিত হইয়া বলিল, “পিতঃ ! আমাদের মাত এক্ষণে বনমধ্যে ফল ও কাষ্ঠ সংগ্ৰছ করিতে গিয়াছেন, তিনি যতক্ষণ গৃহে প্রত্যাগমন না করেন, ততক্ষণ আপনি আমাদিগকে বনে বিসর্জন দিবেন না ।” তখন ভিক্ষু ব্ৰাহ্মণ ক্রোধান্ধ হইয়া বলিল, “এরূপ মিথ্যাবাণী লোক কোথায়ও দেখি নাই। আপনি জগতে দয়াশীল বলিয়া খ্যাত, অথচ সস্থান দুইটী দান করিতে স্বীকার করিয়াও দিতেছেন না, ইহার কারণ কিছুই বুঝিতে পারিতেছি না।’ ভিক্ষুর কথা শুনিয়া বেশ্বাস্তুর স্বীয় পত্নীর অনুপস্থিতিতেও অগত্যা সন্তান দুইটী দান করিলেন । উহারা পৰ্ব্বতের উপরিভাগে পথমধ্যে নানাবিধ কষ্ট অনুভব করিতেছিল। বেশ্মাস্তত্ব স্বচক্ষে উস্থা দেখিতে লাগিলেন । মাস্ত্রীদেবী অরণ্য হইতে প্রত্যাগত হইয়া সমস্ত অবগত হইলেন ও অবিশ্রাস্ত ক্ৰন্দন করিতে লাগিলেন । বেশ্বাস্তয় তাহাকে সাস্তনা করিয়া কহিলেন, ‘বুদ্ধত্ব লাভ করা সহজ মহে, জামি স্বীয় পুত্র ও কস্ত দান