পাতা:বিশ্বকোষ ত্রয়োদশ খণ্ড.djvu/৬৫১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


芭奉 [ అt: } ভ্রম

      • इंडTांकांग्र छन, *८ग्न उोशाङ ‘ब्रछऊ' dहे खान श्हेब्र|ছিল । তাহাতে ‘এ’ ইত্যাকার জ্ঞান, এবং তত্ত্বোধক ৰাক্য ও তৎসংলগ্নভাবে ‘রজত’ ইত্যাকার জ্ঞান ও তৰোধক বাক্য এক অভিন্ন সংসর্গে উপস্থিত হইয়াছিল। চক্ষু; যখন শুক্তি খণ্ডে এলপিত হইয়াছিল, তখন স্কৃেষ্টপার্থের সঞ্চাশ গ্রহণ করে নাই, চাকৃচিক্যরূপ বিশেষণ মাত্র গ্রহণ করিয়াছিল। দোষ বশতঃ সম্প্রয়োগ হওয়ায়, অর্থাৎ চক্ষু গুক্তির সর্বাংশ গ্রহণ না করায় এবং চাচিক্যমাত্র বিশেষণ গ্রহণ করার অন্য এক পূৰ্ব্বদৃষ্ট চাক্‌চিকাবান বস্তু অর্থাৎ চিরাভ্যন্ত রজত প্ৰতিপথারূঢ় হইয়াছিল। সেই স্মরণাত্মক জ্ঞান তৎকালে পৃথকৃরূপে দণ্ডায়মান না হইয়া ‘এ’ ইত্যাকার সন্মুগ্ধ জ্ঞানের সহিত মিলিয়া গিয়া ‘এ’ রজত’ ইত্যাকারে এক জ্ঞান হইছা পড়িয়াছিল। স্মরণাত্মক রজতজ্ঞান ঐ ইত্যাকার সন্মুগ্ধজ্ঞানের ( প্রথমোৎপন্ন অবিবেচিত জ্ঞানকে সন্মুগ্ধজ্ঞান বলে ) সহিত মিলিত হইবার কারণ এই যে, জ্ঞানমাত্রই অগ্ৰে ৰন্ধর বিশেষণ অবগাহন করে, পরে তাহা বিশেষণে গিয়া পৰ্য্যবসিত হয় । গুক্তি রজত স্থলেও জ্ঞান চাকচিক্যরূপ বিশেষণ অবগাহন করিয়া প্রকৃত বিশেষ্য আবৃত থাকাতে অস্ত এক কল্পিত বিশেষ্যে গিয়া পৰ্য্যবসিত হইয়াছিল। এক বস্তুর বিশেষণ

অন্ত বস্তুতে কল্পিত বা পৰ্য্যবসিত হহলেই তাহা মিথ্যা বা ভ্রম হয়। শুক্তি-অধিকরণে শুক্র্যাকার জ্ঞান না হইয়া রজত- } श्रान इईब्राह । ८महे रुद्रण डाश मिश। आशरा जम ব্যতিরেকে সমুদায় ভ্রমের প্রণালী এইরূপ। ঐ প্রণালীঅনুসারে সর্বত্র এক প্রকার স্বভাবাপন্ন বস্তু অন্য প্রকারে পরিদৃষ্ট হইয়া থাকে। এতাদৃশ ভ্রমের বিনাশোপায় কেবল আলখন পদার্থের সর্বাংশঙ্করণ বা স্বরূপসাক্ষাৎকার। যতক্ষণ না আলবম্বনতত্ত্ব সাক্ষাংকৃত হয়, অর্থাৎ যে বস্তুতে ভ্রম, সেই বস্তুর সর্বাংশ প্রকাশ না পায়, ততদিন পর্য্যস্ত তাহার বাধ বা বিলয় হয় না। সাংখ্যদর্শনে এইরূপ ভ্রম “অন্যথাখ্যাতি নামে পরিচিত । শঙ্করাচাৰ্য্য বলেন, ক্ৰমোৎপত্তির মূল অজ্ঞান। অজ্ঞান অনিৰ্ব্বচনীয় এবং কোষস্থানীয়। দোষস্থানীয় অজ্ঞানের স্বভাব এই যে, যদি কোন বস্তুর সর্বাংশ ৰ কিয়দংশ তাহার অধিকারভুক্ত হয়, তাহা হইলে দোষ সেই বন্ধতে তৎসদৃশ অপর এক বিপরীত বস্তু উৎপাদন করিবেই করিবে। পুরোবর্তী গুক্তির কিয়দংশ অজ্ঞানের বিষয় বা অধিকৃত হওয়াতে, অজ্ঞান তাহাতে মিথ্যা রঙ্গতের স্বষ্টি করিয়াছিল। কেবল অজ্ঞানেরই যে ঐরপ স্বভাৰ এমত নহে, জঙ্গবন্ধও দোষদুষ্ট হইলে বিপরীত ऋहेिकाछी इब्र । माबम* cवज्रवैौब

বেয়াছুর উৎপণ্ডি মা করিয়া কদলীবৃক্ষের উৎপত্তি করে । দোষ যে কি করিতে পারে ও না পারে, তাহা কে বলিতে गां८ङ्ग ? cनाश झहेtउहे भङ नङ नूङम दखब्र ऋटैि हहेब्रारह, श्हेरफtझ ७ हहेष्व । भैंौबाश्णप्टकम्रा दएजन, खोनझोप्लेहे श्रृङ्गा अर्थ९ न्छ्जु বিষয়ক । জগতে মিথ্যাজ্ঞান নাই, মিথ্যা বস্তুও নাই। গুক্তিझन भषिsान मिथा। ब्रजड इहे श्छ, दण्डः उाश अवामः মাত্র। তৎকালে গুক্তিতে গুক্তিজ্ঞান এবং রঞ্জতজ্ঞানষ্ট হইয়াছিল । দোষ ও সম্প্রয়োগ ঘটনায় সেই জ্ঞানদ্বয়ের পার্থক্য জন্মে নাই, এই মাত্র প্রভেদ । জ্ঞানৰহ্মের পার্থক্য ন হইলেও তাহ ভ্ৰম আখ্যা প্রাপ্ত হয় । জগতে কথিত প্রকার ভ্রম ব্যতীত মিথ্যা বন্ধ অবগাহী মিথ্যা-জ্ঞানাত্মক वम नीं । धाश्! श्ऎरुः, वषिङ्ग अवश्tशैौविश्वं भङिrद्धतःि থাকিলে ও ভ্রমের আকার ও ফল সম্বন্ধে সকলেরই এক मठ ¢*१1 झाँग्न । নির্দিষ্ট লক্ষশান্বিত ভ্রমের অনেকগুলি অবাস্তর প্রভেদ আছে । সে সকল প্রভেদের ভিন্ন ভিন্ন নামও আছে । যথা,-সাদি-অধ্যাপ ও অনাদি-অধ্যাস । তন্ময়ের অবাত্তরপ্রভেদ তাদাত্ম্যাধ্যাস ও সংসৰ্গাধ্যাস। সারূপ্য প্রাপ্তে যে অধ্যাস, তাহা তাদাত্মাধ্যাস। যাহা সম্বন্ধমাত্রের অধ্যাস, তাছা সংসৰ্গাধ্যাস। লৌহ ও অগ্নি একীভূত হইয়া পরম্পর সান্ধপ্য প্রাপ্ত হয়। সে স্থলে লেছে যে অগ্নির অধ্যাগ, যে অধ্যাসের বলে লোকে লোঁহে পুড়িয়াছি বলে, সেঙ্গ অধ্যাস তাদাত্ম্যাধ্যাস নামে পরিচিত । শরীরে কোন প্রকার शङ्ग५ प्ले°श्ठि इछ्रेप्ण योो५ ८६ “आोमि t%णाम, आभि भब्रिणाम' বলিয়। অভিভূত হয়,তাহ তাদাত্ম্যাধ্যাদের ফল । অামার পুত্র, আমার কলর ইত্যাদি স্থলে পুত্রে ও কলত্রে বাস্তবিক অস্থিত্ব না থাকিলেও আত্মসম্বন্ধ অধ্যাস করা হয়, সুতরাং তাহ। সংসৰ্গাধ্যাসের মহিমা । জগতে যত প্রকার অধ্যাসপ্রভেদ আছে, সমস্তই বাহপদার্থের ভায় অধ্যাঞ্জপদার্থে বিদ্যমান। কখন আমরা ইঞ্জিয়ের সহিত একীভূত হইয়া বলি,--“আমি हहेष्ठहि ‘श्रांबि' कां★, ‘चामि' ¢र्थाछ, हेठानि । बखट: কাণাদি ধৰ্ম্ম জামাতে নাই। কখল বা দৃপ্ত শরীরে আত্মত্ব স্থাপন করিয়া “আমি হুইতেছি, যথা আমি স্থল, আমি কৃশ हेठानेि । शाश्। चामि, ठाश हूण७ मप्र, क्लल७ मप्श् । हूण५ কৃশত্ব দেহের ধৰ্ম্ম, আত্মধৰ্ম্ম মহে। আমি কি প্রকার, তাহ। चाभग्नां cकश्हें अवशठ नहि । पनि अवशठ थाकिठांम, ठाश হইলে “আমি ব্যৰছার জাজীৰন এক রূপেই চলিত, কিন্তু তাছ চলে না, তাহ প্রস্তিক্ষণে অস্তথা বা পরিবর্তিত হয় ।