পাতা:বিশ্বকোষ দশম খণ্ড.djvu/১০১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নিজামপত্তন [ বুর্হান এই চাতুরীর বিলুবিসর্গও জানিতে না পারিয়া বিষপানে আঞ্জুঞ্জীবন বিসর্জন করেন । কেহ কেহ বলেন, বুর্থনের সহিত নিজামের কোন শক্রতা ছিল না। যখন নাদিরশাহ ভারতে আসিয়া সম্রাট মহম্মদ শাহের সহিত যুদ্ধ করেন, সেই যুদ্ধে নিজাম ও বুছান ! উপস্থিত ছিলেন। নাদিরশাহের সহিত যুদ্ধকালে তাহার ; প্রাণবিয়োগ হইয়াছিল। [ নাদিরশাহ দেখ। ] নাদির চলিয়া গেলে, আমীর খাঁ বীপদে এবং ইসহাক্ খ৷ থালসার দেওয়ানী প্রাপ্ত হন । ইহারা সম্রাটের প্রিয়পাত্র হইয়৷ উঠিলে তিনি পুনরায় নিজ চাতুর্য্য বিস্তারের চেষ্টা করেন। সকলে তাহার এই চরিত্রে অসন্তুষ্ট হইলে, তিনি দিল্লী পরিত্যাগ করিয়া তিলপৎ গ্রামে আসিয়া বাস করেন । অবশেষে সম্রাটের মাতামহী মিহর-পর্বরের পরামর্শমতে আমীর খা যাইয়া তাহাকে রাজধানীতে লইয়া আসেন। নিজাম-উল-মুলক্ রাজ্যশাসন-সংক্রাস্ত কএকটা নিয়ম প্রবর্তন করেন । মহারাষ্ট্ৰীয়গণ জায়গীরদারের নিকট হইতে যে 'চৌথ কর আদায় করিতেন, এক্ষণে সেরূপ না লইয়৷ সুবা হায়দরাবাদের রাজকোষ হইতে সেই টাকা পাইবেন । অন্যত্র আর ‘চোথ’ আদায় হইবে না এবং ক্ষুদ্র জমিদার বা প্রজাগণের নিকট হইতে শতকরা ১-২ টাকা হিসাবে যে ‘সরদেশমুখী কর আদায় হইত, তাহা আর মহারাষ্ট্রীয়গণ আদায় করিতে পরিবেন না। এইরূপ উপায়ে তিনি ‘কমাঈসদার', গমস্ত এবং রাহাদারী প্রভৃতি কার্য উঠাইয়া দেন । পূৰ্ব্বে যে ব্যক্তি রাহাদারার কার্য্য করিত, তাহারা অযথা পথিক ও ব্যবসায়িয় প্রতি বিশেষ অত্যাচার করিত। মহম্মদ-শাহের মৃত্যুর ৩৭ দিন পরে ১৭৪৮ খৃষ্টাব্দে ২২এ মে তিনি ইহলোক পরিত্যাগ করিলেন । বুর্হানপুর নগরে শাহ বুর্থন-উদ্দীন-গরিবের সমাধিমন্দিরে তাঙ্গর দেহ কবরস্থ হয় । র্তাহার ছয় পুত্র ছিল,—১ম গাজিউদ্দীম্‌ ২ নাশিল্প-জঙ্গ, ৩ সলাবৎজঙ্গ, ৪ নিজাম আলী, ৫ বসালৎজঙ্গ ও ৬ মোগলআলী । নিজাম উল-মুলক একখানি দিবান’ রচনা করেন। উক্ত গ্রন্থের নাম “দিবান আসম্ব-নিজাম-উল-মুলক। ঐ পুস্তকথানি টিপু সুলতানের পুস্তকাগারে ছিল । এই পুস্তকে তাহার বিদ্যাবত্তার ও গুণপনার যথেষ্ট পরিচয় পাওয়া যার। নিজামৎ, শাসনসংক্রান্ত বিচারালয়। নিজামপত্তন, (পেটাপালী অথবা পেটাপলী) মাত্রাক্রপ্রেসিডেন্সীর কৃষ্ণাজেলার অন্তর্গত একটী সমুদ্রতীরস্থ বন্দর । অক্ষা ১৫° ৫৪′৩০′′ উঃ এবং দ্রাঘি” ৮৭° ৪২' ৩৫' পূঃ । X ২৬ [ لاه لا নিজামরাজ্য এই স্থান লবণের জাড়ার জন্তু বিশেষ প্রসিদ্ধ। আরও এখান হইতে বস্থ পরিমাণে কাষ্ঠ মছলীপত্তনে প্রেরিত হইয়া থাকে । ইংরাজেরা ভারতের পূর্বতীরে সর্বপ্রথমে এই বুক্ষরে বাণিজ্য আরম্ভ করেন। তাহারা ১৬১১ খৃষ্টাব্দে ২৬এ আগষ্ট তারিখে এখানে অবতীর্ণ হইয় পণ্যদ্রব্য প্রেরণ করেন। ১৬২১ খৃষ্টাব্দে কারখানা নিৰ্ম্মিত হয়। উত্তর-সরকারের অংশ বলিয়া নিজাম ইছ ফরাসীদিগকে ছাড়িয়া দেন। নিজাম সলাবৎজঙ্গ ১৭৫৯ খৃষ্টাব্দে এই বন্দর ইংরাজদিগকে অর্পণ করেন । পরে ১৭৬৬ খৃষ্টাব্দে সম্রাটু সননাদানে উছার পাকা বন্দোবস্ত করিয়া দেন। ফিরিস্তা এই বন্দরের উল্লেখ করিয়া গিয়াছেন । ওলন্দাজদিগের মালয়-সৈন্ত এই স্থানে বহুসংখ্যক যুরোপীয়ের প্রাণ সংহার করে । নিজামপুর, চট্টগ্রামের একটা বন্দর। নিজামবাই, দিল্লীশ্বর বাহাদুর শাহের মহিষী এবং সম্রাট জহা সার-শাহের মাতা । নিজামবাদ, আজমগড়ের একটা সহর। এই প্রাচীন নগরটা জেলার সদর হইতে ৮ মাইল পশ্চিমে অবস্থিত। মুসলমানরাজগণের পূৰ্ব্বে ইহা হিন্দুদিগের অধিকারে ছিল । নিজাম উদ্ধান্‌ নামক একজন মুসলমান ফকিরের কবর এই স্থানে দৃষ্ট হয়। এই কবরের উপর পারস্তাভাযায় খোদিত ১৫৬১ খৃষ্টাব্দের শিলালিপি দেখা যায় । এরূপ প্রবাদ আছে যে, ঐ নিজামউদ্দীন হইতে এই নগরের নাম 'নিজামবাদ’ হইয়াছে। নিজাম-মুর্তজা খা, সৈয়দ, একজন মুসলমান সেনাপতি। ইহার পিতা কোন ব্রাহ্মণকস্তার রূপে মোহিত হইয়া, তাহার পাণিগ্রহণ করেন । এই ব্রাহ্মণকথার গর্ভে মুর্তজার জন্ম হয় । তিনি পিতার অত্যন্ত প্রিয় ছিলেন । সম্রাট শাহ-জুহানের রাজত্বের ১ম বৎসরে ইনি পিতার সাহায্যে ৩ হাজারী সৈন্তাধ্যক্ষের পদ পান । পিতার মৃত্যু হইলে ইনি মুর্তজা গা উপাধি লাভ করেন । দক্ষিণাত্য প্রদেশে সম্রাটের অধীনে বহুদিন কাৰ্য্য করিয়া ইনি দালমেী পরগণার তুজুলদার হইয়া তথাকার অনেকগুলি বিদ্রোহ দমন করেন। পরে লক্ষেীয়ের ফৌজদার হইয়াছিলেন । সম্রাট শাহ-জহানের রাজত্বের ২৪ বৎসরে ইনি পিহানী-প্রদেশের রাজস্ব হইতে ২০ লক্ষ টাকা বাৎসরিক বৃত্তি পাইতেন । নিজামরাজ্য, ( হায়দরাবাদ ) দক্ষিণভারতে অবস্থিত একটা রাজ্য, বেরার রাজ্যের সহিত একত্র এই রাজ্যের আকৃতি অসমকোণী চতুভূজের দ্যায়। এই রাজ্য বেরার সহ, অক্ষা” ১৫ ১০ श्हें८उ २४" 8७ ॐ 4द२ मावि १8 ' ७41ट्ट्रेष्ठ ४>* २4 श्रृं: মধ্যে অবস্থিত ।