পাতা:বিশ্বকোষ দশম খণ্ড.djvu/১২১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নিদ্রা মনের পাচ প্রকার বৃত্তি—প্রমাণ, বিপৰ্য্যয় বিকল্প, নিদ্রা ও স্মৃতি। এই ৫ প্রকার বৃত্তি অভ্যাস ও বৈরাগ্য দ্বারা রোধ করা যায়। ( পাত” দর্শন ) বেদান্তবিদ্‌ পণ্ডিতের নিদ্রাকে মুঘুপ্তি বলিয়া নির্দেশ করিয়াছেন । [ সুমুপ্তি দেখ। ] মন যখন রজঃ ও সত্ত্বগুণ তমোগুণ দ্বারা অভিভূত হয়, তখন নিদ্রা উপস্থিত হয়। তমোগুণের কার্য অজ্ঞান। এই নিদ্রাকালে অজ্ঞানাত্মক জ্ঞান হয়, অর্থাৎ তখন অজ্ঞানবিষয়ক জ্ঞানই থাকে, অন্ত কোন বিষয়ের জ্ঞান থাকে না। - নিদ্রার বিষয় আয়ুৰ্ব্বেদে এইরূপ লিখিত আছে। মানবসমূহের স্বভাবতই প্রতাহ চারিট অভিলাষ হইয়া থাকে— আচারেচ্ছ, পানেচ্ছ, নিদ্রা ও সুরত-পৃহা। যখন নিদ্রা উপস্থিত হয়, তাহার বেগ ধারণ করিলে জুস্ত (হাইউঠা ), মস্তক ও চক্ষুর গুরুত্ব, শরীরে বেদন, তন্ত্র এবং ভূক্ত দ্রব্যের অপাক হুষ্টয়া থাকে । দিবাভাগে নিদ্রা হিতকর নহে। দিবানিদ্রা কফফারক । কিন্তু গ্রীষ্মকালে দিবানিদ্রা বিশেষ দোষাবহ নহে। গ্রীষ্মকালে ভিন্ন অপর ঋতুতে দিবানিদ্রা নিষিদ্ধ। যাহীদের প্রত্যহ দিবানিদ্রা যাওয়া অভ্যাস, তাহীদের দিব। নিদ্রা পরিত্যাগ করিলে বায়ু, পিত্ত ও কফ এই ত্রিদোষ কুপিত হয়, যে সকল ব্যক্তি ব্যায়াম বা স্ত্রীপ্রসঙ্গ দ্বারা ছপল আগব । পথ পর্যাটনে ক্লান্ত এবং অতীসার, শূল, শ্বাস, পিপাসা, ছিক্ক', বায়ুরোগ, মদাতায় ও অজীর্ণ এই সকল রোগাক্রান্ত ও অথবা | ক্ষীণদেহ, ক্ষীণকফ, শিশু, বুদ্ধ ও যে সকল ব্যক্তি রাত্ৰিজাগরণ করিয়াছে, কিংবা উপবাস করিয়াছে, তাঙ্গদের পক্ষে দিবানিদ্রা হিতকর । যাহার দিবানিদ্রা ও রাত্ৰিজাগরণ অভ্যস্ত, তাহার দিবানিদ্রা ও রাত্ৰিজাগরণে কোন দোষ হয় না । | | | | ভোজনাবসানে নিদ্রা যাইতে হয় । ইহাতে বায়ু ও পিত্ত নষ্ট ও কফ বর্কিত হয় এবং শরীরের পুষ্টি ও সুখ কষ্টয়া থাকে ; ভোজনের অন্ততঃ দুই দণ্ড পরে নিদ্রা যাইতে হয়, আচারের - অব্যবহিত পরেই নিদ্রা যাওয়া ভাল নঙ্গে । : যথাকালে নিদ্রা গেলে তস্থার ধাতুর সমতা ও আলস্ত বিনষ্ট হয় এবং শরীরের পুষ্টি, বল, বর্ণ, উজ্জ্বলতা, উৎসাহ । ও জঠরাগ্নি প্রদীপ্ত হইয় থাকে। শয়নকালে ছোলঙ্গনেবুর ' পত্রচুর্ণ মধুর সহিত মিলিত করিয়া লেচন করিলে তারা ; বায়ুর প্রসরতাগুণ প্রতিরুদ্ধ হয়, সুতরাং বায়ুর সঙ্কোচন হেতু r সুখনিদ্রা হইয়া থাকে । p “যদা তু মনসি ক্লাস্তে কৰ্ম্মাত্মানঃ রমান্বিতাঃ। বিষয়েভ্যো নিবর্তন্তে তদা স্বপিতি মানবঃ ॥” (ভাবপ্র ১ ভা) বৎকালে মানবগণের মন, কৰ্ম্মেঞ্জিয় ও বুন্ধীঞ্জিয় বিশ্রাস্ত Х ○> [ ১২১ ] নিয়ে ভাব অবলম্বন করে, এবং সকল বিষয়কৰ্ম্মনিবৃত্তি হয়, তখন गांनद निजांछिडूठ श्हेब्र भtफ़ । यूई, जग, ठूझ ७ निजा প্রত্যেকটাই বিভিন্ন। পিত্ত ও তমোগুণের আধিক্যে মূর্ছ, পিত্ত, বায়ু ও রজোগুণের আধিকো ভ্রম, বায়ু, কফ ও তমোগুণের আধিক্যে তঞ্জ, এবং কফ ও তমোগুণবাহুলো নিয়া হয়। যাহাতে ইঞ্জিয়ের বিষয়গ্রহণে শক্তি রহিত হয়, এবং দেহের গুরুত, জ্বম্ভন, ক্লাস্তিবোধ ও নিদ্রাকষিতের স্থায় অমুভূত হয়, তাহাকে তশ্রী কহে। নিদ্রা ও তন্ত্র। এই দুয়ের প্রভেদ এই যে, নিদ্রান্তে জাগরিত হইলে ক্লাস্তির অপগম হয়, এবং তন্দ্রাভিভূত ব্যক্তির জাগরণাবস্থাতেও ক্লাস্তি বিদূরিত হয় না । (ভাবপ্র ) সুশ্রীতে ইহার বিষয় এইরূপ লিখিত আছে,–হৃদয় চেতনার স্থান, ইহা অজ্ঞানে আবৃত হইলে প্রাণিগণ নিদ্রিত হয় । নিদ্র বৈষ্ণবীশক্তি। ইহা সকল প্রাণিকেই অভিভূত করে। যখন ংজ্ঞাবহ শিরাসকল তমঃপ্রধান শ্লেষ্মাম্বারা আবৃত হয়, তখন তামসী নামে নিদ্রা উপস্থিত হয়। মৃত্যুকালে যে নিদ্রা হয়, তাহাকে অনববোধিনী নিদ্রা কহে । তমোগুণবিশিষ্টব্যক্তির দিবা ও রাত্রি এই উভয়কালেই নিদ্রা হয়। রজোগুণবিশিষ্ট ব্যক্তির অকারণে নিদ্রা হয় । সত্ত্বগুণবিশিষ্ট বাক্তির অগ্ধরাত্রতে নিদ্রা হইয়া থাকে। শ্লেষ্মাক্ষয় ও বায়ুবুদ্ধি হইলে অথবা মন বা শরীর তাপিত হইলে নিদ্রা হয় না। হৃদয়ষ্ট সকল প্রাণির চেতনার স্থান, তাছা পূর্বেই বলিয়াছি, সেই হৃদয় তমোগুণে অভিভূত হইলে দেহে নিদ্রা প্রবেশ করে। তমোগুণষ্ট একমাত্র নিদ্রার কারণ এবং সত্ত্বগুণ বোধের হেতু অথবা স্বভাবই ইহাদিগের প্রধান হেতুবলী যাইতে পারে। জাগ্ৰদ বস্থায় যে সকল শুভাশুভ বিষয় অত্ব ভূত হয়, নিদ্রাকালে জীবাত্মা রজোগুণবিশিষ্ট মন দ্বাব সেই সকল বিষয় গ্রহণ করেন । ইন্দ্রিয়গণ বিকল হইলে এপ" অজ্ঞানতা বুদ্ধি পাইলে, জীবাঘা নিদ্রিত না চইলেও নিদ্রিতের ग्लश दद्वसृी मृग्न । বর্তমান যুরোপীয় বৈজ্ঞানিকগণ বলেন, প্রাণিগণ যে স্বাভা বিক অচেতন অবস্থার বশবৰ্ত্তী হইয়া বাহ্যজ্ঞানশূন্তাবস্থায় কাল যাপন করে ও যে অবস্থায় পরেই কার্য্যকারিণী শক্তি প্রবলবেগে পুৰ্ব্বাপেক্ষ আনন্দ ও সামর্থোর সহিত কার্য্যে রত হয়, সেই অবস্থার নাম নিদ্রা বা নিদ্রাবস্থা । যেমন কোন যন্ত্র বা কল, ব্যবহার দ্বারা ক্রমশঃ ক্ষয়প্রাপ্ত হইলে, উহাতে ঐ কলের বা যন্ত্রের উপাদান পুনঃসংযোজন ভিন্ন, শীঘ্রই উহা অতি ক্ষয় প্রাপ্ত হইয়া, উদ্দেপ্ত কৰ্ম্মের অনুপযোগী হইয় পড়ে, সেইরূপ হস্তপদাদির কার্য্যদ্বারা আমাদের দেহাভ্যস্তরস্থ ভিন্ন ভিন্ন যন্ম সকল নিয়ত ক্ষয় হইতে থাকিলেও উহার পরিপোষণ তিন্ন শীঘ্রই o