পাতা:বিশ্বকোষ দশম খণ্ড.djvu/১২২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নিদ্রা t sર ] নিদ্রা ी नकण गइ अकईना शहैया *टङ्ग ७तः $ शङ्गनमहैिंझांगिउ | জীবদেহ অচিরে কার্বাক্ষম ছষ্টয়া মৃত নাম ধারণ করে। এজন্য | সাngg রক্ষার্থ করুণাময় পরমেশ্বর নিদ্রার স্বষ্টি করিয়াছেন । কারণ জীবগণ জাগ্রাবস্থায় কৰ্ম্ম করিলে জীবের যে সমস্ত যg বা ধীর্থের হ্রাস হয়, নিদ্রিত হষ্টলে ঐ যন্ত্র বা বীৰ্য্য নিষ্কৰ্ম্ম ধষ্ঠায় অবস্থিতি করিতে থাকা উহার হ্রাস বা ক্ষয় হওয়া বন্ধ l কষ্টয়া যায়। এ ছাড়া নিদ্রায় পূর্ণভূক্ত আহারার বিনষ্ট বীর্ষোর অভাব পূর্ণ হয়। এই জগুষ্ট নিয়ার বিশেষ আবশ্বক। পৃথিবী যেমন রাত্রি ও দিবা এষ্ট ইট অবস্থার অধীন ও যেমন ॐ फूहे?ौ श्रराष्ट्रां★ अांश्रयामज४ निर्कि? नगग्न अद१ॉब्रिड श्रांश्, সেইরূপ জীবদেহ নিদ্রিত ও জাগ্রদাবস্থার অধীন এবং ঐ দুই অধস্থায় আগমনের সময়ও নির্দিষ্ট রহিয়াছে। নির্জনতা ও অন্ধকাল্প স্বল্প গ্রায়িষ্ট মচুৰ্য্য ও অনেক প্রাণীর পক্ষে নিদ্রার উপযুক্ত সময়, কিন্তু মনেক স্থলে ইহার অনেক বৈপরীত্য লক্ষিত হয়। যেমন প্রজাপতিগণ দিবাভাগে, হকৃমথ নামক কীট সন্ধ্যার সময় ও যথৰ্কট রাত্রিতে কার্যা করে। পক্ষিদিগের মধ্যে হতুমপেচা ও অন্তান্ত তুষ্ট একপ্রকার পক্ষী ভিন্ন আর সমস্ত পক্ষাই দিবাভাগে কার্য্য করে ও রাশিতে নিদ্রা যায় । মাংস জীবি ব্যাক্স প্রভূতি হিংস্ৰ জন্তুগশ দিবাভাগে নিদ্রা যায় এবং ! রায়িতে আস্থার অন্বেষণ করিয়া বেড়ায় । সাধারণতঃ নিদ্রার দুইট কারণ উল্লিখিত আছে। একটী | মুখ্য ও অপরটা তাহার সহযোগী বলিলেও দোষ হয় না। মুখ্য কারণ এই যে, জাগ্রাবস্থায় পরিশ্রমস্বারা ইস্ক্রিয়গণ রাস্তু চুইয়া পড়িলে, সক্ষেপঞ্জিয়ের কর্তা মস্তিষ্ক, বিশ্রাম ভিন্ন আর কার্য্য করিতে স্বীকার করে না । নিদ্রা ভিন্ন মস্তিক্ষের বিশ্রাম অসস্তব, এজষ্ঠ ঐ ক্লাস্থিদ্বারা নিদ্রার আবির্ভাব হয়। কিন্তু অনেক সময় মানসিক বা শারীরিক অত্যধিক পরিশ্রম নিত্রীর বিস্তুজনক হয় । নিদ্রার সাহায্যকারী কারণসমূহের মধ্যে, যাহারা মস্তিষ্ককে উত্যক্ত করেন বা যাহারা মস্তিষ্কবোধগম্য কথায় বারংবার আবৃত্তি করে, তাহারাই নিদ্রার পোষক । যেমন অন্ধকার এবং নিৰ্জ্জনতা সাধারণতঃ নিদ্রার উদ্দীপক এবং র্যাহদের কোন কল বা সদর রাস্তার পাশ্ববৰ্ত্তী কোলাহলপূর্ণ স্থানে থাক অভ্যাস, তাহারা ঐ সমস্ত গোলমালশূন্ত স্থানে আদৌ নিদ্রা যাইতে পারেন না। পূৰ্ব্বোক্ত হুইটও অন্যান্ত কারণসমূহ, মমকে, তাহার কার্যাক্ষেত্র হইতে আকর্ষণ ও ইচ্ছাশক্তির ক্ষমতা হ্রাস করে, সুতরাং নিদ্রাদেবীর আগমন অনিবাৰ্য হইয় উঠে । মিত্র আসিবার একটু পূৰ্ব্ব হইতেই মনের অলসভাব (কার্য করিতে অনিচ্ছা ) উপস্থিত হইতে থাকে ও মনোযোগের অভাব দৃষ্ট হয়। ইজিরগণ বাহ বৃত পদার্থের অস্তিত্ব উপ প্রান্ধি করিতে পারে না এবং তখন নির্জনতা ও নিস্তব্ধতা অতিশয় প্রিয় হয়। নিদ্রা আসিবার উপক্রম হইলে, আমাদের ধারণাশক্তির বাতিক্রম ঘটতে থাকে, শরীর ক্রমশঃ অসাড় হয়, চক্ষু আর দেখিতে পায় না, কর্ণ কিছুক্ষণ শব্দের অস্তিত্ব বুৰিতে পরিলেও উহার অর্থবোধ করিতে পারে না এবং ঐ শব্দ যেন দূরে অবস্থিত, এইরূপ অনুভব হয়। চক্ষুর পাত মুদ্রিত এবং গ্রন্থিসমূহ শিথিল হয়। তৎক্ষণাৎই আমরা ঘোর নিদ্রায় অভিভূত হইয় পড়ি। নিদ্রার প্রথমাবস্থায়, ইঞ্জির ও যুক্তিশক্তি সৰ্ব্বপ্রথম অচেতন হয়, কল্পনা ও অন্যান্ত সামান্ত সামান্ত শক্তিসমূহ বহুক্ষণ সচেতন থাকে। নিত্রাবস্থাকে তিন ভাগে বিভক্ত করা যাইতে পারে। মিদ্রা সৰ্ব্বপ্রথমে অত্যন্ত গাঢ়, তৎপরে তদপেক্ষ একটু চৈতন্তমিশ্রিত, তদনন্তর জাগ্ৰদবস্থায় আগমস প্রতীক্ষায় সচেতন ভাৰ ধারণ করে । সাধারণতঃ নিদ্রা এবং চৈতন্তের মধ্যবৰ্ত্তী একটা সময় দৃষ্ট হয়, ঐ সময়ে মিজার আবেগ অত্যন্ত অল্প থাকে, এজন্ত তখন নিদ্রিত ব্যক্তিকে অতি সহজেই গুণগান যায়। বয়স, অভ্যাস, প্রকৃতি এবং ক্লাস্তি অনুসারে মঙ্গুষ্যের নিদ্রার বিশেষ তারতম্য দৃষ্ট হয় । ক্রণ মাতৃগর্ভে প্রায়ই চিরনিদ্রায় অভিভূত থাকে। ভূমিষ্ট হইয়৷ শিশু প্রথমতঃ কিছুদিন, অধিক সময় নিদ্রায় অতিবাহন করে, বিশেষতঃ অকালপ্রস্থত সন্তানগণ, কেবল আহার্য বস্তু গ্ৰহণ সময় বার্তীত অবশিষ্ট সময় প্রায়ই নিদ্রিত থাকে। তৎপরে শরীরের পূর্ণত্বের জষ্ঠ যতদিন ক্ষয় অপেক্ষ পুষ্টির ভাগ অধিক আবশ্বক, ততদিন নিদ্রার আধিক্য প্রয়োজন । যৌবনাবস্থায় শরীরে ক্ষয় ও বৃদ্ধি উভয়ই প্রায় তুল্য থাকায় নিদ্রার ভাগ অনেক কমিয়া যায়। আবার বৃন্ধকালে সাধারণতঃ পোষণশক্তির অভাব হেতু, উহার পূরণের জন্ত অধিক পরিমাণ নিদ্রার আবিস্তক হয় । স্ত্রীলোকদিগের নিদ্রা পুরুষদিগের অপেক্ষ অনেক অল্প। স্নস্থকায় মমুষ্যের পক্ষে আট ঘণ্টার অধিককাল নিদ্রা অনাবশ্যক । প্রকৃভি সম্বন্ধে এইরূপ দেখা যায় যে, স্থূলকায় লোক ক্ষীণকীয় অপেক্ষ অত্যন্ত নিদ্রাপ্রিয় । অভ্যাস অঙ্কুসারেও নিদ্রার নৃনাতিরেক দৃষ্ট হয়। জেনারল এলিয়ট ২৪ ঘণ্টার মধ্যে • ঘণ্টার অধিক সময় ঘুঘাইতেন না। বিখ্যাত আধ্যাত্মিক শাস্ত্রবেত্তা ডাক্তার রিড় এককালে দুই দিনের আহাৰ্য্য গ্রহণপূর্বক ছুই দিবস নিদ্রাভিভূত থাকিতে পারিতেন। আবার অভ্যাস বশে নির্দিষ্ট সময়ে নিদ্রিত ও জাগরিত হওয়ার কথা সকলেই স্বীকার করিয়া থাকেন । মিষ্টার ডায়হাম্ একটা কুকুরের মন্তকের খুলি কাটিয়া মস্তিষ্ক পরীক্ষা দ্বারা এই স্থির করিয়াছেন যে (১) মস্তিষ্কের M