পাতা:বিশ্বকোষ দশম খণ্ড.djvu/১৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নায়ক [ ४१ ] . নায়কবংশ করিব পরীক্ষা যদি, রসের তরঙ্গ নদী, তিন প্রকার। সৰ্ব্বসমেত নামক o প্রকার। বিট, ಕ್ಲ কুইজনে ডুবি আইস কে হয় নিপুণ লো। ও বিদুষক প্রভৃতি নায়কের সহায় ও নৰ্ম্মসচিব । ৯ আপনি দোষের ঘর, পরীক্ষা করিতে ডর, শোভা, বিলাস, মাধুর্য, গাম্ভীৰ্য্য, ধৈর্য্য, তেজ, ললিত ও আমার মাথার দোষ এতো বড় গুণ লো ॥” ( खांडि5य---झश्लश्मक्षंौ । ) নায়কের ৮ট সাত্ত্বিক গুণ যথা—স্বেদ, স্তস্ত, রোমাঞ্চ, * স্বরভঙ্গ, বেপথু, বৈবর্ণ, অশ্রু ও প্রণয়। নায়কের দশ দশা—অভিলাষ, চিন্তা, স্মৃতি, গুণকীৰ্ত্তন, উদ্বেগ, প্ৰলাপ, উন্মাদ, ব্যাধি, জড়তা ও নিধন এই ১০ট অবস্থা । ( রসম” ) সাহিত্যদর্পণে নায়কের বিষয় এইরূপ লিখিত আছে-- “ত্যাগী কৃতী কুলীনঃ মুত্রকে রূপযৌবনোৎসাহী। দক্ষোহমুরক্তলোকস্তেজো বৈদগ্ধাশীলবী নেতা।” ( সাহিত্যদ° ৩৩৩ ) দানশীল, কৃতী, সুশ্ৰী, রূপবান যুবক, কাৰ্য্যকুশল, লোকরঞ্জক, তেজস্বী, পণ্ডিত ও সুশীল এই সকল গুণসম্পন্ন হইলে তাহাকে নেতা বা নায়ক বলা যায়। প্রথমতঃ এই নায়ক চরি ভাগে বিভক্ত যথা—ধীরোদাত্ত, ধীরোদ্ধত, ধীরললিত ও ধীরপ্রশান্ত । আত্মশ্লাঘারহিত, ক্ষমাশীল, গম্ভীরস্বভাব, মহাবলশালী, অতিশয় স্থির ও বিনয়ী এই সকল গুণশোভিত হইলে তাহাকে ধীরোদাত্ত নায়ক কহে। রাম যুধিষ্ঠির প্রভৃতি ধীরোদাত্ত নায়ক । মায়াৰী, প্রচণ্ড, অহঙ্কার ও দর্প প্রভৃতি যুক্ত ও আত্মশ্লাঘাপরায়ণ এই সকল যুক্ত হইলে ধীরোদ্ধত নায়ক হয়। ভীমসেন প্রভৃতি ধীরোদ্ধত নায়ক। নিশ্চিন্ত, মৃদু ও সৰ্ব্বদা নৃত্যগীতাদি প্রিয় হইলে ধীরললিত নায়ক হয়। রত্নাবলীনাটকোত্ত বৎসরাজ প্রভৃতি ধীরললিত নায়ক । দ্বিজাদি সামান্ত নায়কগুণবিশিষ্ট ; ও ত্যাগী, কৃতী প্রভৃতি গুণযুক্ত হইলে ধীরপ্রশান্ত নায়ক হয় । মালতীমাধব প্রভৃতি নাটকে মাধবাদি ধীরপ্রশান্তনায়ক । এই চারিপ্রকার নায়ক প্রত্যেকে দক্ষিণ, ধৃষ্ট, অমুকুল ও শঠ এই চারি চারি করিয়া ১৬ ভাগে বিভক্ত। ধীরোদাত্তাদি সকল নায়কই এই চারিপ্রকার ভেদযুক্ত। যিনি সকল স্ত্রীতে সমান অমুরক্ত তাহাকে নায়ক কহে । যিনি অপরাধ করিলেও ভীত হন না, তিরস্কারেও লজ্জিত নহেন, দোষ দৃষ্ট হইলে | মিথ্যা কথা কহেন, তাহাকে ধৃষ্টনায়ক কহে । যিনি একস্ট্রী- | ੋਣ, তাহার নাম অনুকুলনায়ক। যিনি বাহিরে অযুরাগ | দেখান, অন্তব্র অন্যায় আচরণ করেন, आशश**मोहक কহে । এই ১৬ প্রকার নায়ক উত্তম, মধ্যম ও অধমভেদে | X (t ঔদার্ঘ্য নায়কের এই ৮টা সত্বজগুণ। বীরস্থ, কাৰ্যকুশলতা, সত্য, মদোৎসাহ, নীচের প্রতি অতিশয় ঘৃণা ও স্পৰ্দ্ধা নারকের এই সকল গুণসমূহের নাম শোভা। বিলাস সময়ে দৃষ্টি, ধীর গতি, মনোহর ও সম্মিত বাক্য, ইহাকে বিলাস কহে। বিকারের কারণ সত্ত্বেও চিত্ত উদ্বেগ প্রাপ্ত না হইলে তাহাকে মাধুর্য্য কহে । ভয়, শোক, ক্রোধ ও হর্ষাদিতে চিত্ত্বের নিৰ্ব্বিকারতার নাম গাম্ভীৰ্য্য। প্রবল বিশ্ন উপস্থিত হইলেও স্থির ভাবে প্রতিজ্ঞাপালনের নাম ধৈর্য্য। পরকৃত অধিক্ষেপ ও অপমান প্রভৃতির প্রাণাত্যয়েও সহ না করার নাম তেজ । বাক্য ও বেশে মধুরতা এবং শৃঙ্গার চেষ্টিতের নাম ললিত। প্রিয়ভাষণ, দান এবং শক্রর প্রতি মিত্রের তুল্য ব্যবহার, ইহার নাম ঔদার্য্য। নায়কের সত্ত্বজ এই ৮টা গুণ । ( সাছিতাদ” ৩ পরি" ) নায়কভট, একজন সংস্কৃত অলঙ্কারগ্রন্থরচয়িত, অভিনব গুপ্ত প্রভৃতি আলঙ্কারিকগণ র্তাহার উল্লেখ করিয়াছেন। নায়কবংশ, দক্ষিণাত্যের মধ্যবৰ্ত্তী মন্থরার এক পরাক্রান্ত রাজবংশ। বিজয়নগরের সেনাপতি বা নায়ক হইতে এই বংশের উদ্ভব, সেইজন্য এই বংশীয়গণ ‘নায়ক’ উপাধিতে ভূষিত। ১৫৫৯ খুষ্টাব্দে বিজয়নগরাধিপের সেনাপতি পাণ্ডারাজ্য অধিকার করিয়া ময়ূরারাজ্যে রাজত্ব করিতে থাকেন । এই বংশীয়গণ স্বাধীনভাবে রাজত্ব করিলেও বিজয়নগরের রাজাকে ‘অধীশ্বর’

  • “ধীরোদত্তে। ধীরেন্ধতস্তথা ধীরললিতশ্চ ।

ধীর প্রশান্ত ইতায়মুক্তঃ প্রথম চতুৰ্ভেদঃ ॥ জলিকাখন: ক্ষমাবনতি৭াষ্ঠীরে। মহীসত্ত্বঃ । স্থেয়ান নিগূঢ়মানে ধীরোদত্তে দৃঢ়ব্ৰত: কথিত । মায়াপরঃ প্রচণ্ডশ্চপলোহহঙ্করদপতুরিষ্ঠ । আত্মশ্লাঘানিরতো ধীরেধীরোদ্ধতঃ কথিত: | নিশ্চিস্তুে। মুদুরলিশং কলাপরে ধীরলfলতঃ স্ত।২। সমান্তগুণৈভূ য়ান দ্বিজাদিকে ধীরগ্রশান্ত: স্থাৎ ॥ এভিদক্ষিণধুঃ(মুকুলশঠরূপিভিন্ধ ষোড়শধ । এষত্বনে কমহিলাস সমর(গে দক্ষিণঃ কথিত: | কৃতাগা অপি নিঃশঙ্কস্তর্জিতোহপি ন লজ্জি৫: দৃষ্ঠদোধোহপি মিথ্যাবাক কণিতে ধৃষ্টনায়কঃ ॥ অমুকুল একনিরত: শঠোংমেকত্র বদ্ধভাবে। যঃ। দর্শিতবহিরপুরাগে বিপ্রিয়মহাত্ৰ গূঢ়মচরতি । এখাঞ্চ ত্রৈবিধ্যৎ সৰ্ব্বেধামুত্তমমধ্যtধমনে । উত্ত। নায়কভেদাশ্চারিংশত্তথাহষ্টে চ।"(সাহিত্যদর্পণ ওপরি")