পাতা:বিশ্বকোষ দশম খণ্ড.djvu/২১৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


निणि [ २s8 1 নিশিপালক নিশারুক (পুং । তালবিশেষ। সপ্তবিধ রূপকের একটা তাল। দৃঢ়, প্রৌঢ়, খচর, বিভব, চতুরক্রম, নিশারুক ও প্রতিতাল, এই সপ্ত রূপক তাল । “দৃঢ়ঃ প্রৌঢ়োংথ খচরো বিভবচ্চতুরক্রমঃ। নিশারুকঃ প্রতিতালঃ কথিতাঃ সপ্তরূপকাঃ ॥” (সঙ্গীতদামো") ছইট লঘু ও দুইট গুরু এযং চতুৰ্বিংশতি বর্ণ হইবে, তাহ হইলে এই তাল হয়। হাস্তরসে এই তাল উক্ত হইয়াছে। “লযুদ্ধশ্বং গুরুত্বন্দ্বং তন্ন্যাসতালকঃ স্বতঃ। চতুৰ্বিংশতিবর্ণৈপ্ত রসে হান্তে নিশারুকঃ ” (সঙ্গীতদামো” ) নর্তক রঙ্গালয়ে প্রবেশ করিয়া, চারিদিকে কুসুমাদি বিকীর্ণ করিয়া নিশাকুকতালে কোমল নৃত্য করিবে । “প্রবিশু নৰ্ত্তকোরঙ্গং বিকীর্ঘ কুসুমাদিকম্। নিশারুকেশ তালেন কোমলং মৃত্যমাচরেৎ ॥” (সঙ্গীতদামো” ) ( ত্রি ) ২ নিতান্ত হিংসক । নিশাৰ্দ্ধকাল (পুং ) রাত্রির প্রথমাৰ্দ্ধ অর্থাৎ প্রথম দুই যাম। নিশাবন (পুং ) নিশাবৎ অন্ধকারজনকং বনং যত্র। শণ বৃক্ষ। ( রাজনি” ) নিশাবসান (রী) নিশায়াঃ অবসান । রাত্রির অবসান, প্রভাত । নিশাবিহার (পুং স্ত্রী) নিশায়াং বিহারে যন্ত। রাক্ষস । “প্রচক্রতু রামনিশাবিহারে।” ( ভটি ) নিশাবৃন্দ (কী ) নিশায়াঃ বৃন্দ সমূহ। রাত্ৰিগণ, বহুনিশা, রাত্রিসমূহ। (শঙ্কর” ) নিশাবেদিন (পুং ) নিশা নিশাপরিমাণং বেত্তি বেদতি বা বিদ বা বেদি-ণিনি। কুকুট । ( হেম ৪৩৯ • ) নিশাহস (পুং ) নিশায়াং হসতি পুষ্পবিকাশেন হস-অচ্‌, বা নিশায়াং হসো বিকাশে যন্ত। কুমুদ, নালগাছ । ( ত্রিকাগু ) নিশাহীস (স্ত্রী) নিশায়াং হাসে যন্তাঃ। শেফালিক, শিউলী ফুল গাছ । নিশাহবা (স্ত্রী ) নিশায়া আহবা অভিধানং যন্তীঃ । ১ হরিদ্র। ২ মালবদেশে প্রসিদ্ধ জতুকা নামে লতা । নিশি (স্ত্রী ) ১ রাত্রি। ২ হরিদ্র। ( দেশজ ) ৩ ভূতযোনিবিশ্যে। সাধারণতঃ রাত্রিকালে এই প্রেতযোনির প্রতিষ্ঠা করিয়া, তাহাকে জাগাইয়া তোলা হয়, এইরূপ প্রবাদ । আমাদের দেশে কোন ব্যক্তির সঙ্কটাপন্ন রোগ হুইলে, তাছাকে মৃত্যু হইতে রক্ষা করিবার জন্ত যেরূপ কবিরাজী, হাকিমী ও এলোপার্থী বা হোমিওপাখিক চিকিৎসা করার প্রথা আছে, সেইরূপ শেষ নিদানে এই পৈশাচিক প্রক্রিয়ার দ্বারা যদি কোন উপকার হয়, সেইজন্য ভ্রাত্ত { সংস্কারের বশবর্তী হইয়া আমাদের দেশবাসিগণ, এই প্রথার - TF-F অমুসরণ করিয়া থাকেন। শুনা যায়, ভূতের অবতারণ প্রভৃতি ভৌতিক ব্যাপার শেষ হইয়া গেলে, কোন ব্যক্তির হস্তে একটা নারিকেলের মুখ কাটিয়া দিয়, তাহাকে নিকটবর্তী পত্নীসমূহে গভীর রাত্রে পরিভ্রমণ করিতে আদেশ করা হয়। ঐ ব্যক্তি রাত্রিকালে যখন ডাব লইয়া যায়, তখন অধিষ্ঠিত প্ৰেতযোনি নারিকেল হইতে গ্রামবাসী বাক্তিগণের একে একে প্রত্যেকের তিনবার নাম ধরিয়া ডাকিতে থাকে। ঐ তিনবার ডাকের মধ্যে যদি কেহ তাহার আহবানে উত্তর দেয়, তাহা হইলে নারিকেল হস্তে যে ব্যক্তি দণ্ডায়মান ছিল, সে শঙ্কা শুনিবামাত্রই, ঐ নারিকেলের মুখ বন্ধ করিয়া দেয়। তাহা হইলে, যে ব্যক্তি নিশিভূতের আহবানে উত্তর দিয়াছিল, তাহার প্রাণবায়ু এই অদ্ভুত পৈশাচিক ক্রিয়ার বলে, নারিকেল মধ্যে আসিয়া অবস্থান করিবে এবং ঐ নিশিভূতের সাহায্যে উক্ত ব্যক্তির প্রাণবায়ু বহির্গত হইয়া, মূতাবস্থায় শয়ান থাকিবে। পরে প্রক্রিয়ারত ব্রাহ্মণ বা সাধুপুরুষের নিকট ঐ নারিকেল লইয়। উপস্থিত হইলে, তিনি নারিকেল মধাস্থ প্রাণ লইয়া, পূৰ্ব্ব কথিত রোগীর পুনঃ প্রাণপ্রতিষ্ঠা করিয়া দিবেন। ঐ ব্যক্তি পুনর্জীবিতবৎ হইয় পুনরায় সংসারে লিপ্ত হইবে। আমাদের এই অযথা বিশ্বাসের অনুবৰ্ত্তী হইয়া, কোন কোন ব্যক্তি মৃত্যুর হস্ত হইতে রক্ষা পাইবার জন্ত, অনৰ্থক কতকগুলি টাকা নষ্ট করিয়া থাকেন। যতদূর বুঝিতে পারা যায়, তাহাতে কেবল এইমাত্র স্থিরসিদ্ধান্ত হয় যে, যাহার অস্তিমকাল উপস্থিত, পরমেশ্বর যাহার উপর একান্ত বাম, ক্ষুদ্র মনুষ্যের এমত কি ক্ষমতা আছে যে, তাহার সংহাররূপ হস্ত হইতে অপরকে পরিত্রাণ করিতে পারে। নিশি জাগরণ4থার মূলে যে সত্যই নিহিত থাকুক না কেন, আমরা তাহার বিচার করিব না। আমাদের এইমাত্র উপলব্ধি হয় যে, এই সমস্ত আচার নিতাস্ত হেয় এবং তাহার কোন সার্থকতা নাই। নিশিক ( স্ত্রী) বর্তলোঁহ। চলিত বিদূর । নিশিত (ত্রি ) নি-শো-ক্ত (শাচ্ছোরষ্ঠতরস্তাম্। পা ৭৷৷৪১) ১ শাণিত, তেজিত । ( ক্লী ) ২ লৌহ । ( রাজনি" ) নিশিতা (স্ত্রী ) নি-শো-ক্ত, টপ্‌। নিশীথ । "নিশিতাঙ্গtং নিৰ্ব্বপেন্নিশিতায়াং হি রক্ষাংসি প্রেরতে ।” (তৈত্তি স” ২২২২ ) নিশিতি (স্ত্রী) নি-শোকৰ্ম্মণি-ক্তি ততো ইত্বম্। তনুকৃত। ‘আহুতিং নিশিতিং মর্ত্যে নশৎ।” ( ঋক্ ৬২৫ ) নিশিতিং নিশিতাং তনুকুতাম্ (সারণ) নিশিখ (পুং) দোষার (রাত্রি) পুত্রভেদ। (ভাগবত ৪।১৩১৪) নিশিপালক ( ক্ষী ) ছন্দোভেদ । এই ছন্মের প্রতিপদে ১৫টী