পাতা:বিশ্বকোষ দশম খণ্ড.djvu/২৫৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


मैोज्नु -"mun ফরাসী ও স্পেনের উপনিবেশস্থ লোকের উপর নির্ভর করিতে | হইতেছে, তখন হইতে তাহার বন্ধুদেশে নীলোৎপত্তির নিধিত্ব যথেষ্ট উৎসাহ প্রদান করিতে লাগিলেন। আমেরিকা হইতে য়ুরোপীয় বণিকগণ বাঙ্গালার নানাস্থানে আসিয়া কুঠা করিতে লাগিল। ক্রমশঃ ভারতবর্ষ হইতে এত | উৎকৃষ্ট নীল উৎপন্ন হইতে লাগিল যে, ফ্রান্স ও স্পেনকে অতি- { ক্রম করিয়া উচ্চস্থান গ্রহণ করিল। ১৭৯৫ খৃষ্টাব্দে যশোরে cशrय नैौष्णब्र क्रांरु श्रांब्रख शहेण । हेश श्रेष्ठहे cरांषाहेरग्रज्ञ নীলচাষ এক রকম বদ্ধ হইয় গেল । ১৮২১ খৃষ্টাব্দেও গুজরাতে নীল প্রস্তুত হইত। নগর ও পল্লীর নিকটে নীলকুঠতে ব্যবহৃত পুরাতন পাত্রাদি পড়িয়া রহিয়াছে মধ্যে মধ্য দেখা যায়। প্রথমতঃ ইষ্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানি কৃষকদিগকে দাদ দিয়া নীল চাষের উৎসাহ প্রদান করিতে লাগিলেন। পরে যখন তাহার দেখিলেন যে, একাৰ্য্যে বিলক্ষণ লাভ আছে, তখন ( ১৮০২ খৃঃ অব্দে ) অক্সিম টাকা দেওয়া বন্ধ করিয়া দিলেন । ১৮০৬ খৃষ্টাব্দে কোম্পাণি নগদ টাকায় নীল কিনিবার নিমিত্ত একটা কুঠ স্থাপিত করিলেন । প্রকৃতপক্ষে দেখিতে গেলে, য়ুরোপ- | বামীদিগের উৎসাহেই প্রথমে এদেশে নীলের বিস্তৃত চাষ আরস্ত হয়। উনবিংশ শতাব্দীর প্রারস্তুে অৰ্দ্ধসের নীল ২॥০ টাকা হইতে ৫ টাকা পর্যন্ত মূল বিক্রয় হষ্টত। ১৮৩৭ খৃষ্টাস্ত্ৰে নীল-চাষের জন্য জমিদার এবং বণিকগণের সহিত কৃষকগণের সম্বন্ধ অমঙ্গলজনক ও বিশেষ কষ্টদায়ক হইয়া ধাড়াইল । অনেক স্থানে জমিদারগণ সাহেবদিগকে পত্ত্বনি সর্তে জমি ৰন্দোবস্ত করিয়া দিতে লাগিলেন । তাহারা আবার ঐ | ভূমি রাষ্ট্রয়তের নিকট বিলি কল্পিতে লাগিল। কিন্তু প্রত্যেক | রাইস্কৃতেরই কতক জমিতে নীল জন্মাইতে হইত। কোথাও বt | স্থানীয় জমিদারগণ প্রজাদিগের দ্বারা নীলচাষ করাইয়া লইতেন । লর্ড মেকলে এই সম্বন্ধে একটা প্রবন্ধ লিখিয়াছিলেন। তাঁহাতে তিনি বলিয়াছেন যে, নীলচাষের জন্ত প্রজীয় প্রতি যথেষ্ট অত্যচার হইত। প্রজাগণ এক রকম জমিদারের ক্রীতদাস বলিলেও অভুক্তি ছয় না। তাহার এই প্রবন্ধট সেই সময়ের শোচনীয় অবস্থায় বিশেষ ফলদায়ক হইয়াছিল। ' কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে মনোযোগ দেওয়া আখণ্ডক মনে করিয়া, ১৮৬১ খৃষ্টাকোয় ৯ আইন অম্বুসারে কএকজন কৰ্ম্মচারী নিযুক্ত করিলেন। উদহার সত্যাগতোয় অনুসন্ধান করিয়া গবtशभरक जांभादेष्ठ गोभिरणन । ऐछ आहेन भश्नांरब्र कुडिকারক চুক্তি জয়যায়ী কাৰ্য্য কস্কিন্তে বাধা, কিন্তু যে স্থলে ছলে वरण किश्झ८कोषरण इंडि(contract) श्रेङ, ख्श्वग्न शहे छूङिब्र [ ఇ4 )

  1. ील

নিয়মাহমুরে কার্য্য করিতে কেহই বাধ্য নহে। ১৮৬৮ খৃষ্টাম্বের ৮ আইনদ্বারা "নীলচুক্তি আইন" নিবারিত হইয়াছে। ১৭৭৬११ भूहैोळक ८वशंरब्रe of३कन अछांग्र वादशग्न भांब्रख श्ञ ; किढ দুর্ভিক্ষ সময়ে প্রজাবর্গের প্রতি নীলকর সাহেবগণ বিশেষ দয়া-দক্ষিণের পরিচয় দেন বলিয়া, গবর্মেন্ট এবিষয়ে হস্তক্ষেপ করিলেন না। কেবলমাত্র কোন পক্ষ হইতে মাইন বিরুদ্ধ কার্য্য না হয়, তৎপ্রতি লক্ষ্য রাখিলেন । বর্তমান সময়ে এ সম্বন্ধে যে আইন প্রচলিত আছে, তাহার মৰ্ম্ম এই যে, কোন ব্যক্তি চুক্তি করিলে, সেই অনুসারে কার্যা করিতে সে বাধ্য হইবে, নতুবা আইন মতে তাঁহাকে ক্ষতিপূরণ দিতে হইবে ; কিন্তু তাই বলিয়া বলপূর্বক কেহ কাহারও দ্বারা নীলচাষ করাইতে পরিবে না। মধ্যে মধ্যে নীলবাবসায়িগণের সমিতি গঠিত হইত। এই সমিতি হইতে অনেক নিয়ম গঠিত হয় । সেই নিয়মানুসারে তাহার কার্ধ করায়, নীলকুঠির কার্য্য মুনিয়মে সম্পন্ন হইতেছে। গবমেণ্ট নীলের উপর শুল্ক উঠাষ্টয় দেওয়ায় দিন দিন ব্যবসার বিশেষ উন্নতি দেখা যাইতেছে। ১৮৭৫ খৃষ্টাব্বের ৫ই আগষ্টের পূৰ্ব্বে নীল বিদেশে পাঠাইতে হইলে প্রত্যেক মণে ৩ টাকা করিয়া শুদ্ধ দিতে হইত, কিন্তু তখন হইতে নীল প্রস্তুতের জন্য মণ করা ৩ টাকা এবং নীল পাতার এক টনের ( R৭ মণ ৯ সের ) উপরও ৩২ টাকা দিতে হইত। ক্রমে এই সকল কয় উঠাইয় দেওয়া হইয়াছে। বাঙ্গালা হইতে নীলচাষ আমেয়িকা ও ওয়েষ্টইণ্ডিস্ প্রভৃতি স্থানে ছড়াইয়া পড়িল । ক্রমশঃ মাত্রাজেয় অধিবাসিগণের চক্ষু ইহায় উপর পতিত হইল । তাহারা বিশেষ আগ্রহের সহিত নীলের চাষ করিতে লাগিল । নানাকারণে নানাস্থান হইতে ইহার চাষ উঠিয়া যায়। বাঙ্গালায় যে সমস্ত রাইয়ত নীল চাষ করিত, তাহারা জমিদারগণের নিকট হইতে উহার বিনিময়ে অতি সীমান্ত মূল্যমাত্র পাইত এবং তাহীদের আহার্য শস্তের মূল্য উৎপন্ন কয়িতে সময় পাইত না। কিন্তু মাম্রাজ প্রদেশে এরূপ অসুবিধা ছিল না, কারণ তথায় নীল ও যে শস্ত জন্মিত, তাহার উন্নতি বই অবনতি দেখা যায় নাই । ত্ৰিহুতেও প্রচুর পরিমাণে নীল উৎপন্ন হইয়া থাকে r बैौह्ञग्न छैन । ভারতবর্ষের প্রার সর্বত্রই এক এক প্রণালীতে নীলের চাষ হয়। বাঙ্গালায় তিন প্রকারে নীলচাষ হইয়া থাকে, তিনটী পৃথক্ স্বান হইতে এই তিন প্রণালী অবলম্বন করা হইয়াছে। স্বপ্না-নিম্ন বাঙ্গালা, উত্তর বেহার এবং দক্ষিণ বেহার। নিয় । ৰাঙ্গালাক্ষ যে সমস্ত স্থানে নীল উৎপন্ন হয়, তন্মধ্যে কতক জলমগ্ন