পাতা:বিশ্বকোষ দশম খণ্ড.djvu/২৬৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নীলকণ্ঠ [ ২৬৬ ] গ্রীষ্মকালে নীলমদের জল অনেক উচ্চে উঠিয়া থাকে। জুলাইমাসের প্রথমে কায়রো নগরে এই জলবৃদ্ধি नृठे হন । তার রোডস দ্বীপের নিকটে ইহার জলবৃদ্ধি, মাপিবার নিমিত একটা স্তম্ভ নিৰ্ম্মিত আছে । ইহাকে নীলোমিটার কছে। প্রথম ৬৭ দিন অতি অল্প পরিমাণে জল বাড়িতে } থাকে, সুতরাং হ্রাসবৃদ্ধি বিশেষ জান৷ বায় না ; ३शत्र অল্প দিন পরেই যথেষ্ট পরিমাণে জল বুদ্ধি হয় এবং ২• ! অথবা ৩৯এ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বৃদ্ধির চরম সীমায় পৌঁছিয়া ! কিছুকাল স্থির ভাবে থাকে ; অনস্তর ধীরে ধীরে কমিতে ভারম্ভ হয় । এরূপ জলবৃদ্ধির কারণ এই যে, গ্রীষ্মঋতুতে প্রচুরপরিমাণে বৃষ্টি হয়, ঐ বৃষ্টির জল নীলনদ দিয়া সমুদ্রমধ্যে আসিয়া পড়ে। নীলনদের যে শাখার উপর রোজেট নগর, তাহার বিস্তৃতি ৬৫ ফিটু ; যে শাখায় ডেমিএটা তাহার বিস্তার ১০ • ফিটের অধিক নহে । নীলনদ ও কাররোখালের বাধের মধ্যে একটা মুগ্ধয়স্তস্ত নিৰ্ম্মিত হয়। জল বর্ষাকালে যতদূর উন্ধে উঠিয় থাকে, ইহার উচ্চতাও ঠিক তত খানি করা হয়। এই স্তস্তকে অন্ধস অথবা কুমারী বলে । সাধারণ লোকে ইহা দ্বারা নীলের জল মাপিয়া থাকে। যখন জল প্রবলবেগে খালের মধ্যে প্রবেশ করে, তখন স্রোতে স্তন্তটা ভাসিয়া যায়। ইজিপ্টবাসীদের মধ্যে পুরাকালে স্রোতের বেগনিখরণার্থ প্রত্যেক বৎসর একটী করিয়া কুমারীবিসর্জন দেওয়া হইত, শুনা যায়। প্রত্যহ যে জলবৃদ্ধি হইত, তাহা সহর মধ্যে ঘোষণা করা হইত। যে দিন সৰ্ব্বোচ্চ সীমায় পৌছিত, তাহার পর আর ঘোষণা করা হইত না এবং নীলোমিটারের শেখ গবর্মেন্টের নিকট হইতে জল বৃদ্ধির প্রত্যেক অঙ্কের জন্য কিছু কর আদায় করিয়া থাকে। নীলক (ক্লী) নীলমেব স্বার্থে কন্‌। ১ কাচলবণ, চলিত কালামুন । ২ বৰ্ত্তলোঁহ, চলিত বিন্ধুরী । ৩ অসনবৃক্ষ, চলিত পিয়াশীল। ৪ কলায়, মটর। নীলেন বর্ণেন কাল্পতি-কৈ-ক । ( পুং ) ৫ ভ্রমর । “যথা মধুকরীং ধ্যায়ন নীলকন্তন্ময়োভবেৎ।।" { বৃহৎসংহিতা) ৬ বীজগণিতোক অব্যক্তরাশির সংজ্ঞাভেদ। “যাবত্তাবৎ কালকো নীলকোহক্টোবর্ণে লীতে লোহিতশ্চৈবাস্তাঃ * ( বীজগ" ) बैोलकर्ण] (जैौ ) झकजैौब्र, काणऔब्रः । नैौलक% (*१) नैौगः नैौणदर्भ सtél सृज़ । • त्रिब नैौणक% -سمrfaqچ aftwa ५* নীলকণ্ঠ

  • ত্ৰৈলোক্যং মোহিত যত গন্ধা তবিদ | প্রাগ্রসল্লোকরক্ষাৰ্থং ব্ৰক্ষ্মণে বচনাচ্ছিবঃ । দধার ভগবান কণ্ঠে মন্ত্রমূর্তির্মহেশ্বরঃ।

তদাপ্রভৃতি দেবস্তু নীলকণ্ঠইতি শ্রাতঃ ॥” (ভার ১১৮৪৩-৪৪) দেবগণ অমৃতোৎপত্তির পরেও সাগরমন্থনে ক্ষাস্ত না হইয়া পুনঃ পুনঃ মন্থন করিতে লাগিলেন, তখন সধুম অগ্নির স্তায় জগন্মগুল আবৃত করিয়া কালকূট বিষ উৎপন্ন হইল, তাহার গন্ধস্ত্রাণেই ত্রিলোকস্থিত লোক সকল অচেতন হইয়া পড়িল । তখন ব্ৰহ্মার অনুরোধে মন্ত্রমূর্তি ভগবান মহেশ্বর সেই কালকূট বিষ পান করিয়া কণ্ঠে ধারণ করিলেন এবং তদবধি তিনি নীলকণ্ঠ নামে বিশ্রত হইলেন। (ভারত ১১৮ অঃ ) পুরাণে এইরূপ বর্ণিত আছে যে, পুরাকালে দেব ও দৈত্যে এক তুমুল সংগ্রাম উপস্থিত হয়। ঐ যুদ্ধে দেবগণ দিন দিন ক্ষমতাহীন ও সৈন্তহীন হইয়া নিতান্ত শ্ৰীশ্ৰষ্ট হইয়া পড়েন। এমন কি অবশেষে তাহীদের বড় সাধের স্বৰ্গরাজ্যও শত্রদিগের হস্তে পতিত হইবার উপক্রম হইয় উঠে। তখন তাহারা শত্রদমনের উপায় উদ্ভাবন জন্য মেরুপৰ্ব্বতের উপরিভাগে এক বিরাটসভার অধিবেশন করেন। ঐ সভার চতুৰ্ম্ম খ ব্ৰহ্মা সভাস্থ দেবগণকে চক্ৰী বিষ্ণুর সহিত পরামর্শ করিতে উপদেশ দেন। ব্ৰহ্মার উপদেশানুসারে দেবগণ কাতর হইয়া বিষ্ণুর শরণাপন্ন হইলে, বিষ্ণু তাহাদিগকে দৈত্যহস্ত হইতে রক্ষার উপায় বলিয়া দেন। তিনি প্রথমে তাহাদিগকে দৈত্যদিগের সহিত সন্ধিস্থাপনপূৰ্ব্বক সমুদ্রমন্থন করিতে বলেন । মন্দরপর্বত উহার মন্থনদণ্ড ও সপরাজ বাসুকি মন্থনরঞ্জুরূপে নিৰ্ব্বাচিত হইল। তিনি আরও বলেন, "সমুদ্র মন্থন দ্বারা যে অমৃত উৎপন্ন হইবে, উহা তক্ষণ করিয়া, অগ্ৰে তোমরা অমরত্ব ৬ লাভ কর। দৈত্যদেরও তোমাদের সহিত সমুদ্র মন্থন করা আবখ্যক । কারণ তাহদের শক্তি ও সামর্থ তোমাদিগের অপেক্ষ অনেক অধিক ।” দেবরাজ ইন্ধ বিষ্ণুর উপদেশক্রমে দৈত্যরাজ বলির নিকট সন্ধির জন্ত উপস্থিত হইলে, বলি, র্তাহার প্রস্তাব অমুমোদন করেন, কিন্তু অমুতের অংশ চান। ইঞ্জ, অংশ দানে সম্মত হইলে, দেব ও দৈত্য একত্র হইয়া দুগ্ধসমুদ্রমন্থনে প্রবৃত্ত হন। বিষ্ণুর উপদেশানুসারে দুগ্ধসমুদ্রের উপর ঔষধমূলক গাছগাছড়া মিক্ষেপ করিয়া, মন্দরপর্বত ও বাসুকির সাহায্যে দেবদৈত্যে মন্থন জারস্তু করেন। কিন্তু অভলম্পর্শ সমুদ্রের উপর মঙ্গল্পপৰ্ব্বত ভাসমান থাকিতে না পারিয়া ক্রমশঃ নিম্ন

  • অমৃতপানের পূৰ্ব্বে দেৰগণ, মন্থয্যের কায়, মৃত্যুকে আশ্রশ্ন করতে बांथा इश्रष्ठन ।