পাতা:বিশ্বকোষ দশম খণ্ড.djvu/৩০৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


- कूष्कारम् t পড়ে। জাহাঙ্গর গায়সবেগকে সেই পদে দেওয়ান নিযুক্ত করিয়া *हे९वन्-छेरकोणा" (ब्रांरजाग्न अबूणा शब) $भांश् िरथनांन कब्रिলেন এবং তৎসঙ্গে সঙ্গেই নাগর, নিশান প্রকৃত্তি সন্মানচিহ্ন ব্যবহারের আদেশ দিলেন। মেহের-উল্লিসার দ্বিতীয় ভ্রাতা মীর্জা আবুল হসকে পাচহাজারি মনসবদার পদে নিযুক্ত করেন এবং শের-আফগানের জায়গীয় ও বর্ধমানের ক্ষুযুলার পদ মধুর করিয়া পাঠাইলেন। জাহঁীরের রাজত্বের দ্বিতীয় বর্ষে ( ১•১ হিজরায় ) মেহের-উল্লিসার জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা মহম্মদ শরীফ, কারারুদ্ধ কুমার খস্রুকে রাজ্যদান ও বাদশাহ জাহঁাগীরকে খুন করিবার ষড়যন্ত্র করেন, কিন্তু ষড়যন্ত্র প্রকাশ হইয় পড়ায় মহম্মদ শরীফ স্কৃত ও নিহত এবং সন্দেহবশে তাহার পিতা ইংম উদ্দৌলাকেও কারাবাসে যাইতে হয়। অবশেষে ইংমদ উদ্দৌলা কিছুদিন পরে দুই লক্ষ টাকা অর্থও দিয়া অব্যাহতি পান। সম্রাট কিন্তু তাহার পদাদি কড়িয়া লয়েন নাই, কারণ ! তথনও তিনি মেহের-উন্নিসাকে বিস্তৃত হন নাই । (১) | ঐ বৎসরই জাৰ্হাগীর স্বীয় ধাত্রীপুত্র কুত্ত্বউদ্দীন খানিচিন্তীকে | বাঙ্গালার মুবাদtৱ করিয়া প্রেরণ করেন। এই ব্যক্তির প্রকৃত নাম সেথ খুধু । ইহার মাতা ফতেপুর-নিবাসী সেথ সেলিমের ক্য এবং ইগর পিতাও বদীওনের জনৈক সেখবংশীয়। যথন কুমার সেলিম পিতৃদ্রোহী হইয়া আলাহাবাদে ছিলেন, তখন, তিনিই ইহাকে কুতুবউদ্দীন খা উপাধি দিয়া বিহারের স্ববাদার করিয়া পাঠান। যাহা হউক, এখন ইহাকে বাঙ্গালায় মুবাদায় করার একটু উদেষ্ঠ ছিল। কুত্ত্বউদ্দীন শের-আফগানকে দিল্লী দরবারে পাঠাইয়া দিবার জষ্ঠ আদিষ্ট হইরাছিলেন। শের-আফগান সুবাদারের অধীন কৰ্ম্মচারী হইয়া, তাহার মুখে সম্রাটের আদেশ জ্ঞাত হইলেও যাইতে অস্বীকৃত হইলেন। শের-আফগান এ আহবানের কারণ অঞ্চমানেই বুঝিয়াছিলেন। (২) কুত্ৰউদ্দীনও শের-আফগানের সন্দেহ অমুধাবন করিতে পারিয়া, অনুচর সমতিব্যাহারে বদ্ধমানে উপস্থিত হইলেন এবং স্বীয় ভাগিনের গায়সকে শের-আফগানের নিকট পাঠাইয়া দিলেন। তাহাকে বলিয়া দিলেন যে, তিনি শের-আফগানকে যেন বুঝাইয়া দেন, যে দিল্লী গেলে তাহার কোনও অনিষ্ট হইবে না। তাহার পর, কুত্ত্বউদ্দীন শের-জাফগানের সহিত সাক্ষাৎ করিতে অগ্রসর হইলেন। শের-আফগান সুবাদারকে প্রত্নাগমন করিতে গেলেন। কুত্বউদ্দীন এই অবকাশে স্বীয় হস্তস্থ চাবুক নাড়িয়া স্বীয় অনুচরগণকে শের-আফগান-হত্যার (2) Ain-i-Akbari ( Blochmann p. 500.) Tazook-iJahangiri ( by Major D. Price p. 27.) از همه আদেশ করিলেন। শের-জাফগাম চম্স্কাইয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, हेशब्र अर्ष कि ? कूड्द्लेरीन् शंख् नागि चाभबाब्र जष्ट्रकईदर्लएक नेिष्वष कब्रिट्नम अद१ ८वंब्र-जांकशांटमङ्ग क्रिक অগ্রসর হইয়া উহাকে অবাধ্যতার জন্ত তিরষ্কার ক্ষদিলেন। এদিকে তাহার অনুচরেরা তাহীকে তিরস্কার করিতে দেখিয়া ও তাহার ইঙ্গিতের অক্ষাৰ্থ বুধিয়, শের-আফগানকে চতুর্দিকে ধিরিয়া ফেলিল। শের-জাফগান এই ব্যাপারে নিমেষ-মধ্যে নিজ তরবার কোষমুক্ত করিয়া কুতুবউদ্দীনের দিকে ধাবমান হইলেন এবং তিনি বাধা দিবার পূর্কেই তাহার উদরে আমূল তরবারী বলাইয়া দিলেন। কুত্বউদ্দীন দৃঢ়কায় ও সরল লোক ছিলেন। তিনি বিন্ধ-উদয় দুই হাতে চাপিয়া ধরিয়া, স্বীয় অমুচরগণকে শের-আফগানের মস্তক কাটিতে বলিলেন। অম্বাখী নামে একজন কাশ্মীরী সেনাপতি শের-আফগানের প্রতিদ্বশ্বিতায় দাড়াইলেন। (১) উভয়ের যুদ্ধে শের-আফগান মস্তকে বিষম আঘাত পাইলেন। তলবারে তাহার মাথা তুফাক হইয়। গেল, কিন্তু তাহার হস্তাও জীবিত রছিলেন না। শের-আফগানের অসির আঘাতে অম্বাণীও পঞ্চত পাইলেন। কুতুবউীন তখন বিন্ধ-উদরে অশ্বপৃষ্ঠে বসিয়াছিলেন। অম্বাখাকে পড়িতে দেখিয়া তিনি সমস্ত সৈন্সের প্রতি শের-আফগানকে আঘাত করিতে আদেশ দিলেন। অতুল সাহসী শের-আফগান সকলের সঙ্গে যুদ্ধ করিয়া অনেককে হতাহত করিয়৷ অবশেষে নিজেও পতিত হইলেন। (২) শের-আফগান যখন যুদ্ধে যান, তখন তাহার মাতা তাহার মাথায় "দুবলগা" (উৰ্কীয) বাধিয়া দিয়া আশীৰ্ব্বাদ করিয়াছিলেন,—“বাব, যুদ্ধে যাও, কিন্তু দেখিও, যেন তোমার মাতার অশ্র বিগলিত হইবার পূৰ্ব্বে তোমার শত্রর মাতার অশ্রধারা প্রবাহিত হয় ।” এই বলিয়া শিরশন করিয়া বিদায় দেন। শের-আফগামের মাতৃ-আণীবাদ সফল হইয়াছিল । তিনি মরিষার পূৰ্ব্বে কুতুবউদ্দীনকে শেষ-খাসবিশিষ্ট এবং অম্বাখাকে হস্তগত দেখিয়া মৃত্যুমুণে পতিত হন। (৩) কুতুবউদ্দীন শের-আফগানের মৃত্যু শুনিয়া নিজ ভাগিনেয়কে বৰ্দ্ধমানে গিয়া শের-মাফগানের পরিবারবর্গকে বন্দী ও র্তাহার সম্পত্তি অবরোধ করিতে আদেশ দিয়া প্রত্যাবর্তন করিলেন। পথেই তাহারও মৃত্যু হইল। ফতেপুর শিক্রীতে তাহার মৃতদেহ লইয়া গিয়া সমাহিত করা হয়। (*) Ain-i-Akbari (Blochmann p. 496. ) (*) Ikbal-nama-i-Jhangiri stro ao "fr" =to *** fifts stas I (Elliot WI. p. 408.) Dow wo, ost; air wit o' छिवि नैiध्श्जबि भन्नवशंद्र । (Dow's Hindostnn, II. 94.) (*) Ain-i-Akbari (Blochmann p. 496-97.) (*) Wadsir in Ain-i-Akbari (Blochmann p. 525.) ‘ and Ikbal-nama-i-Jahangiri (Elliot Vol. VI, p. 403, )