পাতা:বিশ্বকোষ দশম খণ্ড.djvu/৩৩৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বৈশাখমাসের শুক্লপক্ষের চতুর্দশী মহাতিথিতে ভগবান্‌ পরব্রহ্ম প্ৰহলাদের প্রতি ধিক্কার সহ করিতে না পারিয়া সায়ংকালে নরসিংহরূপে অবতীর্ণ হন। এই দিনে তত্ত্বদেখে ত্রত অবগু বিধেয় । এই দিন যদি স্বাতিনক্ষত্র, শনিবার এবং দৈবক্রমে যদি সিদ্ধিযোগ হয়, তাহা হইলে এই দিনে ব্ৰতামৃষ্ঠান করিলে কোটহত্যার পাতক দূর হইয়া থাকে। যদি এই চতুর্দশী স্মরবিদ্ধ হয়, তাহা হইলে বৈষ্ণবগণ এই দিনে ইহার অঙ্গুষ্ঠান করিবেন না । এই ব্ৰত করিতে হইলে প্রাতঃকালে উঠিয়া ভগবান বিষ্ণুর স্মরণ করিয়া সংযম করবে। নিয়মকালে এই মন্ত্র পাঠ করিতে হয়, “শ্ৰীবৃসিংহ । মহোগ্ৰত্ত্বং দয়াং কুরু মমোপরি । অদ্যাহং তে বিধাস্তামি ব্ৰতং নিৰ্ব্বিস্তুতাং নয়।” ইত্যাদি। এই দিন মিথ্যালাপ, পাপিসঙ্গ প্রভৃতি দুষ্কার্য পরিবর্জনীয় এবং সৰ্ব্বদাই নৃসিংহমূৰ্ত্তির ধ্যান করিতে হইবে। তৎপরে মধ্যাহ্নকালে নদী বা কোন পূতজলে স্নান করিয়৷ পট্টবস্ত্র পরিধানপুৰ্ব্বক গৃহে আসিয়া, পবিত্র স্থানে একটা অষ্টদলপদ্ম করিবে । তাহাতে একটী কলসী স্থাপন করিবে। ইহার উপর হেমময় নৃসিংহ ও লক্ষ্মীপ্রতিমা স্থাপন করিয়া পূজা করিবে। এই পূজায় প্রথমে প্রহ্নাদের পুজা, তাহার পর মূলপূজা বিধেয়। এই পূজায় চন্দন, পুষ্প, দীপ, নৈবেদ্য ও পূজার পৃথক পৃথক মন্ত্র আছে। হরিভক্তিবিলাসের ১৪ বিলাসে এই সকল মন্ত্র ও অন্তান্ত বিবরণ লিখিত আছে, বাহুল্যভয়ে তাহ। প্রদর্শিত হইল না । ( হরিভক্তিবিলাস ১৪ বিলাস ) নৃসিংহদেবের পূজা করিয়া এই মন্ত্রে প্রার্থনা করিতে হয়। মন্ত্র--"মদ্বংশে যে নরা জাত। যে জনিষ্যস্তি মৎপুরঃ । তাংবমুদ্ধর দেবেশ দুঃসহাৎ ভবসাগরাৎ ॥ পাতকার্ণবমগ্নস্ত ব্যাধিষ্ঠুঃখাজুরাশিভিঃ। তীব্রেস্তু পরিভূতস্ত মহাদুঃখগতস্ত মে। করাবলম্বনং দেহি শেষশায়িন জগৎপতে । শ্ৰীবৃসিংহ রমাকান্ত ভক্তানাং তত্ত্বনাশন ॥” ইত্যাদি (হরিত ১৪) নৃসিংহঠকর, একজন সংস্কৃতজ্ঞ পণ্ডিত । ভগবদগীতাৰ্থসঙ্গতি নিবন্ধ, কাব্যপ্রকাশটীকা ও প্রমাণপল্লব নামক সংস্কৃত গ্রন্থ প্রণেতা । ইনি কাব্যপ্রকাশটক রচনার একস্থলে ধাবক কবিকৃত রত্নাবলীনাটক শ্ৰীহৰ্ষরাজ সন্নিধানে বিক্রয় ও তজ্জন্ত বহু অর্থপ্রাপ্তিবিবরণ উল্লেখ করিয়াছেন, এই প্রসঙ্গ থাকায় কেহ কেহ তাহাকে বৈদ্যনাথ, নাগেশ ও জয়রামপ্রভৃতি টীকাকারের সমসাময়িক বলিয়া নির্দেশ করেন। কিন্তু তাহার গ্রন্থে নাগেশের মত উদ্ধৃত থাকায় তাহাকে তৎপরবর্তী বলির cयाँध झध्र ! [ ૭૭૧ ] নৃসিংহদেব নৃসিংহতাপনীয় (পুং) উপনিষদবিশেষ। শঙ্করাচার্ধ এই উপনিষদের ভাষা প্রণয়ন করিয়াছেন। নৃসিংহদেব, ১ কৌশিক কুলেৰিৰ বোম্বাচার্বের তাগিনে। हैशद्र द९माशाज । इनि cउनशिकांग्रछकांब्र नोरम गरइड अश् রচনা করেন । २ कर्मीक्वेरमाश्वग्न ५कखम प्रांछ । हेनेि (जशांङिग्रैौषंङ्ग পণ্ডিতের প্রতিপালক । 晚 ७ मिशिशांहनाभन्न ५ीकछन ब्रांछ। । ३झांद्र जडांग्र रुति বিদ্যাপতি বিদ্যমান ছিলেন। ৪ একজন জ্যোতিৰ্ব্বিঙ্গ, বিষ্ণু দৈবজ্ঞের পুত্র, ইনি স্বৰ্য্যসিদ্ধাস্তুভাষ্য রচনা করেন । ৫ উড়িষ্যার কএকজন রাজা । গাঙ্গেয়বংশ ও উৎকল দেখ। ] নৃসিংহদেব নৃপতি, একজন বিখ্যাত পদক। প্রেমবিলায়ে লিখিত অাছে, - “নরোত্তমের স্বগণ নরসিংহ মহাশয় । দূরদেশ পঞ্চপল্লী যার রাজ্য হয়।” যে সময়ে ঠাকুর মহাশয়ের প্রভাবে ব্রাহ্মণাদিও তাহার নিকট দীক্ষিত হইতে থাকেন, কুলের ভেদ প্রায় তিরোহিত হইয়া যায়, তখন অনেক ব্রাহ্মণ এই নরসিংহরায়ের আশ্রয় লন। নরসিংহ রায়ের সভায় অনেক দেশবিখ্যাত পণ্ডিত ছিলেন। রূপনারায়ণ নামক দিগ্বিজয়ী পণ্ডিত ইহারই অমাত্য ছিলেন । [ রূপনারায়ণ দেখ । ] ব্রাহ্মণগণের প্রার্থনায় রাজা ঐ সকল পণ্ডিত লইয়া নরোতমের সহিত বিচার করিতে গমন করেন। শেষে বিচারে পরাস্ত হইয়', সদলে ঠাকুর মহাশয়ের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। সেই সময় হইতে রাজা ভক্তশ্রেণীতে গণ্য হন ও পদ রচনা করেন । প্রেমবিলাস বলেন,— “রাজা নরসিংহ রায় সৰ্ব্বাংশে উত্তম । তাহারে করিল দয়া ঠাকুর নরোত্তম ॥ নরসিংহ রায়ের ঘরিণী রূপমীলা । তিইে শাখা গদা হরিনামেতে উতোলা ৷” রূপনারায়ণ রাজার এত প্রিয় ছিলেন যে, তিনি র্তাহাকে "ভাই" সম্বোধন করিতেন। এ সম্বোধন অকুচিতও নহে, যখন গুর সম্পর্কে একজন অপরের ভ্রাতা ছিলেন । কবি গোবিন্দদাস ইহাদের গুণ গাইয়াছেন— · “কমলালালিত, চরণ কমল মধু, পাওয়ে সেই সুজান। রাজা মন্ত্রসিংহ, রূপনারায়ণ গোবিলদাস অনুমান ৷” নৃসিংহদেব, প্রনিবাসাগর্ঘ্যের শিবা, মানভূমের একজন ভূপতি। তিনিও পদ রচনা করির বঙ্গসাহিত্যে চিরজীবী Х b"ぐ