পাতা:বিশ্বকোষ দশম খণ্ড.djvu/৩৪৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রক্তদষ্ট ষোড়শ, সন্নিপাতয় পঞ্চবিংশতি ও বারোগ দুই প্রকার। ইহার মধ্যে হতাধিমন্থ, নিমেষদৃষ্টিগত, গম্ভীরিক ও বাতন্থতবৰূর্ণ বায়ু জন্ত চক্ষুরোগের মধ্যে এইগুলি অসাধা। বায়ুজ কাচরোগ যাপা, এবং অঙ্গতোৰাত, শুষ্কীক্ষিপাক, অধিমন্থ, অভিযান, এবং মারুত এই সকল রোগ সাধ্য। পিঙ্কজ রোগের মধ্যে হ্রস্বজাতা, জলপ্রাব, পরিস্নায়ী, এবং নীলীরোগ অসাধ্য। কাচরোগ, অভিধান, অধিমন্থ, অমাধুষিতদৃষ্টি, শুক্তিক, পিত্তবিদগ্ধদৃষ্টি, পোখকী, এবং লগণ এইগুলি যাপ্য। কফজাত নেত্ররোগের মধ্যে স্রাবরোগ অসাধা, কাচরোগ যাপ্য। অভিধান, অধিমন্থ, বলাস-গ্রথিত, শ্লেষ্মবিদগ্ধ দৃষ্টি, পোর্থকী, লগণ, কৃমিগ্রন্থি, ক্লিয়বসু ও শ্লেষ্মাপনাৰ্ছ, শ্লেষ্মজ রোগ মধ্যে এইগুলি সাধ্য। রক্তজাত নেত্ররোগ মধ্যে রক্তস্রাব, অজক,শোণিতাৰ্শ, অবলম্বিত এবং শুক্ররোগ অসাধ্য। রক্তজ কাচরোগ যাপা এবং মন্থ, অভিযান, ক্লিষ্টবসু, হৰ্ষোৎ- | পাত, সিরাজ, অঞ্জম, সিরাজাল, পৰ্ব্বণী, অব্রণ, শুক্র, শোণিতাৰ্ম্ম ও অর্জুন এইগুলি সাধ্য। পূয়শ্রাব, নাকুলান্ধা, অক্ষিপাক ও অলজী এই রোগ সকল সৰ্ব্বদোষজ, অতএব ইহা অমাধ্য। সন্নিপাতঞ্জ কাচরোগ ও পক্ষুকোপরোগ যােপ্য। বস্তু বিবন্ধ, পিড়কা, প্রস্তার্যক্ষ্ম, মাংসাৰ্ম্ম, স্নায়ক্ষ্ম, উৎসঙ্গিনী, পুয়ালস, অৰ্ব্ব দাববস্তু, অৰ্শবন্ধু, শুক্রাশ, শর্করাবস্তু, সশোফ ও অশোফ এই দুই প্রকার পাকরোগ, বহলবায়ু, অক্লিবত্ব, কুম্ভীক ও বিষবস্তু, এই রোগ সকল সাধ্য। বাহ রোগ দুই প্রকার—সনিমিত্ত ও অনিমিত্ত । নেত্ররোগ ৭৬ প্রকার, তাছাদের মধ্যে ৯ট সন্ধিগত, ২১ বত্বৰ্গত, ১১ শুক্লভাগস্থিত, ৪ কৃষ্ণভাগস্থিত, ১৭ সৰ্ব্বত্র গত, ১২ দৃষ্টিগত এবং দুই বাহরোগ, এই সৰ্ব্ব সমেত ৭৬ প্রকার । নেত্রের সন্ধিগত রোগ ৯ প্রকার—পূয়ালস, উপনাচ, পু্যাম্রাব, শ্লেষ্মাস্রাব, রক্তস্রাব, পিত্তাম্রাব, পৰ্ব্বণিক, অপঞ্জী এবং কৃমিগ্রন্থি। নেত্রের সন্ধিস্থানে পঙ্কশোফ জন্মিয় তাহা | হইতে পূতিগন্ধবিশিষ্ট পুত্র নির্গত হইলে, তাহাকে পূয়ালস রোগ কহে । স্বশ্ৰাত উত্তরতন্ত্রের ১ম অধ্যায় হইতে ৯ অধ্যায় । পর্যন্ত নেত্ররোগের বিস্তৃত বিবরণ লিখিত আছে। প্রভোক বিভিন্ন রোগের বিষয় তত্তং শঙ্কে দ্রষ্টব্য। ] ভাবপ্রকাশে নেত্ররোগাধিকারে নেত্রের বিষয় এইরূপ লিখিত আছে—স্বীয় খ্ৰীয় বৃদ্ধাঙ্গুলির স্থই অঙ্গুলি নেত্রমণ্ডলের } পরিমাণ। পক্ষ, বত্ব, শ্বেত, কৃষ্ণ ও দৃষ্টি এইগুলি নেত্রগণ্ডলের আজ , আর ছুইটী প্লেক্রমগুলে ৭৮ প্রকার রোগ হয়। চরকের মতে ১৪ প্রকার। দৃষ্টিতে ১২ প্রকার। কৃষ্ণগত ৪ প্রকার, X [ ૭86. ] নেত্ররোগ --- শুরুগত ১১, বত্বগত ২১, পক্ষগত ২,.সন্ধিগত ১, এবং সমস্ত লেত্রব্যাপক ১৭ প্রকায় । 锻 cनजरब्रांप्शग्न निमांन।-श्रांडलांनेि बांग्रां $ख४ बासिन्द्र জলে অবগাহনহেতু নয়নতেজের অভিভব, দুরন্থ বৰদর্শন, নিদ্রাবিপৰ্যয় অর্থাৎ দিবানিদ্রা ও রাত্ৰিজাগরণ, অখ্যাদি দ্বারা উপঘাত, মেত্রে ধূলি বা ধূমপ্রবেশ, বমনবেগধারণ, অত্যন্তবমন, শুক্ত, আরনাল, জল, কুলখকলায় ও মাষকলায় অতিরিক্ত সেবন, মলমূত্রের বেগধারণ, অতিশয় ক্রমান, শোকজষ্ঠ সন্তাপ, মস্তকে আঘাত, দ্রুতগামী যামে আরোহণ, ঋতুবিপর্যায়, দৈহিক ক্লেশপ্রযুক্ত অভিতাপ, অতিরিক্তস্ত্রীপ্রসঙ্গ, অশ্রুবেগধারণ, এবং অতিসূক্ষ্ম বস্তুদশন, এই সকল কারণে বাতাদি দেয কুপিত হইয় নেত্রয়োগ উৎপাদন করে। পূৰ্ব্বোক কারণে প্ৰকুপিত দোষ শিরাসমূহ দ্বারা উর্দ্ধ দেশকে আশ্রয় করিয়া নেত্রপীড়াদায়ক হয়। নেত্রদৃষ্টির লক্ষণ-দৃষ্টি কৃষ্ণমণ্ডলের মধ্যস্থিত মসুরদলের অর্থাৎ অৰ্দ্ধেক মসুরের পরিমাণ, নিমেষ বিষয়ে জোনাকি পোকার স্যায়, এবং নিম্যে অভাবে অগ্নিকশার স্যায় দ্যোতমান, সচ্ছিদ্র, বাহপটল-আবৃত এবং উহা শতসাত্ম অর্থাৎ শত ক্রিয়াতে প্রশান্ত থাকে, ইহা পঞ্চভূতাত্মক ও চিরস্থায়ী তেজোময়। পটল-বিবরণ—বাহপটল রসরতাশ্রিত, দ্বিতীয় পটল মাংসাশিত, তৃতীয় পটল মেদসংশ্রিত, এবং চতুর্থ পটল কালকাস্থিসংস্থিত। পটলসমূহের স্থিরতা নেত্রমণ্ডলের পঞ্চমাংসের এক অংশ । প্রথম পটলে দোষসঞ্চয় হইলে রোগী কখন অস্পষ্ট এবং কখনও স্পষ্টরূপে দেখিতে পায় । দ্বিতীয়ে দোষ সঞ্চিত হইলে স্পষ্টরূপ দেখিতে পাওয়া মায় না। মক্ষিক, মশক, কেশ, জালক, মণ্ডল, পতাক, মরীচি ও কুগুলীকৃতি দর্শন হয়, কখনও বা জলপ্লাবিতবৎ বা দৃষ্টিঅন্ধকার ইত্যাদি বিবিধ প্রকার প্রতিচ্ছায়াদি দর্শন করে, এবং দষ্টিভ্ৰমহেতু দূরস্থ বস্তুকে সমীপবৰ্ত্ত ও সমীপস্থ বস্তুকে দূরস্ত বোধ হয়। অতিশয় চেষ্টা করিলেও চিকাছিদ্র দর্শনে সমর্থ হয় ল । তৃতীয় পটলগত দোষের বিবরণ।--তৃতীয় পটলে দোধ আশ্রয় করিলে উৰ্দ্ধদিকে দেখিতে পাওয়া যায়, অধোদিকে কিছুই দেখা যায় না । উৰ্দ্ধদিকে স্থলাকার পদার্থ সকল বস্ত্রাবৃতের স্তায় বোধ হয়, এবং প্রাণিসমূহের কর্ণ, নাসিক ও চক্ষু বিকৃত দেখায়। উহাতে যে দোষ বলবৎ হইয়। কুপিত হয়, সেই দোষ অনুসারে ঐ সকল বস্তু রঞ্জিত ভাবে দৃষ্টি হইয় থাকে। অর্থাৎ বাতাধিষ্ঠিত হইলে অরুপবর্ণ, পিত্তাধিষ্টিত হইলে পীত বা নীলবর্ণ, কঙ্কাধিষ্ঠানে