পাতা:বিশ্বকোষ দশম খণ্ড.djvu/৩৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নারীজোল মধ্যভাগে স্থাপন করিয়া প্রবল জরিতে পাৰ করিবে । এই ঔষধ নাক্তিদেশে প্রলেপ দিলে ও ইহার গন্ধ জাস্ত্রাশ করিলে বিরেচন হয় । ( ভৈষজ্যরত্না” উদাৰপ্তাধি’ ) . অন্তবিধ প্রস্তুত প্রণালী-পার, সোহাগা, মরিচ, প্রত্যেক এক তোলা, গন্ধক, পিপুল ও শুঠ প্রত্যেক দুই তোলা, নিস্তুষ 'জয়পাল ৯ তোলা। এই সকল দ্রব্য জলে মর্দন করিয়া ২ রতি প্রমাণ বট করিবে । অমুপান তণ্ডুলোদক । এই ঔষধ সেবন করিলে গুল্ম ও প্লীহোদর নষ্ট হয় । ( ভৈষজ্যরত্নাবলী উদরাধিকা” ) নারাচিক ( স্ত্রী ) নারাচন্তদাকারোহস্তান্ত ইতি নারাচ-ঠন্‌ টাপ্‌ ১ নারাচী । ২ ছন্দোবিশেষ, এই ছন্দের প্রতি চরণে ৮টা করিয়া অক্ষর থাকিবে । তাহার ১।২।৩।৫৮ বর্ণ গুরু, এতদ্ভিন্ন বর্ণ লঘু। লক্ষণ—“নারাচিক তরে লগেী।” (পিঙ্গল) নারাচা ( স্ত্রী) নারাচবদারুতিরস্তান্ত ইতি আছ, গেরাদিত্বাৎ ভীষ, স্বর্ণকারদিগের নারাচাকৃতি লোহভুল। চলিত নিক্তি, পৰ্য্যায়—নারাচিক, এষণিক, এষণী । ( শঙ্কর' ) নারীজোল, মেদিনীপুর জেলার একটা গ্রাম। পলাশপাই নামক একটী ক্ষুদ্র নদীতীরে অবস্থিত । ( অক্ষা ২২°৩৪৮%। উঃ ও দ্রাঘি" ৮৭°৩৯৪ পূঃ ) এখানে সুতীকাপড় ও মাছুরের কারখানা আছে। এখানকার রাজবংশ সম্বন্ধে এইরূপ জনশ্রতি শুনা যায়, যে প্রথমতঃ বৰ্দ্ধমান জেলার অন্তর্গত নীলাপুরগ্রামবাসী লক্ষ্মণসিং নামক এক সদেগাপ, উড়িষ্যার তাৎকালিক অধিপতির সাহায্যে সুলেমানের সমসাময়িক রাজা সুরথসিংহের নিকট হইতে মেদিনীপুররাজ্য অধিকার করিয়া লন। লক্ষ্মণসিং সাতপুরুষ পর্যন্ত এই স্থানে রাজত্ব করেন । এই বংশের শেষ বুজি অজিতসিং দুইটী বিধবা স্ত্রী রাখিয়া অপুত্রক অবস্থায় পরলোক গমন করেন। প্রথম স্ত্রীর নাম রাণী ভবানী, দ্বিতীয়ার নাম রাণী শিরোমণি । এই বিধবাদিগের রাজত্বকালে তাহাদের মুত শ্বশুরের একটী অাষ্ট্ৰীয় জঙ্গলবাসী চুয়ারগণ-সাহায্যে উক্ত রাজ্য মধ্যে নানারূপ উপদ্রব করিতে আরম্ভ করে । সুতরাং তাহার নিরুপায় হইয়া নারাজোলের জমিদার ত্রিলোচন থানের সাহায্য প্রার্থনা করেন । যে স্থানে ত্ৰিলোচনের সহিত রাণীদ্বয়ের সাক্ষাৎ হয়, সেই স্থান অস্থাপিও “রাণীপাটনা" নামে উক্ত হইয়া থাকে । বাঙ্গলা ১৯৬৫ সালে ত্রিলোচন থানের সহিত রাণীদ্বয়ের এইরূপ চুক্তি হয় যে “রাণীদ্বয়ের জীবদ্দশ পর্যন্ত ত্রিলোচন থান.তাহীদের রাজ্যের শাসনকৰ্ত্ত স্বরূপ থাকিবেন। রাণীদ্বয়ের মৃত্যুর পর তিনিই সমস্ত সম্পত্তির অধিকারী হইবেন।” এই চুক্তিক্রমে ত্ৰিলোচন সমস্ত বিদ্রোহদমনে প্রবৃত্ত হন ও স্বীয় বলবীর্য্যে [ రిe ] নারায়ণ ( পুং ) নারী জলং অয়নং স্থানং যন্ত । নারায়ণ অচিরাৎ সমস্ত রাজা শান্তিময় করিয়া স্বহস্তে সম্পত্ত্বি শাসন করিতে থাকেন। বঙ্গাষা ১১৬৭ সালে বড়রাণীর श्ड्डा श्य, তাহার অল্পদিন পরেই অপুত্ৰক ত্রিলোটন স্বর্গারোহণ করেন। তদনন্তর উাহার জ্যেষ্ঠ ভ্রাতু-পুত্র উক্ত শাসনকর্তৃত্ব ভারপ্রাপ্ত হন । তৎপরে ত্ৰিলোচন খার মধ্যম ভ্রাতু-পুত্র সীতারাম উক্ত রাজ্যভার গ্রহণ করেন। অল্পদিনের মধ্যে র্তাহারও মৃত্যু হইলে, গবর্মেণ্টের খাজনা বাকী পড়ায় নারাঞ্জোলসম্পত্তি গধর্মেন্ট খাস করিয়া লন । ১১৯৩ সালের নূতন বন্দোবস্তে সীতারামের জ্যেষ্ঠপুত্র আনন্দলাল পৈতৃক জমিদারী নারীজোল পুনঃ প্রাপ্ত হন । রাণী শিরোমণও সমস্ত মেদিনীপুরের শাসনভার তাছার হস্তে অর্পণ করেন। পরে ১৮০০ খৃষ্টালের ৩০এ জুন তারিখে রাণী, তাহাকে সমস্ত মেদিনীপুরের জমিদারী নিসত্ত্বে দান করেন। নয়বৎসর কাল তিনি সুনিয়মে শাসন করিলে পর রাণী উহা পুনরায় স্বীয় অধীনে আনয়ন জন্ত ১৮১০ খৃষ্টাব্দে আনন্দলালের সহিত কলহ ও অবশেষে মোকদম উপস্থিত করেন । ইহার কিছুদিন পরে আনন্দলালের মৃত্যু হয়, কিন্তু র্তাহার কোন পুত্রসন্তান না থাকায় তিনি তাহার কনিষ্ঠ ভ্রাতা রাজা মোহনলাল খানকে "মেদিনীপুররাজ" দান করিয়া যান। ১৮১২ খৃষ্টাব্দে রাণী শিরোমণির মৃত্যু হইলে, তাহার এক দুর আত্মীয় কন্দপসিং ঐ রাজ্যপ্রাপ্তির দাওয়া করেন । অবশেষে মামলামোকদ্দমায় ১৮২৭ খৃষ্টাব্দে মোহনলাল জয়ী হন। মোহনলালের ১৮৩০ খৃষ্টাব্দে মৃত্যু হইলে তাহার পুত্র অযোধ্যারাম ও তদনন্তর তাহার পুত্ৰ মহেন্দ্রলাল খান এই বিপুল সম্পত্তির অধিকারী হন। গত বাঙ্গলা ১২৯৯ সালের মাখমাসে মহেন্দ্রলাল থানের মৃত্যু হইলে তাহার পুত্র নরেন্দ্রলাল থান তাহার পৈতৃক পদারূঢ় झहेग्रोप्झन । ইহান্না জাতিতে সদেগাপ। দেবতা ও ব্রাহ্মণের প্রতি ইহাদের বিশেষ ভক্তি ও শ্রদ্ধা আছে। ইহার নারীজোলে কএকটা মুনীর মুনার পুষ্করিণী, দেবমন্দির, অতিথিশালা প্রভৃতি প্রস্তুত করিয়া স্মরণীয় হইয়াছেন । অয় গতৌ ভাবে লুটি । বিষ্ণু, পরমাত্মা। নারায়ণ শব্দের বুৎপত্তি নানাপুরাণে নানা প্রকার লিখিত অাছে। যথাসম্ভব কতকগুলি ७यिनख श्हेल “জং নারায়ণে নরঃ।” (ভারত ১৩১৪৯৩৯) মহাভারতের এই শ্লোকের ভায্যে “নারায়ণ’ শব্দের এইরূপ बू९*खि मर्लिंउ रुईब्रांटझ्-नद्र भटक अांङ्ग, अांग्र शहैट्ठ