পাতা:বিশ্বকোষ দশম খণ্ড.djvu/৩৮১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শতাষ্ট্ৰীয় প্রথম ভাগেও উত্তরভারতের অর্ধাংশে হুইপ্রকার छूढांच ब्र धष्ठनिङ श्लि* ।’ পূর্বেই লিখিয়াছি ডাক্তার ক্লিন্টু শিবদেবের লিপি মানদেবের বহুপূৰ্ব্ববৰ্ত্তী বলিয়াই প্রকাশ করিয়াছেন। কিন্তু খোদিতলিপির ধারাবাহিক কালামুসারী অক্ষরতত্ব আলোচনা করিলে, যেন মামদেবের খোদিতলিপি বহু প্রাচীন বলিয়াই বোধ হয়। এরূপ স্থলে কোনটা গ্রাহ ? পরে প্রকাশ পাইবে, যদি আমরা উপরোক্ত প্রত্নতত্ত্ববিদের নির্দেশিত ৭ম শতাদে অর্থাৎ খৃষ্টীয় ৬৩৫-৬৫০ খৃষ্টাবো রাজা শিবদেব ও মহাসামন্ত অংশুবৰ্ম্মার প্রকৃতসময় স্বীকায় করি, তাহা হইলে সাময়িক ইতিবৃত্তের সহিত বিরোধ উপস্থিত হইবে । এরূপ স্থলে যদি ডাক্তার বুন্তলরের মতানুসারে এক সময়েই দুইপ্রকার লিপির ছাদ প্রচলিত ছিল, স্বীকার করিয়া শিবদেব ও তাহার মহাসামন্তকে খৃষ্টীয় পঞ্চম শতাব্দীর লোক বলিয়া ধরিয়া লই, তাহা হইলে আর কোন গোল থাকে না । ( পরে প্রকাশ পাইবে । ) উক্ত লিচ্ছবিরাজের সময়কার যে দুই থামি থোদিত-লিপির প্রতিরূপ বেণ্ডল সাহেব প্রকাশ করিয়াছেন, দুই খানিই এক সময়ের লিপি হইলেও পরস্পর বর্ণ-বিদ্যাসের একটু ইস্তরবিশেষ লক্ষিত হয় । প্রথম খানির স্বর-চিহ্নের ছাদ যেমন ‘’ ‘f” দেখিলেই দ্বিতীয় অপেক্ষা আধুনিক অর্থাৎ ৬ষ্ঠ শতাব্দীর পরবৰ্ত্তী বলিয়া বোধ হয়। কিন্তু দ্বিতীয় লিপির অপুষ্ট 'f' এবং “†” দেখিলে ইহার প্রাচীনত্ব সম্বন্ধে তেমন সন্দেহ থাকে না। পণ্ডিত ভগবান্‌লালের প্রকাশিত ৫ম শিলালিপিও উক্ত শিবদেব প্রদত্ত হইলেও ইহার 'আ' কার দেখিলে বেগুলের প্রকাশিত লিপির সমকালীন বলিয়া বোধ হয় না। এইরূপ পণ্ডিত ভগবানলালের ৭ম লিপির আকার ‘’ এবং বেগুল সাহেবের ১ম লিপির ণ মিলাইয়া দেখিলে শেষোক্ত ‘া’ বহু শতাব্দীপরবর্তী বলিয়া মনে হইবে। পণ্ডিত ভগবানলালের ১ম সংখ্যক লিপির আকার, তাহার ৭ম সংখ্যক লিপিতে কতক পুরিপুষ্ট লাভ করিয়াছে বলিয়া বোধ হয় । এই কারণেই পণ্ডিতষর ৭ম লিপি ১ম লিপির বহু পরবর্তী বলিয়া উল্লেখ করিয়াছেন। কিন্তু বেগুল সাহেবের প্রকাশিত ১ম ও ২য় সংখ্যক শিলালিপি এবং পণ্ডিত ভগবানলালের ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম ও ৮মলিপির অক্ষর আলোচনা করিলে, ৮ম খানি সৰ্ব্বশেষে উৎকীর্ণ হইলেও সৰ্ব্বপ্রাচীন বলিয়াই মনে হইবে। ৮ম লিপির ৩য় পঙক্তির “বার্তেন" শষ্ট্রের [ *), ) নেপাল - ته - --- --- ‘বা’ আর ১ম সংখ্যকলিপির ২য়াংশের ১৬শ পঙক্তির বা মিলাইয় দেখ, উভয়ে গ্রভেদ নাই। কিন্তু ১ম সংখ্যকের বর্ণাবী মাত্রাमूंछ भांद्र ५म रहँउ ध्रम किकिश्रांज भांइख शहैबारश् ।। ५निहरू cशंब्रिॐऔद्र भूभिाऊ लागई गांबा शांकाङ्ग ९अ हहै८७ vअ णिनि খৃষ্টীয় ৫ম শতাব্দীর কোন সময়ে উৎকীর্ণ বলিয়া গ্রহণ করিতে আর এত আপত্তি থাকিতেছে না। ཆེམ, ১•ম ও ১১শ-এই তিন খানির বর্ণনা পাঠ করিলে এমানির পরবর্তী বলিয়াই বোধ হয়। ১২শ হইতে ১৫শ লিপির অক্ষরাবলী লম্বন্ধে উপরোক্ত প্রত্নতত্ববিদগণ যে মত প্রকাশ করিয়াছেন, তাহার সহিত আমাদের বিশেষ মতভেদ মাই। তবে ঐ সকল শিলালিপিर्मिठ २घ्र निषtनय ७ २ग्न अग्नएनएदग्न ब्रांआरुःांग गचएक भांभांtनग्न সনোেহ আছে, তাহ পরে বলিব । পণ্ডিত ভগবানলাল, ডাকায় বুছলর ও ডাক্তার ফ্লিট্‌ সকলেই ১২শ সংখ্যক লিপির অঙ্ক ১১৯। পাঠ করিয়াছেন। কিন্তু তাহার। মধ্যবৰ্ত্তী অক্ষর কিরূপে দশ সংখ্যানির্দেশক বলিয়া স্থির করিলেন, তাহা আমরা কিছুতেই বুঝিতে পারিতেছি না। নেপালের ও উত্তর-ভারতের খোদিত লিপি-সমূহ হের সংখ্যাবাচক অক্ষরাদি নির্ণয় করিবার জন্ত যত প্রকার लांगिक छादिकृउ श्हेग्नां८इ, दिt*य कब्रिग्नां निशांठेघ्नl cमशिলাম, তাহা হইতে উক্ত মধ্য অক্ষরট ১০’ বলিয়া স্বীকার করিতে পারিলাম না, উহা ‘২০’এর পরিবর্তে ‘৪ • সংখ্যা নির্দেশক বলিমা বোধ হয়, তাহা হইলে এই লিপির অঙ্ক ‘১৪৯" এইরূপ পাঠ করিতে পারি। ঐরূপ ১৫শ লিপির সংখ্যা-নির্দেশক অঙ্ক উক্ত প্রত্নতত্ত্ববিদূগণ ১৫৩ পাঠ করিয়াছেন । কিন্তু ঐ সংখ্যানির্দেশক তিনটী অক্ষরের শেষ অক্ষরট ও ১২শ সংখ্যক লিপির শেখ অক্ষর একই রূপ। এখন কথা হইতেছে, একটকে র্তাহার ৩' ও অপরট '৯' এরূপ পাঠ করিবার কারণ কি ? সম্ভবতঃ উভয়ের শেষ অঙ্ক ‘৯’ হইবে। এই কারণে ১৫শ লিপির সংখ্যাক্ষরগুলি ‘১৫৯’ বলিয়া স্থির করিলাম । थांब्रांबांश्कि हैठिशांम । পণ্ডিত ভগবানলালের সংগৃহীত লিচ্ছবিরাজ জয়দেব-পরচক্ৰকামের শিলাপটে এইরূপ বংশাবলী আছে— (3) Dr. Bühler's Remarks on the Horiuzi palmleaf |M88. (Anec, 0aeon, Vol. I. pt. III. p 65.) X SSe (২) গুপ্তরাজবংশ পলের শেষ অংশে ইতিপূৰ্ব্বে যে লিচ্ছবিরাজগণের नन फांब्रिर्ष शिथिउ श्हेंग्रांटाइ, ४९न रिट्नश अांग्लांकन षांद्र डाइब्र७ इॉन हांtन अभ aभांश लक्रिठ छूहेरठाइ, वर्डप्लांन यदाक ठांश मरप्*१न कद्भिग्नौ cप्रभ१ब्र! इदेन ।