পাতা:বিশ্বকোষ দশম খণ্ড.djvu/৪০১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নেপাল বাবলার লইবে না। প্রত্যেক নেবারীর (কি হিমুর কি বেছের ) একটা না একটা বংশগত ব্যবসায় আছে, জীবিকার জন্য সে অন্ত যাহা কিছু করুক না কেন, কোন না কোন সময়ে তাহাকে সেই বংশগত ব্যবসায় অবলম্বন করিতেই হুইবে এবং তদন্তুষ্ঠেয় যাহা কিছু আছে, তাহ চিরকালই করিতে হইবে ( অর্থাৎ বাঙ্গালীর মধ্যে কামার, ছুতার, সেকরা প্রভৃতি জাতীয় লোকে কেরাণীগিরি অবলম্বন করিলেও যেমন ভাদ্রমাসের শেষদিনে বিশ্বকৰ্ম্মায় পূজা করিতে বাধা, সেইরূপ ইহাদিগকেও করিতে হয় )। বৌদ্ধদিগের মধ্যে বাঢ়শ্রেণীই সৰ্ব্বশ্রেষ্ঠ ও মান্ত। পূৰ্ব্বে যাহারা বৈরাগাশ্রম অবলম্বন করিতেন, নেবারীরা তাহাদিগকেই বাগু বা র্যাঢ় ( সংস্কৃত পণ্ডিত ) নামে অভিহিত করিত। হিন্দুস্থানের বৌদ্ধসন্ন্যাসীকে যেমন শ্রমণ বলা হইত, এখানেও সেইরূপ "ঢ়ি" নাম হয়। পূৰ্ব্বে এই শ্রেণী অৰ্হৎ, ভিক্ষু ও শ্রাবক ইত্যাদিতে বিভক্ত ছিল। পূৰ্ব্বে ইহারা সন্ন্যাসী ছিলেন, এখন এরূপ বিভাগের চিহ্নও নাই । যখন বৌদ্ধমঠের বঁাধাবাধি কমিয়া গেল, সেই সময় ইহাদের সন্ন্যাসগ্রহণের একান্তু কৰ্ত্তব্যতাও লোপ পাইল । অৰ্হত ও শ্রাবক এখনও কতকগুলি লোক মধ্যে দেখা যায় বটে, কিন্তু তাহার এখন আর কোন মতেই ভিক্ষু নহে। তাহারাই এখন স্বর্ণরৌপ্যের ব্যবসায় করিয়া থাকে। এখনকার বাঢ়াদিগের মধ্যে নয়ট শ্রেণী অাছে। প্রত্যেক শ্রেণীরই একটা না একটা বংশগত ব্যবসায় আছে। এই নয় শ্রেণীর মধ্যে গুভাল বা গুভাজু নামক শ্রেণীই প্রধান। "গুরুভজ” বা "গুরু সাহেব” শব্দ হইতে ঐ নামের উৎপত্তি। যাজকতাই ইহাদের বংশগত কৰ্ত্তব্যকাৰ্য্য, কিন্তু এখন আর কেবল ঐ ব্যবসীয় মাত্র অবলম্বন করিয়া থাকে না । ইহাদের অনেকেই দারিদ্রপীড়িত। এখন অনেকেই কৃষি, অট্টালিকানিৰ্ম্মাণ, সূচীকার্য, মুদ্রা প্রস্তুত প্রভৃতি কাৰ্য্য করিয়া থাকে, আবার অনেকে মহাজনীও করে । ইহাদের মধ্যে যাহারা শিক্ষিত এবং ধৰ্ম্মকৃত্যাদি জানে, তাহারাই পণ্ডিত ও পুরোহিতের কার্য্য করে। যাহার এইরূপে যাজকতা করে, তাহদেরও অনেকে আবার কোন কোন ব্যবসায় করিয়া থাকে। গুভাজুর মধ্যে যিনি যাজকতা করেন, তিনি বজাচার্য উপাধি প্রাপ্ত হন। প্রত্যেক গুভাস্কুকে যৌবনের পূর্কে বজ্রাচার্যের কর্তব্য শিক্ষা করিতে হয়। বঙ্গাচার্ধ্যেরা স্কৃত ও ধান্তাদিদ্বারা অগ্নিতে হোম করেন। এই হোমাদি ও মন্ত্রাদি বাল্যকালে শিখিতে হয়। যতদিন শিক্ষা থাকে, ততদিন তাহাকে ভিক্ষু বলে। কোন ভিক্ষু স্বগৃহেও শিক্ষাবস্থায় বাজকতা করিতে পারে না। প্রত্যেক শিক্ষিত ভিক্ষুকে সস্তান-জননের পূর্বে বজাচাৰ্যপদে দীক্ষিত হইতে হয় । X e ) [ 8°x j নেপাল o দারিদ্র্য, মূর্খতা, পাপাচার বা অণ্ড কোন কারণে দি কেছ সন্তানजनरनद्र भूरé दबांकांर्षी इहेष्ठ नागांtइ, डांश शरेण cनई बाखि ७ लांशद्र विश्वंशद्रभं★ हिङ्गकांटणग्न मठ दखांफ्रांर्थी श्रेबांब्र अनशिकांशैौ श्हेब्र गरङ्ग ५वर डिकू मांष्महे भांशाऊ थांएक । ওভাজু শ্রেণীর বালকগণের ব্ৰজাচার্য হইবার অধিকার অাছে। বজাচার্যাদিগের যাজকতাকালে শিক্ষার্থী ভিক্ষুগণ সহায়তা করে। স্বর্ণ-রৌপ্য ব্যবসায়ী ভিক্ষু নামক শ্রেণীর লোকেও এরূপ সহকারিতায় অনধিকারী নহে। ভিক্ষুর দেবতাকে স্নান করায়, বেশ করায়, উৎসবের সময় বহন করে, দেবলম্পত্তির রক্ষা কয়ে, উৎসবের আয়োজন ও তত্বাবধান করে । গুভাজু-সন্তান দীক্ষাগ্ৰষ্ট হইলে বজাচার্য লইতে পায়না বটে, কিন্তু সদ্বংশজাত ব্রাহ্মণগস্তান হিন্দু হইলেও যদি ওভাঙ্গুণ কর্তৃক দত্তকরূপে গৃহীত হয়, তাহ হইলে তাহাকে রীতিমত শিক্ষাদানের পর বজ্রাচার্য্য করা হয়। eķa গুভাজু ও ভিক্ষু ব্যতীত বাঢ়াদিগের মধ্যে আয় কোন শ্রেণী যাজকতায় কোন কাৰ্য্য করিতে পায় না। অন্ত সাত শ্রেণীর বাঢ়ার মধ্যে অনেকে বংশানুক্রমে স্বর্ণ রৌপ্যের অলঙ্কার, লৌছদ্রব্য ও পিত্তলাদির বাসন-নিৰ্ম্মাণ, দেবত-গঠন, কামানবন্দুকাদি নিৰ্ম্মাণ এবং কাঠে খোদাই-কাৰ্য্য করিয়া থাকে। এই নয় শ্রেণীতে পরস্পর আদান প্রদান ও আহারাদি চলে। বাঢ়ীগণ আপনাদিগের এই নয়শ্রেণীর বৌদ্ধ ব্যতীত অপর শ্রেণীর সহিত অtহায় বা আদান প্রদান কয়ে না। বাঢ়াগণ যদিই কোনক্রমে নিম্নশ্রেণীর বৌদ্ধদিগের সহিত পানাহার বা আদান প্রদান করে, তবে তাঁহাদের জাতিচু্যতি ঘটে এবং যাহার সংস্পর্শে তাহার জাতি নষ্ট হয়, সেই জাতিভুক্ত হইয়া থাকে। বাঢ়ার মস্তক মুগুন করে, কিন্তু অন্তান্ত বৌদ্ধগণ রুচি অনুসারে কেশসংস্কার করিয়া থাকে। অনেক চুল কাটে না, অনেকে শিথাস্থানে দীর্ঘবেণী বিলম্বিত রাখে। কাহারও এই বেণী কুগুলী করিয়া ধাঁধা থাকে। র্যাদাস্ত্রীলোকেরা কেশসংস্কারের বিশেষ পক্ষপাতিনী। বাঢ়াদিগের পোষাকের কোন বিশেষত্ব নাই। কোন উৎসবাদির সময়ে ইহার প্রাচীনকালের বৌদ্ধ-মঠবাসীদিগের দ্যায় পরিচ্ছদ পরিধান করে। প্রথমে একটা চোস্ত (আঁটার্সটি) অঙ্গি - রাখা, তাহার নাম "চীবর” ; তাহার উপর একটা দীর্ঘ জালখাল্লা, নাম “নিবাস” আর একটা দীর্ঘ চাদরের কটিবন্ধ । চীবর কটিদেশ পর্যন্ত দীর্ঘ, নিবাস পদতলে উৰ্দ্ধস্থ গ্রন্থি পর্যন্ত দীর্ঘ এবং কটিদেশের নিকট চৌবনী জোড়ার মত কেঁচকনি । চীবর ও নিবাস কটিদেশে একত্র জোড়া থাকে। পূৰ্ব্বে নেবারদিগের একটী সাম্প্রদায়িক পরিচ্ছদ ছিল, তাঁহাই