পাতা:বিশ্বকোষ দশম খণ্ড.djvu/৪০৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নেপাল জাপনাদের ছয় শ্রেণী ভিন্ন অন্যান্য শ্রেণীর সহিত পানাহার ও আদান প্রদান করে না। অন্যান্য ২৪ শ্রেণীর মধ্যে পটুয়, বস্ত্রয়জনকাৰী, কামার, কলু, মালী, টকাদার, অস্ত্রচিকিৎসক, নাপিত, নিম্নশ্রেণীর ছুতার, • ডোম, গোয়াল, কাঠুরিয়া, দ্বারপাল, ডুলিবেহার ইত্যাদি প্রধান। ইহাদের মধ্যে এক শ্রেণীর নাম "সর্মি,”—তাহীদের জাতীয় ব্যবসা তৈলপ্রস্তুতকরণ। নেবারীদিগের মধ্যে এখন এই সৰ্ম্মিরাই ধনী। ইহায়া এখন উদাসদিগের ন্যায় মহাজনী ও বাণিজ্যব্যবসায় করিতে আরম্ভ করিয়াছে। শেষোক্ত বিমিশ্র বৌদ্ধগণের হস্তে হিন্দুর জল গ্রহণ করে না, তবে সৰ্ম্মি প্রভৃতি কএক শ্রেণী নেপাল-রাজসরকারের অনুগ্রহে জলtচরণীর হইয়াছে। আজকাল বৌদ্ধগণের মধ্যে এই সকল জাতিভেদ ক্রমশঃই দৃঢ়বদ্ধ হইতেছে। এতদ্ভিন্ন যে সকল ব্যবসা অবলম্বন করিলে বৌদ্ধগণের জাতিচু্যতি হয়, সেই সকল ব্যবসায়ী অাট শ্রেণীর লোকের “পতিত” বলিয়া গণ্য। ইহাদিগের পৃষ্ট কোন দ্রব্য কি বৌদ্ধ কি হিন্দু কেহই গ্রহণ করে না। এই আট শ্রেণীর মধ্যে পরস্পরে আহারব্যবহার নাই। এ দেশীয় বর্ণব্ৰাহ্মণগণের দ্যায় নীচ শ্রেণীর বর্ণবাঢ়ার উক্ত নীচ শ্রেণীর যাজকতা করে। নেপালী বৌদ্ধদিগের মধ্যে বাঢ়াদিগের সমিতিতে ধৰ্ম্মসম্বন্ধীয় সংশয়াদির মীমাংস হয় এবং "গত্তি"র বিধান মুসারে সামাজিক বিষয়ের মীমাংসা হয় ; কিন্তু কোন বিষয়ে বিচারাধীন হইলে গোর্থাদিগের ব্রাহ্মণপ্রধান যাজক-রাজগুরুর অধীন হইতে হয় । এ সম্বন্ধে কোন বৌদ্ধবিচারক নাই । রাজগুরুর বিচারালয়ের নাম ধৰ্ম্মাধিকরণ এবং তিনি নিজে ধৰ্ম্মাধিকারী । তিনি হিন্দুশাস্ত্রানুসারে জাতিগত বিবাদের বিচার করেন। বিচারে অর্থদগু, কারাদণ্ড, প্রাণদণ্ড যাহাই হউক না কেন, অপরাধী বৌদ্ধ হইলেও সে হিন্দুশাস্ত্রানুসারে দণ্ড ভোগ করে। রাজগুরু সে সম্বন্ধে বৌদ্ধশাস্ত্রে দৃকপাত করেন না। নেপালী বেীদ্ধের তিব্বতীয় লামাদিগের প্রধানত্ব অস্বীকার করে না । ইহার লাসাকে বৌদ্ধধৰ্ম্মেয় প্রধান স্থান বলিয়া গণনা করে ; কিন্তু ধৰ্ম্মসম্বন্ধে উভয় দেশে কোন সম্বন্ধই বর্তমান নাই। তিব্বতীয়ের নেপালী বৌদ্ধদিগকে হিন্দু অপেক্ষ একটু ভাল বলিয়া বিবেচনা করে । তাহারা স্বয়ম্ভুনাথ, বোধনাথ ও কেশচৈত্য-দর্শনে আসিয়া থাকে, কিন্তু নেপালী বৌদ্ধধৰ্ম্মের কোনই সংবাদ লয় না, বা উৎসবাদিতে মিশে না । ● গত্ত্বির নিয়মানুসারে প্রত্যেক শ্রেণীর প্রত্যেক পরিবারের কৰ্বাকে একবার করিয়া সামাজিক ব্যক্তিদিগকে ভোজ দিতে হয়। এরূপ এক একটা ভোজে সহস্র মুদ্রারও অধিক ব্যয় হইয় থাকে। গরীবের পক্ষে এই ভোজ দেওয়া বড়ই কঠিন হয়। - [ 869 ] নেপাল ८कश् uई cउांछ क्रिाउ मां °ांब्रिtण बांठिमएषा शैन शहैद्रा थाएक। cग शैन७ जांडिकूडिब्र नशांन। भाङ्ग ५क?ी मित्रमाइनारम ८कांन श्रृंग्निबांtब्र एकझ् शब्लिाग लुब्ङ्गाँउँौग्न dयं८ङाया अंद्रेिखांद्र হইতে এক এক জন পুরুষকে সেই যুতের সৎকারে যোগ দিতে হয় এবং স্বাদশাহে অশৌচান্তেয় দিনও উপস্থিত হইতে হয়। নেপালী বৌদ্ধদিগের মৃতদেহ দাহ করা ছর। প্রত্যেক শ্রেণীর দাহস্থান স্বতন্ত্র, তবে সবগুলিই নদীতীরে । গত্তির নিয়মলঙ্ঘন করিলে অপরাধী স্বজাতীয় প্রধানগণের বিচারে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হয়। ওর অপরাধে জাতিচু্যতিও ঘটে। জাতিচু্যত ব্যক্তির মৃতদেহ পথে পরিত্যক্ত হয়। শেষে মুর্গাফরাসে টানিয়া লইয়া গিয়া বনমধ্যে ফেলিয়া দেয় । নেপালী বৌদ্ধদাশের উপাঞ্চ বিষয় । নেপালী বৌদ্ধগণ আদি-চৈতন্তকে আদিবুদ্ধ নামে এবং আদিকারণরূপিণীকে আদি-প্রজ্ঞা নামে অভিহিত করিঙ্গ, সৰ্ব্বশ্ৰেষ্ঠ দেবদেবীরূপে উপাসনা করে। আদিবুদ্ধ স্বয়ষ্ণু, জ্ঞানময়, তাহার কর্তা নাই, তিনিই সমুদয়ের কর্তা । আদিকারণরূপিণী আদি-প্রজ্ঞা আদিযুদ্ধেরই আশ্রয়স্বরূপ। ইহাদের মতে আদিযুদ্ধের বা অদিপ্রজ্ঞার কোনমূৰ্ত্তি কল্পিত হইতে পারে না। কোন মন্দিরে বা কার্যকার্যের মধ্যে ইহাদের কোন মূর্তি দেথা যায় না। নেপালের প্রধান বৌদ্ধমন্দির আদিবুদ্ধের নামে উৎসর্গীকৃত। লোকে বিশ্বাস করে যে ঐ সকল মন্দিরে আদিবুদ্ধের আবির্ভাধ আছে । নেপালে জ্যোতিঃকেই আদিবুদ্ধের স্বরূপ ভাবিয়া নমস্কারাদি করে। সকল জ্যোতিই এরূপ পূজা পায় না। সূর্যরশ্মি হইতে নির্গত জ্যোতিই আদিবুদ্ধজ্যোতিঃক্লপে পূজিত হন । সুধালোককেও তঁহারই জ্যোতিঃ বলে। বেীদ্ধের ত্রিমূর্তি বা ত্রিরত্নকে পুঞ্জ করে। বুদ্ধ, ধৰ্ম্ম ও সঙ্ঘ এই ত্রিমূর্থিই ত্রিরত্ন নামে খ্যাত। সামান্ততঃ বুদ্ধ ও সত্য পুরুষরূপে ও ধৰ্ম্ম স্ত্রীরূপে কল্পিত ও চিত্রিত হইয়া থাকে। এই স্ত্রীমূৰ্ত্তি ধৰ্ম্মই প্রজ্ঞাদেবী, ধৰ্ম্মদেবী ও উগ্রতার দেবী নামে কথিত হন। নেপালে ত্রিরত্নসেবায় বিশেষ আধিক্য দেখা যায়। প্রায় সকল মন্দিরেই ত্রিরত্ন বা ত্ৰিমূৰ্ত্তি’ থোদিত আছে ; লোকে ইহাদের পূজা করে। লোকের বসতবাড়ীতে সদরদরজার উপর চৌকাটে বা প্রাচীর গাত্রে, শয়নগৃহের ভিত্তিতে, বুদ্ধ বা বোধিসত্বের মন্দির-গাত্রে, এই ত্ৰিমূৰ্ত্তি দেখিতে পাওয়া যায়। এই ত্রিমূৰ্ত্তির ক্ষুদ্র ও বৃহৎ নানাবিধ প্রতিমা দেখা যায়। ত্রিমূৰ্ত্তির মূৰ্ত্তি তিনটা প্রায়ই পাশাপাশি। কোথাও মধ্যস্থলে বুদ্ধ, কোথাও মধ্যস্থলে ধৰ্ম্মমূৰ্ত্তি খোদিত আছে। ত্ৰিমূৰ্ত্তিই প্রস্ফুটিত পদ্মের উপর আসীন। মধ্যস্থলের মুক্তিটা সাধারণতঃ বৃহৎ হয়। বুদ্ধমূৰ্ত্তি