পাতা:বিশ্বকোষ দশম খণ্ড.djvu/৫০৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


স্থায় ( ইতিহাস) ছেন, সেই টকার মত খগুন করিবার জন্যই মল্লবাদী ন্যায়ৰিজু টপ্পন প্রকাশ করেন। পিটার্সন সাহেব জৈনশাস্ত্র হইতে দেখাষ্টয়াছেন যে, মল্লবাদী ৮৮৪ বীরগতালে অর্থাৎ ৩৫৮ খৃষ্টাব্দে ৰিদ্যমান ছিলেন। (১) এখন আমরা জৈনশাস্ত্রানুসারে দেখিতেছি, মল্লবাদীর পূৰ্ব্বে ধৰ্ম্মোন্তর, তৎপূৰ্ব্বে ধৰ্ম্মকীৰ্ত্তি, তৎপূৰ্ব্বে উদ্যোতকরাচার্য এবং উদ্যোতকরের পূর্কে দিশ্লাগাচাৰ্য্য হইতেছেন। প্রথমে কোন গ্রন্থপ্রচায়, পরে খ্যাতিবিস্তার, তৎপরে তাহার বাদপ্রতিবাদ হইয়া টীকা টিল্পনী প্রকাশ নিতান্ত অল্প সময়ে হইতে পারে না । যে সময়ের কথা বলিতেছি, তখন মুদ্রাযন্ত্র ছিল না, অথবা এখনকার মত পুস্তকপ্রচারেরও স্ববিধ ছিল না। এরূপস্থলে একখানি পুস্তক রচিত হইয়া সৰ্ব্বত্র প্রচারিত হইতে এবং ভিন্ন সম্প্রদায় কর্তৃক তাহার টক টিপ্পনী প্রকাশ হইতে অস্তুতঃপক্ষে ৩•।৪০ বর্ষ হওয়া চাই। তাহ হইলে মোটামুটা মল্লবাদীর শতাধিক বর্ষ পূর্কে আমরা দিভূগিচার্যের আবির্ভাব অনায়াসেই স্বীকার করিতে পারি। ইতিপূৰ্ব্বে চীনদেশীয় প্রাচীন বৌদ্ধগ্রন্থানুসারে জানা গিয়াছে, দিগ্গাগাচার্যের গুরু অসঙ্গ ও বস্তুবন্ধু খৃষ্টীয় ২য় কি ৩য় শতাব্দীর কোন সমরে বিদ্যমান ছিলেন। এখন জৈনগ্রন্থ বৌদ্ধমতেরই সমর্থনা করিতেছে । পূৰ্ব্বে বলিয়াছি, বিদ্যানন্দ পাত্রকেশরী খৃষ্টীয় ৫ম শতাব্দীতে অকলঙ্ক ও সমস্তুভদ্রের নাম ও গ্রন্থ উল্লেখ করিয়াছেন। এই অকলঙ্ক অষ্টশতী নামে সমস্তুভদ্রের আপ্তমীমাংসার টাকা । লিথিয়াছেন। সুতরাং সমৰ্ষভ যে খৃষ্ট ৪র্থ শতাব্দীর বহু | পূৰ্ব্বে আবিভূত হইয়াছিলেন, তাহতে সনেছ নাই। শ্বেতাম্বর জৈনদিগের বৃহৎথরতরগচ্ছের পটাবলীমতে বনবাসীগচ্ছপ্রবর্তৃক সমস্তভদ্রস্থরি ৫৯৫ ধারগতাদের কিছুপূৰ্ব্বে ཨ་ཙཱ།༢ །། ৬৮ খৃষ্টাস্থের পূৰ্ব্বে পট্টভিষিক্ত হন। জৈনদিগের মতে, ' তৎপূৰ্ব্বে তিনি আগুমীমাংসা রচনা করেন । এই সমস্তভঞ্জের সাপ্তমীমাংসায় বিভিন্ন দার্শনিক মত থওনের মধ্যে স্থায়ভাষ্যকার বাৎস্তায়ন মুনির মতথগুনও দৃষ্ট হয় । সুতরাং বাৎস্তায়ন খৃষ্টীয় ১ম শতাব্দীর বহুপূৰ্ব্বে আবির্ভূত হইয়াছিলেন। প্রসিদ্ধ জৈনাচার্য হেমচন্দ্র বাৎস্তানের আর কএকটা নাম । প্রকাশ করিয়াছেন— বাৎস্তায়নে মল্লনাগঃ কোটিলাশ্চণক।জঃ। %, । পক্ষিলস্বামী বিষ্ণুগুপ্তোহজুলশ ম: ॥” ( অভিধানচি” ) খেমচঞ্জের উক্তি দ্বার বাৎস্তায়নকে আমরা নলবংশের ( : , Poterson's 4th Report on the Sewrch of Sanskrit Miš, p. 3. f ce • J স্বায় (ইতিহাস } উচ্ছেদকারী চাণক্য বলিয়া মনে করিতে পারি। কিন্তু পাশ্চাত্য ও দেশীয় সংস্কৃতাম্বুরাগী পুরাবিষ্কৃগণ হেমচন্ত্রের উক্ত বচনের উপর আস্থাবান নহেন। কারণ, তাহাদের মতে বাৎস্তায়ন খৃষ্টীয় ৫ম শতাব্দীর লোক। র্তাহীদের যুক্তি পূৰ্ব্বেই খণ্ডিত रुहेशांtश् ॥ ७१न cश्मष्ठात्र फेङि याभागा कि न, उांशहे দেখিতে হইবে। খৃষ্টীয় ৬ষ্ঠ শতাব্দে মুবন্ধু ‘মল্লনাগ বিরচিত কামশাস্ত্রেয়” উল্লেখ করিয়াছেন, আবার স্বপ্রসিদ্ধ শঙ্করাচার্য্য, উদয়নাচাৰ্য্য ও বাচস্পতিমিশ্র পক্ষিলস্বামীর নাম দিয়া বাৎস্তায়নের গুীয়ভাষ্য উদ্ধৃত করিয়া গিয়াছেন। মহেশ্বর বিশ্বপ্রকাশ অভিধানে লিথিয়াছেন— “মল্লনাগোহদ্রমাতঙ্গে বাৎস্তায়নমুনাবপি।” ইত্যাদি উদাহরণ দ্বারা বাৎস্তায়নের অপর নাম যে মল্লনাগ ও পক্ষিলস্বামী ছিল, তাহা প্রমাণিত হইতেছে। এখন কথা হইতেছে-কামস্বত্র-রচয়িত। বাৎস্তায়ন ও স্থায়ভায্যকার বাৎস্তায়ন উভয়ে এক ব্যক্তি কি না ? ন্যায়ভাষ্য ও কামসূত্রের ভাষা মনোযোগপূর্বক পর্যালোচনা করিলে এক ব্যক্তির রচনা বলিয়া গ্রহণ করিতে বিশেয আপত্তি থাকে না । যাহারা বাৎস্তায়নভtধ্য পাঠ করিয়াছেন, তাহারা কামস্থত্রের— SBBDDDDD BBBBB B BBBS SS BBDDDDD D DDS গ্ৰহণাদিতি ৬ অলৌকিকত্বদদূষ্টাৰ্থত্বাদপ্রবৃত্তানাং শাস্ত্রাৎপ্রবর্তন লৌকিকত্বাঞ্ছষ্টাৰ্থত্বাচ্চ প্রবৃত্তেভাশ্চ মাংসভক্ষণদিঙাঃ শাস্ত্রাদেব নিবারণ ধৰ্ম্ম: ॥ ৭ ॥ তং গ্রুতেধৰ্ম্মন্ত্রসমবায়াচ্চ প্রভিপদ্যতে ॥ ৮ " ইত্যাদি উক্তি একবার অবধান করুন। তার পর ন্যায়ভাষা.ও কামস্থত্রের আরস্ত দ্রষ্টব্য। একে ‘নমে প্রমাণায়’ ও অপরটীতে ‘নমো ধৰ্ম্মার্থকামেভ্য: ইত্যাদি কৰ্ম্মবীরের উক্তি পাইবেন। জৈনদিগের উত্তরাধ্যয়নবৃত্তি, ঋষিমগুলপ্রকরণ, পরিশিষ্টপৰ্ব্ব, মুদ্রারাক্ষস প্রভৃতি গ্রন্থে চাণক্য চণিস্বয় বা চণকান্মজ, বিষ্ণুগুপ্ত ও কেটল্য নামে আখ্যাত হইয়াছেন। স্থবিরাবলী-চরিতে চাণক্য অসাধারণ নীতিশাস্ত্রবিদ ও তর্কবিদ্যাবিশারদ আখ্যায় অভিহিত হইয়াছেন । এ ছাড়া কামস্থত্রে লিথিত আছে— SBBBBBBB BBDD DBBDDD BBB BBB S BB DBBSLLLSS BBBBD HHBDDDDB BBBBDDB BBDDD গ্রন্থেন কামসূত্রমিদং প্রণীগুং ।” এথন বাৎস্তায়নের নামৗস্তরগুলি, পাটলিপুত্র নগর হইতে কামসূত্রসংগ্রহ, চাণক্যের তর্কবিদ্যাবিশারদ অাখ্য' এবং বৌদ্ধ ও জৈনগ্রন্থানুসারে খৃষ্ট জন্মের বছপূৰ্ব্বে বাৎস্তারন ওচtণক্যের আবির্ভাব ইত্যাদি পর্যালোচনা করিলে যেন বোধ