পাতা:বিশ্বকোষ দশম খণ্ড.djvu/৬৩০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পঞ্চস্কন্ধ हेशं★♚८ठाकणै रङब्रछाया"प्र मtश् । ईशंद्र यrषा कठकগুলি পূৰ্ব্বধর্ণিত তিনটা ভাগের অন্তর্গত ও সমাৰ্ধক্ষাপক। পূৰ্ব্বোক্ত রূপ, বেদন ও সংজ্ঞা বাহম্ভাব অবলম্বনে গঠিত এবং সংস্কায় তন্মার মানসিক ধারণার সাহায্যেই উৎপত্তি লাভ করিরান্থে। বগা-১ স্পর্শ, ২ বেলন, ৩ সংজ্ঞ, ৪ চেতন, এ মনলিঙ্কার, ৬ শ্রীতি, ৭ জীবিতেঞ্জিয়, ৮ একাগ্রতা, ৯ বিতর্ক, ১• বিচার, ১১ বীর্ঘ্য ( বাহ অম্লান্ত শক্তির উন্নতিতে সাহায্য করে ), ১২ অধিমোক্ষ, ১৩ প্রীতি, ১৪ চগু, ১৫ মধ্যস্থত, ४७ निग्न', ४१ তন্দ্র, ১৮ মোহ, ১৯ প্রজ্ঞা, ২• লোভ, ২১ অলোন্ত, ২২ উত্তাপ, ২৩ অমুত্তাপ, ২৪ খ্রী ( লজ্জ ) ২৫ पमईौक, २५ (मारु, २१ श्रtभीष, २४ दिफ़िकि९ण), २* थक, ৩• দৃষ্টি, ৩১-৩২ শারীর এবং মানস প্রসিদ্ধি, ৩৩-৩৪ শারীর ও মানস লঘুঙ্গ, ৩৫-৩৬ শারীর ও মানস মৃত্বত), ৩৭-৩৮ শারীয় ও মানস কৰ্ম্মল্পতা, ৩৯-৪০ শারীর ও মানল প্রাগ্রতা, ৪১-৪২ শারীরিক ও মানসিক উদ্যোতনা, ৪৩-৪৪ শারীর ও মানস সামা, ৪৬ করুণা, ৪৭ মুদিত, ৪৮ ঈর্ষা, ৪১ মাৎসর্য, e • কার্কগু, ৫১ ঔদ্ধত্য এবং ৫২ মান বা অভিমান । ৫ । চিন্তু, আত্মা ও বিজ্ঞানের সমষ্টিতেই এই পঞ্চমস্কন্ধের উৎপত্ত্বি, জ্ঞান বা চিন্থার অধিরাম স্রোত এবং বেদনার চেতনাজ্ঞাপক । ইহাতে কোন হেতু, কার্যকর্তা বা আত্মার অনন্তকাল স্থায়িত্ব বা ক করে না । কেবল শীরাভাস্তুরস্থ একাগ্ৰজ্ঞানের সাহচর্য্যে অক্ষুণ্ণ-চেতনা প্রকাশ করে মাত্র। বিজ্ঞানস্কন্ধ বা চেতনতষ্মাত্রই পঞ্চম । ইহা সংস্কারের অস্তধীৰ্ত্ত অষ্টান্ত গুণসকল পরিপুষ্টি করিয়া ব্যক্ত করে। বিভিন্ন চেতনার ধৰ্ম্ম ও অধৰ্ম্ম বিচার করিয়া এই পঞ্চমৎস্কট ৮৯ ভাগে বিভক্ত হইয়াছে। বিস্কালের আবাসস্থান হৃদয় । উপরিলিথিত অভিব্যক্তি হইতে জানা যায় যে, মধুষমাত্রেরই শারীরিক ও মানসিক গঠন এবং মানসশক্তি গুণাদি বিজ্ঞানের প্রক্রিয়ার উপর নির্ভর করে ; কিন্তু ইহার কোনটাই স্থায়ী লছে । রূপ গুম্মাত্রজনিত পদাপাদি ফেনার গুীয় ক্রমশঃ সঞ্চিত হইয়া পয়ে রূপান্থল্পিত বা লোপ প্রাপ্ত হয়। বেদনাজনিত পদার্থাদি জলযুদ্‌" উথানের ৪ায় ক্ষণস্থায়ী। সংজ্ঞাপ্রকরণে অনুমিতি ছইতে সূর্যায়শ্মিতে মনিশ্চিত মরীচিকার স্কার अश्मान, झङ्ग मदी९ गशाब श्हेप्ड मानगिक 8 नठिरु भूल्याश्ब्राप्शन्न उडक श्हेङ्ग भाःख, किङ् मे आँगखि ७नि कमनौস্তম্ভের গুtয় অস্থায়ী ও সারবত্তাহীন এবং পঞ্চম বা বিজ্ঞান যাহা अब्र, ऊांश झाइ १ हेअबाणिक सांप्रांद्र छांद्र अभमृश रुणिब्र ¢सूों में इछ । বৌদ্ধীিগের ব্রিপিটক গ্রন্থে ইহার বিষয় স্পষ্টভাবে লিখিত [ ७२७ ] আছে। উক্ত গ্রন্থপাঠে জানা যায় যে, জ্ঞানবিশিষ্ট জীবান্তর্গত এই পঞ্চম্বৰ বা গুণ আন্ম হইতে সম্পূর্ণরূপে স্বতন্ত্র। মানবদেহ পরিবর্তনশীল অর্থাৎ দুইটা পরবর্তী মুহূর্বেও তাহা কখনও ७क्तक्र° क्षेत्क न । ओरुत्नश्श् हेक्षि८ग्नत्र भश्ठि पाँश्छ५८ङग्न পদার্থসমূহের স্পর্ণহেতু জীবিত দেহের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গেই এই পঞ্চগুণের পরিবর্তনও জীবদেহে উপলব্ধি করা বায়। বৌদ্ধদিগের পঞ্চস্কন্ধের মর্য এতই কঠিন ও কুর্বোধ্য যে, মুদূরবিস্তৃত এই বৌদ্ধধৰ্ম্মের অন্তর্গত পঞ্চস্কন্ধকে বিভিন্ন ধৰ্ম্মাবলম্বীরা কেহই তৎপ্রতিষ্ঠিত ধৰ্ম্মমতের মূল ধৰ্ম্ম বলিয়া স্বীকার করিবেন না। স্বত্রপিটকের প্রথমে গৌতমের উক্তিতে এইরূপ লিখিত আছে ;--“হে ভিক্ষুগণ। আচার্যেরা ( শ্রমণ ও ব্রাহ্মণ ) আয়াকে পঞ্চম্বন্ধ খলিঃ। স্বীকার করেন, কিন্তু যাহারা স্বল্পজ্ঞানী অর্থাৎ যাহার। ধাৰ্শ্বিকের সঙ্গ অথবা ধৰ্ম্মমত শিক্ষা করে নাই ; তাহারাই রূপ, বেদন, সংজ্ঞ, সংস্কার চেতন। প্রভৃতি এক একটা গুণ স্থিতি, ধৃতি ও ব্যাপ্তি হেতু আত্মার অনুরূপ বলিয়া স্বীকার করেন অতঃপর পঞ্চেঞ্জিয়, মন, অবিদ্যা ও গুণ সকল হইতে ‘আমি কে’ এইরূপ একটা জ্ঞানের উপলব্ধি হইয়া থাকে। স্পর্শ ও অবিদ্যাজনিত বেদন হইতে কামাসক্ত অজ্ঞানী ব্যক্তিগণও ‘আমি কে? এইরূপ একটী ধারণায় উপনীত হন, কিন্তু হে ভিক্ষুগণ! যাহারা দীক্ষিত আচার্যের জ্ঞানবা শিষ্য, তাছারাই পঞ্চেঞ্জিয়ের সাহাদ্যে অবিদ্যা বিদূরিত করিয়া জ্ঞানমাগে অারোহণ করিতে সক্ষম হয়। অবিস্কারূপ আঁধার তাহার অন্তর হইতে দুর হইলে এবং জ্ঞানের বিকাশে ‘আমি কে? এইরূপ মধুমান আর তাহার হৃদয়ে স্থান পায় না।” বৌদ্ধগণ পঞ্চম্বন্ধগ্রিক আত্মা স্বীকার করেন না। এই জন্য জীব বা আত্মার পূৰ্ব্বোৰুরূপ অস্তিত্ব র্তাহীদের প্রচারিত ধৰ্ম্মমতের বিরুদ্ধ। এই জন্য বৌদ্ধশাস্থে স্বকীয়-দৃষ্টি ও আয়ুবাদ নামে হুইটী শব্দ কল্পিত হইয়াছে। সৎ ও জ্ঞানী বৌদ্ধমাত্রেরই উহা পরিবর্জনীয়, কারণ দুইটাই মোহবশে মানবকে কুপথে বিচরণ করায় । কামাচার, অনস্তত্ব ও ধ্বংসের বিরুদ্ধবাদ, ব্ৰতাদি ক্রিয়াকলাপের কার্য্যকারিতার আস্থা ও উপাদান প্রভৃতি বিষয় উহাদের সমশ্রেণীর এবং জন্ম, মরণ, জরা, শোক, পরিবেদনা, চুঃখ, দেীর্মনস্ত ও হতাশ প্রভৃতির একমাত্র কারণ। এতদ্ভিন্ন নাগাৰ্জুনকৃত মাধ্যমিকস্থত্রেও পঞ্চস্কন্ধের কথা বিশদরূপে লিখিত হইয়াছে। স্বয়ং নাগাজঁন বা নাগসেন পঞ্জাবের অন্তর্গত শাকলাধিপতি গ্রীক্লরাজ মিনাদারকে পঞ্চস্কন্ধ বুৰাইতে গিয়া বলিয়াছিলেন যে, যেমন छक, 5ङ्गन७, ब्रव्यू ७ कोईॉनि गद्देश ७की शांन निहिंड इब्र