পাতা:বিশ্বকোষ দশম খণ্ড.djvu/৬৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নাসাগতরোগ ভৈরবমূৰ্ত্তি, তদক্ষিণে ব্ৰহ্মাণী, বামে রুদ্রাণী। ইহাদিগকে অষ্টমাতৃকা বলে। নগরের দক্ষিণে চিলনদেও নামে এক বৌদ্ধমন্দির অাছে। নাসত্য (পুং ) নাস্তি অসতাং যন্ত, (নত্ৰানপান্নেতি। পা ৬৩৭s ) ইতি নঞো প্রকৃতিবস্তাবঃ । অশ্বিনীকুমারদ্বয় । এই শব্দনিত্য দ্বিবচনাস্ত । "নাসত্যাভ্যাং বয়তি দর্শতং বপুঃ ” ( শুক্লধ্বজু" ১৯৮৩) এই অশ্বিনীকুমারদ্বয় দেবতাদিগের মধ্যে | শূদ্র । “আদিত্যাঃ ক্ষত্রিয়াস্তেথাং বিশশচ মরুতস্তথা । | অশ্বিনে চ স্মৃতে শূদ্রে তপস্নাগ্রে সমাস্থিতে ॥” (ভারত মোক্ষধ ) ! নাসত্য ও দন্ত্র অশ্বিনীকুমারদ্বয়ের নামান্তর, এই স্থলে । নাসত্য একবচনান্ত, কিন্তু যে স্থলে নাসত্য শব্দে অশ্বিনীকুমার- ! স্বয়কে বুঝাইবে সেই স্থলে দ্বিবচনান্ত হইবে। যথা— “দেবী তস্তামজায়েতমশ্বিনীে ভিষজং বরে । মাসতাশ্চৈব দশ্রশ্চ স্মৃতে দ্বাবশ্বিনাবিতি ॥” (হরিবংশ ৯ অ” ) নাসত্য ( স্ত্রী ) অশ্বিনী নক্ষত্র। | নাসপাতি •( দেশজ ) উত্তরপশ্চিম ভারত ও আফগানস্থানের নিকটবর্তী প্রদেশে উৎপন্ন এক প্রকার ফল। নাসমোঁজ (পুং ) ভজমানবংশীয় কম্বলবর্হির পুত্রভেদ । “অসনৌজাঃ মুতস্তস্ত নসমৌজাশ্চ তাবুভৌ ॥” (হরিবংশ ৩৯ অ” ) নাসা ( স্ত্রী ) নাসতে শকায়তে ইতি নাস-অ ( গুরোশ্চ হলঃ । পা ৩৩।১০৩) ততষ্ঠাপ, বা নাস্ততেহনয়া নাস করণে ঘঞ, টাপ । নাসিক, চলিত নাক, গন্ধগ্রাহক ইন্দ্রিয়ভেদ, এই ; ইন্দ্রিয়দ্বারা গন্ধ গ্রহণ হয় । ইহা গৰ্ভস্থ বালকের ৫ মাসে উৎপন্ন হয় নাসিক দেখ । ] ২ দ্বারোপস্থিত কাষ্ঠ, ঝনকাট, কপালি। ৩ বাসকবৃক্ষ । ইহার পুষ্প নাসিকার মত এইজষ্ঠ এই বৃক্ষের নাম নাসা । নাসাগতরোগ (পুং ) নাসাগতরোগভেদ। ইহার বিষয় মুশ্রীতে এইরূপ লিখিত আছে— নাসারোগ ৩১ প্রকার। যথা—অপীনস্ত, পুতিনন্ত, নাসা : পাক, শোণিতপিত্ত, পূশোণিত, কবন্ধু, ভ্রংশ, দীপ্তি, প্রতিমা, পরিস্রব, নাসাশেষ, চারি প্রকার অর্শ, চারি প্রকার শোফ, i সপ্তপ্রকার অৰ্ব্বদ এবং পঞ্চপ্রকার প্রতিষ্ঠায়। এই ৩১ প্রকার রোগের যথাযথ লক্ষণ লিপিত হইতেছে । । পাসারস্তুরোধ, ধূপন (ভিতরে ধপধপ্ত করা ), পুনঃ পুনঃ পচন, জেনন এবং গন্ধরসের অনুপলব্ধি, এই সকল লক্ষণ হইলে । অপীনস রোগ বলা যায় । ইহা বাতশ্লেষ্ম জন্য প্রতিস্তাহের । সহিত সমান লক্ষণবিশিষ্ট । | X 〉b" [ ৬৯ ] নাসাগতরোগ গলদেশ এবং তালুমূলে দোষ বিদগ্ধ হইয়া মুখ এবং নাসিক হইতে দুৰ্গন্ধযুক্তবায়ু নির্গত হইলে পুতিনন্তরোগ বলা যায় । • নাসাগতরক্ত কর্তৃক মৰ্ম্মস্থানে বলবান পাক ভূমিলে নাসাপাক বলা যায়। এইরোগে ক্লেদ এবং ক্ষত হইয়া থাকে। দোষ ( পিত্ত, শোণিত ও শ্লেষ্মা ) বিদগ্ধ হওয়া অথবা ললাটদেশ আহতপ্রযুক্ত নাসিক হইতে রক্তমিশ্রিত পূ্য নির্গত হইলে তাহাকে পুরক্ত কহে । নাসারদ্ধে মৰ্ম্মস্থান দূষিত হইয়া নাসারন্ধ হইতে কফমুক্ত বায়ু শব্দ সহকারে নির্গত হইলে তাহাকে ক্ষবথুরোগ বলা যায় । তীক্ষ শিরোবিরোচনপ্রয়োগ বা কটুদ্রব্যের অস্ত্রাণ, স্বর্যানিরীক্ষণ, অথবা সূত্রাদি দ্বারা তরুণাস্থি নামক মৰ্ম্ম উদঘাটিত হইলে ক্ষবথু ( হাচি ) হয়, তাছাতে পিত্ততাপ মৃদ্ধদেশে সঞ্চিত হইয়া গাঢ় বিদগ্ধ লবণরসবিশিষ্ট কফ মূৰ্দ্ধদেশ হইতে ভ্ৰষ্ট হইয়। নাসারন্ধ দ্বারা নির্গত হয়, এইরূপ হইলে ভ্রংশগু রোগ বলে । নাসারন্ধ হইতে ধূমের স্থায় বায়ু নির্গত হয় এবং নাসারন্ধ, প্রদীপ্তের দ্যায় জালা করে। ইহাকে দীপ্তরোগ কহে । উদান বায়ু যখন কফ কর্তৃক আবৃত হইয়া স্বীয় মার্গে বিকৃত থাকিয়া ভ্রাণপথ আবৃত করে, তখন তাহাকে নাসাপ্রতী নাহ রোগ বলা যায় । নাসিকা হইতে অজস্র বিশেষতঃ রাত্রিকালে যদি নিৰ্ম্মল জলের স্তায় আম্রাব হয়, তাহীকে নাসাপরিস্রাব বলে । ভ্রাণরন্থ স্থিত শ্লেষ্মা বাতপিত্ত কর্তৃক শুষ্ক এবং গাঢ়তা প্রযুক্ত কষ্টে শ্বাসক্রিয়া হইলে নাসাপরিশোষ বলে। প্রতিষ্ঠায়াদির বিষয় পরে বলা হইবে। ইহার চিকিৎসা --পুতিনন্তরোগে নাড়ীস্বেদ, ম্লেছম্বেদ, বমন এবং শ্রংসন প্রয়োগ করিতে হইবে। তীক্ষরসযোগে লঘু অন্ন, অল্প পরিমাণে ভোজন, উষ্ণোদক পান এবং উপযুক্ত কালে ধূমপান কর্তব্য। হিঙ্গু, ত্রিকটু, ইন্দ্রযব, শিবাটী, লাক্ষ, কুঙ্কুম, কট্রফল, বচ, কুষ্ঠ, এলাইচ, বিড়ঙ্গ এবং করঞ্জ এষ্ট সকল দ্রব্য গোমূত্ৰযোগে সাপভৈলে পাক করিয়া নহে প্রয়োগ করিতে হইবে। নাসাপকেরোগে নাসিকার বাহে এবং অভ্যন্তরে পিত্তনাশক বিধান কর্তব্য। রক্তমোক্ষণপূর্বক ক্ষীরবৃক্ষের ত্বক ঘৃতসংযোগে পরিষেচন ও প্রলেপে প্রযোজ্য । পৃষরক্তরোগে নাড়ীত্রণের স্থায় চিকিৎসা করিবে । বৰ্মন করাইয় অবপীড়ন, তীক্ষুদ্রব্যের ধুম এবং শোধনী দ্রব্যের চুর্ণনস্ত প্রয়োগ করবে। ক্ষবথুরোগে মুৰ্দ্ধদেশে স্বেদগ্রয়োগ এবং স্নিগ্ধধূম প্রভৃতি অন্তান্ত বায়ুরোগের হিতকর বিধি প্রয়োগ করিবে । দীপ্তিরোগে পিত্ত জন্য রোগের প্রতীকারের বিধি