পাতা:বিশ্বকোষ দশম খণ্ড.djvu/৯৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নিজাম-উল-মুলক আসফজাহ, [ సిసి ] নিজাম-উল-মুলক আলকজাই, অপ্রতিহত রাখিবার জন্ত মালিক কাজী ও মালিক অস্রিফ নামক দুই ভ্রাতাকে দৌলতাবাদের শাসনকর্তা ও তৎসহকারী নিযুক্ত করেন। তিনি এত ক্ষমতাশালী হইয়াছিলেন যে, সুলতানের প্রাধান্ত ও আদেশ লঙ্ঘন করিতে কুষ্ঠিত হইতেন না। ১৪৮৯ খৃষ্টাব্দে বিদর্ভরাজভবনে তিনি গুপ্তভাবে নিহত হন। পিতার মৃত্যুর পর তদীয় পুত্র আহ্মদ স্বাধীনভাবে নিজ জায়গীর রক্ষণাবেক্ষণ করিতে লাগিলেন। পরে ১৪৯০ খৃষ্টাবে সুলতানের প্রভূত উপেক্ষা করিয়া আহ্মদ নিজাম-উলমুলক বেহুরী নামে আপনাকে আহ্মদনগররাজ বলিয়া ঘোষণা করিলেন । ইনিই প্রসিদ্ধ নিজামশাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা । { নিজামশাহী দেখ। ] নিজাম-উল-মুলক্, দিল্লীশ্বর মুলতান শামসউদ্দীন আলতমাসের প্রধান উজীর। ৬২৫ হিজিরায় তিনি সম্রাটের আজ্ঞায় ভঙ্করদুর্গ জয় করিতে গমন করেন এবং জয়াস্তে দিল্লীতে প্রত্যাগমন করেন। সম্রাট তাহাকে কমাল-উদ্দীন মহম্মদ-ইআবু সৈয়দ জুনায়ড়ি উপাধিদানে সম্মানিত করেন। মুলতান . রুকুন-উদ্দীনের রাজত্বকালে, বদাওন, মুলতান, হান্‌সি ও লাহোর প্রভৃতি স্থানের শাসনকর্তা বিদ্রোহী হইলে ইনি ভীত হইয় রাজধানী হইতে গীলুখর নামক স্থানে পলাইয়া যান। তথা হইতে কোল প্রদেশে যাইয়া অবস্থান করেন। এ স্থান হইতে পুনরায় পলাইয়া তিনি মালিক-ষ্টজ-উদ্দীন মহম্মদ সালারীর নিকট যাইয়া মিশিলেন । রুকূনের মৃত্যুর পর আলতামাসের কল্প সুলতান রজিয়ৎ ( রিজিয় ) দিল্লীর সিংহসন অধিকার করিলে, ইনি মহম্মদ সালারী, আলাউদ্দীন জানি প্রভৃতি কএকজন দিল্লীর দ্বারদেশে আসিয়া মহাগোলযোগ উপস্থিত করেন । এই কারণে উভয়পক্ষে দিন কতক যুদ্ধও হইয়াছিল। এই যুদ্ধে রজিয়ৎ জরী ছষ্টয়া দিল্লীর সিংহাসনে আরোহণ করেন, এই সময় তাহায় আমীরগণ পরামর্শ দেয় যে, বন্ধুভাবে নিজাম | প্রভৃতিকে রাজধানীতে আনাটা কয়েদ করিলে শত্রসংখ্যা কমিয়া যায়। নিজামের দলস্থ আলাউদ্দীন জামি, মালিক | সইফুদ্দীন কুলী ও তাছার ভ্রাত রাজয়তের এই সুচতুর কৌশলে । হত, কেহ বা কার নিক্ষিপ্ত হইলেন । কিন্তু নিজাম-উল-মুলক সরসূর-বরদারের পাৰ্ব্বত্য প্রদেশে পলাইয়া রক্ষণ পান । ১২৩৮ | খৃষ্টাব্দে সরমুর-আবাসে তাহার মৃত্যু ঘটে । নিজাম-উল-মুলক - দাক্ষিণাত্যে নিজাম-রাজ্য- ' প্রতিষ্ঠাতা ইছার পিতা । গাজী-উদ্দীপ্‌ খ-ফিরোজ-জঙ্গ সম্রাটু আলমৃগীরের বিশেষ | প্রিয়পাত্র ছিলেন, এবং উক্ত সম্রাটের অধীনে সেনাপতির কার্য্য করিয়া প্রসিদ্ধি লাভ করিয়াছিলেন । সম্রাটু ফরুখ-শিয়ারের রাজত্বকালে ইমি প্রথমে পাঁচ शंखांबैौ श्रेष्ठ गांउ शंबांझैौ भन्नग्रमाद्भङ्ग •न ७धांखं इन - ইহার কিছুকাল পরে তিনি দাক্ষিণাত্যের স্ববেদার পদে নিয়োজিত হইয়াছিলেন । এই পদই তাছার ভবিষ্যৎ-জীবনে নিজাম-রাজ্য প্রতিষ্ঠায় সুচনা করে। হায়দরাবাদে তাহার ब्रांछशांमैौ हिल । দাক্ষিণাত্যের সুবেদায়ী পদ এবং নিজাম-উলমুলক্ বাহাদুর ফতে-জজ, উপাধি লাভ করিয়া কুলিচ খ মহারাষ্ট্রদিগের লুটপাট ও চৌথ কয় আদায়ের অত্যাচার দমনমানসে আরঙ্গাবাদ অভিমুখে অগ্রসর হইলেন। এই অতিপ্রায় সিদ্ধির জঙ্ক তিনি তথাকার ফৌজদার ও জিলাদারগণকে পত্র লিখিলেন। ১৭১৩ খৃষ্টান্ধে মহারাষ্ট্ৰীয়গণ যুদ্ধে পরাজিত হইয় পলায়ন করেন। নিজাম-উলমুলক্ এই সময়ে মুরাদাবাদের ফৌজদার নিযুক্ত হন, কিন্তু তাহাকে শীঘ্রই এই কাৰ্য্য পরিত্যাগ করিতে হইয়াছিল। কিছুকাল পরে তিনি পাটন ও মালবরাজ্যের সুবেদার হন । এইরূপে উন্নীত হইয়া তিনি দাক্ষিণাত্যে আপন ক্ষমতা অক্ষুণ্ণ রাখিবার জন্য অর্থসাহায্যে ১৭১৭ খৃষ্টাকে "আশীরগড়’ দুর্গ অধিকার করেন । নিজামের এই ক্রমিক উন্নতিতে ঈৰ্ষাপরত হইয়া আবদুল্লা খাঁ ও দক্ষিণাত্যের আমীর-উলওমর হোসেন আলী খা নামক দুই সৈয়দ ভ্রাত। তাহার বিরুদ্ধাচারী হন। র্তাহার ক্ষমত। খৰ্ব্ব করিবার জষ্ঠ হোসেন আলী নিজ সেনাপতি দিলাবর আলী বস্ত্রী এবং রাজা ভীম ও গজসিংহ তাহার সহকারী হইয়া নিজামের সহিত যুদ্ধ করেন । এই যুদ্ধে দিলাবর পরাস্ত হইলে নিজাম ১৭২৩ খৃষ্টাব্বে বুদ্ধানপুর নগর অধিকার করিলেন। এই যুদ্ধে দিলাবর র্থার মৃত্যু হয় । দক্ষিণাত্যে বিজাপুরের আফগানদিগকে এইরূপে শাসনাধীনে আনিয়া তিনি আরঙ্গাবাদ নগরে ফিরিলেন এবং তথায় শাসনকার্যাদির সুবশোবন্ত করিয়া দিল্লী অভিমুখে যাত্রা করিলেন। পথিমধ্যে আলম আলী খাঁ তাহাকে আক্রমণ করেন । অলিম্ আলী পরাস্ত ও যুদ্ধে নিহত হন । এইরূপে দক্ষিণাত্যে শত্রপুরী নিষ্কণ্টক করিয়া ১৭২১ খৃষ্টাব্দে তিনি রাজধানীতে উপনীত হন এবং সম্রাট সমীপে উপস্থিত হইয়া যথাযোগ্য সম্মানপ্রদর্শন করেন । সৈয়দ ভ্রাতৃদ্বয়ের মৃত্যুর পর, ১৭২২ খৃষ্টাব্যে তিনি সম্রাটু কর্তৃক আমন্ত্রিত হইয়া উষ্ঠীর পদ ও উক্ত মাস্যের চিন্থস্বরূপ যোগ্য পরিচ্ছদ, একখানি ছোরা, মণিমুক্ত খচিত একট কলমদান ও বহু মূল্যের একটা হীরকাঙ্গুরীয় প্রাপ্ত হন। এই সময় মালব ও আহ্মদাবাদবাসির এৰং দাক্ষিণাত্যের মহারাষ্ট্ৰীয়গণ