পাতা:বিশ্বকোষ দ্বাদশ খণ্ড.djvu/২১১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ত্রিপুরা প্তাহার গর্তে কোন সস্তান হয় নাই । অন্ত পত্নীর গর্ভে গুহার চারিট পুত্র হয়, তন্মধ্যে ছুইটীর শৈশবেই মৃত্যু হয় ও झुद्देो बौबिज्र श्गि । ইহার সময় ব্রহ্মদেশাধিপতি ত্রিপুরা ও আরাকান আক্রমণ করেন । সেনাপতি আগুমণি মগদিগকে পরাজিত করেন । আরাকান ব্রহ্মের অধিকৃত হয় । কুকিগণ বিদ্রোহী হইলে সেনাপতি আগুমণি তাহাদিগকে পরাস্ত করেন। রাজধর স্বীয় জ্যেষ্ঠ পুত্র রামগঙ্গাকে বড়ঠাকুর পদে নিযুক্ত করিয়া তাহার হস্তে রাজ্যশাসন ভার দেন। তিনি পিতৃমন্ত্রী কালীচরণের পরামর্শে সুন্দর রূপে রাজকাৰ্য্য নিৰ্বাহ করিতেন। শ্রীহট্টের জনৈক ভদ্র কারস্থের কন্যা চন্দ্র তারার সহিত রামগঙ্গা বড়ঠাকুরের বিবাহ হয় । রাজধর রাজধানীতে বৃন্দাবনচন্দ্র নামে বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা ও মোগর গ্রামে রাজধরগঞ্জ নামে একটী বাজার স্তাপন কবেন । রাজধর শেষ দশায় বৈরাগ্য অবলম্বন করিয়া ১২১৪ ত্রিপুরাব্দে (১৮০৪ খৃষ্টাবো ) কালগ্রাসে পতিত হন। | পিতার মৃত্যুর পর রামগঙ্গা রাজা হন ও ভ্রাত কাশীচন্দ্র যুবরাজ হন। যুবরাজ দুর্গামণি কুলাচার মতে রাজ্যপ্রাপ্তির জন্য আবেদন করেন, শেষে ১৮০৮ খৃষ্টাব্দে ১৮ই জুলাই প্রভিন্সিয়াল কোটের বিচারে তিনিই রেীসনাবাদ জুমদারীতে অধিকারী, সুতরাং রাজ্যধিকারী বলিয়। নির্ণীত হন । মহারাজ রামগঙ্গামাণিক্য সদর দেওয়ানীতে আপীল করেন । আপলেও দুর্গামণির স্বত্ব বজায় থাকে । এই নিম্পাদুবলে ইংরাজ গবর্মেন্ট দুর্গামণিকে ত্রিপুরাপতি বলিয়া স্বীকার করেন । রামগঙ্গ। রাজ্য ত্যাগ করিয়া শ্রীহট্টে গিয়া তথাকার বিষৰ্গা ও ও বলিশির নামক দুইটা পরগণার জর্মীদারী স্বত্ব লইয়া সপরিবারে বাস করেন। দুর্গামাণিক্য ১৮৯৯ খৃষ্টাব্দে রাজা হন । তিনি প্রথমে দেওয়ান রামরত্বের কন্যা সুমিত্রী দেবীকে বিৰাহ করেন, তাহার গর্ভে দুইট কন্য। জন্মে, তৎপরে নকুল গাইলিমের কন্ত, মধুমতীকে বিবাহ করেন। সদরদেওয়ানীতে মোকদমাব সময় ভূকৈলাসের রাজগণের পূর্বপুরুষ দেওয়ান গোকুলচন্দ্র ঘোষাল দুর্গামণিকে, বিস্তর সাহায্য করায় তিনি বাছা হইয়াই দেওয়ান গোকুল ঘোষালকে, একটা গ্রাম fनकब्र लॉन कtब्रन । to দুর্গামাণিক কাণীতে শিবস্থাপনা ও শিবমন্দির নিৰ্ম্মাণ করনি । তিনি তিন বৎসর রাজ্যশাসন করিয়া দ্বিতীয় বিদ্যমাণিক্যের পৌত্র শম্ভুচক্র ঠাকুরকে যুবরাজ পদো "ীি ছত্ৰদগুদ্ধি দিয়াছিলেন, কিন্তু তাহার অভিষেক হয় VIII ২১১ ] (r. 8 ত্রিপুর नारे। भडूरुtछब्र श्tख ब्राजाडांब्र निग्रा ठिनि कानै गाज! ੋਜ, **५ ४२२७ f3 قtts ) و . والا খৃষ্টাধের এপ্রেল মাসে ) পাটনায় তাহার স্বৰ্গলাভ হয় । দুর্গামাণিক্যের মৃত্যুর পর রামগঙ্গা ইংরাজের অসুগ্ৰছে *नद्राग्न ब्रांक श्न । क%भगि ঠাকুরের ( भ६ॉग्नtछ ब्राँझ ५tद्भद्भ জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা ) পুত্র অর্জুনমণি ঠাকুর মনোনীত যুবরাজ *डूफ़ठ #ाकूद्र ७ मश्रौि शभिद्ध भशtनदी ¢ओननादान छभैौদারীর জন্য মোকদম করেন, কিন্তু রামগঙ্গামাণিক্য পুরে বড়ঠাকুর ছিলেন বলিয়া সদর দেওয়ানী আদালতে তাছার স্বত্বই স্থিরীকৃত হইল। মোকদম শেষ হইলে রামগঙ্গ ১২৩১ ত্রিপুরান্ধে (১৮২১ খৃষ্টাব্দ জুন ) দ্বিতীয় বার রাজা হন । কাশীচন্দ্র পুনরায় যুবরাজ হন ও রামগঙ্গার পুত্র কৃষ্ণকিশোর दक्लिठाकूज़ श्हे८गन । শম্ভুচন্দ্র মোকদমায় হরিয়া কাইপেং প্রভৃতি কুকিগণের সহিত মিলিত হইয়া যুদ্ধের আয়োজন করেন, কিন্তু ত্রিপুরার সেনাপতি সুবা ধনঞ্জয়ের নিকট পরাস্ত হইলেন । ব্ৰহ্মরাজ ত্রিপুরা আক্রম করেন, কিন্তু রামগঙ্গা কৌশলে তাহাকে রাজ্যে প্রবেশ করিতে দেন নাই। ব্রহ্মযুদ্ধে ইনি ইংরাজের সাহায্য করেন । মহারাজ রামগঙ্গা মাণিক্য মোগরা গ্রামে একটী দীর্থিক। খনন করাইয়া গঙ্গাসাগর নামে অভিহিত করেন, তাই বৰ্ত্তমান আছে । তিনি স্বীয় গুরু ও গুরুপত্নীর নামে ভুবনমোহন ও কিশোরী দেবী নামে দুই বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করেন । তাহার এক মাত্র পত্নী ছিল । তিনি পারস্ত ভাষায় পণ্ডিত, শাস্ত্র ও শস্ত্ররিদ্ধা এবং মল্লযুদ্ধে পটু ছিলেন। ১২৩৬ ত্রিপু‘ब्राहक ( २४२७ १: अ८क २8हे नcषषद्र ) क्रयश्वश्:पंद्र भभग्र রাত্ৰিতে মস্তকে দীক্ষাগুরুর পদ ও রক্ষেশলিগ্রাম ধারণ করিয়া মহারাজ রামগঙ্গামাণিক্য স্বৰ্গলাভ করেন। বৃন্দাবনেও তিনি রাসবিহারী নামে দেবতা প্রতিষ্ঠা করেন । মৃত্যুর পর র্তাহার অস্থিগুলি বৃন্দাবনে সেই দেবtলয়ে প্রোথিত করা হয় । তাহার শ্লান্ধে ১৮ হাজার টাকা কেবল গরীবদিগকে দান করা হয় । - ১২৩৭ ত্রিপুরান্ধে (১৮২৭ খৃষ্টাব্দের মার্চ মাসে ) যুবরাজ কাণীচন্দ্র রাজা হন । রামগঙ্গামাণিক্যের সময় হইতে ত্রিপুরাপতির অভিষেক কালে বৃটিশরাজ খেলাত দিয়া থাকেন । কৃষ্ণকিশোর যুবরাজ ও কৃষ্ণচন্দ্র নামে কাণীচন্ত্রের পুত্র বড় ঠাকুর হন । কৃষ্ণচন্ত্রের মাত কুটিলাগী মহাদেবী মণিপুর রাজকন্ত ছিলেন। তিনি স্বপুলকে যুবরাজ করিতে বলেন। কাশীচন্দ্র তজ্জন্ত তাছাকে বিশেষ তিরস্কার করেন।