বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:বিশ্বকোষ দ্বাবিংশ খণ্ড.djvu/১৬৬

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

স্বষ্টিতত্ত্ব ক্রমে মৃত্তিকায় উৎপত্তি এবং মৃত্তিক কঠিন ও স্থির হইবার পূৰ্ব্বে অর্থাৎ যখন ইহা জলের উপর তৈলেঙ্গ স্কার তালিয়া বেড়াইতেছিল, তখন তাহা হইতে একটা ‘অসির উদ্ভব হয় এবং ক্রমে এই অলি হইতে মৃত্তিকাদি পরিদৃপ্তমান জগৎ স্বষ্টি হয় । खेख मरुण भङहे मानवकझनां ॐश्रङ ।। ७५न ७कदांब्र छूङरु ও মানবতত্ব প্রভৃতি আলোচনা করিয়া স্বষ্টি সম্বন্ধে কি কি অভিমতের সৃষ্টি হইয়াছে দেখা যাউক । এই পরিদৃগুমান জগতের ক্রমিক উৎপত্তি ও পূর্ণতা লাভ সম্বন্ধে ভূতত্ত্ববিদগণ এক প্রকার স্থির সিদ্ধান্তেই উপনীত হইয়াছেন। তাছার বাষ্পকেই জগতের মূলীভূত কারণ ধরিয়া লইয়া ক্রমে ক্রমে তাছা হইতে জীব ও জড়জগতের উৎপত্তি নিৰ্দ্ধারণ कब्रिब्रांtइन । ईशनिtशग्न मtऊ शृशिनैौब्र हेङिहांग, छौब ७ छफुজগতের ক্রমিক বিকাশ ও পূর্ণতালাভের হিসাবে, চারি যুগে বিভক্ত। প্রথম যুগে বাষ্প হইতে ক্রমে ক্রমে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের বিকাশ এবং পৃথিবী জীব-নিবাসোপবোগী হইয়াছিল, এইরূপ স্থিরীকৃত হইয়াছে। এই যুগের নাম আকিরান ইরা বা যুগ। ইহার পরবর্তী যুগত্রয়ে পৃথিবীর অবস্থা ক্রমশঃ উন্নত, এবং ক্রমে উন্নত হইত্তে উন্নততর জীব তাছাতে জ্ঞাত হইতে থাকে। দ্বিতীয় যুগের নাম পেলিওজইক ইরা, এই সময়ে কশেরুকাস্থিবিগন জীব, মৎস্ত, শজুক ও বৃক্ষলতাদির উদ্ভব হয় । তৃতীয় মেলোজইক যুগে সরীস্বপেরই প্রাবল্য ছিল বলিয়া অনুমিত হইয়াছে। এবং ৪র্থ বা শেষ ( সেনোজই ক্ ) যুগে স্থলচৰ্ম্ম জীবসমূহের ও মানব জাতির উৎপত্তি হইয়াছিল বলিয়া প্রমাণ পাওয়া গিয়াছে । জ্যোতিষ আলোচনার ফলেও এক প্রকার স্থিরীকৃত হইয়াছে যে, প্রদীপ্ত নীহারিকারাশির অবস্থাস্তুর ঘটাতেই এই জগভের অভিব্যক্তি হইয়াছে। বস্তুতঃ শ্রেষ্ঠ দার্শনিক পণ্ডিত কান্টও এইরূপ অভিমত প্রকাশ করিয়াছেন বে, আদিতে স্থখলা-রহিত বাষ্পময় পদার্থরাশি মাধ্যাকর্ষণ প্রভৃতি নৈসর্গিক নিয়মের বশবৰ্ত্তী হইয়া ঘুরিতে ঘুরিতে ক্রমশঃ ঘনত্ব ও কঠিনত্ব প্রাপ্ত হইয় পৃথিবীতে পরিণত হইয়াছে। ইহারা পুরাতন পৃথিবীর বিলোপ এবং নুগুন পৃথিবীর সৃষ্টি সম্বন্ধেও বিশেষ আস্থাবাৰু। ভূতত্ত্ব আলোচনার পূৰ্ব্বে পৃথিবীতে জীবজন্তুর স্বষ্টি সম্বন্ধে এই রূপ ধারণাই প্রবল ছিল যে, সকল জাতীর প্রাণীই এক সময়ে স্বল্প হইয়াছে। কিন্তু এই আলোচনার ফলে জীবজগতের স্বষ্টি সম্বন্ধে দুইটি বিভিন্ন মতের উদ্ভব হইয়াছে। প্রথম মতকে স্বষ্টিবাদ এবং দ্বিতীয় মতকে ৰিবৰ্ত্তন-বাদ বলা ঘাটতে পারে। ভূ . ভজের আলোচনা করিয়া পৃথিবীর জীবনের বে চাল্লিযুগ পাওয়া { ১৬e J - সেঁওলা গিয়াছে, তাহ হইতে বিবর্তনবাদ অনুসারে, এইরূপ সিদ্ধান্ত করা হইয়াছে যে, পিতা ও পুত্রের মধ্যে যে সম্বন্ধ, ৰিভিন্ন যুগের প্রাণীদিগের মধ্যেও সেই সম্বন্ধ, অর্থাৎ প্রথম যুগের প্রাণীদিগের দেহের ও শক্তির ক্রমিক পরিবর্তন ও উন্নতির ফলে ক্রমশঃউন্নততর প্রাণীর স্বষ্টি হইতে হইতে অবশেষে মানুষের উৎপত্তি হুইয়াছে, এই মতের প্রধান প্রবর্তক ডারউইন বলেন বে, বানর झ्टेंtङहे एक्लम** मtङ्गब्र ऊँडव श्हेग्रां८छ् । किरू ऋ8ियांनगमर्षरू** বলেন যে, বিভিন্ন যুগের প্রাণীদিগের মধ্যে এষ্টরূপ কোন রক্তমাংসের সম্বন্ধ নাই। মানুষ স্থষ্টি করিবেন বলিয়াই ভগবান পৃথিবী স্থষ্টি করেন, ভূতত্ত্বৰিন্দ্রগণের নির্ণীত ভাবে ইহাকে রূপান্তরিত ও ইহাতে জীব স্বষ্টি করেন এবং এই ভাবে বখন ইহা সৰ্ব্বতোভাবে মনুষ্যবাসের উপযোগী হয়, তখন ইহাতে মমুষ্যের অবতারণা করেন । সৃষ্টিদ (স্ত্রী) খছিনামক ঔষধি। ( রাজনি• ) স্বষ্টিধর (পুং ) ১ পুরুষোত্তমরচিত ভাষাবৃত্তিয় টীকাকার । সৃষ্টিপত্তন ( ক্লী ) পঞ্চরাত্নবণিত ইশ্রজালভেদ । সৃষ্টিপ্রদ (স্ত্রী) কৃষ্টিং ভদ্ধেতুভূতগর্তং প্রদাভীতি স্বষ্টি-প্র-জাক । গৰ্ভদাত্রীক্ষুপ । ( রাজনি” ) সৃষ্টিমণ্ড (ত্রি) স্থষ্টি অস্ত্যর্থে মতুপ, । স্থষ্টিযুক্ত, স্বষ্টিবিশিষ্ট । স্ব, eিংস। ক্রাদি পরস্মৈ সক" অনিট লট, মৃণাতি। লিঙ তুলীয়াৎ। লিট, সসার, সগরতু, পশতু। লুঙ, অসারত। লুট, সরিত, সরীতা । শিচ সাররতি । লুঙ, অঙ্গীসরৎ। সে, ( দেশজ ) তিনি, তদশজ। তদ শব্দের প্রথমার একবচনে ‘স’ হয়, এই স শব্দের অপভ্রংশে সে হইরাছে । সেঅবধি ( দেশজ ) তদবধি, তৎকালপর্য্যন্ত । সেই (দেশজ ) তিনি, সেই, পূৰ্ব্বে যাহার উল্লেখ করা হইয়াছে, তদব্যক্তি । সেউতী (দেশজ ) সেচনীশাজ । নৌকার জল সেচিবার জষ্ঠ কাঠের, বাশের, বেতের বা লৌহাদিনিৰ্ম্মিত পাত্র। কাঠের ছিদ্র দিয়া নৌকার মধ্যে বে জল উঠে, সেই জল ফেলিক্স बिाझ अछ रुईििनउि cरु भोज दाबक्षउ इङ्ग, फाशष्क 5गिर्ष ভাষায় সেউতী বা কেটকে কহে।

  • কাঠের সেউতী মোর হইল অষ্ঠীপদ * ২ পুষ্পবিশেষ, সেউতী ফুল । সেওড়া (দেশজ ) শাখোটবৃক্ষ। [ শাখোট রেখ। ] সেঁওলা (দেশজ) পুষ্করিণী প্রভৃতিতে জাত উদ্ভিদ পদার্থবিশেষ। যে সকল পুষ্করিণী পুরাতন বা খারাপ হইয়াছে, তাহাতেই ইহা জন্মে। ক্ষুদে সেওলা, টোকা সেওলা, কাটা সেওল ইত্যাদি অনেক প্রক্ষার সেওল দেখিতে পাওয়া বায় ।

(अझशाश्व”)