লোহাগা পোক-হে। নামক স্থান হইতে হিমাচল বৃঙ্গ অতিক্রম করিয়া সোহাগা যুক্তপ্রদেশে আনীত হয়। তাতাররাজ্যের এবং তিব্বতের অষ্টাছ কতক স্থানের সোহাগা পঞ্জাব প্রদেশে বিক্রয়ার্থ নীত হইয় থাকে। পরে ঐ স্থান হইতে কতক বোম্বাই ব করাচীর পথে এবং কতক বাঙ্গাপার বৈদেশিক বাণিজ্যর্থে চালিত হয় । এখানকার বাজারে বিলাতী, কাণপুরী (তিব্বতীয়) এবং করাচী (ভেলিয়া টঙ্কস্কর) নামক তিন প্রকার সোহাগ সাধারণের বিশেষ উপকারে লাগে । স্বশ্ৰন্তে ইহার ভেষজ গুণ বর্ণিত হইয়াছে । ইহা বলকারক ও অগ্নিমন্দ্যি-নাশক । কষ্টকর অঞ্জীর্ণ কাশি ও ছাপানি রোগে ইহা বিশেয উপকারে আইসে । সোহাগামিশ্রিত জল স্বারা গা ,গীত ধৌত করিলে শীঘ্র শীঘ্ৰ ক্ষতের উপশম হুইয়। থাকে । সোহাগ অগ্নিতে পোড়াইয়া সেই "লোহাগার থৈ” মধুতে মাড়িয়া মুখে লাগাইলে মুখের, জিহার ও দস্তমাড়ীর ঘাৰতীয় রোগ আগ্নোগ্য হয়। গাত্রের মূত্রনালী ও জননেস্ক্রিয়ের দারুণ কগু উপস্থিত হইলে লোহাগ ব্যবহারে উপকার পাওয়া যার । কারণ স্নায়বিক ঝিল্লির নিয়মের উপর উহার বিৱেচনশক্তি সৰ্ব্বাপেক্ষ অধিক । পাশ্চাত্য চিকিৎসকগণ অনেক গুলে সোহাগার আভ্যস্তৱিক প্রয়োগ যুক্তিযুক্ত বলিয়া স্বীকার করেন না, কিন্তু তাছার শোথ, উদল্লী ও অপস্মার রোগে ইহা ব্যব: চার করিয়া থাকেন। জরায়ুতে ইহার ক্রিয়া অধিক, ইহ। এঞ্জেনিগম বুদ্ধি করে এবং প্রসবের সহায়। রজ:কৃচ্ছ ও বাধকবদনায় ইহা বিশেষ ফলদায়ক এবং স্থলবিশেষে রজোরোধক বলিয়। কথিত । বোরাসিক এসিডের যোগে মলম প্রস্তুত করিয়া ডাক্তারগণ সাধারণতঃ হক। ব্যবহার করিয়া থাকেন । বিচচিক1, পাম, দক্র, কং (চুলকানি), বিসর্গিকা, অরুণিক প্রভৃতি রোগে ইহা বিশেষ ফলদায়ক । বাজারে যে সোহাগ। যিক্রীত হয় তাহা এলেটিক এসিডেয় (aceuc acids) জলে মিলাইয়া দ্বত্র অথবা কঙুস্থান বিধৌত কন্সিয়া ব্যবহtয় করিলে ফল দশে। অনেক স্থলে ফটাকরির স্তায় গোষ্ঠাগার জলে কবল করিলে মুখক্ষত আরোগ্য হয় । ডাক্তার-গণ তা মূল প্রধাহে (Tonsilitis ) গ্লিসরিন çnito| Çsite1%ti 21üfzı <st# ai «Itt<şäı, éşı Boro Glycilıde নামে অভিহিত । এতদ্ভিন্ন শিল্পবিষয়েও গোহাগার উপকারিত যথেষ্ট। ছিট ছাপাই ( Calico wriuting ) করিতে হরিদ্রাদি যে সকল রঙ লাগান যায়, সোহাগার জলে তাছ। পাক হুষ্টয় উঠে । সকল প্রকার মাটীর পাত্র, চীনাপাসন, লৌহপাত্র, ঘড়ির ডাল প্রভূতির উপয়ে মহলত ও ঔজ্জ্বল্য সম্পাদনার্থ সোহাগাই ব্যবহৃত इईब्रl थtप । गौनांब्र *ांब भुमि ८गांश्[*ांब्र कणांहे कन्नl झछ उठाश्! [ २०२ ] সেহিনি হষ্টলে অধিক দিন স্থায়ী হয়। ৰে সকল ধাতুর উপরে মরিচ? বা দাগ পড়ে তাহা পরিষ্কার করিয়া তুলিবার জন্ত ঐ পাত্রে সোচাগা আনিয়া অt গুনে পোড়াইতে হয়। ভারতীয় জহরীর} ও স্বর্ণকারের অনেক সময় সোহাগা হইতে কৃত্রিম মণি ( মিনার কাজের হার ) প্রস্তুগু করিয়া থাকে। সোগগা উত্তপ্ত লৌহের স্থায় অগ্নিতে পোড়াইলে উহা গ্ৰথমে ফাটির যায় ও গলিয়। তরল হয়, তৎপরে উহা ক্রমশঃ ক্ষেনিবাতাসার স্তায় ফোপর হইয় ফুলিতে থাকে। যখন উত্তাপে উহা অগ্নিবর্ণ হইয় উঠে এবং তাহাতে বিন্দুমাত্র জলীয়াংশও থাকে না, তখন উছ কাচের স্তায় স্বচ্ছ হয়। ঐ অবস্থায় মালার স্থায় ছাচে ঢালিয় লওয়া যায়। উহাই এক্ষণে রাসায়নিক পরীক্ষার জন্ত সৰ্ব্বত্র রক্ষিত হইয়া থাকে। ঐ রূপ একটি মালা উত্তপ্ত করিরা তাঙ্গতে কোন প্রকার মেটালিক্ সলট সংযোগ করিলে উহার রূপান্তর পরিলক্ষিত হয় । সাব, অক্মিদ আব, কপারযোগে উহা লালবর্ণ, ফেরস অক্সিগযোগে সবুজবর্ণ, কোবান্ট, অক্সিদযোগে নীলবর্ণ, মাঙ্গানিজ সলটস্ যোগে বেগুনীবর্ণ বোরিক অক্সিনযোগে লালৰণ ইত্যাদি মুন্দর মুনীর বর্ণ ধায়ণ করে । ইহা ছাড়া ইহার পচননিবায়কতাশক্তি বাণিজ্য दिषtब्र म{िItभक आमद्रगैग्न । खैौवभांश्म, झण, भूल, भांक. সবজি প্রভৃতি সোহাগাযোগে বহু বৎসর প্রকৃত অবস্থায় झु|६४l शोग्न ? লোহাগিনী (স্ত্রী) সৌভাগিনী শব্দের অপভ্রংশ। লোহাগবিশিষ্ট । লোহানা—পঞ্জাবের গুরগাঁও জেলার অন্তর্গত গুরগাও তই শলের অধীন একটি মিউনিসিপালিটি ও সহয়। এখানে একটি গন্ধকের উৎস আছে । ইহা অক্ষা” ২৮°১৪’ উঃ ও দ্রাঘি” ৭৭°৭* পূৰ্ব্বে, মেৰাত শৈলের পাদদেশে এবং গুরগাও হইতে ১৫ মাইল দুয়ে আলবার রাস্তার পার্শ্বে অবস্থিত। এখানে প্রথমে হিন্দু রাজপুত এবং পরে মুসলমান রাজপুতগণ প্রাধান্ত স্থাপন করিয়৷ ছিলেন । শেবোৰু রাজশদিগের প্রভাবের নিদর্শনস্বরূপ এখনও এখানে প্রাচীন মসজিদ দেখিতে পাওয়া যার। এখান হইতে बिडाफ़िउ हल्लेग्न। हिन्नू ब्राखभूडद१न बाहेब्रl छांगकाम बान कहिtज् ছিলেন । হঠাৎ এক সময়ে কুলদেবতা কর্তৃক স্বপ্নে আদিষ্ট হইয়া তাহার এই স্থান পুনঃধিকার করিবার জন্ত অঞ্চসব হইলেন এবং তুমুল যুদ্ধের পরে ইহা পুনৰ্ব্বার হস্তগত করিলেন। তদবধি ইছা তাহাদিগের বংশধরগণেরই অধীনে রহিয়াছে। ०४०० थुः श्रएल cगाशमाग्न हे:ब्राख-श्रषिकांब्र विकृङ इब्र। ७षन ভরতপুরের জাঠের এখানকায় কর্তা ছিলেন। সহরটি ছোট হইলেও বেশ উন্নতিশীল । এখানে দেশীয় শস্ত, চিনি এবং কাচের চুড়ির ব্যবসায় বেশ চলিতেছে। সহরের কেজস্থলে গৰুকের
পাতা:বিশ্বকোষ দ্বাবিংশ খণ্ড.djvu/২০৮
অবয়ব