সুমেরু চপয়াছে ও এপানে বা ফল্-লে নামক উপসাগর হইতে যে স্রোন্ত আসিতেছে, তাহাব সঙ্গে মিলিত হইয়াছে । এই সন্মিলিত স্রোত বরফপুঞ্জ বক্ষে লষ্টয়া গাব্রাডোর উপকূল ধরিয়া দক্ষিণ হুমূপে নিউফাউগুল ৭ পর্যা স্ব প্রবাচিত হইতেছে । সুমের পদেশ হইতে আর একটি যে দক্ষিণাভিমুখী স্রোত প্রবাঙ্গিত ইষ্টতেছে, তাক পাবিদ্বীপপুঞ্চেপ সকলগুলি প্ৰণালী ও গাড়ি, এবং ফিউর ও হেক্গা প্রণালীপ মধ্য দিয়া বা ফন্-বে ও ডেভিস প্রণালী পৰ্য্যস্ত আসিয়াছে । *. বরফ-সমুদ্ৰ—ষে অপরিমেয় বরফ-রাশি প্রতিনিয়ত এষ্ট প্রদেশে সঞ্চাভ হইতেছে, তাঙ্গার অতি অল্প পরিমাণই এই দক্ষিণাভিমুখী স্রোতদ্বার নিম্নদেশে অবতরণ করিতে পারে। ইহাদের অধিকাংশষ্ট ক্রমাগত মিলিত, বৰ্দ্ধিত ও গুপীকৃত হইয়া সমুদ্র-পুষ্ঠে এক জঙ্গম মঙ্গদেশে পরিণত হইতেছে । স্থানে স্থানে বরফের পাহাড় শত ফিট পৰ্য্যস্ত উচ্চ হইয়া উঠিয়াছে । উপকুলের অধিবাসী—যুরোপ, এসিয়া ও আমেরিকায় যে অংশগুলি মেরুম গুলের মধ্যে পড়িয়াছে, সেগুলিতে মানবজাতির বাগ দৃষ্টিগোচর হয়। এতদ্ব্যতীত ইছারা বুথিয়ার উপকুল এবং ডেভিস প্রণালী ও বাফিনসবে উপসাগরের উভয়তীরেও আপনাদিগের আবাসস্থল প্রতিষ্ঠা করিয়াছে । সাধারণতঃ মৎস্ত থাইয়াই টহাদিগকে জীযনধারণ করিতে হয় । সেইজন্ত প্রধানতঃ ইগর সমুদ্রাপকুলেষ্ট যাস করিয়া থাকে। স্পিটসবার্জেন, ফ্রান্সজোসেফ লণ্ড ও নব-জেমন্ত্রায় মানুষের মুখ দেখিতে পাওয়া যায় না । য়ুরোপের যে অংশ মেরুমণ্ডলের অন্তভূতি, তাছার অধিবাসীদিগকে লাপ বলে। সামোয়েদের কারা-সাগয়ের কুলে এবং ইয়াল মস উপদ্বীপে বাস করিয়া থাকে। লাপের ও সামোয়াদের বলগা হরিণ পুবির থাকে, এবং শান্ত আরম্ভ হইলে সমুদ্র-তীর ছাড়িয়া অভ্যন্তর প্রদেশে যাক্টর প্রবেশ করে । সাইবেরুিয়ার উপকুলে যে এক সময়ে লোক বাস করিত, তাহার প্রমাণ পাওরা যায়। ইগরা হয় একেবারে নিৰ্ব্বংশ হইয়া গিয়াছে,নতুবা অভ্যস্তর প্রদেশেয় দিকে সরিয়া আসিয়াছে। বর্তমানে, কলম চইতে বেরিং প্রণালী পর্যন্ত বিস্তৃত সাকৃতচেপলিগের শিবির সন্নিবেশে না আসিলে আয় মাসের সাক্ষাৎ পাওয়া যায় না। এসকিযে নামক এক জ্ঞাতিকে মেরুম গুলস্থ আমেরিকার সর্বাংশে ও গ্রীনগণ্ডের উপকুশে বাস করিতে দেখা যায়। আমেরিকার উৎরে যে দ্বীপপুঞ্জ আছে, তাছাতে ও চতুষ্পাশ্ববর্তী ৰিস্তীর্ণ প্রদেশটিতে একেবারেই লোকেল বাস নষ্ট । ১৮১৮ খৃঃ অব্দে জন রস যাচাদিগকে আর্কটিক হাইলগুরি নাম দিয়াছিলেন, সেই জাতিই বোধ হয় পৃথিবীর সৰ্ব্বোত্তর প্রদেশবাসী। ইছারা গ্রীনলগুের উপকূলে ৭৬ s "రిe i | | { | | সুমেরুজ ( স্ত্রী) সুমেরু-জন-ড, স্ক্রিয়াং টপ,। j স্বমেরুবৃত্ত হইতে ৭৯ পর্য্যন্ত বাস করিয়া থাকে। দেনমার্কের অধিকৃত গ্ৰীৰূলণ্ডে এসকিমোর ঔপনিবেশিকদিগের সঙ্গে মিশ্রিত হইয়া পড়ে। তাছার ফলে যে বর্ণসঙ্কর জাতির উদ্ভব হইয়াছে, ১৮৫৫ খৃঃ অব্দে তাহার সংথ্যা মোট অধিবাসীর মধ্যে শতকরা ৩৯ জন হিসাবে নিৰ্দ্ধারিত হষ্টয়াছিল। এখন খাটি ঔপনিবেশিক কেত আছে কি না সন্দেহ । গ্রীনলণ্ডের পূৰ্ব্বোপকূলে কতকগুলি বিক্ষিপ্ত পরিবfরও দেখিতে পাওয়া যায় । , এখন সুমেরু প্রদেশ চিরতুষারমণ্ডিত মানব সাধারণের বসবাসের অনুপযুক্ত বলিয়া প্রতিভাত হুইলেও অতি পূৰ্ব্বকালে এই স্থানের প্রাকৃতিক সংস্থান এরূপ ছিল না । ভূতত্ত্ববিদেরা প্রমাণ করিয়াছেন, আজ বে স্থান চির তুষারময় বলিয়। সুখী মানবের কণ্ঠদায়ক ও অসহ এবং উপাদেয় ফলমূল বৃক্ষণদি উৎপাদনের অস্থাপযোগী,সেই উত্তর মহাদেশ (Arctic Regions) এক সময়ে আৰ্য জাতির নন্দনকানন ( Paradise ) বলিয়া গণ্য ছিল। প্রায় দ্বাদশ সহস্র বর্ষ পূৰ্ব্বে এই চিরস্থদের ভূভাগে হিম৫ালয় ঘটিয়া ইহার সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক বিপর্যায় ঘটিয়াছে। যতদিন হিমপ্রলয় ঘটে নাই, যতদিন তুষারসম্পাতে উক্ত প্রদেশের প্রাকৃতিক পরিবর্তন সাধিত হয় নাই,-সেই অতীত যুগে এদিয়া ও যুরোপের সৰ্ব্বোত্তর ভূভাগ শীতলগ্রীষ্ম এবং উষ্ণশীত ঋতু মণ্ডিত অর্থাৎ চিরবসন্তবিরাজিত সকল উপাদেয় ফলমূলের উদ্যান স্বরূপ ছিল, সেও প্রার ২১• • • বর্ষের পূর্বকার কথা । স্থপণ্ডিত বালগঙ্গাধর তিলক মহাশয় জগতের আদিগ্রন্থ ঋক্সংহিতা ইষ্টতে প্রমাণ প্রসঙ্গ উদ্ধৃত করিয়াছেন। সেই অতি পূৰ্ব্বকাল হইতেই বৈদিক আৰ্য্যগণের মধ্যে সভ্যতার স্রোত বহিতেছিল,তখন হটতে তাহার নানা যাগযজ্ঞ ও জ্যোতির্ষিক তত্ত্ব অবগত ছিলেন। সেই সুদূর অতীত কালে ছিমপ্রলয়ের সমরে ভীষণ তুষারসমুদ্রের তরঙ্গ আসিরা চিরবসস্তবিরাজিত স্বমেরুকে বিধ্বস্ত ও লক্ষ লক্ষ প্রাণীকে মৃত্যুমুখে নিপাতিত করিল। তৎকালে সেই লোকক্ষয়কর দারুণ তুষারপ্লাবন হইতে যে কয় মহাত্মা আত্মরক্ষায় সমর্থ হুইয়া পামির নামক এলিয়ার সৰ্ব্বোচ্চ স্থানে আগিয়া উপনিবেশ স্থাপন করেন,তাহারা অথবা তাছাদের বংশধরগণ সেই আদি বাসভূমির নামানুসারে নববাসেরও ‘সুমেরু' নামকরণ করিয়াছিলেন, এই সুমেরুর বিবরণষ্ট নানাপুরাণে বিবৃত হইয়াছে,এযং এই স্থানই এক্ষণে পামির' নামে পরিচিত । [বেদ ও বর্ণলিপি শব্ব দ্রষ্টব্য ] স্বমেরু পৰ্ব্বভ হইতে নিঃস্বতী নদী। - - স্বমেরুবৃত্ত, উত্তরমেরু হইতে ২৩০° অক্ষাংশ অঞ্চয়ে স্থিত cool I (Arctic circle)
- B. G. Tilak's Arctic Homs in the Vedas, р, 26.*