বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:বিশ্বকোষ দ্বাবিংশ খণ্ড.djvu/৫৩৬

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

হর্ষবৰ্দ্ধন अ८क कfणण ( १श्रामब्राआ ) छग्न कब्रिग्रां ॐाशब्र जिज्ञैषांम পরিতৃপ্তি হয়। এই ভাবে ক্রমশঃ আধিপত্য-বিস্তার করিতে করিতে শেষ অবস্থায় তিনি প্রায় সমগ্র উত্তর-ভারতের একচ্ছত্র সম্রাট, হইয়া বসিয়াছিলেন । হিমালয় হইতে নৰ্ম্মদ নদী পর্য্যন্ত সমগ্র প্রদেশে, মালব, গুর্জর এবং সৌরাষ্ট্র এই সকল বিভিন্ন রাজ্য লইয়া তাছার সাম্রাজ্য গঠিত হইয়াছিল। পশ্চিমে জামাত। বলভাপতি এবং পূৰ্ব্বে কামরূপাধিপতি ভাস্করবর্ণাও তাছার শাসন মান্ত করিয়া চলিতেন । র্তাহ:র বিজয়ব্যাপারের একটু বিশেষত্ব ছিল যে, বিজিত রাঞ্জাদিগকে প্রায়শঃই তিনি একেবারে রাজ্যচু্যত করিতেন না । স্ব স্ব ক্ষুদ্র রাজ্যের আভ্যন্তরীণ শাসনব্যাপারে তাহাদিগকে তিনি যথেষ্ট স্বাধীনতা পরিচালনা করিতে দিতেন । তবে এই বিস্তীর্ণ রাজ্যের প্রায় সকল স্থানই তিনি স্বচক্ষে পরিদর্শন করিতেন । কখনও কোন কৰ্ম্মচারীর উপর এই ভার অর্পণ করিয়া তিনি নিশ্চিন্ত হইতে পারেন মাষ্ট । বর্ষা ব্যতীত প্রায় সকল সময়েই তিনি এই পরিদর্শনকাৰ্য্যে ব্যয়িত করিতেন এবং আবহু কমত দোষীকে শাস্তি ও গুণীকে পুরস্কার দিতেন । সম্রাটু নিজে সাহিত্যানুরাগী ও সাহিত্যিকের পৃষ্ঠপোষক বলিয়। অনেক বিদ্বাৰু আসিয়া তাহার সভা অলঙ্কত করিয়াছিলেন, তাহাদিগের মধ্যে শ্ৰীহৰ্ষ-চরিত-প্রণেতা বাণভট্টই প্রধান । হর্ষবৰ্দ্ধনের যুদ্ধস্পৃহ এজই প্রবল ছিল যে, মৃত্যুর অন্তি অল্প কয়েক বৎসর পূৰ্ব্বে তিনি অস্ত্রত্যাগ করিয়া দেশে শাস্তি ও শৃঙ্খলাস্থাপনে এবং শিল্প ও শিক্ষার উন্নতিসাধনে পূর্ণ মনঃসংযোগ করিতে সমর্থ হইয়tiছলেন। ছর্ষের সময় রাজকীয় বিধিব্যবস্থা পরিবর্তনের প্রয়োজন কুইয়াছিল । এ সময় নানা অপরাধের কথা শুনিতে পাওরা যায়। পুকে এ সকলের এক প্রকার অস্তিত্বই ছিল না। তবে দেশের নৈতিক অবস্থা ক্রমশঃই যে একটু হীন হইয়া আসিতেছিল, তাছাতে সন্দেহ নাই । খৃষ্টীয় চতুর্থ শতাব্দীতে ফা-হিএন্‌ যখন তারতের নানা স্থানে পয্যটন করিয়া বেড়াইতেছিলেন, তখন তাছার সুদীর্ঘ প্রবাসকালের মধ্যে কখনও কেহ একটি কtণা কড়িও অপহরণ কয়ে নাই । কিন্তু সম্রাটু হর্ধের সময়ে মধ্যে মধ্যে দস্থাত হুইতেছিল। পথিমধ্যে চীনপরিব্রাঞ্জক হিউএনসিরঙ্গের দ্রব্যসম্ভার একাধিকবার লুষ্ঠিত হইয়াছে । চরিত্রহীনতার বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শাস্তির কঠোরতারও বৃদ্ধি হইতেছিল। পূৰ্ব্বে যেমন সাধারণতঃ অর্থদণ্ড করা হুইত, এখন সেইরূপ সাধারণতঃ কারাদণ্ডের ব্যবস্থা চলিয়াছে । কারাদণ্ডে দণ্ডিতদ্বিগের জীবন শৃগালকুকুরের জীবন অপেক্ষ। শ্রেষ্ঠ বলিয়া বিবেচিত হইত না । কারাগায়ে ইহাদিগের [ eరితి | J হর্ষবৰ্দ্ধন আহারের বা বাসস্থানের কোনই বন্দোবস্ত ছিল না । ইহাদিগের জীবন মরণ যেন সমানই কথা । গুরুতর অপরাধের জন্ত অনেক সমর হাত পা নাক কাণ প্রভৃতিও কাটিয়া ফেলা হইত । পিতা মাতার প্রতি কৰ্ত্তব্যকার্য্যে অবহেলার জন্ত ও অনেক সময় এইরূপ শাস্তির ব্যবস্থা ছিল। তবে বিচায়ক ইচ্ছা করিলে এই সকল গুরুতর দণ্ডের পরিবর্তে নিৰ্ব্বাসনদওও বিধান করিতে পাৰিতেন । ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অপরাধ করিলেই অর্থদণ্ড করা হইত । সত্যতানিদ্ধারণের জন্ত অনেক সমর অগ্নি, জল ও বিধ প্রয়োগ প্রভৃতি কঠোর পরীক্ষার অবতারণ করা হইত। রাজা ও প্রজার সম্বন্ধ এ সময়ও বড় স্বনীর ছিল। রাজার কতকগুলি থামায় জমি ছিল । এই জমিতে উৎপন্ন শস্তের এক ষষ্ঠাংশ মাত্র রাজা করশ্বরূপ গ্রহণ করিতেন। প্রজার উপর যে সকল কর নিদ্ধারিত হইত, তাহাও অতি সামান্ত ছিল । বেতনের পরিবত্তে রাজকৰ্ম্মচারীদিগকে জমি দেওয়া হইত। সরকারীকাজে কখনও বিনা মজুরীত্বে লোক খাটান হইত না । প্রাক্কাতপুঞ্জের দুঃখকষ্ট, অভাব-অসুবিধার যাহাতে লাঘব হইতে পারে, সেই জষ্ঠ রাজার যত্ন ও চেষ্টার ক্রটি ছিল না । সাম্রাজ্যের নানাস্থানে ধৰ্ম্মশালা প্রতিষ্ঠিত হইয়াছিল। এই সকল আশ্রমে খাদ্য ও পানীয়ের সঙ্গে সঙ্গে বিনামূল্যে ঔষধপথাদি বিতরণের ও ব্যবস্তা ছিল । প্রত্যেক ধৰ্ম্মশালায় এক এক জন করিয়া রাজকীর চিকিৎসক থাকিতেন, ইনি বিনা পারিশ্রমিকে রোগীদিগকে চিকিৎসা করিতেন । সহরে ও গ্রামে গ্রামে পান্থশাল, অনাথ ও আতুয়াশ্রমের অভাব ছিল না । চর্ষবৰ্দ্ধন হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈন সকল ধৰ্ম্মেষ্ট সমদৰ্শী ছিলেন। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের জন্ত রাজকোয হইতে মুক্তহস্তে অর্থদান করা কষ্টত । বহু হিন্দুদেবমন্দির এবং বৌদ্ধ ধৰ্ম্মশ্রমের প্রতিষ্ঠা করিয়৷ সম্রাটু প্রকৃতিপুঞ্জের ধৰ্ম্মাচরণের পথ সুগম করিয়া দিয়াছিলেন। রাজা হইতে প্রজা সকলেই তখন স্বাধীন ভাবে ধৰ্ম্মমত গঠন ও পোষণ কগ্নিতে পারিতেন । রাজপরিবারেই নানা ধৰ্ম্মের লোক ছিলেন। সম্রাটের পিতা প্রভাকরবর্দ্ধন একজন নিষ্ঠাবান স্বর্ষ্যোপালক ছিলেন । পুষ্যভূতি নামক র্তাহার এক জন পুৰ্ব্বপুরুষ পরম শৈব ছিলেন, তিনি অস্ত কোন দেবদেবী মানিতেন না। রাজ রাজ্যবৰ্দ্ধন ও রাজতগিনী রাজ্যশ্ৰী বৌদ্ধধৰ্ম্মের প্রতি প্রগাঢ় অনুরক্ত ছিলেন। সম্রাট, হৰ্ষবৰ্দ্ধন নিজে প্রথম অবস্থায় পরম শৈব ছিলেন, কিন্তু শেষ অবস্থায় তিনি বৌদ্ধমতের প্রতিই সমধিক আকৃষ্ট হইয় পড়েন। হিউএনসিরঙ্গের সঙ্গে প্রথমে বঙ্গদেশে তাহার সাক্ষাৎ ও আলাপ পরিচয় হয়। পরিব্রাঞ্জকের বক্তৃতা ও উপদেশ শুনিয়া তিনি এতই মুগ্ধ হইয়া পড়েন যে, নিজ রাজধানী কাঙ্কফুজে তাছায় বস্তৃতা শুনিৰার জষ্ট